ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৪ শাওয়াল ১৪৪৬ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

বেহুদা প্যাঁচাল

সকল দলের সরকার তত্ত্ব এবং কিছু কথা

শামীমুল হক
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবারmzamin

বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দল দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে। এনসিপিসহ দুয়েকটি দল আওয়ামী লীগের বিচারের পর নির্বাচন দেয়ার পক্ষে। জামায়াত চায় যৌক্তিক সংস্কারের পর নির্বাচন। এখানে সব দল একমত হতে পারছেন না। একটি কথা ঠিক রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন দাবি করবেই- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত ষোল বছরের জঞ্জাল সাফ তো করতে হবে আগে। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত হয়ে সনদে স্বাক্ষর করতে হবে। ক্ষমতায় গেলে তারা এসব সংস্কার আইনে পরিণত করবেন। এর সংস্কার কোন কোন জায়গায় হবে, কেমন করে হবে- তা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। 
কিন্তু বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এমন ভাব ভালোবাসার ছিটে ফোঁটাও তো দেখা যাচ্ছে না। বরং একে অন্যকে প্রকাশ্যে গালমন্দ করতে ছাড়ছেন না। এতে করে বিগত ষোল বছরের স্বৈরাচার সুযোগ নিচ্ছে অবশ্যই। যার প্রতিফলন এখন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। স্বৈরাচার হাসিনা এখনো নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ভাবছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাষণ দিচ্ছেন। তার দলের নেতাদের সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন দেশে অরাজকতার। হাসিনার নির্দেশে যে দুই হাজারেরও বেশি ছাত্র-জনতা

 

সম্প্রতি রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক পিনাকি ভট্টাচার্য ফেসবুক লাইভে এসে নতুন একটি তত্ত্ব জাতির সামনে হাজির করেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা ভাবছি- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটা রাজনৈতিক সরকারে উন্নীত হবো। এখানে আমাদের একটা আউট অব দ্যা বক্স সলিউশন চিন্তা করতে হবে। সেটা হচ্ছে আমরা এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটা ট্রানজিশনাল সরকার করবো। যা থেকে রাজনৈতিক সরকারের উত্তরণ করবো। তার মানে তিনটা স্টেপে। ধাপে ধাপে। এই ট্রানজিশনাল সরকার থাকবে হাসিনার টার্মটা যতদিন ছিল ততদিন। মানে হাসিনা যদি ক্ষমতায়  থেকে যেতো। তাহলে যতদিন পরে আরেকটা ইলেকশন হতো ততদিন। কারা থাকবে এই সরকারে? ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল রাজনৈতিক দল। বিএনপি, জামায়াত, চরমোনাই, নুরের দল, এনসিপি এমনকি বাম সহ সবাই। তিনি আরও বলেন, ন্যাচারালি আমরা দলগুলোর শক্তি জানি। সে হিসেবে তারা মন্ত্রী পাবে। মন্ত্রিসভা পুরা হবে। আর উপ-প্রধান উপদেষ্টা হবেন তারেক রহমান। সে ফেসবুক লাইভে তিনি যা বলেছেন এর সারসংক্ষেপ এটা। তিনি একাধারে সরকারের মেয়াদ, সরকারের ধরন খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। সরকারে ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে রাখার কথাও বলেছেন। তার এ তত্ত্ব নিয়ে কে কি মন্তব্য করবে জানি না। তবে বিষয়টি আমাকে ভাবিয়েছে। বলতে গেলে আমাকে নাড়া দিয়েছে। এমনটি হলে আমার মতে ভালো হবে। সকল দলের মধ্যে একটা বোঝাপড়া হবে। সরকারে থেকে সকল দলের প্রতিনিধিরা মিলে দেশ চালাবেন। নতুন করে উপ- প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি করে তার দায়িত্ব দেয়া হবে তারেক রহমানকে। এতে করে বাকি সময়টুকু যারা সরকারে থাকবেন তাদের একটা অভিজ্ঞতা হবে। ভবিষ্যৎ নির্বাচনে যে দলই সরকার গঠন করুক অন্তত কিছু হলেও অভিজ্ঞ লোক সরকারে থাকবে। এ সরকার নিশ্চয় ব্যতিক্রম সরকার হবে। নোবেল বিজয়ী, বিশ্বনন্দিত ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন এ সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন তরতর করে। কারণ সকল দলের অংশগ্রহণ থাকায় এখানে কেউ সরকারের কোনো কাজে বাধা দিতে আসবে না। বরং প্রত্যেকেই যার যার পারফরমেন্স দেখাতে ব্যস্ত থাকবেন। কার চেয়ে কে ভালো কাজ দেখাতে পারবেন সে প্রতিযোগিতা গড়ে উঠবে সরকারের মধ্যে। 

