ঢাকা, ৩০ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৯ জিলক্বদ ১৪৪৩ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

র‌্যাঙ্কিং, দশ টাকায় চা-শিঙ্গাড়া ও একজন ভিসি

কাজল ঘোষ
২২ জুন ২০২২, বুধবার

একটি জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখার যেসব সুযোগ তার সবই আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। শুধু দরকার সততা, নিষ্ঠা, নিরবচ্ছিন্ন সাধনা, দলবাজির ঊর্ধ্বে ওঠে শিক্ষা কেবলই শিক্ষার প্রতি মনোনিবেশ করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সস্তায় চায়ের দোকানের গৌরব থেকে বেরিয়ে একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াক- এটাই চাওয়া।

ঘটনা আর ঘটনা। দিনান্তে এন্তার ঘটনা। একটি ঘটনা আরেকটি ঘটনাকে চাপা দেয়। আমরা ভুলে যাই। গেল মাসেই সবচেয়ে মর্মান্তিক যে ঘটনা নিয়ে মানুষ বিমর্ষ আজ তা খেই হারিয়েছে। চাপা পড়েছে। সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডিতে অকালে ঝরে যাওয়া মানুষগুলোর পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেলো কিনা আমরা কি তার খবর রেখেছি? মিডিয়ার শিরোনামগুলো বদলে গেছে এরইমধ্যে। এসেছে কুমিল্লা সিটির নির্বাচন।

বিজ্ঞাপন
তার কেচ্ছাকাহিনী লিখতে বসে যখন কলম হাতে নিয়েছি- দাঁড়িয়েছে বৈরী প্রকৃতি। সিলেট, সুনামগঞ্জ সহ দেশের মধ্যাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ কষ্টে আছে। খেয়ে না খেয়ে, পানিতে ডুবে আছে। এরই ফাঁকফোকরে একটি ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে খুবই মন খারাপ। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় নোবেল পদকপ্রাপ্ত উচ্চতর গবেষকদের পদচারণায় মুখর থাকতো তার অবস্থান আজ কোথায়?

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) করা জরিপ বলছে, বিশ্বসেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়ও স্থান পায়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এটি একবার বা দু’বার নয় টানা পঞ্চমবার কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮০১ থেকে ১০০০তম অবস্থানে রয়েছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক খ্যাতিতে ১৯ দশমিক ৪০, চাকরির বাজারে সুনামে ৩৪ দশমিক ২০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ১২ দশমিক ৯০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ২ দশমিক ৪০, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে ১ দশমিক ৮০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ১ দশমিক ১০, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ২৭ দশমিক ৬০ আর কর্মসংস্থানে ৫৬ দশমিক ৩০ স্কোর পেয়েছে।

‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস ২০২৩: টপ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস’ শীর্ষক এই র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৫০০-এর পরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয় না। সঙ্গত কারণে এটুকু বুঝতে বাকি নেই যে, অনেক পেছনের সারিতেই আমাদের সেরা এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান। 

কিন্তু এই র‌্যাঙ্কিং প্রাপ্তিতে যতটা খারাপ অনুভব করেছি তারচেয়ে অনেক বেশি বিরক্ত এবং অসহায় বোধ করেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিক্রিয়ায়। যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় গর্ব করতো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবে সেই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান র‌্যাঙ্কিং আমলেই নিলেন না। উল্টো বললেন, র‌্যাঙ্কিংয়ের দিকে আমাদের কোনো অ্যাটেনশন নেই। তিনি এসব নিয়ে ভাবেন না। সাদামাটা কথায় এটুকুতো বলা যায়, স্যার আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে গৌরববোধ করতে চাই তার র‌্যাঙ্কিং নিয়ে। কারণ, র‌্যাঙ্কিং যদি নির্ভর করে গবেষণা, শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ, বিদেশি শিক্ষক, বিদেশি শিক্ষার্থী এসবের ওপর, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে তা নেই কেন? 

