ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০২২, বুধবার, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

ভেতর বাহির

হিরো আলমের ‘অপরাধসমূহ’, চুলের ‘বখাটে কাটিং’ এবং...

ডা. জাহেদ উর রহমান
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার

হিরো আলমের সিনেমা/অভিনয় আমার ভালো লাগেনি। ভালো লাগেনি তার কোনো গানও। যেমন ভালো লাগেনি বহু ভদ্রলোক/সুশীল পরিচালকের সিনেমা কিংবা সংগীত শিল্পীর গান। হিরো আলমের সিনেমা কিংবা গান যাদের ভালো লাগে তারা দেখুক, শুনুক। সমাজে এই স্পেইসটুকু লাগবেই। এটুকু না হলে তো এই সমাজ একেবারেই অসুস্থ। এক ভদ্রলোক পরিচালকের দৃষ্টিতে হিরো আলম ‘বানর’। কিন্তু আমার কাছে হিরো আলম ভীষণ শক্তিমান একজন মানুষ। তিনি প্রচলিত চিন্তা, প্রচলিত সব মানদণ্ডকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে সমাজে নিজের জায়গা করার লড়াই করেছেন

জনাব হিরো আলমকে নিয়ে আলোচনায় আসছি পরে, তার আগে ফিরে দেখা যাক কয়েকটি ঘটনা। ২০১৯ সালে মাগুরা জেলার পুলিশ কিশোর-তরুণদের চুল কাটার ক্ষেত্রে নানা রকম বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।

বিজ্ঞাপন
আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ বিষয়ে ব্যাপক মাইকিং, সেলুনকর্মীদের নিয়ে বৈঠকসহ নানা রকম প্রচারণা চালানো হয়েছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে সেলুন মালিকদের জানানো হচ্ছিল, কোনো সেলুনকর্মী কারও চুল কিংবা দাড়ি যেন মডেলিং ও বখাটে স্টাইলে না কাটেন। শুধু তাই না, সেলুনে সেলুনে সেই বিজ্ঞপ্তি টাঙিয়ে দেয়া হয়েছিল। মডেলিং এবং বখাটে স্টাইল কাকে বলে সেটা আর এক ধরনের ব্যাখ্যাও দিয়েছিল পুলিশ। সেটা হলো-এক শ্রেণির যুবক চুল এমনভাবে কাটেন যে, তাদের দুই কানের উপরের অংশে চুল থাকেই না। কিন্তু মাথার উপরের অংশে ঘন চুল থাকে। এই চুল বেশ দীর্ঘ হয়। হাঁটার সময় কিংবা মোটরসাইকেল চালানোর সময় এই চুল বাতাসে দুলতে থাকে।  কেন এ ধরনের পদক্ষেপ তার ব্যাখ্যাও দিয়েছিল পুলিশ। থানার ওসি বলেছিলেন, ‘মানুষের লাইফস্টাইলের সঙ্গে তার আচরণের নানা যোগসূত্র রয়েছে। অনেকে উদ্ভট পোশাক পরে ও উদ্ভট স্টাইলে চুল কাটে, যা দৃষ্টিকটু ও অস্বাভাবিক। সেটি তার জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব অবশ্যই ফেলবে। এ কারণে এটি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। 

সে ক্ষেত্রে সবার আগে জরুরি সচেতনতা। সে কাজটিই আমরা করছি। ইতিমধ্যে এর ইতিবাচক ফলও পাচ্ছে শহরবাসী।’ এবার আসা যাক এই বছরের ঘটনায়। মে মাসে শহরের মহিপাল বিজয় সিংহ দীঘির পাড়ে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১১ জন ছাত্রী ও ১৪ জন ছাত্রকে আটক করে পুলিশ। এরপর গাড়িতে তুলে তাদের সদর থানায় নেয়া হয়। সেখানে তাদের আটকে রাখার পর অভিভাবকদের ডেকে তাদের জিম্মায় দেয়া হয়। আটক শিশু-কিশোরদের বেশির ভাগই শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অষ্টম শ্রেণি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী। থানায় নেয়ার পর তাদের লজ্জায় মুখ ঢাকতে দেখা গেছে। সামাজিক মর্যাদার ভয়ে তাদের চোখে-মুখে ছিল ভীতি-আতঙ্ক। এটা এই বছরের ঘটনা। কিন্তু এমন ঘটনার নিয়মিত বিরতিতেই আসে আমাদের সামনে।  জনাব হিরো আলমকে নিয়ে অতি সমপ্রতি ঘটা ঘটনাটির প্রসঙ্গে আসা যাক। একটি টিভির রিপোর্টে দেখলাম, নিতান্ত নিরীহ ভঙ্গিতে হিরো আলম হেঁটে ডিবি অফিসে যাচ্ছেন। এরপর ডিবি’র পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করা হয়। ব্রিফিংয়ে হিরো আলমকে‘তিনি’ নয়, ‘সে’ বলে সম্বোধন করা হয় হিরো আলমের প্রতি এমন তাচ্ছিল্য দেখে আমার মনে পড়লো তার প্রতি আরেকটা বীভৎস তাচ্ছিল্যের কথা। আমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ২০১৮ সালের নির্বাচনে হিরো আলম অংশগ্রহণ করেছিলেন। 

 

 