এখন আসা যাক পিনাকি ভট্টাচার্যের নতুন এ তত্ত্বে কারা কারা সাড়া দেয়। কোন কোন রাজনৈতিক দল এ তত্ত্বকে সাদরে গ্রহণ করে। আর কারা এ তত্ত্বকে প্রত্যাখ্যান করে। তবে আমি যতটুকু বুঝি ষোল বছর জগদ্দল পাথরের মতো বসে থাকা নিষ্ঠুরতম স্বৈরাচার হাসিনাকে যেভাবে সরকার থেকে উৎখাত করা হয়েছে তা ছিল সকল রাজনৈতিক দলের কাছে অকল্পনীয়। আর ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে যেতে পারবে কিনা তাও ছিল ভীষণ ভাবনার। কারণ স্বৈরাচার হাসিনা সংবিধানকে এমনভাবে গড়ে তুলেছিলেন নির্বাচন হলেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। হাসিনা ও  তার দল আওয়ামী লীগের কোনো চিন্তা ছিল না। পরপর তিনটি নির্বাচন এভাবে চিন্তাহীনভাবে হাসিনা ক্ষমতায় থেকে গেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই থাকতেন সরকার প্রধান। যদি না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এভাবে ঝাঁপিয়ে না পড়তেন। হাসিনা সরকারও দিশাহারা হয়ে গুলির নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ, বিজিবি, আনসার কোনো বাহিনীই বসে ছিলেন না। তাদের সাহস জুগিয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী। ছাত্রলীগের গুণ্ডা বাহিনী।  জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। এভাবে দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। কমপক্ষে ত্রিশ হাজার জনতার অঙ্গহানি হয়েছে। কেউ চোখ হারিয়ে অন্ধ হয়েছেন। ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ভয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর পর সারা দেশের রাজপথ থেকে অলিগলি লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে। মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়ে। অবশ্য ৫ই আগস্টের বীজ বপন হয়েছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে। বিএনপি, জামায়াতসহ সকল বিরোধী দলগুলো রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। হামলা, মামলা আর গায়েবি মামলায় দিনের পর দিন জেল খেটেছেন। কেউ বা নিজ বাড়ি ছেড়ে ধানক্ষেতে ঘুমিয়েছেন। এত নির্যাতনের পর এলো মাহিন্দ্রক্ষণ ৫ই আগস্ট। এরপর ভেবেছিলাম রাজনৈতিক দলগুলোর বোধোদয় হবে। তারা সবাই এক টেবিলে বসবেন। দেশ পরিচালনায় নতুন ফর্মুলা হাজির করবেন। এ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে দিনের পর দিন বৈঠক হবে। এরপর তারা এক হবেন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেবেন তারা। কিন্তু আমরা কি দেখলাম? কিংবা কি দেখছি? আমরা দেখছি এখনো সেই আগের মতোই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোজন যোজন দূরত্ব। সব দলই নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। দেশের স্বার্থ কারও কাছে মুখ্য হয়ে উঠছে না। বরং অন্তর্বর্র্তীকালীন সরকারকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে কোনো কোনো দল। গত আট মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফলতা যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ব্যর্থতাও। তবে হিসাব করলে সফলতার পাল্লাই ভারী। বর্তমান সরকার সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতিতেই। এ নিয়ে কমিশনও হয়েছে। ইতিমধ্যে কমিশনগুলো তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসের কাছে। কমিশনের রিপোর্ট কিন্তু চূড়ান্ত নয়। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বলেছেন। তিনি বলেছেন সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসে এটি চূড়ান্ত করা হবে। এ জন্য ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। যার প্রধান- প্রধান উপদেষ্টা নিজেই। ইতিমধ্যে কমিশনগুলোর রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দলগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছে। এখানে দেখা গেছে, একেক রাজনৈতিক দলের একেক মত। দলগুলোর ঐকমত্যে যাওয়ার লক্ষণ একেবারে নেই। বিএনপি আরও কয়েক বছর আগে ৩১ দফা দিয়েছে। যেখানে উল্লেখ রয়েছে দুই বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। কিন্তু সংস্কার কমিশনের দেয়া এই দুইবারেও আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। বলেছে এখানে তিনবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তবে বিরতি দিয়ে আবার হতে পারবেন। বিএনপি’র  এ মতামতে দেখা গেছে তারা ৩১ দফায় দেয়া দুইবার থেকে সরে এসেছেন। আরও এমন অনেক বিষয়ে একদলের সঙ্গে আরেক দলের মতামতে ভিন্নতা দেখা গেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর এমন মনোভাবে মানুষ কিন্তু ক্ষুব্ধ হচ্ছে। মানুষের এ ক্ষুব্ধতা দলগুলোর জন্য কতোটুকু সুফল বয়ে আনবে? এ বিষয়টি কি রাজনৈতিক দলগুলো ভেবে দেখেছেন। 