ইতিহাসের পাতা উল্টালে কি দেখি? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে এক গৌরবজনক অধ্যায়। এর প্রথম ভিসি ছিলেন স্যার ফিলিপ হার্টগ। প্রয়াত সৈয়দ আবুল মকসুদ হার্টগকে নিয়ে লিখছেন, হার্টগ উপমহাদেশের একজন বিশ্ববিদ্যালয়-সংগঠক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সংস্কারক ও মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশে আধুনিক উচ্চতর শিক্ষার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল এই মানুষটির হাতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্নে হার্টগ দম্পতি তাদের ব্যক্তিগত সকল সুখ-শান্তি এক অর্থে বিসর্জন দিয়েছিলেন। হার্টগ তার কর্মকালের পাঁচবছর দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে। হার্টগের নিঃস্বার্থ ত্যাগে গড়া যে প্রতিষ্ঠান তা বহুকাল ধরেই ক্ষয়ে ক্ষয়ে অস্থিচর্মসার হয়ে পড়েছে। অথচ এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী না হতে পেরে দীর্ঘ দিবস ও রজনী নিজেও অন্তর্যন্ত্রণায় ভুগেছি। একজন বহিরাগত হিসেবে মধুর ক্যান্টিনে চা খেতে বসলে খুব অসহায় বোধ করতাম বহুকাল। মনে হতো এই প্রতিষ্ঠানের আলো-ছায়ায় বেড়ে না ওঠতে পারলে সম্ভব সবকিছু অসম্ভবের যাঁতাকলে চাপা পড়বে। নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিকে উন্নীত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারিনি। সেই যন্ত্রণার উপশম ঘটাই মাস্টার্সের নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে দু’বছর অধ্যয়ন করে।

সবকিছুর পরও নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসের একজন হিসেবে গর্বিত মনে হয় বলেই র‌্যাঙ্কিং সূচকের পতনে গ্লানিবোধ করি। যে বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন আর স্বাধীনতা আন্দোলন সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় অধ্যায়ের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান, তা নিয়ে অহংবোধ স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য যখন দেখি এই প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে তার সকল অর্জন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি আর ক্ষমতার বলয়ে থেকে টেন্ডারবাজি এই যেন তাদের পেশা। পড়ার টেবিলে আর গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সময় নষ্ট করার মতো যথেষ্ট সময় বেশির ভাগের নেই। হল দখল, ক্যাম্পাস দখল, নেতা-নেত্রীদের গুণগান নিয়েই কাটছে সময়। শুধু ছাত্রদের দোষ দিয়ে লাভ কি? শিক্ষকরাও ব্যস্ত দলবাজিতে। কথায় আছে, যেমন রাজা তার তেমন প্রজা। দলের আস্থা বা আশীর্বাদ লাভ না করলে এখন ভিসির আসন পাওয়া যায় না। একজন ফিলিপ হার্টগকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না- এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখানে একসময় সত্যেন বোসের মতো শিক্ষক ছিল। বুদ্ধদেব বসুর মতো ছাত্রও ছিল। লীলা নাগের মতো শিক্ষানুরাগী অধ্যয়ন করতো এখানেই। যাদের কর্মজীবন নিয়ে কোটি কোটি মানুষ গৌরব অনুভব করে। বিশ্বজোড়া যারা এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে গেছে অন্য উচ্চতায়। আর আমরা এখন কোথায় অবস্থান করছি? 

যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ। কিন্তু এতটা খারাপ তা মেনে নিতে কষ্ট হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো.  আখতারুজ্জামানের একটি বক্তব্য ইউটিউবে ভাইরাল হয়েছে। বক্তৃতায় তিনি বলছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও পাবে না দশ টাকায় এক কাপ চা, একটি শিঙ্গাড়া, একটি চপ এবং একটি সমুচা পাওয়া যায়। এটি বাংলাদেশেই পাওয়া যায়। এটি যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জানতে পারে তাহলে গিনিস বুকে রেকর্ড হবে। দশ টাকায় এক কাপ চা অথচ এ টাকায় এক কাপ গরম পানিও রাস্তায় পাওয়া যাবে না। দশ টাকায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে এক কাপ চা, একটি শিঙ্গাড়া, একটি সমুচা এবং একটি চপ পাওয়া যায়- এটি আমাদের গর্ব। স্যারকে বলতে চাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সস্তায় চপ- শিঙ্গাড়ার চেয়ে গৌরব করার মতো, রেকর্ড করার মতো আরও অনেক বিষয় আছে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় গৌরব আর অহঙ্কারের বিষয় হওয়া উচিত তার শিক্ষার মান, গবেষণার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। শিক্ষক-শিক্ষার্থী জোটবব্ধ হয়ে রাজনীতির নামে দিনের পর দিন শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করবে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় বিভাগ খোলা হবে, অথচ তাতে থাকবে না যোগ্য শিক্ষক এবং পাঠদান করার মতো শিক্ষার্থীও। 

টিএসসি’র চা-শিঙ্গাড়া সস্তায় পাওয়া নিয়ে গৌরব করছেন ভিসি স্যার কিন্তু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে গিয়ে দেখুন শিক্ষার্থীরা কী নিয়ে ব্যস্ত। সকালে লাইব্রেরি খোলার আগেই গেটে ব্যাগ রেখে লম্বা লাইন লেগে যায় সিট রাখতে। কিন্তু এরা কেউই পঠিত বিষয় নিয়ে অধিক পড়াশোনা করতে কেউ লাইব্রেরির টেবিল দখল করে না; সকলেই টেবিল দখল করে আসছে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক পড়াশোনার জন্য। এই চিত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবক’টি লাইব্রেরির। আর সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু এমফিল পিএইচডি’র থিসিস নিয়ে যেসব চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ মিলেছে এটি বোধকরি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানকে আরও তলানিতে নিয়ে গেছে। 

একটি জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখার যেসব সুযোগ তার সবই আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। শুধু দরকার সততা, নিষ্ঠা, নিরবচ্ছিন্ন সাধনা, দলবাজির ঊর্ধ্বে ওঠে শিক্ষা কেবলই শিক্ষার প্রতি মনোনিবেশ করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সস্তায় চায়ের দোকানের গৌরব থেকে বেরিয়ে একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াক- এটাই চাওয়া।   

শেষ করতে চাই, একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি ফিলিপ হার্টগকে স্মরণ করে। হার্টগ বাংলাদেশ থেকে চলে গেলেও রেখে যান একদল উচ্চশিক্ষিত মানুষ যাদের যেকোনো বড় দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল হার্টগের প্রিয় সংসার। যে সংসারটি তিনি সাজাতে চেয়েছিলেন পৃথিবীর একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে। প্রত্যেকটি মানুষের জীবনেই একটি সুযোগ আসে তার যোগ্যতা প্রমাণের, ইতিহাসে জায়গা করে নেয়ার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরও সেই সময় ও সুযোগ মিলে। এখন সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন- নিন্দিত হবেন নাকি নন্দিত।
 

