ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ

সর্ববৃহৎ বিরোধী দলবিহীন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এবং গণতন্ত্রের ফাইনাল পরীক্ষা

তারিক চয়ন
২৬ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার

প্রশ্ন জাগতে পারে, বিএনপি দেশের প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কিনা। সাংবিধানিকভাবে দেশের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি হলেও বাস্তবে বিএনপিই যে মূল বিরোধী দল সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সরকারের অংশীদার সকলের প্রাত্যহিক কথাবার্তাতেই তা বোঝা যায়। সরকার এবং আওয়ামী লীগের যে কয়েকজন মুখপাত্র রয়েছেন, তারা বিএনপিকে আক্রমণ করে কথা বলেননি এমন একটি দিনও খুঁজে পাওয়া দুরূহ।

কয়েকদিন আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে (দ্বাদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদিও ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং উন্নয়ন অংশীদারদের বক্তব্য-বিবৃতিগুলো থেকে আগামী বছরের অর্থাৎ ২০২৩ সালের শেষের দিকে দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আভাস মিলছে।

নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এদেশে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়, সেটি হলো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালে জেনারেল এইচ এম এরশাদ সরকারের পতন ঘটেছিল। দেশের প্রায় সকল বড় রাজনৈতিক দল ওই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। ১৯৯১ সালে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দেশে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাতে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল।

 

 

১৯৯১ সাল থেকে পালাবদল করে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় যায়। অবশ্য, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে আজ অবধি আওয়ামী লীগ একটানা ক্ষমতায় আছে। কিন্তু লক্ষণীয় যে, প্রতিটি নির্বাচনের আগেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে যেটি দেখা দেয় তা হলো, প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে তো?
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সবারই নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
সাধারণ মানুষের যেমন রয়েছে, তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোরও রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন জাগতেই পারে যে, প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে সমস্যাটা কী? নির্বাচন বয়কটের মাধ্যমে তারা তো স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করতেই পারে! প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে নেয়া যাক।

গ্রিক ‘ডেমস’ অর্থ জনগণ, আর ‘ক্র্যাসি’ মানে তন্ত্র। এ দুই শব্দ নিয়ে ডেমোক্র্যাসি বা গণতন্ত্র শব্দের উদ্ভব। সেক্ষেত্রে, গণতন্ত্রের অর্থ দাঁড়াচ্ছে- জনগণতন্ত্র বা জনগণ পরিচালিত শাসনব্যবস্থা। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় যেহেতু সব মানুষের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এককথায় অসম্ভব, সেহেতু সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন প্রমাণ ও প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনব্যবস্থার উদ্ভব হয়েছে। তাই, আধুনিককালে গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা ‘মেজরিটি রুল’ বা গরিষ্ঠের শাসন বলে অভিহিত করে থাকেন। গণতন্ত্রে স্বীকৃত নির্বাচনব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণ নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের প্রতিনিধিদের সংসদে পাঠান। সংসদে সরকারি দল রাষ্ট্র পরিচালনা করে। বিরোধী দল তাদের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে, গঠনমূলক সমালোচনা করে সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনায় সাহায্য করে। সুতরাং, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন যে অপরিহার্য উপাদান তা বলাবাহুল্য। এখন প্রশ্ন দাঁড়ায়, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন তথা ‘প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল’ ছাড়া নির্বাচন কি সুষ্ঠু হতে পারে? এমন নির্বাচনের মাধ্যমে কি প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হতে পারেন?

দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই, একমাত্র ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দেশের প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল (বেশ কয়েকবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া) বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি। যার ফলে, নির্বাচনের আগেই অর্ধেক প্রার্থী (১৫৩ জন) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হিসেবে ‘নির্বাচিত’ হয়ে যান। ধরে নিলাম, বিএনপি  বা তার নেতৃত্বাধীন জোট ওই নির্বাচনে অংশ নিলেও জয়ী হতে পারতো না। কিন্তু, নির্বাচনটিতে অংশ নিলে ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি বা জোটের অন্তত ১ জন প্রার্থী যে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতেন, এ নিয়ে নিশ্চয়ই কারও দ্বিমত নেই। সুতরাং, সাংবিধানিকভাবে ওই নির্বাচন সঠিক হলেও বাস্তবে অন্তত ১টি সংসদীয় আসনের জনগণ নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের প্রতিনিধিদের সংসদে পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছেন। যার অর্থ, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের প্রকৃত মতামত ওই নির্বাচনের মাধ্যমে উঠে আসেনি। আর সেজন্যই, গণতন্ত্রের স্বার্থে দেশের প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বিএনপিকে নির্বাচনে আনা জরুরি। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল তো আরও সুনির্দিষ্টভাবে বলেছেন, জাতির স্বার্থে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনিবার্যভাবে প্রয়োজন।

