ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

চলতিপথে

জনকষ্ট: ডিম জবাই মডেল

শুভ কিবরিয়া
২৩ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার

বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থাও ক্রমশ একটা মন্দাদশার দিকে যাচ্ছে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে সমরাস্ত্র বাণিজ্যকে বাড়িয়ে তুলতে যাচ্ছে। সেটাও বিশ্ব অর্থনীতির সামাজিক দৃষ্টিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে। ফলে একটা বৈশ্বিক চাপও আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। সুতরাং এই কষ্টদিনে মানুষকে সত্যিকারভাবে সহায়তা করার পথ রাষ্ট্রকে বের করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জও বটে

আমরা সাধারণত গরু জবাই, মুরগি জবাই, ছাগল কিংবা ভেড়া জবাই বিশেষত চারপেয়ে প্রাণীর জবাই করার কথাই শুনি। সেটাতে আমরা অভ্যস্তও বটে। কিন্তু ডিম জবাইয়ের কথা শুনে আমি কিছুটা অবাক আর বিস্মিতই হয়ে যাই। বুঝতে চেষ্টা করি কথাটা ভুল শুনলাম কিনা! পরে বুঝলাম না কথাটা এভাবেই উচ্চারিত হচ্ছে। কথাটা শুনলাম পুরনো সহকর্মী রফিক ভাইয়ের কাছে।

বিজ্ঞাপন
রফিক ভাই স্বল্প আয়ের মানুষ। বহু বছর ধরে দারুণ পরিশ্রম করে এক ধরনের কষ্ট করেই পরিবার চালাচ্ছেন। কষ্টে-শিষ্টে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছেন। বহুদিন পর দেখা হতেই জিজ্ঞাসা করলাম কেমন আছেন? বললেন আছি  একরকম তবে এখন ডিম জবাই করে জীবন চলছে। সেটা আবার কি রকম? তখন তিনি গল্পটা শোনালেন। বাড়িতে ক’দিন আগে তার স্ত্রীকে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন ডিম জবাই করে সংসার চালাতে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে তার আঁচ সংসারে পৌঁছে গেছে। সদ্য বাজার ফেরত স্বামীর এই কথা তাই রফিক ভাইয়ের স্ত্রীর কাছেও কিছুটা হেঁয়ালিই ঠেকেছে। কিন্তু পরে বুঝেছেন, না, তার স্বামী হেঁয়ালি করছেন না।

 একটা ডিম ভেজে তাকে কয়েক টুকরা করে আলুর ডালে মিশিয়ে তরকারি হিসেবে পরিবারের খাবারে চালাতে বলেছেন। কেননা পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য আস্ত একটা করে ডিম খাওয়া এখন সম্ভব নয়, নির্দিষ্ট আয়ের রফিক ভাইয়ের পক্ষে। মাছ-মাংসের যে দাম, তাও এখন খাবার পাতে তোলা দুষ্কর। ফলে একটা সমঝোতার ফরমুলা বের করে রফিক ভাই তার স্ত্রীকে ডিম জবাইয়ের কথাই বলেছেন কিছুটা কষ্টে, কিছুটা স্যাটায়ার করে, কিছুটা অনন্যোপায় হয়েই। 
এ ডিম জবাই দশা এখন আমাদের জনমানুষের একটা বড় অংশের জীবনের বাস্তবতা। জ্বালানি তেলের মূল্য অবিশ্বাস্য দরে বাড়ার পরে বাজারে যেন আগুন লেগেছে। পরিবহন ব্যয় প্রায় ২৫-৪০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে দ্রব্যমূল্যের দাম এখন লাগাম ছাড়া। নিম্ন আয় আর নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে এখন ন্যূনতম চাহিদা মিটিয়ে সংসার চালাতে দারুণ হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে যারা যান তারা জানেন, এই নিয়ন্ত্রণহীন দ্রব্যমূল্য আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে কীভাকে অস্বাভাবিক করে তুলেছে। আমাদের এক বন্ধুর কাছে শুনলাম প্রতিদিন ভোরে হাঁটার শেষে ডাব খাবার পুরনো অভ্যেস সে ছেড়ে দিয়েছে। কেন, এই সিদ্ধান্ত সে নিলো, জিজ্ঞেস করেছিলাম তাকে। কেননা, প্রতিদিন একটা ডাব খাবার মতো আর্থিক সামর্থ্য তার আছে। তবুও কেন এই ধনুকভাঙ্গা পণ জিজ্ঞেস করতেই পাল্টা প্রশ্ন করলো, ডাবের বর্তমান দাম সম্পর্কে কোন ধারণা আছে আমার? অপারগতা জানাতেই বন্ধুটির প্রত্যুত্তর, এখন একেকটা মাঝারি সাইজের ডাবের দাম পিস প্রতি ১৪০-১৬০ টাকা। একটা ডাব ১৬০ টাকা দিয়ে কিনে খাওয়া কি নৈতিক কাজ হতে পারে! সেটাই আমার বন্ধুটির আপাতত নিত্য ডাব খাওয়া ছাড়ার কারণ।

