ঢাকা, ২৪ জুন ২০২৪, সোমবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ্জ ১৪৪৫ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ

এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা

দিদারুল ভূঁইয়া
২৮ ডিসেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবারmzamin

এদেশে ক্ষমতায় গিয়ে লুটপাট ও পাচারের অবারিত সুযোগ পেয়েও কেউ নিজের ক্ষমতা কমাবে, এটা কখনো হয় নাই; হবে বলেও কেউ বিশ্বাস করে না। কাজেই সংস্কার চাইলে তা করতে হবে নির্বাচিতদের ক্ষমতা প্র্যাকটিস করতে পারার আগে। সেটাই গণপরিষদ। দুই. গণভোটের মাধ্যমে কোনো সংস্কার সম্পন্ন হলে ৫ বছর, ১০ বছর, ২০ বছর পর কেউ আবার কলমের খোঁচায় তা বাতিল করে দিতে পারবে না। যেমনটা ঘটেছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত কেয়ারটেকার সরকার আইনের বেলায়। একবার গণভোট হলে পরবর্তী সকল সংস্কার কেবল গণভোটের মাধ্যমেই কার্যকর হবে। এ ছাড়া না। কাজেই গণপরিষদের মাধ্যমেই স্বৈরতন্ত্রের পতন এবং সমূলে উৎপাটন করে স্বৈরাচারের বার বার ফিরে আসা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব। এই মুহূর্তে যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট। ’৪৬-এর গণপরিষদের পর যেমন ’৪৭-এ বৃটিশ থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছিলাম, ’৭০-এর গণপরিষদের পর যেমন আমরা ’৭১-এ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, এবার গণপরিষদের পর নিশ্চয় আমরা স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তি পাবো।

বিজ্ঞাপন
এই মুহূর্তে যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা

গত ৬ই ডিসেম্বর ছিল স্বৈরাচার পতন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন হয়। তার পরম্পরায় পরবর্তীতে ভোটের অধিকার ফিরে পায় জনগণ। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো ৩৩ বছর পর আবারো আজকে আমরা গণতন্ত্রের জন্য রাজপথে লড়ছি। আজও আমরা ভোটের অধিকারের জন্য লড়ছি। আজ এই রাষ্ট্রে আমাদের জান-জবান-সম্মানের অধিকার নাই। 
কেন এমন হলো? আর এর থেকে মুক্তির উপায় কী? 
এরশাদ পতন আন্দোলনে সবচেয়ে উচ্চারিত একটি স্লোগান ছিল, ‘এক দফা, এক দাবি এরশাদ/স্বৈরাচার তুই কবে যাবি’। 
ভাবা হচ্ছিল এরশাদ গেলেই বুঝি মানুষের মুক্তি নিশ্চিত। তিন জোটের যে রূপরেখার ভিত্তিতে সে আন্দোলন একটা পরিণতি লাভ করে, সেখানে মূলত এরশাদের পতন, পতন পরবর্তী সরকার ও নির্বাচন কেমন হবে, সে সবই প্রাধান্য পায়। সে রূপরেখার ৪টি ধারার মধ্যে ৩টিই ছিল সে সম্পর্কিত। কিন্তু যে ব্যবস্থায়, আইন-কানুনের সুযোগে এখানে সরকারগুলো জনগণের ওপর জুলুম করে, লুটপাট করে, জনগণের সম্পদ পাচার করে এবং এসব করার জন্য স্বৈরাচার হয়ে উঠে, সে স্বৈরতন্ত্রের অপসারণের বিষয়ে খুব স্পষ্ট কোনো দাবি বা পরিকল্পনা সে রূপরেখায় ছিল অনুপস্থিত। ৪র্থ ধারায় জনগণের সার্বভৌমত্ব, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এসব কথা বলতে হবে তাই বলা হয়। যার প্রতিফলন হলো ’৯০ পরবর্তীতে তিন জোটের প্রায় প্রতিটি দলই একাধিকবার ক্ষমতায় গেলেও বা ক্ষমতার অংশ হলেও একটা কোনো জোট বা দল সেসব নিয়ে সিরিয়াস কোনো পদক্ষেপ নেয় নাই, নিতে বাধ্য হয় নাই। 

