ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বুধবার, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১০ শাবান ১৪৪৫ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

বেহুদা প্যাঁচাল

জাতীয় পার্টিতে বিষাদের যন্ত্রণা

শামীমুল হক
১৪ জানুয়ারি ২০২৪, রবিবার
mzamin

নির্বাচনের আগে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে যে নাটক হয়েছে তা চরম ক্ষতি করে দলের। শেষমেষ মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগের দিন ২৬টি আসনে সমঝোতা হয়। সেসব আসন থেকে আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় প্রার্থী সরিয়ে নেয়। কিন্তু রেখে দেয় ডামি প্রার্থী। এই ডামি প্রার্থীর ব্যাপারেও কোনো সমাধান আনতে পারেনি। নির্বাচনে এর ফল পেয়েছে জাতীয় পার্টি। এ অবস্থায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদসহ অনেকেই নির্বাচন করেননি। তারা নানাভাবে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। শেষ পর্যন্ত কাজী ফিরোজ রশীদসহ দুই জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনের পর পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর অপসারণ চেয়ে দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞাপন
জাতীয় পার্টির যেখানে আশা ছিল তারা সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসবে। সেখানে এ নির্বাচন তাদের বিরোধী দল তো দূরের কথা আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেয়া আসনগুলোতেই জয়ী হতে পারেনি। মাত্র ১১টি আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। নির্বাচন নিয়ে জিএম কাদের নানা সময়ে নানা কথা বলেছেন। কখনো বলেছেন, পরিবেশ দেখে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আবার কখনো বলেছেন, নির্বাচনে যাবো কিনা ভাবতে হবে। আবার বলেছেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া আত্মঘাতী হবে। তার একেক সময় একেক কথা বলা নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ তার বড় ভাই সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে টেনে আনেন এখানে। কেউ কেউ এরশাদের চেয়ে কাদেরকে অদূরদর্শী হিসেবে আখ্যা দেন।

‘এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে/জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে।’ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার মেঘনাদ বধ কাব্যে লক্ষণ কার সাহায্যে রাক্ষসপুরীতে প্রবেশ করলো তা বুঝতে পেরে অরিন্দমের বিষাদের কথা এ উক্তির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাসের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বক্তব্য শুনে কবির এ উক্তিটি মনে পড়ে গেল। জিএম কাদের কী বলেছিলেন? তিনি অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ কথা রাখেনি। যে নির্বাচন হয়েছে তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না বলেও মন্তব্য করেন। তার এ বিষাদের যন্ত্রণায় কাতর গোটা জাতীয় পার্টি। কিন্তু এ বক্তব্য তার দলের অনেক নেতার কাছেই গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তারা প্রকাশ্যে জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন। সেদিন কাদের বলেছিলেন- আওয়ামী লীগ আমাদের আশ্বস্ত করেছিল নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তাদের ওপর সেই আস্থা রেখেই আমরা নির্বাচনে গিয়েছি, কিন্তু তারা তাদের কথা রাখেনি। এরকম করলে তো যুদ্ধ ছাড়া অন্যকিছু দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। জিএম কাদের এও বলেন, সার্বিকভাবে দেশের নির্বাচন ভালো হয়নি। আমরা এটি আশঙ্কা করেছিলাম। সরকার যেখানে চেয়েছে নির্বাচন নিরপেক্ষ করেছে, আবার যেখানে চেয়েছে তাদের প্রার্থীকে জিতিয়েছে। তাই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। আমার মূল্যায়নে সরকারের নিয়ন্ত্রিত এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার কথা না। 

তিনি নির্বাচন প্রসঙ্গে আরও অভিযোগ আনেন, আওয়ামী লীগ নিরপেক্ষ প্রশাসন, অস্ত্র- পেশিশক্তি ও অর্থের প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু তারা সেই কথা রাখেনি। নির্বাচনের রাত থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের হয়রানি-হামলা করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন ১০টা থেকে ২টার মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্র দখল করে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের এজেন্টকে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে নৌকায় সিল মেরেছে। এক্ষেত্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন নীরব ছিল। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। নির্বাচনে আমরা আশানুরূপ ফল পাইনি। সরকার মিডিয়ার মাধ্যমে বারংবার প্রচার করেছে আমাদের আসন ছাড় দেয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ওই ২৬টি আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র শক্তিশালী প্রার্থীকে রেখে দেয়া হয়েছে। তাদের দল বহিষ্কার করেনি ও দলীয় লোকজন ওই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। সকলের ধারণা আমরা আওয়ামী লীগের বি টিম হয়ে কাজ করছি। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এটি প্রচার করে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এ নির্বাচনে দেশের রাজনীতিতে নতুন ধরনের ডায়মেনশন দেখা গেল। যা ভবিষ্যতে সরকারকে এর জন্য মাশুল দিতে হবে।