সেই নির্বাচনে তার প্রার্থিতার কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন কমিশন ঝামেলা করেছিল। তারপর হিরো আলম হাইকোর্টে যান এবং প্রমাণিত হন তিনি ঠিক ছিলেন, নির্বাচন কমিশন তার ওপরে অন্যায় করেছে। তার হাইকোর্টে যাওয়াকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন সচিব। এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, ‘হিরো আলম পর্যন্ত হাইকোর্ট দেখায়। সেও বলে যে “নির্বাচন কমিশনকে আমরা হাইকোর্ট দেখিয়ে ছাড়ছি।” বোঝেন অবস্থা! সে তো স্বতন্ত্র প্রার্থী। সে বগুড়া থেকে দাঁড়িয়েছে। প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছে। তারপর আমাদের কাছে আপিল করেছে। মাননীয় কমিশন তার আপিল বাতিল করেছে। সে হাইকোর্টে গিয়ে তাঁরটা ক্লিয়ার করে আসছে। তারপর আগের তালিকার সঙ্গে তার (হিরো আলম) প্রতীক সংযুক্ত করে আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। মহামান্য হাইকোর্ট থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা আসতেছে। আমরা এগুলো নিয়ে একটু উদ্বিগ্ন এবং ব্যতিব্যস্ত।’ জনাব হেলালুদ্দীন হিরো আলমকে ‘সে’ সম্বোধন করছে। এবং বলছেন ‘হিরো আলম পর্যন্ত’।

 প্রশ্ন হচ্ছে হিরো আলমকে কি নির্বাচন কমিশনের সব কথা একেবারে নতশিরে মেনে নিতে হবে? নির্বাচন কমিশনের কোনো আচরণে কি হিরো আলম সংক্ষুব্ধ হতে পারেন না? সংক্ষুব্ধ হলে হিরো আলম কি হাইকোর্টে যেতে পারেন না? একজন সচিব জনাব হেলালুদ্দীন এই রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের যতটুকুর মালিক, যতটা মৌলিক অধিকার ভোগ করার কথা ঠিক ততটা মালিকানা এবং মৌলিক অধিকার কি জনাব হিরো আলমের থাকবে না? হিরো আলমের বিরুদ্ধে যে কেউ তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করতে পারেন কারণ আমরা শিক্ষিত/সুশীল নাগরিকরাও হিরো আলমকে তাচ্ছিল্য করি। হিরো আলম যেদিন থেকে এই জনপরিসরে আসেন সেদিন থেকেই তিনি আমাদের ‘ভদ্রলোক/সুশীল’দের কাছে অচ্ছুত হয়ে ছিলেন। হিরো আলমের মতো একেবারে অজ পাড়াগাঁয়ের, অশিক্ষিত, দরিদ্র, অতি খর্বকায় সারা শরীরে এবং মুখে দীর্ঘকালীন তীব্র অপুষ্টির ছাপ থাকা, প্রমিত বাংলায় কথা বলতে না পারা একজন মানুষ শিল্পের রাজ্যে প্রবেশাধিকার চাইছে, আমরা মেনে নিতে পারিনি এটা।  ঠিক এই পয়েন্টটিতেই আঘাত করতে চেয়েছে পুলিশও। পুলিশকে মুচলেকা দেয়ার পর বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হিরো আলম জানান, পুলিশ তাকে বলেছে- তিনি আয়নায় মুখ দেখেন কিনা, এই চেহারা নিয়ে কীভাবে নিজের নামের সঙ্গে হিরো যোগ করলেন তিনি। পুলিশ এটাও জানতে চেয়েছে তিনি হিরো শব্দের অর্থ জানেন কিনা। জানলে নাকি এই চেহারা এবং এমন বাচনভঙ্গি নিয়ে নিজেকে হিরো দাবি করতেন না। 

 আমরা যারা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত/উচ্চবিত্ত তারাই মোটামুটি নির্ধারণ করি কে শিল্প করতে পারবে, আর কে পারবে না। আমরা নির্ধারণ করি কার করা কোন কিছু শিল্প হচ্ছে কিংবা হচ্ছে না। আমরাই মূল্যায়ন করে বলি অমুকের শিল্প তমুকের শিল্পের চাইতে ভালো কিংবা খারাপ। আমাদের যাদের সামাজিক পুঁজি অনেক বেশি, তারাই এসব ক্ষেত্রে নির্ধারকের ভূমিকা পালন করি। আমাদের ভূমিকা শুধু নির্ধারক হওয়া পর্যন্ত এসে শেষ হয় না। যার শিল্প হয় না, তাকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চাই। মূলধারার মিডিয়াতেই রিপোর্ট দেখেছি এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আগে হিরো আলম যখনই এফডিসিতে গেছেন, তখনই বহু মানুষ তাকে ঘিরে ধরেছে। এমনকি ভিড়ের চাপে তিনি কিছুটা আহতও হয়েছিলেন। বহু মানুষের তার প্রতি আগ্রহ একেবারেই স্পষ্ট। তার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার।  হিরো আলমের প্রতি মানুষের এত আগ্রহ আমাদের সহ্য না হবারই কথা, হয়ওনি সেটা। মানুষ হিরো আলমের প্রতি কেন আগ্রহী এটারও ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন এফডিসি’র এক ‘ভদ্রলোক’ পরিচালক। তার মতে হিরো আলম ‘বানর’, যেহেতু তিনি খেলা দেখাবেন, তাই তার পেছনে এত মানুষ ঘোরে। এটা শুধু একজন পরিচালক বলেছেন- ব্যাপারটা এমন নয়। হিরো আলমকে নিয়ে কোনো সংবাদের ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য পড়লে দেখা যায় তাকে এভাবে দেখি আমরা অসংখ্য মানুষ।  তাকে বানর বলা নিয়ে এক ফেসবুক লাইভে এসে হিরো আলম অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হন, কাঁদেন। 

