ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৯ সফর ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

কাওরান বাজারের চিঠি

মাহবুব তালুকদারের ইতিহাস, ইভিএম ডাকাত এবং...

সাজেদুল হক
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার

‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কেয়ামতের দিন তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায়  দেয়া হবে। সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; সেই হবে সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগের সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৮৫)

তখনো তিনি নির্বাচন কমিশনার হননি। মানবজমিনে নিয়মিত লিখতেন ‘চাচার পাঁচালী।’ অফিসে আসতেন মাঝে-মধ্যে। কথা হতো টুকটাক। রসিকতা করতেন কখনো কখনো। সহজে টের পাওয়া যেতো না এত বিশাল একটা জীবন তার। সাদামাটা। সাধারণের মোড়কে মোড়া অসাধারণ।

বিজ্ঞাপন
কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে। সাংবাদিক, সাহিত্যিক, আমলা, মুক্তিযোদ্ধা। নানা পরিচয়। তবে নির্বাচন কমিশনার হওয়ার পরই একদম বদলে যান মাহবুব তালুকদার। মেরুদণ্ড সোজা করে রুখে দাঁড়ান তাবৎ অসততার বিরুদ্ধে। পরিণত হন গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরে। তার মুখে ভাষা পায় কোটি কোটি মানুষের কথা। হ্যাঁ, তিনি সফল হতে পারেননি। রুদ্ধ করতে পারেননি গায়েবি ভোটের পথ। কিন্তু তার প্রচেষ্টা, সাহস আর শক্ত মেরুদণ্ড এতে ম্লান হয়ে যায়নি।

এরই প্রমাণ পাওয়া গেল বুধবার। মাহবুব তালুকদারের মৃত্যুর পর। মৃত্যু কি একটি সাদামাটা শব্দ নয়? কিছু কিছু মৃত্যু আছে পাহাড়ের মতো ভারী। এটিও তেমনি। তার মৃত্যু হয়েছে পুরো পরিণত বয়সে। ৮০ বছরের জীবন পেয়েছিলেন তিনি। এর আগে অনেকদিন ধরে ভুগছিলেন ক্যান্সারে। তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছিল না। তাই সেটা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। কিন্তু অনুমান করতে পারি বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো নির্বাচন কমিশনারের মৃত্যুতে এত প্রতিক্রিয়া কখনো হয়নি। ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এই লেখকও বেশকিছু প্রতিক্রিয়া পড়েছেন। এবং আশ্চর্যের বিষয় প্রায় শতভাগই তার প্রশংসা, তার আখেরাতের মঙ্গল কামনা। দুই একজন অবশ্য বলেছেন, তিনি পদত্যাগ করলে হয়তো আরও ভালো করতেন।

মাহবুব তালুকদার দৃপ্তকণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ যতই ফুরিয়ে আসছে নির্বাচন ব্যবস্থা ও অবস্থা দেখে ততই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছি। আজও রূপকার্থে কিছু কথা বলতে চাই। প্রকৃতপক্ষে নির্বাচন এখন আইসিইউতে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে গণতন্ত্র এখন লাইফ সাপোর্টে। খেলায় যেমন পক্ষ-বিপক্ষের প্রয়োজন হয়, তেমনি একপক্ষীয় কোনো গণতন্ত্র হয় না।’ একের পর এক তিনি বলে গেছেন। কমিশনের মিটিংয়েও জানিয়েছেন ভিন্নমত। সংখ্যাগরিষ্ঠতার খেলায় অবশ্য হেরে যান তিনি। আমারই পুরনো একটি লেখা থেকে ধার করে বলি, দুর্ভাগ্যবশত ওনার সহকর্মীরা ছিলেন ‘গণিতবিদ।’ ওনারা অঙ্ক করে দেখিয়ে দিতেন কী অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে! এবং সম্ভবত মানুষের অবাধ ভোটাধিকারে তারা বিশ্বাসও করতেন না। সেদিন ফেসবুকে রেকর্ড করা একটি টিভি আলোচনা শুনছিলাম। দুই আলোচকের একজন রাজনীতিবিদ। অন্যজন সিনিয়র সাংবাদিক। ওই রাজনীতিবিদ একপর্যায়ে বুঝাতে চাইলেন, আচ্ছা বিএনপি চাপ প্রয়োগ করতে পারেনি। এটা ঠিকই। কিন্তু একটা কলাগাছকে ভোট দেয়ার অধিকারও তো জনগণের আছে। জনগণ কেন তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না। ওই সাংবাদিক বললেন, এগুলো টেক্সটবুকের কথা। তো যেটা দাঁড়ালো দেশের অনেক বিশিষ্ট মানুষরাও এটা বিশ্বাস করেন, অবাধ ভোটাধিকার কেতাবি কথা। এমন দেশে অবাধ ভোটাধিকারের জন্য মাহবুব তালুকদারের একার লড়াই বিস্ময়ও তৈরি করে।