২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে ২০২৪ সালের নির্বাচন পর্যন্ত সরকারকে সহযোগিতা করেছে জাতীয় পার্টি। বলতে গেলে জাতীয় পার্টির অন্ধ সমর্থনের কারণে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন দেখছে জাতি। এ কথা জাতীয় পার্টির নেতারা জোর গলায় বলেও থাকেন। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেখা গেছে জাতীয় পার্টির একের পর এক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচনের দিনও অনেক প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বসে পড়েছেন। এ অবস্থা কেন হলো? এর জন্য দায়ী কি আওয়ামী লীগ? আমার দৃষ্টিতে এর জন্য দায়ী জাতীয় পার্টি নিজে। এ ছাড়া জাপা’র অনেক নেতা সরাসরি দায়ী করেন জিএম কাদেরকে। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলেছেন, পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের তার স্ত্রী শরিফা কাদেরকে এমপি বানাতে গিয়ে যে চাতুরী করেছে তার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। অথচ শরিফা কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও আসতে পারেননি। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে যে নাটক হয়েছে তা চরম ক্ষতি করে দলের। শেষমেষ মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগের দিন ২৬টি আসনে সমঝোতা হয়। সেসব আসন থেকে আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় প্রার্থী সরিয়ে নেয়। কিন্তু রেখে দেয় ডামি প্রার্থী। এই ডামি প্রার্থীর ব্যাপারেও কোনো সমাধান আনতে পারেনি। নির্বাচনে এর ফল পেয়েছে জাতীয় পার্টি। এ অবস্থায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদসহ অনেকেই নির্বাচন করেননি। তারা নানাভাবে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। শেষ পর্যন্ত কাজী ফিরোজ রশীদসহ দুই জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনের পর পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর অপসারণ চেয়ে দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মীরা। জাতীয় পার্টির যেখানে আশা ছিল তারা সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসবে। সেখানে এ নির্বাচন তাদের বিরোধী দল তো দূরের কথা আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেয়া আসনগুলোতেই জয়ী হতে পারেনি। মাত্র ১১টি আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। নির্বাচন নিয়ে জিএম কাদের নানা সময়ে নানা কথা বলেছেন। 

কখনো বলেছেন, পরিবেশ দেখে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আবার কখনো বলেছেন, নির্বাচনে যাবো কিনা ভাবতে হবে। আবার বলেছেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া আত্মঘাতী হবে। তার একেক সময় একেক কথা বলা নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ তার বড় ভাই সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে টেনে আনেন এখানে। কেউ কেউ এরশাদের চেয়ে কাদেরকে অদূরদর্শী হিসেবে আখ্যা দেন। এরশাদ ২০১৪ সালের নির্বাচনে যেতে চাননি। এটা দিবালোকের মতো সত্য। কিন্তু কীভাবে তাকে নির্বাচনে যেতে হয়েছে তা দেশবাসীর কাছে অজানা নয়। তারপরও মানুষ বলে, গত দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি করেছে জাতীয় পার্টি এমন অবস্থায় মানুষ তাদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। সে দুটি নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে না বলেই ধারণা করেছিল দেশের অধিকাংশ মানুষ। কিন্তু সংসদে বিরোধীদলীয় আসনে বসার স্বপ্ন তাদের এগিয়ে নেয় নির্বাচন পর্যন্ত। জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে নেমে টের পেয়েছেন দলের ভাবমূর্তি কোথায় গিয়ে ঠেকেছে। সারা দেশে জাপা প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট দেখলেই বোঝা যায় জাপা এখন কতো নাম্বার দলে নেমে এসেছে। নির্বাচনে এমন  শোচনীয় পরাজয় দেখে এখন জাপা চেয়ারম্যান এর দায় চাপাচ্ছেন আওয়ামী লীগের ঘাড়ে। অথচ ২৬টি আসন জাপাকে ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। যেখানে আওয়ামী লীগের নৌকার কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে লড়তে হবে এটা তো আগেই জানা ছিল। যদিও জাপা স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও মনোনয়ন প্রত্যাহারের চাপ দিয়েছিল সরকারকে। প্রশ্ন হলো- জাতীয় পার্টির এমন দৈন্যদশা যে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পর্যন্ত ভয় পান। নির্বাচন মানেই তো হলো প্রতিযোগিতা। সেখানে লড়াই করে, ভোটারদের মন জয় করে জয়ী হয়ে আসতে হয়। কিন্তু জাতীয় পার্টির কথা অনুযায়ী যে ২৬টি আসনে তাদের ছাড় দেয়া হয়েছে সেখানে অন্য কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী রাখা যাবে না। তাদের কথা অনুযায়ী বোঝা যায় এই ২৬ আসন তাদের দিয়ে দিতে হবে। এখানে কোনো নির্বাচনের প্রয়োজন নেই। 

