ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

মত-মতান্তর

জীবন ও জীবনবোধ

শহীদুল্লাহ ফরায়জী

(৩ মাস আগে) ১৬ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৪:২১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫১ অপরাহ্ন

জীবন কী?  কী হওয়া উচিত জীবন দর্শন? জীবন তরী কোন তীরে ভিড়লে জীবন সার্থক হয়?

মানুষ, চেতনার বিপুল তরঙ্গে উদ্বেলিত হয়েও  নির্ধারণ করতে পারে না কোনটা উপযোগী জীবন দর্শন। জীবনব্যাপী কীসের সাধনা করা উচিত।
জ্ঞানী বৃদ্ধ বলেন - 'চিরকালের জন্য কি আমরা ঘর বানাই গিলগামেশ? সবকিছুই ক্ষণকালের। তাই মরজীবন এতো আনন্দময়। জীবনের সঙ্গেই মৃত্যু সৃষ্টি হয়েছিল, মনে রেখো'।
গিলগামেশের মনে প্রশ্ন জেগে উঠলো- মৃত্যুই যদি শেষ কথা হয় তাহলে কেনো এইসব দিগবিজয়ী যুদ্ধ, কেনো এত রক্ত ঘাম, যদি একদিন শ্বাশত অশ্রুর মাঝেই তলিয়ে যাবে সব বাসনা-কামনা।

গিলগামেশের মত আমারও প্রশ্ন কোন জীবনের প্রয়োজনে অজস্র মানুষকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দেয়া হয়, ঘর সংসার ভেঙ্গে দেওয়া হয়, ঘৃণা-ক্রোধ ছড়িয়ে  দেওয়া হয়? কারা মানুষের স্বপ্ন ভেঙ্গে দেন, কারা সীমাহীন নিষ্ঠুরতা দান করেন? কোন জীবন শয়তান  আর পাপের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়? জীবনের ঐশ্বরিক চুক্তি কী? আর কোন জীবন খ্যাতির কাছে অর্থের কাছে জিম্মি করা হয়, কোন জীবন সম্পদ ফেলে দেয়, অলঙ্ঘনীয় নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করে?

নিজের বোধের দ্বারা উদ্ভাসিত জীবন, তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, আত্মিক সততা- এটাই কি জীবনের অবিচ্ছেদ্য শর্ত! জীবন ঐশ্বর্যবান হয় কীভাবে, কার কাছেইবা জীবন জিজ্ঞাসা? জ্ঞান অন্বেষণের মাধ্যমে জীবন কার সাথে যুক্ত হবে? জগতে বাস করেও জীবনের সঙ্গে কেনো নিগূঢ় আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় না! জীবন কোন বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ, জীবন থেকে কীভাবেই বা আত্মরক্ষা করা সম্ভব? এসব প্রশ্নের কোনো জবাব নেই, সবই নিরর্থক।

জীবন মানে কি শরীরকে কফিনে রাখার উপযুক্ত মহড়া? মৃত্যুর নিষ্ঠুর অভিষেক এটাই কি জীবনের মহার্ঘ? মৃত্যুকে অবলম্বন করাই কী জীবন? অনন্ত জীবনের মানে কি খন্ডিত জীবনের সমাপ্তি? একই দেহে যদি জীবন মৃত্যু সহাবস্থান করে তাহলে আমি কার প্রতিনিধিত্ব করি? চিরকালের স্বপ্ন দেখি অথচ ক্ষণকাল আমাকে ছিনিয়ে নেয়।

নিজেই নিজের সাথে বিদ্রোহ করি, কিন্তু কোনো কূলকিনারা করতে পারি না। সেই ছোট থেকে শুনে আসছি- জীবনের আমূল পরিবর্তন। যে জীবন আমার যাপিত, তাকে পরিবর্তন করব কী করে? যে জীবনের অভিযাত্রা শুরু করেছি তাকে পরিত্যাগ করা কি আমার পক্ষে সম্ভব?
তাহলে জীবন কি পরিবর্তনের অযোগ্য। জীবনের উচ্চতা কী দিয়ে নির্ধারিত হয়? আমার অক্ষমতা, আমার আত্মম্ভরিতা, আমার আত্মপ্রকাশ, আমার প্রাণের সঙ্গোপনে সংলাপ কী দিয়ে যাচাই করবো।
উন্নত, গভীর  এবং দূরদর্শী জীবনের আশায় কেবল গভীরতর তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্থ থেকেছি। আমি জীবনকে কোনদিন ঝরনায় রূপান্তর করে পান করতে পারিনি অথচ জীবন আমাকে প্রতিনিয়ত পান করে ফেলে।