তিনি হয়তো অনুমান করতে পেরেছিলেন মানুষ তাকে কতোটা ভালোবাসে। কিন্তু পুরোটা দেখে যেতে পারেননি। আত্মীয়তার বন্ধন নেই, নেই ব্যক্তিগত পরিচয়, তবুও কতো মানুষ জানিয়েছেন তাদের নিখাদ ভালোবাসা। বিশিষ্টজনরা বলেছেন মাহবুব তালুকদারকে কেন আমরা মনে রাখবো সে কথা। খ্যাতিমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজ যেমন লিখেছেন, ‘আমরা তাকে মনে করবো নির্বাচন কমিশনের এক প্রতিকূল সময়ে এক সাহসী, বিবেকবান কণ্ঠস্বর হিসেবে। বাংলাদেশে যতদিন গণতন্ত্রের আকাক্সক্ষা থাকবে এবং তার প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস লেখা হবে মাহবুব তালুকদারকে আমরা স্মরণ করবো।’
এটা আপসের সময়। অনেককে দাঁড়িয়ে দেখাতে হয় তাদের মেরুদণ্ড আছে। মাহবুব তালুকদারকে তেমন হাস্যকর চেষ্টা করতে হয়নি। তার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে গেছে, একটি শক্ত মেরুদণ্ডের মালিক ছিলেন তিনি। মাহবুব তালুকদারকে আমরা তার সফলতা, ব্যর্থতা দিয়ে বিচার করতে পারবো না। তিনি ইতিহাসে টিকে থাকবেন তার প্রচেষ্টার জন্য, সাহসের জন্য। আমরা আজকের এইদিনে তার জন্য প্রার্থনা করি। তার আখেরাতের জীবন যেন সফল হয়। 

পবিত্র গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কেয়ামতের দিন তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায়  দেয়া হবে। সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; সেই হবে সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগের সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৮৫)
 

ইসির নিজস্ব সিদ্ধান্ত, ইভিএম ডাকাত

এক সময়কার ডাকসাইটে সাংবাদিক। সবে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরেছেন। কাওরান বাজারে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলাম। জানতে চাইলেন, আচ্ছা সাজিদ, জাফরুল্লাহ ভাই (গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী) কেন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নাম প্রস্তাব করলেন? আমার কাছে উত্তর ছিল না। এখনো নেই। ওই আড্ডার সময় পর্যন্ত কাজী হাবিবুল আউয়াল সিইসি হননি। এক/দুই দিন পরই তিনি নিয়োগ পান। এরইমধ্যে তিনি কিছু ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছেন। অবাধ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। এমনটাও বলেছেন, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন হলে চলে যেতেও তার আপত্তি নেই। কিন্তু ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে রহস্য তৈরি করেছে। পরিস্থিতি করেছে আরও জটিল। অনেক কিছুই যেন পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। পুরনো ছায়া ফিরে এসেছে শেরে বাংলা নগরে। সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন থেকে দূরত্ব বজায় রাখা বিএনপি এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। সব আসনে ইভিএম চাওয়া আওয়ামী লীগ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। সংসদের বিরোধীদল জাতীয় পার্টি অবশ্য এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে। দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলছেন, কারচুপির জন্যই এমন সিদ্ধান্ত। 

এমনিতেই আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে নানা আলোচনা, অনিশ্চয়তা। সেখানে নতুন করে ইভিএম জটিলতা কেন তৈরি করা হচ্ছে তা বুঝা মুশকিল। এ নিয়ে রাজনীতির ময়দানে নানা গুজব, তত্ত্ব রয়েছে। ইভিএম নিয়ে সাম্প্রতিক অতীতের কিছু বক্তব্যে আমরা চোখ বুলিয়ে আসতে পারি। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খানের একটি বক্তব্য ছিল তুমুল আলোচিত। তিনি বলেছিলেন, ‘ইভিএমে চ্যালেঞ্জ একটাই। এ ছাড়া আর কোনো চ্যালেঞ্জ আমি দেখি না। একটা ডাকাত-সন্ত্রাসী গোপন কক্ষে একজন করে দাঁড়িয়ে থাকে। আপনার ভোট হয়ে গেছে চলে যান। দিস ইজ দ্য চ্যালেঞ্জ।’’ একই সময়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর দেয়া একটি ভাষণও ভাইরাল হয়। তার কথা ছিল, ইভিএম কেন্দ্রে চাপ দেয়ার জন্য তার লোক থাকবে। ইভিএম না থাকলে যেভাবে পারেন ভোট মেরে দিতেন বলেও জানান তিনি। অবশ্য ‘স্মার্ট’ মানুষ। ভোট কাটার অতীত অভিজ্ঞতার কথাও গর্ব ভরে বলেন। গত জুলাইয়ে পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা জোবায়দুল হক ওরফে রাসেলের একটি বক্তব্য আলোচিত হয়। তিনি বলেন, ‘ভোট হবে ইভিএমে, কে কোথায় ভোট দেবে তা কিন্তু আমাদের কাছে চলে আসবে। অতএব ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নাই, টেনশনেরও কিছু নাই।’ 