এরশাদই এ দেশে প্রথম স্বৈরাচার ছিলেন না। বলাবাহুল্য শেষ স্বৈরাচারও তিনি নন। আগেও বিভিন্ন সময় আমরা এদেশে-এভূখণ্ডে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। পাকিস্তান আমলে ইয়াহিয়াকে বলা হতো সবচেয়ে বড় স্বৈরাচার। তার পতনও মূলত এ ভূখণ্ডের লোকেরা আন্দোলন সংগ্রাম করে, জীবন দিয়ে করেছে। এর পরম্পরায় পাকিস্তান আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয় এবং আমরা অকাতরে জীবন দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। 

স্বাধীন দেশে তৎকালীন অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২২শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ দিয়ে নতুন সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গণপরিষদকে অকার্যকর করে দেন। ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকরের আগে প্রস্তাবিত সংবিধানের উপর গণভোটের যে সাধারণ ও সর্বজনীন একটি রীতি, তাও মানা হয় নাই। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান তাই জনগণের অধিকারের রক্ষাকবচ না হয়ে, হয়ে উঠে শাসকের শোষণের একটি মোক্ষম, অব্যর্থ হাতিয়ার। মাত্র ২৩ বছরের ব্যবধানে দুই দুইবার স্বাধীনতা অর্জন করেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এদেশের জনগণ আবারো বৃটিশ ও পাকিস্তান ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র কাঠামোর প্রজা হতে বাধ্য হয়। রাষ্ট্রের মালিকানা আবারো হারায় তারা। হারায় তার জান, জবান, সম্মানের অধিকার; তার গণতান্ত্রিক অধিকার। বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক একটা ইন্টারভিউতে স্বীকার করেছিলেন, বৃটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তান আমলে করা ৩৬৯টি আইন এখনো বাংলাদেশে চালু আছে। 

এ ভূখণ্ডে প্রথম আইন বানিয়েছিল বৃটিশরা, এদেশের মানুষকে জিম্মি করে শোষণ করতে এবং শোষণকৃত সম্পদ ইংল্যান্ডে পাচার করতে। লুট শব্দটা ইংরেজি ডিকশনারিতে ঢুকেছিল ভারতবর্ষে বৃটিশদের অবিশ্বাস্য লুটপাট থেকেই। আজও আমাদের পুলিশ আইন ১৮৬১ সালের, জেলকোড ১৮৬৪ সালের বৃটিশদের তৈরি। এখানে উল্লেখ্য, ১৮৬১ সালে এখানে যে পুলিশ আইন হয়, তা ছিল সে সময়ে লন্ডন পুলিশ আইনের চেয়ে ভিন্ন। কারণটাও স্পষ্ট, এখানকার পুলিশ আইনটি ছিল বৃটিশদের লুটপাট এবং পাচারে যিনি বাধা হয়ে উঠতে পারেন, তাকে ঠেঙ্গানোর জন্য তৈরি। আর লন্ডনের আইনটি ছিল সেখানকার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি। বৃটিশ বিদায়ের পর পাকিস্তান সরকার সেই আইন বহাল রাখে, যেহেতু তাদেরও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য একই ছিল- এখানকার সম্পদ লাহোরে পাচার নির্বিঘ্ন করা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানেও সেই বৃটিশ ঔপনিবেশিক আইনকে কেবল বৈধতাই দেয়া হয় নাই, সঙ্গে অবিকলরূপে বহাল রাখা হয়। কেন? এদেশের মানুষের কষ্টার্জিত সম্পদ বিভিন্ন দেশে অবারিত পাচার করে বেগম পাড়া তৈরির অফুরন্ত সুযোগ নিশ্চিত রাখতে? একদমই তাই। 