আমি কোথায় বসবাস করি- নৈঃশব্দ্যে, না কোলাহলে, না  অস্তিত্বের গভীরে? কাকে আমি খুঁজে বেড়াই জীবনের অন্তঃস্থলে! যে আমার না, সে আবার হারায় কী করে? আমি কাকে উন্মোচিত করবো কার কাছে? স্বপ্ন যার অনন্তকালের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়, তাকে চিরকাল অনুসন্ধানের কী অর্থ? যে সূর্যোদয় আমাকে চেনে না সে সূর্যাস্ত কীভাবে আমাকে পরিত্যাগ করবে? যার অস্তিত্ব কারো কাছে জানান দেয় না ,তাকে কীভাবে রক্ষা করবে? যে জীবন আমি ধারণ করতে পারি না, সে জীবন থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করবো কীভাবে? যে আত্মাকে জানি না অথচ সেই আত্মায় আমার জীবনের প্রতিফলন ঘটবে-  এটা কি বিশ্বাসযোগ্য!

আমি জীবনকে উম্মাদের মত পান করতে পারি না, ছুঁড়ে ফেলতেও পারি না। আমি খাঁচাবদ্ধ অথচ খাঁচা আমার নয়। খাঁচায় আমি যেন তালাবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন
আমি আমার না অথচ আমি আমাকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করি। দেহ-পাখি কোনটাই আমার না, না দেহ না পাখি। দেহ এবং পাখি কোনটাই আমার আজ্ঞাবহ নয়, বিশ্বাসঘাতক।
আমি কার কাছে জীবন্ত, কার কাছে উজ্জ্বল। কার সাথে আমার দূরত্ব, আর এই দূরত্বের পরিমাপ কী! কার কাছে ছুটি মঞ্জুরের জন্য প্রার্থনা করবো? যে আমার নির্মাতা তাঁর প্রতি আমার কেনো মনোযোগী হতে হবে! তাঁর কাছে আমার প্রত্যাবর্তন কেনো জরুরি? 
নির্মাতা হলেই আপন হয় না। নির্মাতা কী মনোবাসনায় পৃথিবীর বক্ষঃস্থলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিলো, আমাকে কার কারণে দুঃখ যন্ত্রণা ভাগাভাগি করে বেঁচে থাকতে হয়, কে আমার উপর ক্রমাগত পাথর ছুঁড়ে মারে? যে আমি সর্বহারা- না জীবনের অধিকারী, না শরীরের অথচ অনবরত আমার আমার করি।

'মৃত্যু'ই বুঝি জীবনের বসন্ত, অনন্তকালের উৎসব। এটা জেনেও জীবনের রাজকীয় পোশাক পরিধান করে বসে থাকি। মৃত্যু যদি জীবনের ঘরে তোলার ফসল হয়, আমি সে জীবন পরিচর্যা করব কেনো?
সমুদ্র আমাকে আত্মসাৎ করতে পারে, বাতাস আমাকে আত্মসাৎ করতে পারে, আমি সবার কাছেই আত্মসাৎ যোগ্য। আমার ভিতর এমন কোনো ঐশ্বর্য নেই যেখানে অবিনশ্বর আত্মা ক্ষণিক সময়ের জন্য বিশ্রাম নিতে পারে।

কহলীল জিবরান বলেছিলেন, 'আমি দুই ধরনের জীবন যাপন করি। এক ধরনের জীবন কাটাই- কাজের মাঝে, খোঁজাখুঁজির মাঝে, লোকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ও তাদের অন্তর্গত জগতে হানা দিয়ে এবং মানুষের মনের গভীরে বসবাসরত গুপ্ত রহস্য অনুসন্ধান করে। অন্য ধরনের জীবন কাটাই- দূরে কোথাও গিয়ে শান্ত, ত্রাসোদ্দীপক, জীবনী শক্তিতে ভরপুর কিন্তু তা সময় অথবা স্থানের ভেতর সীমাবদ্ধ নয়'।

আমি কোন অবস্থায়ই জীবনযাপন করতে পারি না। আমি অনবরত আমার কফিন বহনকারী। বিন্দুমাত্র ক্ষণেও  আমি জীবনকে বহন করতে পারি না। আমি বাস্তবতায় সমাহিত হতে পারি না আবার ঐশ্বরিক কোনো স্ফূলিঙ্গ আমার উপর নিক্ষিপ্ত হয় না। ভেঙ্গে যাওয়া নক্ষত্রের চূর্ণ-বিচূর্ণ কণা কোনোদিন আমার উপর পড়লো না। গভীর রাত কোনোদিন আমার কাছে ঐশ্বরিক বাণী নিয়ে হাজির হলো না।

