ঢাকা, ১৬ জুলাই ২০২৪, মঙ্গলবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৯ মহরম ১৪৪৬ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

খোলা চোখে

আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি না করার সিদ্ধান্ত এবং হাজার কোটি টাকা লুটের সিন্ডিকেট

লুৎফর রহমান
২৮ মার্চ ২০২৩, মঙ্গলবারmzamin

পবিত্র রমজান মাসে রাজনৈতিক দলগুলো সরব থাকে ইফতার মাহফিল আয়োজন নিয়ে। দলের নেতাকর্মী, বিশিষ্টজন, বিদেশি কূটনীতিক, পেশাজীবীদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন দলগুলোর দীর্ঘদিনের রুটিন কাজ। কিন্তু এবার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ।  কোনো ধরনের ইফতার মাহফিল আয়োজন না করতে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। শুধু দলীয়ভাবেই নয় এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও গণভবনে ইফতার মাহফিলের আয়োজন রাখেননি তিনি। ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের এই উদ্যোগের প্রশংসা করছেন অনেকে। নানা কারণে অর্থনৈতিক সংকট চলছে চারিদিকে। উচ্চ দ্রব্যমূল্যের কারণে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে। অনেকে সংকটে পড়েছেন। আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য রাখা যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন
সংকটের কারণে সরকারি ব্যয়ের লাগাম টানা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন বন্ধ রাখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে। চারিদিকে এমন নানা সংকটের মধ্যেই এবার পবিত্র রমজানের সাওম পালন করছেন দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ। নিত্যপণ্যের উচ্চ দামের কারণে তিনবেলা পেটপুরে খাওয়াই এখন কষ্টকর হয়ে উঠেছে কারও কারও কাছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি বা ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে ঘটা করে ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হলে এর কিঞ্চিত সমালোচনাও হয়তো হতো আড়ালে। 

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা রমজানের আগেই গণভবনে এমন কোনো আয়োজন হবে না বলে জানিয়ে দেন। দল এবং সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার আয়োজন না করতেও বার্তা দেয়া হয়। সভানেত্রীর পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই নির্দেশনা ইতিমধ্যে সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বলা হয়েছে, এবার ইফতার মাহফিলের আয়োজন না করে দলের নেতাকর্মীদের সাধ্যমতো সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করতে। উচ্চ দ্রব্যমূল্যের কারণে যেসব মানুষ কষ্টে আছেন তাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে দলের তরফে। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের সামনে এখন নানা চ্যালেঞ্জ। বৈশ্বিক পরিস্থিতি এই চ্যালেঞ্জকে আরও কঠিনতর করে তুলেছে। এমন অবস্থায় জনবান্ধব সিদ্ধান্ত এবং উদ্যোগের মাধ্যমে সংকট উত্তরণের কোনো বিকল্প নেই। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইফতার মাহফিল আয়োজন না করার সিদ্ধান্তকে অনেকে এমন উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন। 

এবার আসি দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতির দিকে। রুশ-ইউক্রেন যুক্ত শুরুর পর থেকে হঠাৎই দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। হু হু করে বাড়তে থাকে বিভিন্ন পণ্যের দাম। এই মূল্যবৃদ্ধি ছিল অনেকটাই অস্বাভাবিক। ভোজ্য তেলের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। চিনির দামও প্রায় একই হারে বেড়েছে। দাম বাড়েনি এমন কোনো পণ্য এখন আর হাতের কাছে নেই। দাম বাড়ার এই প্রবণতা এখনো থেমে নেই। কখনো বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা বলে, কখনো ডলার সংকটের দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীরা দিনের পর দিন পণ্যের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছেন। অস্বাভাবিকভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ কঠিন থেকে কঠিনতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। নির্দিষ্ট আয় দিয়ে ব্যয় সংকুলান করতে পারছেন না। হিসাব মেলাতে না পেরে কেউ কেউ খাদ্য তালিকা ছোট করছেন। এক সময় আমিষের জন্য পোল্ট্রি মুরগি যারা কিনে খেতেন তারা এখন তেলাপিয়া বা পাঙাস মাছও কিনতে পারছেন না। শাক সবজি কিনে যে পুষ্টির চাহিদা মেটাবেন সেই সুযোগও ক্ষীণ হয়ে আসছে। ব্যয় বাড়ায় ঢাকায় থাকতে না পেরে কেউ কেউ চলে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। কেউ বা পরিবার পরিজনকে গ্রামে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। নিত্যপণ্যের দামের কারণে সাধারণ মানুষের যখন ত্রাহি অবস্থা তখনো রমরমা মুনাফা বাণিজ্যে ব্যস্ত দেশের একশ্রেণির ব্যবসায়ী। এই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কব্জায় দেশের গোটা পণ্যবাজার। খাতভিত্তিক আমদানি নিয়ন্ত্রণ করছেন এই ব্যবসায়ী শ্রেণি। তারা ইচ্ছামতো দাম বাড়ান। আবার ইচ্ছা হলে কমাতেও পারেন। যদিও তা সচরাচর করেন না। একান্ত বাধ্য হলে লোক দেখানোর জন্য ঢাকঢোল পিটিয়ে দাম কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে বা বাজারে গিয়ে এর প্রভাবও শতভাগ মেলে না। 