এদেশের রাষ্ট্র কাঠামো, আইন-কাননু ক্ষমতাসীনদের অফুরন্ত লুটপাট ও পাচারের অবারিত সুযোগ নিশ্চিত করে। এবং এখানে যারা যখন ক্ষমতায় থাকেন, তারা থাকেন আইনের ঊর্ধ্বে। এমনকি আইনের ব্যাখ্যা, প্রয়োগ তাদের সুবিধায় পরিবর্তিত হয়ে যায়, কিন্তু তারা আইন মানতে বাধ্য থাকেন না। ফলাফল একসময় সরকার হয়ে উঠেন স্বৈরাচার। তা যদি তিনি ভোটে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধিও হোন। আর যদি সরকার হয় বিনা ভোটের বা রাতের ভোটের, তাহলে তো কথাই নাই। স্বৈরাচার তখন এমনকি ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেন। 
এবং এই লুটপাট ও পাচারের অবারিত সুযোগ ধরে রাখতে এবং নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে রাখতে তারা যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখেন। তার জন্য জনগণের যত রক্তই ঝরাতে হোক, যত নিপীড়নই করতে হোক না কেন। এখন যেমন আমরা দেখছি। 
এদেশে তাই কোনো গণতন্ত্র নাই। আছে স্বৈরতন্ত্র। এ রাষ্ট্র কাঠামো, এখানকার আইন-কানুন, ব্যবস্থা স্বৈরাচার তৈরির একটি শ্রেষ্ঠ কারখানা মাত্র। 

৩৩ বছর পর আজ আবার তাই আমাদের আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে লড়তে হচ্ছে। আশার কথা হলো এবার আমরা কেবল স্বৈরাচার পতন নয়, একই সঙ্গে স্বৈরতন্ত্রের পতনের লক্ষ্যে লড়ছি। আজকের একদফা কেবল সরকার পতন নয়, বরং একই সঙ্গে সরকার এবং শাসন ব্যবস্থা বদলের দাবি। সঙ্গে ভরসা হিসেবে আছে ৩১ দফার রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব। ৬ দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চ এবং বিএনপি অল্প কয়েকটি ধারায় মতানৈক্যসহ নিজ নিজ ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব জাতির সামনে তুলে ধরেছে। অন্যান্য দল ও জোটগুলোও রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে নিজ নিজ দলীয় প্রস্তাব জাতির সামনে হাজির করেছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। 
কথা হলো শেষ রক্ষা হবে কী? এ আন্দোলন সফল হবে কী? স্বৈরাচার সরকার এবং স্বৈরতন্ত্রের পতন কী এবার আসলেই সম্ভব হবে? 
গত ২৯শে অক্টোবরে পৃথিবীর ইতিহাসের সম্ভবত সবচেয়ে স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল প্রমাণ করেছে এই আন্দোলনের ন্যায্যতা ও এর পক্ষের জনমত। তার প্রেক্ষিতে ১৫ই নভেম্বরে সরকারের একেবারে যুদ্ধ সাজে তফসিল ঘোষণা প্রমাণ করেছে তাদের ভীতি, দুর্বলতা। 

শত প্রলোভন, ভীতি, জুলুম, নিপীড়নের পরও ওবায়দুল কাদের সাহেবের প্রতিশ্রুত শত ফুল যে ফুটে নাই, দুই একটি দুুর্গন্ধযুক্ত বাসি ফুল ছাড়া, এটা এই আন্দোলনের একটা বড় বিজয়। ব্যর্থ মনোরথ শেখ হাসিনা ডামি প্রার্থী দিয়ে ডামি নির্বাচন করার কৌশল গ্রহণ করেছেন, যা এরই মধ্যে জনগণ ধরে ফেলেছেন এবং প্রত্যাখ্যান করেছেন। সামাজিক মাধ্যম এবং চায়ের দোকানের আড্ডায় কান পাতলেই সেই রায় শোনা যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি প্রায় সকল পরিবেশ- পরিস্থিতি আন্দোলনের পক্ষে আছে। দরকার কেবল রাজপথের শক্ত প্রতিরোধ। 
গুলি, গ্রেপ্তার, হামলা-মামলা, লোভ-লালসা অতিক্রম করে জনগণ যখনই রাজপথের দখল নিবে, এই স্বৈরাচার সরকারের পতন সঙ্গে সঙ্গেই হবে। 