আমার ভাবনারা কেবল উথাল-পাতাল। কেমন করে জালাল উদ্দিন রুমি শরাব ছাড়াই মদমত্ত, কাবাব ছাড়াই পরিতৃপ্ত, গৌরবের সাথে আদৃত। কিন্তু আমার কাছে তো অলৌকিক সৌন্দর্য কোনো দিন ধরা দিলো না, গভীর জ্ঞানের মিষ্টতা কোনোদিন স্পর্শ দিলো না। বস্তুজগত ধ্বংসের পরও আমার জীবনের কোনো অর্থ আবিষ্কৃত হবে না। কারণ-  জীবন চিরকাল আমার কাছে অনাবিষ্কৃত।

একবার আমার কাছ থেকে নিজে মুক্তি পেলে আগুনের কাছে ঝাঁপ দিতাম, আত্মার মুখোমুখি বসে সংলাপের আয়োজন করতাম, জীবনের স্বর্ণ মন্দিরের চারিপাশে আনাগোনা করতাম। জীবনকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করলেই জীবনের সমগ্রতা খুঁজে পেতাম, জীবনসমুদ্রের তটভূমিতে হেঁটে বেড়াতে পারতাম। আমি কিছু না জেনে, না বুঝেই জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়েছি, অজান্তেই জ্ঞানবৃক্ষের সাথে ঝগড়া করে দূরত্ব বাড়িয়েছি, বিবেকের নথিপত্র একত্রে জড়ো করে অগ্নিতে নিক্ষেপ করেছি, অতি লোভের কারণে ভিতরের অফুরান উন্মদনাকে মাটি চাঁপা দিয়েছি।

জীবনকে যে কতভাবে দেখতে চেয়েছি- কখনো মনে হয় জীবন থেকে আমি চোরের মত পালিয়েছি, ভরা যৌবনে শোক সঙ্গীতের অগ্নিশিখা জ্বালিয়েছি, অহরহ জীবনের উপর মুখোশ পরিয়ে দিয়েছি।
আমি সব সময় নিজের কাছে নিজে বহিরাগত। আমার সঙ্গে আমার নিজের কোন গভীর পরিচয় ঘটেনি। আমি মৃত্যুকে জীবনের সমকক্ষ না করে জীবনের উপরে স্থান দিয়েছি, ফলে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমি জীবনকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছি। জীবন এবং মৃত্যু দু'টোকেই আমি খেলা হিসেবে দেখেছি। ফলশ্রুতিতে কোনটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি।

আমি গান লিখেছি। মানুষের অনাবিষ্কৃত কথা বলবো বলে, মানুষের হৃদয়ের বিরান ভূমিতে অনুভূতির বৃষ্টিতে সয়লাব করবো বলে, নিঃসঙ্গ আত্মায় সঙ্গী হবো বলে।
কিন্তু ক্রমাগতই ব্যক্তিগত হীনমন্য অনুভূতি গানকে অধিগ্রহণ করে ফেলে। খ্যাতির মোহ আমাকে বেস্টন করে ফেলে। সীমার মাঝে অসীম, প্রত্যক্ষের মাঝে অপ্রত্যক্ষ এসব দর্শনের কোন কিছুই গানে প্রতিফলিত করতে পারিনি।

আমি কবিতাও লিখে যাচ্ছি কিন্তু যারা নিষ্প্রভ, যারা মগ্ন, যারা জীবনের মিছিলে তৎপর তাদের কোনো কথা প্রকাশ করতে পারিনি। ফসল উৎপাদনের একটি যন্ত্রণা, ভালবাসার একটা প্রচণ্ডতা, ভেঙ্গে যাওয়া হৃদয়ের একটা বেদনা, স্রষ্টার প্রতি আনুগত্যের একটি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করতে পারিনি। আমি একজন মানুষকেও গভীর  অনুপ্রেরণা দিতে পারিনি। আমি গানে, কবিতায় এবং জীবনের কাছে হেরে গেছি। একটি মুহূর্তের জন্যেও জীবনের অদৃশ্য সূত্রটা নির্ধারণ করতে পারিনি। কাউকে বিমোহিত করতে পারিনি, কাউকে প্রতিবিম্বিত করতে পারিনি।আমার মাঝে শূন্যতার সমাহার, হাহাকারের সমাহার। আমার জীবন চৈতন্যের কী রূপ- তা কোনোদিন চিহ্নিত করতে পারিনি।