পাঠকের মতামত

আমার একটা সুন্দর সাজেশান আছে, সমস্যাটা অতিক্রম করার। বিশ্বের অপরাপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে যোগ্যতার মাপকাঠিতে উপরে উঠেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নিজেরই যেহেতু সে বিষয়ে আগ্রহ নেই, কাজেই অন্যান্য শিক্ষক ও ছাত্রদেরও তা না থাকারই কথা। তাহলে গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস এবং অন্যান্য যারা একাজটি করেন তাঁদের তালিকার উপরে জায়গা করে নেয়ার জন্য, আমাদের শিক্ষকগণ যা যা করছেন আর ছাত্ররা যা যা করছে, তাঁদের মূল্যায়নের মাপকাঠিতে এই প্যারামিটারগুলো ঢুকিয়ে দিতে পারলে আর আমাদের চিন্তা করতে হবে না। কাজটি করতে লবিং করা লাগতে পারে, টাকাও খরচ হতে পারে, তা হোক না। আমাদেরতো আর টাকার অভাব নেই। একাজটি করতে পারলে, আর আমাদের পিছন ফিরে তাকাতে হবে না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান তরতর করে উপরে উঠে যাবে। কারণ, এইসব বৈশিষ্ট পৃথিবীর আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। যেমন ধরেন, (১).রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি, (২).ক্ষমতার বলয়ে থেকে টেন্ডারবাজি, (৩). হল দখল, (৪). ক্যাম্পাস দখল, (৫). নেতা-নেত্রীদের গুণগান, (৬). হোটেল-বয়ের ফরমায়েশে মাস্তানী করা। পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সস্তা রাজকার্য সমাধান করে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হওয়ার মত বিদ্যা(?) শিখানো হয়না। এটা একান্তই আমাদের নিজস্ব প্যাটেন্ট। তার উপর ভিসি আখতারুজ্জামানের দশ টাকার চা, শিঙ্গাড়া, চপ এবং সমুচা তো আছেই।

Akbar Ali
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১১:৫২ অপরাহ্ন

The students in other countries, especially those in the western world, are not involved in campus politics like those in Bangladesh. Even students in India are not involved in campus politics. The students in those countries are busy with their study and research for building their professional careers. They want to shine in their professional careers with their own abilities. They do not think about making quick bucks but want to earn money honestly with their talents and hard labor. Look at USA, Europe, Japan, China, and other places and you will find how much research they are doing and contributing to the fields of science, technology, and others. Compared to that, Bangladeshi students and professionals are not doing anything. They are busy in dirty politics, taking bribes to become rich overnight, and fighting with each other. As a result, when the Bangladeshi students enter the job market and then land with a job, they cannot perform their tasks properly. That’s why Bangladeshi companies have to hire Indian nationals to get the job done. Unfortunately, this is the result of the directives given by the greedy national politicians who want to use the students and the professionals to remain in power and make a fortune for themselves. Also, the Bangladeshi students cannot see the harms being caused to them by the crooked politicians. Shame on them!

Nam Nai
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ৪:৫০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি যখন চা-সিঙ্গারার উপর,তখন শিক্ষা-গবেষণা র‍্যাঙ্কিংয়ের দিকে নজর থাকবে কেন? ১০ টাকায় কীভাবে এসব বিক্রি হয়,বিদেশিদের জানাতে, উৎসাহী শিক্ষকের আগ্রহী ছাত্র থাকলে, চা-সিঙ্গারা-চমুচার উপর এমপিল/ পিএইচডি করতে পারেন।

এ,টি,এম,তোহা
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

The students in other countries, especially those in the western world, are not involved in campus politics like those in Bangladesh. Even students in India are not involved in campus politics. The students in those countries are busy with their study and research for building their professional careers. They want to shine in their professional careers with their own abilities. They do not think about making quick bucks but want to earn money honestly with their talents and hard labor. Look at USA, Europe, Japan, China, and other places and you will find how much research they are doing and contributing to the fields of science, technology, and others. Compared to that, Bangladeshi students and professionals are not doing anything. They are busy in dirty politics, taking bribes to become rich overnight, and fighting with each other. As a result, when the Bangladeshi students enter the job market and then land with a job, they cannot perform their tasks properly. That’s why Bangladeshi companies have to hire Indian nationals to get the job done. Unfortunately, this is the result of the directives given by the greedy national politicians who want to use the students and the professionals to remain in power and make a fortune for themselves. Also, the Bangladeshi students cannot see the harms being caused to them by the crooked politicians. Shame on them!

Nam Nai
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ৯:৫০ পূর্বাহ্ন

শুধু ঢাবি কেন অন্য ইউনিভার্সিটি কি করে"???