মূলধারার টিভি চ্যানেলের ফেসবুক পেইজ থেকে সেটি শেয়ার করা হলে আমি দেখেছি তাতে সব রিঅ্যাকশনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি ব্যঙ্গাত্মক (হা হা) রিঅ্যাকশন। আছে নানা রকম ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য। সিনেমার, মিডিয়ার জগৎটা ভীষণ রঙিন, অন্তত বাইরে থেকে সেটা মনে হয়। সেই রঙিন জগৎ অনেককেই হাতছানি দিয়ে ডাকে, অনেকেই হয়ে ওঠে মন্ত্রমুগ্ধ। জীবনে অনেক বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করে, ভীষণ বড় বাজি ধরে এই জগতে জায়গা করার চেষ্টার অনেক গল্প আমরা জানি। হিরো আলমের মতো আর্থসামাজিক অবস্থার, দৈহিক গঠনের একজন মানুষ এমন স্বপ্ন দেখবেন আর সেটা অর্জন করার জন্য লড়াই করবেন- এটা হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি। যেহেতু মিডিয়ার মনোযোগ পেয়েছেন তিনি, তাই নানাভাবে চেয়েছেন নিজের প্রতি মানুষের মনোযোগ ধরে রাখতে। তাই বিখ্যাত ট্রেন্ডিং সব গান তিনি গেয়েছেন। শুধু বাংলা ভাষায়ই না, গেয়েছেন আরও অনেক ভাষায়। তার গান কেমন হয়, সুর-তাল-লয় কতোটা ঠিক হয় সেটা আরেক আলোচনা। কিন্তু তিনি ‘মহাপাপ’ করে ফেললেন বেসুরো কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে। ‘রবীন্দ্র- মৌলবাদী’রা হৈ হৈ করে উঠেছিলেন সঙ্গে সঙ্গেই। হিরো আলমের সিনেমা/অভিনয় আমার ভালো লাগেনি। ভালো লাগেনি তার কোনো গানও। যেমন ভালো লাগেনি বহু ভদ্রলোক/সুশীল পরিচালকের সিনেমা কিংবা সংগীত শিল্পীর গান।

 হিরো আলমের সিনেমা কিংবা গান যাদের ভালো লাগে তারা দেখুক, শুনুক। সমাজে এই স্পেইসটুকু লাগবেই। এটুকু না হলে তো এই সমাজ একেবারেই অসুস্থ। এক ভদ্রলোক পরিচালকের দৃষ্টিতে হিরো আলম ‘বানর’। কিন্তু আমার কাছে হিরো আলম ভীষণ শক্তিমান একজন মানুষ। তিনি প্রচলিত চিন্তা, প্রচলিত সব মানদণ্ডকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে সমাজে নিজের জায়গা করার লড়াই করেছেন। আমরা ভদ্রলোকেরা সর্বস্ব দিয়ে ঠেকিয়ে দিতে চেষ্টা করেছি, বের করে দিতে চেয়েছি তাকে।  মানুষের ব্যক্তি জীবনে রাষ্ট্র কতোটুকু ঢুকতে পারবে সেটা একটা রাষ্ট্রের টোটালিটারিয়ানিজমের পথে হাঁটার সঙ্গে সমানুপাতিক। যে রাষ্ট্র অনেক বেশি মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশ করে, সেই রাষ্ট্র আসলে টোটালিটারিয়ান হওয়ার পথে এগিয়ে যায়। এই যে একটা বিশেষ ধরনের চুলের কাটিংকে বখাটে কাটিং নাম দিয়ে সে রকম চুলের কাটিং না দিতে বাধ্য করা হচ্ছে, অহেতুক পার্ক থেকে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, কিংবা একজন মানুষ তার মতো করে গান গাইবার ‘অপরাধে’ মুচলেকা দিতে হচ্ছে- এটা আসলে প্রমাণ করে এই রাষ্ট্র মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে অনধিকার প্রবেশ করছে।

পাঠকের মতামত

"কিন্তু আমার কাছে হিরো আলম ভীষণ শক্তিমান একজন মানুষ। তিনি প্রচলিত চিন্তা, প্রচলিত সব মানদণ্ডকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে সমাজে নিজের জায়গা করার লড়াই করেছেন l" - এটাই অনেক বড় কথা , এটাই সত্যি কথা। হিরো এলাম আত্ম বিশ্বাসী, স্ব-প্রণোদিত (self motivated) এবং সৎ একজন মানুষ।

Ahmed
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৬:১৯ পূর্বাহ্ন

শুধু বাংলা ভাষায়ই না, গেয়েছেন আরও অনেক ভাষায়। তার গান কেমন হয়, সুর-তাল-লয় কতোটা ঠিক হয় সেটা আরেক আলোচনা। কিন্তু তিনি ‘মহাপাপ’ করে ফেললেন বেসুরো কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে। ‘রবীন্দ্র- মৌলবাদী’রা হৈ হৈ করে উঠেছিলেন সঙ্গে সঙ্গেই। হিরো আলমের সিনেমা/অভিনয় আমার ভালো লাগেনি।৷ ***ঠিক বলছেন।।। শুভকামনা রইল