বাজার সিন্ডিকেটের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে পোল্ট্রি মুরগির উচ্চ দামের বিষয়টি। গরিবের আমিষের উৎস বলে পরিচিত পোল্ট্রি মুরগির কেজি সম্প্রতি দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়। এক সময়ের একশ’ থেকে একশ’ ২০ টাকা কেজির পোল্ট্রি মুরগির দাম উঠে ২৭০ টাকায়। বলা হচ্ছে বড় ৪টি করপোরেট খামারি সিন্ডিকেটের কারণে মুরগির বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সরকারি তদারকি না থাকায় এই সিন্ডিকেটের দুই মাসেরও কম সময়ে প্রায় হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি এসোসিয়েশন-বিপিএ গত শুক্রবার অভিযোগ করে মুরগির উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রান্তিক খামারিদের সরিয়ে গত ৫২ দিনে পুঁজিবাদী মাফিয়া চক্র ৯৩৬ কোটি হাতিয়ে নিয়েছে। সংগঠনটির দাবি,  এ খাতের কর্পোরেট গোষ্ঠী ইচ্ছেমতো ফিড ও মুরগির বাচ্চার দাম বাড়িয়ে দেয়, আর সেই দাম মেনে নিয়ে প্রান্তিক খামারি উৎপাদন করলে বাজারে দাম কমিয়ে দিয়ে লোকসানে ফেলা হয়। তাতে করে প্রান্তিক খামারিরা উৎপাদন থেকে ছিটকে পড়ছেন। আবার খামারিরা উৎপাদনে না থাকলে ভোক্তাদের পকেট ফাঁকা করে দেয় ওইসব বড় কোম্পানি। বিপিএ’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন ব্রয়লার মুরগির চাহিদা ৩৫০০ টন। প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন খরচ আগে কম থাকলেও এখন ১ কেজি উৎপাদনে খরচ পড়ে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, আর কর্পোরেট কোম্পানিদের উৎপাদন খরচ পড়ে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। কিন্তু পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ২৩০ টাকা পর্যন্ত। খামারিদের সংগঠনটি বলছে, প্রতিদিন যদি ২ হাজার টন সরবরাহ ধরে প্রতি কেজিতে ৬০ টাকাও অতিরিক্ত মুনাফা ধরা হয়, তবে একদিনে অতিরিক্ত মুনাফা হয় ১২ কোটি টাকা। ৩১ জানুয়ারি থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫২ দিনে সেই অতি মুনাফার পরিমাণ দাঁড়ায় ৬২৪ কোটি টাকা।

এ ছাড়া প্রতিদিন মুরগির বাচ্চা উৎপাদন হয় ২০ লাখ। প্রতি বাচ্চার উৎপাদন খরচ ২৮ থেকে ৩০ টাকা, যা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত ৩১শে জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেই বাচ্চা বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। প্রতি বাচ্চায় ৩০ টাকা অতিরিক্ত মুনাফা ধরা হলে ৫২ দিনে অতিরিক্ত মুনাফা হিসেবে লুটে নেয়া হয়েছে ৩১২ কোটি টাকা। 
এত গেল পোল্ট্রি সিন্ডিকেটের লুটপাটের চিত্র। মাত্র ৫২ দিনে যদি তারা হাজার টাকা লুট করতে পারে তাহলে পুরো বছরে কতো হাজার টাকা তারা কামিয়ে নিচ্ছে তারও একটা হিসাব বের করা সম্ভব। 
পোল্ট্রির মতো আরও অনেক খাত এমন অনেক সিন্ডিকেটের কব্জায় চলে গেছে। চাল, ভোজ্য তেল, চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত ও আমদানি এখন বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসায়ী গ্রুপগুলোর হাতে। এক একটি পণ্যের মজুত বা আমদানি হাতে গোনা পাঁচ সাত বা ১০টি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করছে। এর বাইরে ছোট ব্যবসায়ীরা এখন আর তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। তাই এই ব্যবসায়িক গ্রুপগুলোই তাদের ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম নিচ্ছে। অতি মুনাফা নিচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজার তদারকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারি সংস্থা থাকলেও পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তারা যে ভূমিকা রাখতে পারছে না এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কারণ দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমদানিকারক বা বড় ব্যবসায়ীরা যে প্রস্তাব দেন এর বাইরে মন্ত্রণালয়কে খুব একটা দ্বিমত করতে দেখা যায় না। 