নিপু
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ৬:০৫ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন আছে শুধু টাকা কামানোর তালে। ইভনিং কোর্স, নাইট কোর্স, উইকএন্ড কোর্স ইত্যাকার অবৈধ কোর্স চালু করে শুধু টাকা কামানোর ধান্দা। পড়ালেখার মান রক্ষায় এতো সময় কোথায়!!!

হাবিবুর রহমান খান
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ২:৩১ পূর্বাহ্ন

আরেপিন স্যারতো আশি বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষক ছিল, উনার আট বছরে বিষয় খুলে খুলে এর অর্ধেক শিক্ষক একাই নিয়োগ দিয়ে গেলেন।ভোট বাড়াল।তাহলে কী প্রাচ্যের অক্সফোর্ট থাকে?হাজারে নাম আসার দরকার কি?

hamid
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ২:২৮ পূর্বাহ্ন

আমাদের মত গরীব দেশে চা,সিঙ্গারা কম দামে দেশের আনাচে কানাচে সব জায়গায় পাওয়া যায়। এতে গর্বের কিছু নেই। উনিতো এই দেশেই থাকেন।তাই না? আমরা রেংকিংয়ে দূর্বল কেন ? কারণ আমরা সব দিকে দূর্বল।স্মীকার করলেই হয়। শিক্ষা প্রতিষ্টানকে পলিটিকেল সেন্টারের মত বানালে পরিনতি এ রকমই হয়।

hamid
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ২:১৬ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কে কি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের বলা যায়। ডাকাত এর আস্তানা।

Shafiq
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১:২৬ পূর্বাহ্ন

এওসব কমেন্ট। রিয়েলি চমৎকার। কারও বুদ্ধি কম নয়। এর মধ্যে কিছু বলা কওয়া ঠিক নয়। নিজের চরকায় তেল মারাই উওম। সবাই ভাল থাকুন। কোথায় ঢাবি আর কোথায় আমি বা আমরা। চা সিংগাড়া সমুচা হাজি বিরিয়ানি রস মালাই সব কিছুই যে যার যায়গায় থাকবে। তারা সামান্য এসব খাবার দিয়ে অখ্যাত থেকে এত বিখ্যাত হতে পারল আর ঢাবি কেন পারবে না। শুধু লেখা পড়া করলেই চলবে। অন্য কিছু নয়। হিমালয়ের চূড়ায় মানুষ উঠতে পারলে ঢাবি কেন বিশ্বে সুনাম অর্জন পারবে না। আমি আশাবাদী চরম আশাবাদী, ধন্যবাদ। ঢাবির এক সময়ের একজন স্টুডেন্ট।

Anwarul Azam
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১:১১ পূর্বাহ্ন

ভিসি সাহেব কোন কথাটা খারাপ বলছেন? ওনার বক্তব্য সবটা দেখুন। অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘র‍্যাংকিং নয়, শিক্ষার মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা বেশি জরুরি।’ শনিবার (১১ জুন) ঢাবির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেই মন্তব্য করেন উপাচার্য। অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার কতগুলো মৌলিক প্যারামিটার আছে, সেই প্যারামিটারগুলো অ্যাড্রেস করার পূর্বে র‍্যাংকিং বিষয়টা ভাবা উচিত নয়। এগুলোর উন্নয়ন না ঘটিয়ে র‍্যাংকিং বিষয়ে আমরা অ্যাটেনশন দেব না। কারা কী র‍্যাংকিং করল, এগুলো এখন একেবারেই দেখি না। উপাচার্য বলেন, ‘গবেষণা, বিদেশি শিক্ষার্থী, বিদেশি শিক্ষক, শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের জীবনমান—এসব সূচকের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে পারলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে।’

Hasan
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

একটা দেশের সবচেয়ে শ্রদ্ধার পেশা হচ্ছে শিক্ষক আর সেটা যদি হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কিন্তু ভিসি এখন একটা গালি , সম্ভবত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে অযোগ্য ভিসি ! তাছাড়া, উনাকে কথা বলার ক্ষেত্রে দেখা গেছে তার অনেক বাংলা শব্দ উচ্চারণও ভুল হয় ! উন্নত বিশ্বে প্রেসিডেন্টের চেয়ে ভিসির স্থান !