Arifur Rahman Suman
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

হিরো আলম নামের আগে হিরো লিখে দেকছি কবিরা গোনা করে ফেলেছে, যাহারা উনাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার এবং তার শরীরের গঠন নিয়ে অনেক খারাপ কুরুচিপূর্ণ আলোচনা করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব হিরো আলম যখন করোনাকালীন সময়ে, তার ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে, কর্মহীন এবং যারা অনাহারে দিনানিপাত করছিল করোনার কারণে যারা কাজ কাম করতে পারছিলোনা,তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন এইসব লাট সাহেবের বাচ্চারা কোথায় ছিল, কোথায় ছিল গোয়েন্দা ডিপারমেন্ট এর লোক, তার চেহারার প্রয়োজন ছিল না তখন? বন্যায় সিলেটে ক্ষতিগ্রস্ত অনাহারী মানুষের পাশে এসে, নিজের অর্থ খরচ কর, ঘুরে ঘুরে খাবার নিয়ে তাদের বাড়ি বাড়ি খাবার অন্ন্য বিতর করছিল, তখন কি তার খারাপ চেহারা খারাপ চুলের কাটিং এগুলো কি প্রয়োজন ছিল না,জনাব হিরো আলম যদি তার নামের আগে হিরো লেখে এতোটুকুন মনে তৃপ্তি পায়, আমি মনে করি এই তৃপ্তি আমার আপনার সবার,এবংগোয়েন্দা বিভাগের উচিত ছিল হিরো আলম সাহেব রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কিছু করে কিনা,

বাবুল আক্তার
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:১১ অপরাহ্ন

পুরাই ফালতু বকবকানি। এখানে রাস্ট্র-র দ্বারা ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের কোন ব্যাপার ঘটে নি। উপরন্তু বলা যায় উপদ্রব সহ্য করা হচ্ছে এবং সেটা দীর্ঘদিন ধরে। বানরের নাচ হোক আর যাই হোক একটা মানুষের যখন ১৪ লক্ষ ফলোয়ার থাকে তখন তার কিছু দায়িত্ব থেকে যায়। শিল্প-সংস্কৃতিতে নিজের ক্যারিয়ার করতে চাইলে সে গ্রুমিং করে নিজেকে উপযুক্ত করুক। ভালো না লাগা এক জিনিস, উদ্ভট কান্ডকারখানা আর এক জিনিস। আপনার ভাষায় সুশীল কোন শিল্পীর কোন কাজকে ভালো না লাগার সাথে এর কাজের তুলনা করেছেন। কিন্তু আলম-এর কাজ/শিল্প (?) কে অন্য শিল্পীর কাজ (অভিনয় / গান) এর সাথে তুলনাই বা করেন কিভাবে, যে আপনি বললেন অন্য অনেকের টা ভালো লাগে না, এর টাও ভালো লাগে না। মানে একে (আলম) নিয়ে লেখা টা ও একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে।

হাবিব
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৩৫ অপরাহ্ন

Kono ekta level e Alom saheber gronjoggota obosshoi ache, ta nahole onar eto fan followers thakto na! Ami baktigoto vabe karo performance ba varami (etao performance er aotay pore) pochondo na Korte pari, kintu er jonno take heyo protiponno korte pari na. Tobe ekta bishoye onake ovinondon! Eto kichur poreo uni odommo ebong venge porar patro na. Salute his level of confidence!!

Arif Motahar
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

নাম ইমান আলী কোন দিন নামাজ পড়েন না। নাম তার বাদশা বসবাসের জন্য কোন জায়গা নেই । নাম তার ফকির লক্ষ টাকার মালিক । নাম তার হিরো আলম তিনি দেখতে কেমন হইছে হোক ,তাতে অন্যর ফাটে কেন ? পরী মনির মতো বার ভাতারী, মদ খোর, দেহ ব্যবসায়ী, সানিলিওয় র মতো পর্নস্টার ভালো তাই না? তবে চিত্র জগতের কেউ ভালো না ? জিহাদ হোসেন লিখেছেন রাষ্ট্রের সম্মান নষ্ট । লক্ষ কোটি টাকা পাচার দুর্নীতির শীর্ষে বর্তমান রাষ্ট্র তাতে সম্মান নষ্ট হয় না?

Feroj Ahammed
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

মোহাম্মদ জিহাদ হোসাই ভাই আপনি এখানে রাষ্ট্রের বদনাম দেখছেন যেদিন পদ্মা সেতু উদ্ধোধন হলো তখন যে বেসুরা অশুদ্ধ গলায় কোরআন তেলাওয়াত করলো তখন আপনার এই অসম্মানবোধ জাগ্রত হয়নি কেন ভাই।

সাইফুল ইসলাম
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

Well said. Hope everyone keeps on writing. System needs to change. As you have described, things are getting worse by the day. Many of us think that it doesn't apply to me. I just need to keep my head down, walk straight light, and my life will be fine. They don't know that they have already been affected. Now, every talent will be concerned about their career being stopped at any moment. Everyone, celebrity or not, will be in fear of police. Police acted on Dr. Murad Hasan. Same Murad Hasan, who said that he was going to rape a girl. No action about his own deed. Shame.