আমি কখনও কখনও  সমস্ত বিশ্বকে আয়ত্তে নিয়ে ফেলি, এক গভীর কণ্ঠস্বরে সাম্যের ডিক্রি জারি করি, স্বৈরাচারের মত মিথ্যা এবং নিষ্ঠুরতাকে চিরকালের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেই, মানুষকে তাঁর সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে পৃথিবীতে অধিষ্ঠিত করি, সত্য ও মানবতা দিয়ে মানুষকে আবৃত করে ফেলি।
কিন্তু যখন আমার স্বপ্নের সোনার সিংহাসন ধসে পড়ে তখন প্রতিনিয়ত আত্মধিক্কারে ভিতরের যন্ত্রণাকে দুর্বিষহ করে তুলি।

কত মানুষের জীবন এত গভীর, স্বকীয়তায় এত আলোকোজ্জ্বল, এত অতলান্ত- যা প্রকাশ করার অযোগ্য। যাদের অস্তিত্ব জুড়ে অনাদিকালের কথোপকথন, যাদের ক্ষুদ্র বুকে বিশাল নক্ষত্রের বসবাস, যাদের বেদনার জলে অতিক্রম করে দ্রুতগামী জাহাজ, তাদের পাণে চিরকাল অবুঝের মতো চেয়ে থেকেছি। কেমন করে মহাপুরুষরা মাটির হাত দিয়ে নক্ষত্রের বাগান নির্মাণ করে ফেলে, কেমন করে পাথর খোদাই করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়, কেমন করে কলমের কালিতে বপন করে দেয় সূর্যমুখীর বীজ, কেমন করে তাঁরা প্রেম ও ক্ষমার বাণী প্রচার করে।

যারা মর্যাদাবান, যারা মহিয়ান তাদের আগ্নেয়গিরির লাভায় কতবার পুড়তে চেয়েছি, বিপর্যস্ত হতে চেয়েছি। একজন মানুষ কীভাবে সূর্যের চেয়ে উজ্জ্বল ও গৌরবময় হয়ে ওঠে।
আমি এক জীবনের সবটুকুই ধরনা দিয়েছি ধর্মের কাছে,সক্রেটিসের কাছে, টলস্টয়ের কাছে, গ্যাটের কাছে, দস্তয়ভস্কির কাছে। ভিখারী-কাঙ্গাল হয়ে ফিরেছি। যে সূর্যের কাছেই গিয়েছি সেই সূর্য কেবল অস্ত যায় উদিত হয় না। তাদের আর স্পর্শ করতে পারি না। মহামান্যদের প্রতি আমার অনুরাগ কোনো কিছুর বিনিময়ে প্রকাশ করতে পারিনি। মহাজ্ঞানী মহাজনদের আমি অনবরত ঈর্ষা করি, হাজার বছর পূর্বে বিলুপ্ত হয়েও মানুষের অন্তরের আলো বিতরণ করছেন, ঐশ্বর্য বিতরণ করে যাচ্ছেন।

আমি আমাকে ঢেলে দিতে চেয়েছি, আলোর প্রার্থনায় সূর্যের পায়ে মাথা রেখেছি, জ্ঞানের বৃষ্টিতে চিরকাল স্নাত হতে চেয়েছি কিন্তু অনাবৃষ্টিতে বারবার ক্রীতদাস হয়েছি। পরিশেষে মনস্তাপে নিজেই নিজের দাসত্বকে সংবর্ধিত করেছি।

আমি যতবার জীবনের গুরুদায়িত্ব তুলে নিতে চেয়েছি ততবার জীবন আমাকে অব্যাহতি দিয়েছে। জীবন থেকে যতবার আমি বিচ্ছিন্ন হয়েছি ততবার জীবনজয়ী হয়েছে, আমি অতিক্রম করতে চাইলেই আমাকে  কেবল পরাস্ত করেছে। নালিশ জানাবো কার কাছে? আমি তো কেবল করুণার পাত্র। মৃত্যুর রাজত্বে আমার পরিণামই বা কী হবে? অনিবার্যভাবেই তা  আমার জানা উচিত ছিল। কিন্তু সে যোগ্যতা আমার নেই।
আমি জীবনের কোনো ঋণ শোধ করতে পারিনি, আবার কোন সঞ্চয়ও নেই।

মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমির প্রাণের দোসর সালাউদ্দিন যারকুব এর কথা দিয়ে শেষ করছি- 'আমার কফিন আনন্দের সঙ্গে বহন করবে, ঢোল বাজাবে, তাম্বুরা বাজাবে, দুই হাতে তালি দেবে এবং ঘূর্ণির নৃত্যের সাথে সাথে আমাকে কবরে নিয়ে যাবে'।

লেখক: গীতিকবি
[email protected]
উত্তরা ঢাকা।

মত-মতান্তর থেকে আরও পড়ুন

মত-মতান্তর থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status