রফিকুল ইসলাম
২২ জুন ২০২২, বুধবার, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

ভিসি স্যার কি জানেন একজন ভিসি সাহেবের কি কি কর্তব্য এরং দ্বায়িত্ব পালন করা উচিৎ । একজন ভিসির মেয়াদকালে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান কমলে তার পদত্যাগ করা উচিৎ । কিন্তু কাপুরুষ ভিসিদের সে সাহস থাকে না কেননা অন্য ভাবে কোন আয়ের ক্ষমতা তাদের নাই । তাই তারা সিঙারা,চপ এবং পুরি কম দাম নিয়ে নিজের সময়ের সফলতা দেখাতে চান ।

Rafiq Alam
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) করা জরিপ বলছে, বিশ্বসেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়ও স্থান পায়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এটি একবার বা দু’বার নয় টানা পঞ্চমবার কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮০১ থেকে ১০০০তম অবস্থানে রয়েছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক খ্যাতিতে ১৯ দশমিক ৪০, চাকরির বাজারে সুনামে ৩৪ দশমিক ২০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ১২ দশমিক ৯০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ২ দশমিক ৪০, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে ১ দশমিক ৮০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ১ দশমিক ১০, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ২৭ দশমিক ৬০ আর কর্মসংস্থানে ৫৬ দশমিক ৩০ স্কোর পেয়েছএ এটা নিয়ে কেউ কিছু বলছেন না কেন? ভিসি Sir সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? তা না বলে বললেন, কে র‌্যাংকিং এ কোথায় রাখল, না রাখল তা দেখার সময় নেই। খবরটা জানলে বুঝতেন কোন কোন পয়েন্টে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।

আ লতিফ
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

মনন, চেতনা কিম্বা মানসিক গড়ন ও দুরদৃষ্টিতে একজন ডাস কিম্বা মধুর ক্যান্টিন এর ম্যানেজার লেভেলের মানুষের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশী প্রত্যাশা করা অন্যায়! ঢাবির বর্তমান ভিসি রেটিং বলতে বোঝেন চা,চপ,সিঙ্গারার মূল্য। ঢাবি একজন নগন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসাবে আমি লজ্জিত ও অবনত মস্তিষ্ক

হালিম
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

শিক্ষক শিক্ষার্থীগন দলিয় রাজনীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত থাকলে ফি বছর ফলাফল এমনি হবে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:২১ অপরাহ্ন

দশ টাকায় চা-শিঙ্গাড়া, দিয়ে তো প্রথম র‌্যাঙ্কিং

DU
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:০৯ অপরাহ্ন

I really appreciate your findings. feel sorry for the power hungry VC s who are destroying the fame of this wonderful institution.

ABM Easin
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৩৩ অপরাহ্ন

এই চা-শিঙ্গাড়া জোকটা অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। লেখক ওই মন্তব্য নিয়ে এখনও গেঁজাচ্ছেন দেখে অদ্ভুত লাগছে। ভিসি স্যারের সাম্প্রতিক মন্তব্য মনযোগ দিয়ে পড়লে লেখক দেখবেন, সেখানে স্যার বলেছেন তিনি এখনও র্্যাংকিং নিয়ে ভাবছেন না। র্্যাংকিংয়ে উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছেন, বেশকিছু নিয়েছেন, যার ফলাফল ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে। তার মানে কী দাঁড়ালো? ভিসি স্যার এই বিষয় নিয়ে ভাবছেন এবং কাজ করছেন। এটা ত নিশ্চয়ই সময়সাপেক্ষ ব্যাপার; লেখকের সেটা বুঝা উচিত।