Sharif
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

হিরো আলমকে নিয়ে যতই ভালো ভালো মন্তব্য করেন না কেনো। আপনারা হয়তো ভুলে গেছেন সব কিছুরই একটা আলাদা আলাদা কোয়ালিটি আছে। যেখানে হিরো বলতে অবশ্যই একজন হিরোর যত রকম গুন লাগে হিরো হতে ততটুকু গুন একজন শিল্পীর থাকা প্রয়োজন। আর বিশেষ করে যখন সেটা জাতীয় পর‍যায়ে যাবে সেখানে তো অবশ্যই তার সে গুন এবং মানসম্মত কাজ হতে হবে।আপনারা যারা হিরো আলমকে নিয়ে এত ফাল পারছেন তারা একটু অন্য দেশের মানুষের সাথে কথা বললে বুঝতে পারবেন, তারা আসলে কতটা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলে। আর হ্যা আমি হিরো আলমকে তার কোন কাজে বাধা কিনবা নিরুৎসাহিত করছি না। সে কাজ করুক কিন্তু সেটা অবশ্যই মান্সম্মত হলে তবেই সেটা জাতীয় পর‍যায়ে উপস্থাপন করুন। অন্যথায় লোকাল বাজারে তার কারয্যক্রম চালিয়ে যাক। যারা বলছেন যতক্ষন পর‍যন্ত রাস্ট্রদ্রোহী কোন কাজ না হয় ততক্ষন পরজন্ত তাকে কিছু বলা যাবে না, তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলছি, একটা দেশের মানসম্মান খুন্ন হয়, দেশকে ছোট করে দেখে অন্য দেশের লোক তখন রাস্ট্রদ্রহী কাজ করা লাগে না। এমনি রাস্ট্রের অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। পরিশেষে বলতে চাই, দেশটাকে মগের মুল্লুক বানিয়েন না। সাধীনতা মানে এই নয় যে যে যা খুশি করবে।

মোহাম্মদ জিহাদ হোসাই
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

মাহাফুজ কাক্কুকে ধরে মুচলেকা নেন দেখি আপনি কতবড় অফিসার। তাতো পারবেন না। শুধু একজন হিরো আলমকে হয়রানি করছে। হিরো আলমের গান শুদ্ধ না বুঝলাম মাহাফুজুর রহমানের গান কি শুদ্ধ?

রজব
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

পুলিশ নিজেই আইন, সংবিধানিক অধিকার, মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে যে কারনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবনতা দেখা দিয়েছে।

রশীদ
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ২:০০ পূর্বাহ্ন

কে কি করবে সেটা ঠিক করার এখতিয়ার আসলে কোন রাষ্ট্রের নেই। কারো ব্যাক্তিগত ব্যাপারে রাষ্ট্রের ততক্ষন পর্যন্ত কোন কথা বলা উচিত না, যতক্ষন না সেই ব্যাক্তি রাষ্ট্র বিরোধী কোন কাজ না করে। হিরো আলম যা করেছে তা এদেশের তথাকথিত প্রগতিশীলদের গায়ে লেগেছে এই আর কি।

মাহমুদ খালিদ
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১:০৮ পূর্বাহ্ন

যথার্থ বলেছেন প্রিয় ধন্যবাদ আপনাকে …এই শিক্ষীত সমাজে আজ সিংহ ভাগই আবর্জনায় ভরে গেছে..এদেশে অহংকার নিন্দা মানুষের মূল হাতিয়ার..সবাই শক্তের ভক্ত নরমের জম..জিরু থেকে হিরু হয়ে আসা মানুষ বলেই তার সাথে অন্যেয় ব্যাবিচার,একজন দেশের নাগরিকের সাথে এমন আচরন মোটেও কাম্যনয়..

Salman badhon
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

সবকিছু যদি এক হয়ে গেলে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আর একজন হাতুড়ে ডাক্তারের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না, বিকৃত শব্দটাকে মনে হয় ব্যান করে দিলে ভালো হবে ।

ঘঘ
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

হিরো আলম একটাই হয়, হিরো আলম সত্যিকারের হিরো। তার অবদান করোনা সময়ে তার এলাকায় গিয়ে দেখবেন সে বহু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে যা আমাদের দেশের নামধারী রাজনীতিবিদ এবং কোটিপতিরা করতে পারেনি, এদেশের চিটার বাটপার সন্ত্রাসী কালোবাজারি সুদখোর ঘুষখোর নারীবাজ মদখোর যারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে তাদের দিকে কারো নজর নাই একজন ব্যক্তি একজন হিরো আলম যে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে ওপরে চেষ্টা করছে আর আমাদের দেশের কিছু নামধারী কুৎসিত মনের খারাপ মানুষ তাকে নিচে নামানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে, লেখক ভাই আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভালো লেগেছে। দেশটা এখন এমনই হয়ে গেছে, শক্তের ভক্ত নরমের জম।

MD ALI HOSSAIN
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজুর রহমান যদি গান গাইতে পারে, তাহলে হিরো আলম গান গাইতে পারবেনা কেন? আমদের দেশের পুলিশ কি জনাব মাহফুজুর রহমান কে থানায় ডেকে নিয়ে হিরো আলমের মতো বলতে পারবে যে, " তুমি গান গাইতে পারবানা, তোমার গলার শুর ভালো না "।

Mofazzal Hossain
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১১:৩০ অপরাহ্ন