 

প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ তার একটি তুলসী গাছের কাহিনী শেষ করেছেন এভাবে, ‘উঠানের শেষে তুলসী গাছটা আবার শুকিয়ে উঠেছে। তার পাতায় খয়েরি রং। সেদিন পুলিশ আসার পর থেকে কেউ তার গোড়ায় পানি দেয়নি। সেদিন থেকে গৃহকর্ত্রীর ছলছল চোখের কথাও আর কারও মনে পড়েনি। কেন পড়েনি সে-কথা তুলসী গাছের জানবার কথা নয়, মানুষেরই জানবার কথা।’ নানান কিসিমের ভোট দেখেছি আমরা। তবে ভোট উৎসবও কম দেখেনি এ জনপদের মানুষ। তার রং এখন অনেকটাই ম্লান। কথা হলো আগামী নির্বাচনে ইভিএম কী জাদু দেখাবে? সে-কথাটি আসলে ইভিএমের জানবার কথা নয়, মানুষেরই জানবার কথা। 

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনারও জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, সর্বোচ্চ দেড়শ’ আসনে ইভিএমে ভোটের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব। ছোটবেলায় স্কুলে বাজা ছুটির ঘণ্টার ধ্বনি এখনো কানে বাজে। যদিও ঘণ্টা শুনেই দৌঁড় দিতাম। কোনো দিকে তাকানোর আর সময় থাকতো না। কিন্তু, এখন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা শুনে সবাই এভাবে দৌড় দিচ্ছেন না। বহু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন। নির্বাচন কমিশন আসলে কি চায়? কমিশন কী আদৌ একটি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়? নাকি এতদিন তিনি কথার কথা বলেছেন। সুনির্দিষ্ট ছকেই এগুচ্ছে সবকিছু? কোনো কোনো নির্বাচন কমিশনারের ভাষার পরিবর্তনও ইতিমধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে। কোনো দলের জন্য নির্বাচন বসে থাকবে না এটি তারা বলার চেষ্টা করছেন। 
দুনিয়ার নানা দেশেই ইভিএম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশেও এ মেশিন নিয়ে তৈরি হয়েছে আস্থার সংকট, অবিশ্বাস। যদিও নির্বাচন নিয়ে সংকটটি পুরনো। গত নির্বাচনেও এক ধরনের সমঝোতার কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু সিল-ছাপ্পরের জোরে তা ভেস্তে যায়। আগামী নির্বাচন ঘিরেও নানা আলোচনা, গুজব। এমনটাও কেউ কেউ বলছেন, এই মেশিন রাজনৈতিক সমঝোতায় ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ তার একটি তুলসী গাছের কাহিনী শেষ করেছেন এভাবে, ‘উঠানের শেষে তুলসী গাছটা আবার শুকিয়ে উঠেছে। তার পাতায় খয়েরি রং। সেদিন পুলিশ আসার পর থেকে কেউ তার গোড়ায় পানি দেয়নি। সেদিন থেকে গৃহকর্ত্রীর ছলছল চোখের কথাও আর কারও মনে পড়েনি। কেন পড়েনি সে-কথা তুলসী গাছের জানবার কথা নয়, মানুষেরই জানবার কথা।’ নানান কিসিমের ভোট দেখেছি আমরা। তবে ভোট উৎসবও কম দেখেনি এ জনপদের মানুষ। তার রং এখন অনেকটাই ম্লান। কথা হলো আগামী নির্বাচনে ইভিএম কী জাদু দেখাবে? সে-কথাটি আসলে ইভিএমের জানবার কথা নয়, মানুষেরই জানবার কথা। 
 