গত কয়েক মাসে আমাদের বাজার ব্যবস্থা আসলেই ভেঙে পড়েছে। শাক-সবজি-মাছ-মাংস-ডাল-তেল থেকে সাবান-সোডা-ওষুধ হেন জিনিস নেই যার দাম পরিমাণে বাড়ে নাই। এই দাম যে হারে বেড়েছে তার যৌক্তিক কোন ব্যাখ্যাও নেই। কেন দাম বাড়ছে, এই প্রশ্নের একটা উত্তর হচ্ছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে, পণ্য পরিবহন খরচ বেড়েছে। আরেকটা রেডিমেড উত্তর হচ্ছে, ডলারের দাম বেড়েছে, ফলে আমদানি খরচ বেড়েছে। এমনিতে আমাদের বাজার ব্যবস্থায় তদারকি যেমন দুর্বল তেমনি তার নৈতিক মানও দুর্বল। ফলে বহু বছর আগে আমদানি করা পণ্যও বিক্রয়কারীরা ডলারের বর্তমান দামে বিক্রি করতে পিছপা হচ্ছেন না। এই অসাধুতা আমাদের বাজার ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। ফলে, ভোক্তাদের জীবনে এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। বিদ্যুতের দাম আবার বাড়বো বাড়বো করছে। গ্যাস-পানির দাম যদি আরও বাড়ে তাহলে তো কথাই নেই।

বাজারের এই চাপ স্বাভাবিক দুর্নীতির রেটও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে অফিস-আদালতে স্পিডমানির হারও বেড়েছে। আয় বাড়েনি অথচ ব্যয় লাগামহীন ভাবে বেড়ে যাচ্ছে। ফলে বাজারে জিনিসের সরবরাহ থাকলেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতি তাতে গোদের ওপর বিষফোড়া হয়ে দেখা দিয়েছে। মানুষ কম কিনছে, এর একটা চক্রাকার ফল বাজারে পড়ছে। সেখানেও বেশি বিনিয়োগ করে কম বিক্রি, কম মুনাফা হচ্ছে। সেটার প্রভাবও সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে, জনকষ্ট কোন লেভেলে পৌঁছাবে সেটা বলা মুশকিল!

বাজারে সরবরাহ যতই থাকুক না কেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যদি কমে যায়, খাবার কেনার মতো পয়সা যদি হাতে না থাকে, তবে তার পরিণতি খুব একটা সুখকর হয় না। সামাজিক নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের বিখ্যাত কাজের একটি হচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্ভিক্ষের কারণ অনুসন্ধান। সেই গবেষণায় তিনি যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, তার কথা লিখেছেন, সম্প্রতি প্রকাশিত তার আত্মজীবনী ‘জগৎ কুটির’ বইয়ে। সেখানে তিনি লিখছেন,‘চারপাশে প্রচুর খাবার আছে- এমন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিশ্চিন্তে জীবনযাপন সম্ভব নয়, সেই তথ্য যত ঠিকঠাকই হোক না কেন। বাজার অর্থনীতিতে বাকিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চলে, তাই নিজের প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে পারার ক্ষমতার ওপর মানুষকে নির্ভর করতে হয়। খাবারের লভ্যতা (সামগ্রিকভাবে বাজারে কতখানি খাবার আছে) এবং খাবার কেনার সুযোগ (বাজার থেকে কতখানি খাবার একটা পরিবার কিনতে পারবে), এই দুইয়ের মধ্যে বিরাট ফারাক। অনাহারের অর্থ হলো বাজার থেকে যথেষ্ট খাবার কিনতে না-পারা, বাজারে যথেষ্ট খাবার না-থাকা নয়। ১৯৭০-এর দশকে, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে বুঝলাম, খাবারের লভ্যতার বদলে তা কিনতে পারার সুযোগের ওপর নজর দেয়া কতখানি জরুরি।’

এটা ভুললে চলবে না, আমাদের এখানে জনমানুষের সঞ্চয়প্রবণতা এমনিতেই কম। তার ওপর করোনার ভয়াল থাবা আমাদের সাধারণ মানুষের সকল প্রকার সঞ্চয়ে হাত বসিয়েছে। এখন তাই একটা বড় অংশের জনসাধারণের হাতে কোনো নগদ সঞ্চয় নাই।  ব্যাংক ও সঞ্চয় ব্যবস্থার মুনাফার হার কমতে কমতে এমন জায়গায় গেছে যে মধ্যবিত্তের একটা বড় অংশ সঞ্চয়পত্র বা এফডিআর করে যে টাকা আয় করতো তার হারও অনেক কমেছে। আবার একদিকে ভ্যাটের পরিধি বিপুলভাবে বেড়েছে অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতিও ক্রমেই স্ফীত হচ্ছে, ফলে মধ্যবিত্তের সঞ্চয় ক্রমশই ছোট হতে থাকছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি মধ্যবিত্তকেও তাই দারুণতর চাপে ফেলেছে। 