যথার্থ বলেছেন। আমাদের দেশের সুশীল সমাজ আর প্রগতিশীলেরা হলো, চিলে কান নিয়ে গেছে, কানে হাত না দিয়েই দৌড় মারে। যাকে বলে হুজুকে বাঙ্গালি। টিপ পড়া নিয়ে আন্দোলন করতে, কিন্তু ......? বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে নেপোলিয়নের জন্ম হলে, তিনি বলতেন, "আমাকে নিরক্ষর মানুষ দাও, তোমাকে একটি সুখি সমৃদ্ধ সমাজ দিবো।" কারন বর্তমান সময়ে শিক্ষিত লোকেরা সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর। ঘুষখোর, সুদখোর, দূর্নীতি, রাহাজানি, কালোবাজারি, ঠকবাজি সবই করছে শিক্ষিত লোকেরা। আমাদের দেশে শিক্ষিত লোকের অভাব নেই, কিন্তু জ্ঞানী লোকের বড্ড অভাব।

Shamim Mahmud
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৯:৩৭ অপরাহ্ন

Apnar lekha sottie osadharon. Ajkal police prosason ja ta suru korese. Ohetuk school clg er student's der dhore enee hoirani, huday park gulo te rate kora. Esob kono kajer moddh pore ki? Koti takar durnity hosse, police sekhane jawar sahos porjonto korsena. R asse esob maniser sadhinota ke khorbo korte . Ja ritimoto onnay, asole jekhane sorkar e onnay pothe ashe sekhane prosason r ki korbe?. Hero alomrr cinema gaan amio suninay kokhono. Kintu manus hisebe unake ami jothesto respect kori.

Rocky
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৭:১৪ অপরাহ্ন

ধন্যবাদ|আপনার এই সুন্দর লেখার জন্য I

Shohel
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৮:২৫ পূর্বাহ্ন

lekhagulo porlam khub valo laghlo and true. tobeye chuler cutting and park er ovhijan er somorthon ami kori.

Kazi Hiron
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৭:০২ পূর্বাহ্ন

Police violated Hero Alam's human rights. It must be stopped. There is no such law or the constitution does not allow this type of behavior of police to any citizen of this country.

mamun
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৩:২৪ পূর্বাহ্ন

তবে আমি বখাটে চুল কাটিং এবং পার্কে, হোটেলে অভিযান চালানোর পক্ষে। এসব নিয়মিত করলেই ইভটিজিং, ডিভোর্স, পরকীয়া কমে যাবে সমাজ থেকে। বখাটে চুলের কাটিং যেমন শরীয়ত সম্মত নয় তেমনি বিয়ের আগে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীর পার্কে বসে ফষ্টি নষ্টি ও শরীয়ত সম্মত নয়। তাছারা শরীয়ত সম্মত না হলেও কোন ধর্মের অভিবাবকের কাছেই এগুলো গ্রহনযোগ্য নয়।

sienat
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৩:০৩ পূর্বাহ্ন

আপনি অনেক সুন্দর কথা লিখেছেন আপনার কথার সাথে সম্পন্ন একমত হিরো আলম হলো প্রকৃত হিরো যা খারাপ মানুষের সহ্য হয় না।

নাহার
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:৩৭ পূর্বাহ্ন

আপনার লেখাটি এদের কথার জবাব।সমাজের কিছু মানুয পশুর চেয়ে খারাপ। আপনার বিশ্লেষণ চমৎকার।

Shami
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:৩০ পূর্বাহ্ন

এদেশের ভোট যেমন নাই, তেমনি মানুষের নীতি নৈতিকতা ও নাই, হোক সেটা সরকারি বা বেসরকারি কর্মকতা করমোচারি।

Mozammel
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:০২ পূর্বাহ্ন

হিরো আলমের অপরাধ কোথায়? যারা কিছু করতে পারে না তারাই হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করে, হিরো আলম ভাই এগিয়ে যাও।

মোঃ আতাউর রহমান
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১:৪২ পূর্বাহ্ন

আপনি অনেক সুন্দর কথা লিখেছেন আপনার কথার সাথে সম্পন্ন একমত হিরো আলম হলো প্রকৃত হিরো যা খারাপ মানুষের সহ্য হয় না যারা অন্যায় ভাবে বেআইনিভাবে মানুষের উপর জুলুম করবে আল্লাহ তাদের বিচার করবে একদিন হিরো আলম তুমি এগিয়ে যাও

Saddam Hussein
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

সব চাইতে উপযুক্ত বাণী এই প্রসঙ্গে!! আমরা এর চেয়ে আরো খারাপ, নির্লজ্জ্ব, কুৎসিত, রুচিহীন, চোর, বাটপার, দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, অসৎ বেহায়া বেইমান প্রশাসনিক সরকারি কর্মচারীদের কুকর্ম, অদম্য অযোগ্য ও নির্বাক রাজনীতিবিদ, শ্রেষ্ঠ বেইমান ও তৈলবাজ তিন বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ইত্যাদি এই সব সহ্য করে যাচ্ছি অনায়াসে, আমাদের কোনো রকম বধদোয় শক্তি নেই সোচ্চার হওয়ার বালাই নেই!! অথচ এই সামান্য হেরো আলমের গান নিয়ে অ্যাকশন রিয়াকশন নিয়ে ব্যাস্ত। আসলে আমাদের এর চেয়ে কুৎসিত গানই যথাযোগ্য। আমরা হেরো আলমের চেয়ে অযোগ্য। (ভাই আমি কোনো দল করিনারে ভাই) উপার্জন করি নিজের ও পরিবার চালাই। দেশের মানুষের মধ্যে প্রকট হয় গেছে .. অতিলোভ, হিংসা, মিথ্যা, অহংকার, নারীবাজি, নেশা ও সূলব অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যাবহার অতিমাত্রায় ইত্যাদি সমাজ দেশ সবকিছুই গ্রাস করে দিয়েছে। মহান আল্লাহ তুমি রক্ষা করো এবং হেদায়াত করো সকলকে।

Rubel Chowdhury
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

হির আলম চুরি করেন নাই, ঘুষ গ্রহন করেন নাই, মাস্তানিও করেন নাই, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেন নাই। তার গান অভিনয় যার ভাল লাগে সে দেখবেন, আর যার ভাল লাগে না সে দেখবেন না। এটা নিয়ে এত নাটকের কি আছে?