লেখক: প্রধান বার্তা সম্পাদক, মানবজমিন

পাঠকের মতামত

নেড়ে বেলতলায় যায় ১বার কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ গিয়েছে ২ বার। তৃতীয়বার বাংলাদেশের মানুষকে আর বেলতলায় নেওযা যাবে বলে মনে হয় না।

S.M. Rafiqul Islam
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

আমার লেখা মতামতেরউপরে প্রায় সবার মতামতগুলো পড়ার চেষ্টা করেছি,কিন্তু একটা লাইনে আমারচোখ থমকে গেল।লাইনটা হলো কাজী রকিব ও নুরুলহুদা গং দের সন্তান ও মাহবুব তালুকদার এর সন্তান এক সংগে দাঁড় করে দেখা কার শির উঁচু থাকে।চমৎকার উদাহারণ,সত্যিই ভাল লাগলে।

Amirswapan
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ৫:৫৫ পূর্বাহ্ন

অজস্র ভিলেনের মাঝে তিনি নায়ক হয়ে থাকবেন। তাঁর নায়কত্ব যতো স্মরিত হবে ভিলেনরা ততো চিহ্নিত হবে। তাঁর জন্য দোয়া রইল।

গোলাম রব্বানী
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ২:২১ পূর্বাহ্ন

বর্তমান কমিশন বিশেষ করে সিইসি জনাব কাজী হাবিবুল আওয়ালকে প্রয়াত মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে সমস্থ লেখাগুলো (সকল নিবন্ধ এবং স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট) পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাই। দাসত্ব এবং বীরত্ব কিংবা আত্মবিক্রি এবং আত্মসম্মান এর মধ্যে কি তফাত তা বুঝতে পারবেন। তারা সংবিধান কিংবা তথাকথিত আইনের নিজেদের ইন্টারপ্রিটেশনের মাধ্যমে গনঅধিকার হরণকারীদের পক্ষে থাকবেন না জনগণের কাতারে থাকবেন সে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মৃত মাহবুব তালুকদার জীবিত মাহবুব তালুকদারের কত বেশী শক্তিশালী দেখুন। মাহবুব তালুকদার হয়তো আজ আমাদের ধরাছোঁয়ার অনেক উর্দ্ধে কিন্তু তাঁর সন্তানদের এবং কাজী রকিব ও নূরুল হুদা গংদের সন্তানদের পাশাপাশি স্টেজে দাঁড় করিয়ে দেখুন কার শির উচ্চ এবং কার মুখ আলোকিত আর কারা নিস্প্রভ।

এস এ। জামান
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১:৫২ পূর্বাহ্ন

This column's information is very true and it is appreciable. please continue your column writing dear great Columist.

md shamsul hoque
২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

মাহবুব তালুকদারের মৃত্যুতে দেশবাসী শোকাহত সবাই তার জন্য দোয়া করছে

Abdur Razzak
২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১০:০০ অপরাহ্ন

মাহবুব তালুকদারের মৃত্যুতে দেশবাসী শোকাহত সবাই তার জন্য দোয়া করছে, সবাই তার প্রশংসা করছে, কারন তিনি ছিলেন সত্যিকারের দেশ দরদী, জনদরদী কিন্তু বাকী গুলোর মৃত্যুর পর কি হয় দেখার ওপেক্ষায় রহিলাম, অবশেষে দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাত দান করুন

দেশ প্রেমিক
২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৬:৪৫ অপরাহ্ন

ইভিএম ডাকাত, মানুষ টেরও পাবে না কখন ভোট অন্য মার্কায় চলে গেছে। এমনি-এমনিই তো ইভিএম না। রাতে সিল মারলে পাবলিক বলাবলি করে, দিনে ভোট ডাকাতি করলেও মানুষ যেনে যায়।সোঁ ----ইভিএম বেস্ট ফর ভোট ডাকাতি। মানুষ টেরও পাবে না ।

Khan
২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৪:০২ অপরাহ্ন

As senior journalist Masud Kamal said, the EC wants to establish two separate voting systems by using EVMs in maximum of 150 seats and in the rest using paper ballots. What no one is saying is that this policy is discriminatory, which also violates the constitution. The EC and all commissioners are breaking their oath of office and committing treason. Of course, they don't care because the BAL has their backs.

Nam Nai
২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১২:১৯ অপরাহ্ন

Apnar lekha valo legeche .. Amra মাহবুব তালুকদার ke kokhono vulbona

sharif
২৬ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট / আমরা এখানে কীভাবে এলাম?

বেহুদা প্যাঁচাল: মমতাজের ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি, রাব্বানীর দৃষ্টিতে সেরা কৌতুক / কি হয়েছে সিইসি কাজী হাবিবের?

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status