জনগণের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত এখন তাই ভীষণ বিপদে পড়েছে। খাদ্যাভাসের ডিম জবাই মডেলও তাদের শেষ রক্ষা করতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। কেননা, এই অর্থনৈতিক চাপ, মানসিক চাপ বাড়াবে। পরিবারের সামাজিক সু-সম্পর্কের ব্যালান্স নষ্ট করবে। পরিবারের মধ্যে আনন্দের আবহকে সংকটাপন্ন করে তুলবে। যার অবধারিত ফল হিসেবে রোগ-অসুস্থতা বাড়বে। চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাবে। সেটা আবার নতুন চাপ তৈরি করবে। এই চাপের চক্র চলতে থাকলে একটা বিষাদময়তা জীবনকে পিষ্ট করতে থাকবে। জনগোষ্ঠীর বড় অংশের মধ্যে হতাশা বাড়বে। যেটা জাতীয় সামাজিক পুঁজির ওপর আঘাত হানবে। 

এখন তাই জরুরি ভিত্তিতে সামাজিক সুরক্ষা নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা দরকার। ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে ন্যূনতম মান ও প্রয়োজনের খাদ্য যাতে মানুষ গ্রহণ করতে পারে সেই আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। যদিও সরকার চাইলেও এই নেটওয়ার্ককে কর্মক্ষম করে মানুষের দুর্দশা লাঘবে সত্যিকার ভাবে সক্রিয় করে তোলা খুবই কঠিন কাজ। কেননা সামাজিক সেফটি নেট দেশে কাজ করে মূলত মাঠপ্রান্তের আমলাতন্ত্র আর জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে। অতীতে জনপ্রতিনিধি আর আমলাতন্ত্রের মধ্যে একটা চেক অ্যান্ড ব্যালান্স ছিল। একে অপরকে তদারকি করার প্রয়োজনীয় সিস্টেম কাজ করতো। বহু বছর ধরে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে এবং নির্বাচনের বদলে দলীয় মনোনয়ন শক্তিশালী হওয়ার কারণে সরকার, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এবং আমলাতন্ত্র এককাতারে দাঁড়িয়ে গেছে। ফলে একটা পারস্পরিক সমঝোতা ও মিলেমিশে থাকার রাজনৈতিক প্রবণতা রাষ্ট্রনৈতিক ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতাকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। চাইলেও তাই, সরকার সত্যিকার দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের নির্ভুল তালিকা তৈরি করে তাদের হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে পারবে বলে মনে হয় না। ওখানে একটা বড় ধরনের সিস্টেম লস ঘটবে, দলীয় রাজনীতির দুষ্টচক্রে।

বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থাও ক্রমশ একটা মন্দাদশার দিকে যাচ্ছে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে সমরাস্ত্র বাণিজ্যকে বাড়িয়ে তুলতে যাচ্ছে। সেটাও বিশ্ব অর্থনীতির সামাজিক দৃষ্টিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে। ফলে একটা বৈশ্বিক চাপও আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। 
সুতরাং এই কষ্টদিনে মানুষকে সত্যিকারভাবে সহায়তা করার পথ রাষ্ট্রকে বের করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জও বটে।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক - [email protected]

 

পাঠকের মতামত

বাংলাদেশের মানুষের সঞ্চয় প্রবণতা কম নয় বরং সঞ্চয় করার সক্ষমতা কম। যার ফলে মানুষের হাতে সঞ্চয় করার বা সঞ্চয় রাখার মতো অর্থ অবশিষ্ট থাকে না দিানান্তে বা মাসান্ততে প্রায় ৮০ জনের। ভালো লিখেছেন । ধন্যবাদ

সাঈদ সিকদার
২৩ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

জনাব রফিক সাহেবের বয়স কত বলা হয়নি। তবে ষাটের দশকের কথা মনে করিয়ে দিলেন। একটা ডিম ৫/৬ ভাগ করে মায়ের দিন শুরু হতো। শিক্ষক বাবার বেতনে কুলাতো না। কারন ছিল বৈরী সরকার, সম্পদের অপ্রাপ্যতা, কর্মহীনতা, বন্যা আর খরা নামক দু'ভাই বোনের ফি বছর পালা করে ষড়যন্ত্র। এখন এগুলোর কিছুই নেই। তবে জনগনের সাথে যে সরকারের সখ্যতা নেই সে বিষয়ে অনিশ্চিত হই কি করে। পত্রিকা খবর দিলো মাত্র দু'জন মুনাফা খোরের ষড়যন্ত্রে ডিমের মূল্য আকাশ চোঁয়া হলো। এদের ধরে খোয়াড়ে আটকলে জনগনের সাথে সরকারের নিবিড়তা দৃশ্যমান হতো। ক'মাস পরইতো পবিত্র মাহে রমজান শুরু হবে। সে প্রস্তুতি সরকার না নিলেও মুনাফা খোর মজুদদারগন ঠিকই জন জীবন বিষিয়ে তুলবে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
২২ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট / আমরা এখানে কীভাবে এলাম?

বেহুদা প্যাঁচাল: মমতাজের ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি, রাব্বানীর দৃষ্টিতে সেরা কৌতুক / কি হয়েছে সিইসি কাজী হাবিবের?

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status