ইকবাল
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

হি আলম ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা শিল্প সংস্কৃতি সংগীতকে বিকৃত ধিকৃত নিন্দিত করে ছেড়েছে। তার গান সুর তাল লয় সবই নিকৃষ্টতার সীমা অতিক্রম করেছে। তথাপিও তাকে নিয়ে এত মোলায়েম সুরে তার প্রতি সহানুভূতি সৃজনশীল জীবন মূখি শিল্প চর্চাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার শামিল। মন যা চাইবে তা করা মুখে যা আসবে তা বলার নাম শিল্প সংস্কৃতি হতে পারেনা। তাহলে ভিক্ষুকদের রাস্তায় রাস্তায় হাক ডাক মারা কাওয়ালী গান গজল গুলোকেও শিল্পের মর্যাদা দিয়ে তাদেরকে আলো ঝলমল মঞ্চে এনে তাদের মর্যাদার মুকুট তাদের মাথায় পড়িয়ে দেওয়া উচিৎ নয় কি?

আলমগীর
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

চোর বাটপার এবং আসল মূর্খরা সহ্য করতে পারছে না বাংলার একমাত্র "হিরোকে!" এই ধরনের লোকজন তালিবানদের চাইতেও ভয়ঙ্কর।

shiblik
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:১২ অপরাহ্ন

Sahosh kore AJ sb,ATN er Chairman Saheb,aro jara esob korche.....eder ke dhore niye .....bolen to dekhi????Unader biruddheu to onek somalochona royeche social media te....

sohel
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:০৮ অপরাহ্ন

আপনারা এখন কথা বলার সুযোগ পেলেন এর আগে কাহারো শুভবুদ্ধির উদয় হয়নি যখন গোয়েন্দা দপ্তরে নিয়ে পুরো জাতির সামনে উলংগ করে নাকের খত রাখা হলো?

বিল্লাল হোসেন
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:০৬ অপরাহ্ন

হারুন অর রশিদ ডিবি প্রধান হয়ে প্রথমেই ক্ষমতা চর্চা করলেন নিরীহ হিরো আলমের প্রতি। এটিএন বাংলার মাহফুজের উপর ক্ষমতা চর্চার হ্যাডাম দ্যাখান তো? কে কিভাবে গান গাইবে এটা একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। পুলিশ তাদের নির্ধারিত এসাইনমেন্ট বাদ দিয়ে এখন গানের সুর তাল লয় ঠিক করার দায়িত্ব নিছে। আবার তোরা মানুষ হ।

Harun or Rashid
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:০২ অপরাহ্ন

দেশের মানুষের যা অবস্থা, তাতে হিরো আলম ই যোগ্য

Nahid
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

মানুষ তার মনের প্রশান্তির জন্য, অজান্তেই কত গান কত ভাবে গায় তা-ও কি পুলিশ নির্ধারণ করে দিবে ।

Ferdous
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১০:৪৬ অপরাহ্ন

দেশে এখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে, তাই নাগরিকের অধিকার কেড়ে নিয়েছে জনগণের টেক্সের টাকায় পালিত সুবিধাভোগী গোষ্ঠী।

SK.Sagor
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১০:২৯ অপরাহ্ন

thanks for this article

Ibrahim
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৫৩ অপরাহ্ন

বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্র! কোনো কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে এমন জঘন্য কাজ পুলিশ করতে পারেনা। সাগর-রনির হত্যা মামলার চার্জশিট শতবারেও দিতে পারেনা। এমন বেসুরা গান মাহফুজুর রহমানও করে, তাকেতো একবারও পুলিশ ডাকেনি! পুলিশের উচিত হিরো আলমের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া।

মোহাম্মদ আসলাম হোসেন
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৫৩ অপরাহ্ন

Thank you for your opinion. your opinion is correct.

Shahadat Hossain
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৪০ অপরাহ্ন

এরকম একটি চমৎকার লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সঠিক মূল্যায়ন। এটা খন্ডিত , কিন্তু সামগ্রিক চিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।

elahi newaz khan
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৩৪ অপরাহ্ন

এই রাষ্ট্র মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অধিকারে বিশ্বাসী নয়! লেখাটি পড়ে ভালো লেগেছে! ধন্যবাদ ডা. জাহেদ উর রহমান ও মানবজমিনকে!

Borno bidyan
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:১৪ অপরাহ্ন

Excellent analysis and we support such independence................

Anis
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৮:৪৭ অপরাহ্ন

বাংলা সিনেমার নায়ক-নায়িকার চেয়ে,হিরো আলম অনেক ভালো....