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো এই সরকারের পতন হলেই কি স্বৈরতন্ত্রেরও পতন হবে? 
উত্তর হলো, না। সরকার পতন প্রথম ধাপ। এটা ছাড়া স্বৈরতন্ত্রের পতন সম্ভব নয়। তাই এটা লাগবেই। এরপর আমাদের কাজ হবে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা। সেই সরকারের অধীনে রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে গণপরিষদ (সংবিধান সংস্কার সভার) নির্বাচন করা। যেমনটা আমাদের দেশে ’৪৬ ও ’৭০ সালে হয়েছিল। 

গণপরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য আন্দোলনে বিজয়ী সকল দলের সঙ্গে আলাপ করে সংবিধান সংস্কারের একটি খসড়া বানাবেন। এরপর সারা দেশে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, ওয়ার্কসপের মাধ্যমে তারা সেই সংস্কার প্রস্তাব পোক্ত করবেন। সর্বশেষ তারা একটি গণভোটের আয়োজন করবেন। গণভোটে পাস হলে সেই পাসকৃত, সংশোধিত সংবিধানের উপর ভিত্তি করে তারা নতুন সরকার গঠন করবেন। এ পুরো কাজে ৩ মাস থেকে বড়জোর এক বছর সময় লাগতে পারে। এসময় রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন অন্তর্বর্তীকালীন সেই সরকার। 

এবার আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, স্বৈরতন্ত্রের পতনে গণপরিষদ কেন লাগবেই? 
লাগবেই দুই কারণে। এক. এদেশে ক্ষমতায় গিয়ে লুটপাট ও পাচারের অবারিত সুযোগ পেয়েও কেউ নিজের ক্ষমতা কমাবে, এটা কখনো হয় নাই; হবে বলেও কেউ বিশ্বাস করে না। কাজেই সংস্কার চাইলে তা করতে হবে নির্বাচিতদের ক্ষমতা প্র্যাকটিস করতে পারার আগে। সেটাই গণপরিষদ। দুই. গণভোটের মাধ্যমে কোনো সংস্কার সম্পন্ন হলে ৫ বছর, ১০ বছর, ২০ বছর পর কেউ আবার কলমের খোঁচায় তা বাতিল করে দিতে পারবে না। যেমনটা ঘটেছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত কেয়ারটেকার সরকার আইনের বেলায়। একবার গণভোট হলে পরবর্তী সকল সংস্কার কেবল গণভোটের মাধ্যমেই কার্যকর হবে। এ ছাড়া না। 

কাজেই গণপরিষদের মাধ্যমেই স্বৈরতন্ত্রের পতন এবং সমূলে উৎপাটন করে স্বৈরাচারের বার বার ফিরে আসা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব। এই মুহূর্তে যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট। ’৪৬-এর গণপরিষদের পর যেমন ’৪৭-এ বৃটিশ থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছিলাম, ’৭০-এর গণপরিষদের পর যেমন আমরা ’৭১-এ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, এবার গণপরিষদের পর নিশ্চয় আমরা স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তি পাবো। এই মুহূর্তে যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা। 

লেখক: অর্থনৈতিক সমন্বয়ক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। 
ইমেইল: didarul.bhuiæ[email protected]

 

পাঠকের মতামত

ধন্যবাদ। সংস্কার অত্ত্বাবশকীয় এটাই আপনার মূল্যবান সময়োপযোগী আলোচনায় এসেছে যা বিবেকবান প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের দাবী।।

Haque
২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, বুধবার, ১১:০৫ অপরাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ তাসে কি তবে টোকা লেগেছে?

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status