মাহমুদ
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৩১ অপরাহ্ন

একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির মুখে এমন কথার অর্থ দাঁড়ায় শাক দিয়ে মাছ ঢাকা।

মোঃ মাছুম বিল্লাল
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:২৭ অপরাহ্ন

ভিসি যদি বলে থাকেন ranking এর দিকে আমাদের কোন attention নাই তা হলে তিনি তিরস্কার পাওয়ার যোগ্য হবেন।

A. R. Sarker
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:৩০ অপরাহ্ন

DU teachers do not take classes as earlier. Mr. Abu Eusuf Mia, Addl Sec, Ministry of Education put this comment and few teachers (probably members of Nil Dal) protested. Addl Sec withdrew his comment and expressed sorrow. Then what was the basis of his comment? As an ex student I have the same experience. The media reports also say like this. Then what is the reality. When an Addl Sec of the controlling ministry talks on something then he should talk based on evidences, facts and figures. I am sure the relevant section of the ministry has those proofs. Then why Abu Eusuf put a comment which he could not defend. The matter deserved to investigated.

Md. Abdul Matin
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:৫৯ অপরাহ্ন

This is age of the degeneration of Bengali people, they vowed to commit suicide. None can salvage them

Quamrul
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:১৯ অপরাহ্ন

ঢাবি, বুয়েট, ঢামেক এর ছাত্র ছাত্রীরা (সারা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও) বাবা, মা বড় ভাই বোনের চোতা নোট দিয়ে এখনো পরীক্ষা দেয়. একজন প্রফেসর খাতা দেখতে গিয়ে তার ছাত্র জীবনের নোট হুবহু পেয়েছেন, কারন তিনিই তার শালীকে তা দিয়েছিলেন। এত বছর পর নিজের নোট দেখে তিনি নাম্বার কম দেন কিভাবে? এ নোট দিয়েইতো তিনি ফাস্ট ক্লাস পেয়েছিলেন। ৮০'র দশকে ফটোস্টাট চালু হবার পর আর নোট করার ঝামেলা পোহাতে হয়নি। নীল ক্ষেতে কম্পিউটার কম্পোজ চালু হবার পরতো সোনায় সোহাগা।কষ্ট করে গুড়ি গুড়ি লিখার ঝামেলাও শেষ। পত্রিকার কলামের মত করে ৮ পয়েন্টে সিংগেল স্পেসে কম্পোজ করে আবার তা পরবরতী প্রজন্মের জন্য দিয়ে যাওয়া কি এখনো বহাল আছে? নটরডেম থেকে পাশ করা ছাত্র ভরতি হতে পারেনি কিন্তু বরিশাল ফরিদপুরের বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে এসে প্রানীবিজ্ঞানে ভরতি হয়েছে অথছ জীবনে ব্যংগ ধরেনি, ব্যাবচ্চছেদ করাতো দুরের কথা। ভরতি হ্লো কিভাবে? কারন তার দুইটা ফাস্ট ডিভিশন। ভরতি ডিভিশনের পয়েন্টে সে এগিয়ে যায়, আর এরাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বুয়েট, ঢা মেডিক্যাল এ ভর্তি হতো। রাজনীতি করে জীবন শেষ অথছ পরীক্ষায় ফাস্ট ক্লাস, কি মেধারে বাবা!!! আর রাজনৈতিক বিবেচনায় আবার শিক্ষক হয়ে ক্লাসে গিয়ে পড়লো বিপদে।পরে একদিকে শিক্ষক অপরদিকে আরেক শিক্ষকের ক্লাস নেয়ার সময় পেছনে বসে ক্লাস করতে দেখা গেছে। এ নিয়ে পত্রিকায় নিউজ হয়েছে। সে শিক্ষক আজ একটি জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি।। কি চমৎকার!!!

Indira
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:৫২ অপরাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com