Shwapnohin
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৭:৪৯ অপরাহ্ন

হিরো আলমের গান আমারও ভালো লাগেনি। কিন্তু, আরও ভালো লাগেনি সমাজের উঁচু পদের অনেক মানুসের/তাদের পরিচালিত গান। সাম্প্রতিককালে কিছু বাংলা গানের সাথে যেভাবে বলিউডি অনেক নর্তকি দিয়ে যেভাবে নাচানো হচ্ছে তার সাথে গানের তাল ও নাচের কোন মিল নেই। এমনকি বাংলা গান এহেন সংস্কৃতির সাথে খুব তেমন একটা খাপ খায়না। কিন্তু, তাতে পুলিশের কোন মাথাব্যাথা নেই। আর পুলিশ কবে থেকে গান বাজনার দায়িত্ব নিল , তাও আমার বোধগম্য নয়।

rasu
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৭:৩৮ অপরাহ্ন

চমৎকার লিখেছেন। এদেশে দুর্নিতিবাজ চোর ক্ষমতালোভী রাই বড় বড় কথা বলে। হিরো আলম তো রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে না। পরিশ্রম করে এই সমাজে টিকে থাকার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Shafiqullah
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৭:৩২ অপরাহ্ন

রুচিহীনতা হিরো আলমের মত মানুষদের সেলিব্রিটি বানায়, আমাদের এখন রুচির আকাল চলছে ।

Titu Meer
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৭:০৯ অপরাহ্ন

Many many thanks

Nurulislamchowdhury
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৬:৩৪ অপরাহ্ন

Excellent Writing. I Support Hero Alam

salman
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৬:৩২ অপরাহ্ন

লেখকের সাথে আমি সম্পুর্ন একমত। হিরো আলমের মত অনেকেই বেসুরো গান গায়,রবীন্দ্র, নজরুল সংগীত গায় তাদের ব্যাপারে কারো মাথা ব্যাথা নেই। হিরো আলম যদি কোন চ্যানেলের মালিক হত তাহলে কি পুলিশ এভাবে বলতে সাহস করত?

মোঃ মুকুল হোসেন
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৬:২৮ অপরাহ্ন

Excellent perception and it’s a reflection of our totalitarianism. We are achieving higher degrees and rate of literacy is increasing day by day but unfortunately we couldn’t become educated. Moral degradation is a curse of our so called modern society. There are lots of Helal Uddin serving for the peoples republic of Bangladesh and one of them recently I have seen in Cox’s Bazar, how he behaved with a journalist. By default, 80%to 90% Police ( higher or lower level) personnel misbehave with others. It seems, when they were born, their mother dropped a drop of bitterguard on their mouth. These classes never will be changed until they are brought to justice. Injustice anywhere is a threaten to justice everywhere.

Harun Al Rashid
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৫:৫৩ অপরাহ্ন

কে কি গাইবে কে কি পরবে কে কি খাবে মনে হচ্ছে এখন থেকে রাষ্ট্র তা ঠিক করে দেবে। প্রবাদপ্রতিম দেবব্রত বিশ্বাসও শান্তি নিকেতনের দাদা বাবুদের সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন রবীন্দ্র সঙ্গীতের সুর বিকৃতির অভিযোগে। হেমন্ত মুখার্জী রবীন্দ্র সঙ্গীত গাওয়া শুরু করলে সব গেল সব গেল বলে চিৎকার শুরু হলো। সিনেমার প্লেব্যাক গায়ক রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইছে কেন? সত্যজিৎ রায় যখন কিশোর কুমারকে দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়ালেন তখন শান্তি নিকেতনের কর্তা বাবুরা একদম চুপ মেরে গেলেন। কারণ সত্যজিৎ রায়ের সামনে মুখোমুখি দাঁড়ানোর মত অত লম্বা তারা ছিলেননা। শান্তিনিকেতনের দাদাবাবুরা অতীত হয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের রবীন্দ্র মৌলবাদীরা তাদের জায়গা দখলে নেবার চেষ্টা করছেন। অনেক বড় শিল্পীরাও আদি ও আসল সুরে রবীন্দ্রসংগীত গাইতে পারেননা। কিন্তু তাদের নামে পুলিশের কাছে মামলা করার মত এত শক্ত জমিন এদের পায়ের নীচে নেই। তাই দেখতে নিরীহ বগুড়ার এক গন্ডগ্রাম থেকে উঠে আসা অত্যন্ত সাহসী হিরো আলমের উপরে ভর করে রবীন্দ্র মৌলবাদীরা এখন আলোচনায় থাকতে চাচ্ছেন।

Khaja
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ২:০৪ অপরাহ্ন

সে অভিনয়ে হিরো না হলেও ভয়বিহীন/ উচিত কথা বলার কারণে হিরো!

হুমায়ুন কবির
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১২:২২ অপরাহ্ন

লেখাটি দারূন লেগেছে। Policing এবং তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ মন মানষিকতা এবং চিন্তা চেতনায় বিশ্ব মানদন্ডে কি পরিমান পিছিয়ে আছে এই প্রতিবেদন পড়লেই বুঝতে পারবেন।

রাজীব
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ কি খেলা হবে ১০ই ডিসেম্বর?

প্রেম-পরকীয়া নিয়ে দুই নায়িকার বাহাস/ হারিয়ে যাচ্ছে কি ভালো সিনেমার আলোচনা?

১০

কাওরান বাজারের চিঠি/ ম্যারাডোনা, আম্পায়ারিং এবং পরীমনি

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status