অবশ্য আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি পুরনো বন্ধু। এরশাদ জমানায় আন্দোলন চলছে মাঠে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তখন মাঠে। স্বৈরাচার খেদাও আন্দোলনে তারা নানা কর্মসূচি দিচ্ছে। এরই মধ্যে আসে ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কোনো দলই অংশ নেবে না এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়। সে সংসদে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের আসনে বসেছিল। কিন্তু সে সংসদ বেশিদিন টেকেনি। সংসদ ভেঙে দিতে হয়। আওয়ামী লীগ আবার ফিরে আসে রাজপথে। ১৯৮৮ সালে হয় আরেকটি সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে অবশ্য আওয়ামী লীগ অংশ নেয়নি। এরপর ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর তুমুল আন্দোলনের মুখে এরশাদের পতন হয়। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এরপর বিরোধী দলের দাবির মুখে বিশেষ করে বিএনপি’র জোরালো দাবির মুখে এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হতে থাকে একের পর এক মামলা। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। সে নির্বাচনে এরশাদ জেলে বসে নির্বাচন করে পাঁচটি আসনে জয়ী হয়। কিন্তু এরশাদ সংসদে বসতে পারেননি। জেলেই কাটাতে হয় এ সময়টুকু। এরপর ১৯৯৫-৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবির আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, জামায়াতের সঙ্গে জাতীয় পার্টিও মাঠে নামে। এ অবস্থায় হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। এই বিতর্কিত নির্বাচনে বিএনপি একাই লড়ে। সঙ্গে কিছু ছোট দল অংশ নেয়। এরপর সংসদে বসে বিএনপি দ্রুত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করে সংসদ ভেঙে। দেশে প্রথম সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে। সরকার গঠন করে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এরশাদকে জেল থেকে বের করে সংসদে আনে। তখনই এরশাদ জেল থেকে বেরিয়ে মুক্ত আকাশ দেখে। মুক্ত বাতাস গ্রহণ করে। জাতীয় পার্টি আর আওয়ামী লীগের এ সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে। এ অবস্থা থেকে জাতীয় পার্টি বেরিয়ে আসতে পারবে বলে মনে হয় না। 

পাঠকের মতামত

জিএম কাদের সাহেব এমন পাকা অভিনেতা তা মনেই হয় নি। মনে হচ্ছিল জাতীয় পার্টি এ বার ভোটে না গিয়ে আওয়ামী লীগকে সুষ্ঠু গনতন্ত্রে ফিরাতে বাধ্য করবে। কিন্তু দেখা গেল এরশাদ সাহেবের ভাই এরশাদ সাহেবের চাইতেও ভূয়া।

Md.Azizur Rahman
১৫ জানুয়ারি ২০২৪, সোমবার, ৭:১৩ অপরাহ্ন

G.M. Kaderer mukhe thu thu dia vore deya uchit. Lojj nei.

akash roy chowdhury
১৪ জানুয়ারি ২০২৪, রবিবার, ২:০৪ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2023
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status