দেশের চালের বাজার এক সময় আড়ত বা মোকামকেন্দ্রিক ছিল। আড়তদার বা মোকামের মালিকরা দাম নিয়ে নয়ছয় করতেন। এ কারণে মাঝে মধ্যে দাম উঠানামা করতো। কিন্তু এই বাজারও এখন বড় পুঁজির কোম্পানির হাতে চলে যাচ্ছে। প্রায় সব বড় গ্রুপ এখন চালের ব্যবসা করছে। তাদের মিল আছে। কারখানা আছে। তারা নিজেরা ধান কিনে মজুত করে। চাল মজুত করে সুবিধামতো সময়ে বেশি মুনাফা নিয়ে বিক্রি করে। এসব বড় কোম্পানির মজুত প্রবণতা চালের বাজারের অস্থিরতার বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। চাল, তেল, চিনি বা পোল্ট্রির মতো খাতের বড় পুঁজির প্রতিষ্ঠানের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ার ফলে বাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তদারকি কোনো কাজে আসছে না। পোল্ট্রির মতোই এক একটি পণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট সময়ে সময়ে হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ। 

বাজারে অতি পুঁজির সিন্ডিকেট গড়ে ওঠাতে আরও একটি বড় বিপদ হয়তো তৈরি হচ্ছে। আর সেটি হলো ছোট উদ্যোক্তা, প্রান্তিক উৎপাদক এবং ছোট ব্যবসায়ী শ্রেণি ক্রমে বিলীন হয়ে যেতে পারে এই পুঁজিপতিদের গ্রাসে। যা বড় বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে উৎপাদন খাতে। 
সার্বিক বাজার পরিস্থিতির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র পাওয়া গেছে গতকাল সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের একটি অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠানে সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাজার প্রক্রিয়া ক্রমশই দুর্বল হচ্ছে। বাজারে কোনো ধরনের মেকানিজম কাজ করছে না। বাজারের ভেতর ছোটদের প্রভাব ও অংশগ্রহণ ক্রমেই সীমিত হচ্ছে। বড়দের প্রভাব-প্রতিপত্তি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বাড়ছে। একই অনুষ্ঠানে সিপিডি’র পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক পণ্যের দাম নিম্নমুখী হলেও স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়ছে না। তেল, চিনিসহ অনেক পণ্যের দাম বিশ্ববাজারের চেয়ে দেশের বাজারে অনেক বেশি। জিনিসপত্রের এই দামে ভারসাম্য আনতে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যমান বাজার ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার আনারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে সংস্থাটির তরফে। 

এবার আসি শুরুর প্রসঙ্গে। রমজানে ইফতার মাহফিল আয়োজন না করে আওয়ামী লীগ নিঃসন্দেহে একটি উদাহরণ তৈরি করেছে। এই আয়োজন না করে হয়তো শত বা হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় হবে না। কিন্তু এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংকট এবং সংকটকালীন সাশ্রয়ের একটি বার্তা দেয়া হয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের। জনতুষ্টির ক্ষেত্রেও হয়তো এর একটি প্রভাবও থাকবে। তবে তার চেয়ে ঢের প্রভাব পড়বে যদি নিত্যপণ্যের চিহ্নিত সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া যায়। তাদের হাজার কোটি টাকা লুটপাটের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া যায়। এটি করা যেকোনো জনবান্ধব সরকারের দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে। মানুষ আশা করে ইফতার মাহফিল না করে আওয়ামী লীগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এর পথ ধরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার পুঁজিপতি সিন্ডিকেটের লাগামও টেনে ধরবে। এটি করা গেলে সবচেয়ে বড় জনবান্ধব কাজটি হবে দল এবং সরকারের জন্য। 

লেখক: মানবজমিনের নগর সম্পাদক ও প্রধান প্রতিবেদক

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ তাসে কি তবে টোকা লেগেছে?

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status