এবার আসা যাক নির্বাচন নিয়ে। বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দল দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে। এনসিপিসহ দুয়েকটি দল আওয়ামী লীগের বিচারের পর নির্বাচন দেয়ার পক্ষে। জামায়াত চায় যৌক্তিক সংস্কারের পর নির্বাচন। এখানে সব দল একমত হতে পারছেন না। একটি কথা ঠিক রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন দাবি করবেই- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত ষোল বছরের জঞ্জাল সাফ তো করতে হবে আগে। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত হয়ে সনদে স্বাক্ষর করতে হবে। ক্ষমতায় গেলে তারা এসব সংস্কার আইনে পরিণত করবেন। এর সংস্কার কোন কোন জায়গায় হবে, কেমন করে হবে- তা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এমন ভাব ভালোবাসার ছিটে ফোঁটাও তো দেখা যাচ্ছে না। বরং একে অন্যকে প্রকাশ্যে গালমন্দ করতে ছাড়ছেন না। এতে করে বিগত ষোল বছরের স্বৈরাচার সুযোগ নিচ্ছে অবশ্যই। যার প্রতিফলন এখন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। স্বৈরাচার হাসিনা এখনো নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ভাবছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাষণ দিচ্ছেন। তার দলের নেতাদের সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন দেশে অরাজকতার। হাসিনার নির্দেশে যে দুই হাজারেরও বেশি ছাত্র-জনতা ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে এর দায় দিচ্ছেন সমন্বয়কদের ওপর। প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়েও নানা কুমন্তব্য করছেন। জোর গলায় বলছেন, এসবের বিচার কড়ায় গণ্ডায় হিসাব করে করা হবে। এজন্য দায়ী কে? এই আট মাসে কেন আমরা পারলাম না একটি বিষয়ে সংস্কার করে জাতির সামনে উপস্থাপন করতে? রাজনৈতিক দলগুলো কি মুখে মুখেই সংস্কার সংস্কার করছে? এমনটা হলে জুলাই বিপ্লব মাঠে মারা যাবে। এটা সবার মনে রাখতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো ভিন্নমত দিতেই পারে। কিন্তু সবাই এক টেবিলে বসে দীর্ঘ আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে দ্রুত। তা না হলে দেশের বিপর্যয় অনিবার্য। 

এ অবস্থায় পিনাকি ভট্টাচার্যের সকল দলের সরকার তত্ত্বকে আমার কাছে যথাযথ মনে হয়েছে। এমনটা হলে সকল দল সরকারও চালাবে আবার সংস্কার নিয়ে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আলাদা একটা ভালোবাসা জন্ম নিবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সবার মাঝে এটা সত্য। সকল দলের সরকার হতে পারে নতুন বাংলাদেশ গড়ার একটা প্ল্যাটফরম।

পাঠকের মতামত

বাংলাদেশের কোনও রাজনৈতিক দল দেশপ্রেমিক নয়। সবাই যেকোনও ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তায়।

Matinur Chowdhury
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ৭:৫২ অপরাহ্ন

এই মুহুর্তে নির্বাচন হলে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে-এটা নিশ্চিত কিন্তু মাঠের যে অবস্থা! বিএনপি নামধারী সুবিধা বাদী একটা চক্র সক্রিয় চাদাবাজী তে ব্যাস্ত যা তাদের মাঝে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চরিত্র কে ফুটিয়ে তুলছে, যা ভবিষ্যতে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ কে পুনর্বাসনে সহযোগিতা করবে। সরকারের সংস্কার যাই হউক, আগে দরকার বিএনপির দলীয় সংস্কার এবং চাদাবাজ, ধান্দাবাজ সনাক্ত করে দলকে দুর্নীতি মুক্ত করা। যত দ্রুত সম্ভব দলকে দুর্নীতি মুক্ত করে চাদাবাজদের চাদাবাজী বন্ধ করে সঠিক এবং সৎ লোকজন নেতৃত্বে আনা।একাজ বিচক্ষণতার সঙ্গে তারেক রহমানকেই করতে হবে। তারেক রহমানের ওয়ার্কিং টিম এমন হতে হবে যারা লোভলালসার উর্ধ্বে থেকে অন্তর থেকে দেশের জন্য কাজ করবে।

মোঃ মনিরুল ইসলাম সরক
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ৩:৪০ অপরাহ্ন

Do

Hafiz
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২:৫০ অপরাহ্ন

বিএনপিকে জনগন চায় না, গনভোট নেওয়া উচিত।

Mozammel
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২:৩৯ অপরাহ্ন

কিন্তু! বিএনপি কি মানবে?

শাহ্ আলম মানিক
৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২:০৪ অপরাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

সা ম্প্র তি ক প্রসঙ্গ/ এক যুগ আগে ড. ইউনূসকে যা বলেছিলাম

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে

   
Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status