প্রশ্ন জাগতে পারে, বিএনপি দেশের প্রধান বা সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কিনা। সাংবিধানিকভাবে দেশের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি হলেও বাস্তবে বিএনপিই যে মূল বিরোধী দল সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সরকারের অংশীদার সকলের প্রাত্যহিক কথাবার্তাতেই তা বোঝা যায়। সরকার এবং আওয়ামী লীগের যে কয়েকজন মুখপাত্র রয়েছেন, তারা বিএনপিকে আক্রমণ করে কথা বলেননি এমন একটি দিনও খুঁজে পাওয়া দুরূহ। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা নির্বাচন নিয়ে এবং অন্যান্য বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের বাইরে যে দলটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এবং পর্দার আড়ালে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, সে দলটিও বিএনপি।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা সফল হবে না বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন সিইসি। এমনকি সদ্য সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা পর্যন্ত গত মাসে এক অনুষ্ঠানে ‘বিএনপি ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়’ মন্তব্য করে বলেছেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। তাদের বাইরে রেখে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আশা করা যায় না। এ জন্য বিএনপিকে নির্বাচনের মাঠে আনতে হবে এবং সেই দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।’ বিগত নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনেক আগেও (২০১৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি) সিইসি’র দায়িত্ব পালনকালে নূরুল হুদা ‘বিএনপিকে ছাড়াই কি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে’ সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘না, না, কখনো না। বিএনপি ছাড়া নির্বাচন সব দলের হয় কীভাবে? অবশ্যই বিএনপি রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। তাদের ছাড়া নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। এটা আগেও বলেছি, এখনো বলছি।’

আসলে যে যাই বলুক, শুধু বিএনপিই নয়, আওয়ামী লীগকে ছাড়াও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। এ দুই দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হলেও সেটিকে কেউই সুষ্ঠু নির্বাচন বলে মেনে নিতে পারেন না। ৩০০ টি আসনের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া দেশের সর্বত্র স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবখানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এ দুই দলের মধ্যেই। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, গত ১৫ই জুন অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন থেকে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও নির্বাচনের আগে মেয়র প্রার্থী হিসেবে দুই ব্যক্তির নামই বারবার আলোচনায় আসছিল। তারা দুজনই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র দুই নেতা- মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের স্নেহধন্য আরফানুল হক রিফাত এবং কুসিকের সদ্য সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। নির্বাচন নিয়ে অনেক প্রার্থীর অনেক ধরনের অভিযোগ ছিল। সেসব বাদ দিয়ে, নির্বাচনটিকে সুষ্ঠু ধরে নিয়ে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী রিফাত ৫০,৩১০ এবং সাক্কু ৪৯,৯৬৭ ভোট পেয়েছেন। দুজনের ভোটের ব্যবধান মাত্র ৩৪৩। নির্বাচনে বড় চমক দেখান মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের (বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠন) সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার। ২৯,০৯৯ ভোট পেয়ে তিনি তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোটেরই মালিক হননি, নিশ্চিতভাবে বিজয়ী সাক্কুকেও  হারিয়ে দিয়েছেন বলেই কুমিল্লা শহরের অনেকে বলাবলি করছেন। বিএনপি’র একটি অঙ্গ সংগঠনের নেতা কায়সার শহরের ‘একচ্ছত্র অধিপতি’ বলে পরিচিত এমপি বাহার সমর্থিত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা রিফাতের প্রাপ্ত ভোটের অর্ধেকেরও অনেক বেশি ভোট পেয়েছেন। সুতরাং, বিএনপি’র একক প্রার্থী সাক্কু না হয়ে কায়সারও যদি হতেন, তাহলে এই ‘নতুন চমক’ কায়সারই রিফাতকে হারিয়ে দিতে পারতেন, এমন আলোচনাও চলছে।

অতএব, বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ দুটি দলের কোনো একটিকে ছাড়া যে অংশগ্রহণমূলক তথা জনগণের রায় নির্ধারণের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা সম্ভব নয় কুসিক নির্বাচন সেটাই প্রমাণ করে। আর (স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও) সে কারণেই হয়তো প্রভাবশালী দেশের কূটনীতিকরা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কুসিক নির্বাচন নিয়ে নানা হিসাব কষতে সরজমিন কুমিল্লা সফর করছেন। যাই হোক, নির্বাচন ঘনিয়ে এলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হওয়াটা যেমন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে, তেমনি আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমঝোতায় পৌঁছলে সাংবিধানিক বা যেকোনো সংকট থেকে উত্তরণ যে মুহূর্তের ব্যাপার সেটাও সবাই মানেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (২৩শে জুলাই) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দিলেও বিএনপিকে বাধা না দিয়ে বসাবেন ও চা খাওয়াবেন। তিনি বলেছেন, ‘কথা বলতে চাইলে শুনবো। কারণ আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।’ ওই একই দিন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকও বলেছেন, ‘ক্ষমতার মালিক দেশের জনগণ। জনগণ আমাদেরকে ভোট না দিলে আমরা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে চলে যাবো। বিএনপি বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না, কোনোদিন ক্ষমতায়ও আসতে পারবে না।’

এসবের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তার কার্যালয়ে গেলে চা খাওয়াবেন। তার আগে বলে দেন, কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট সিস্টেম মেনে নিচ্ছি। তাহলে চা খাওয়া যাবে, অসুবিধা নেই।’ বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন,  ‘মেট্রিক পরীক্ষা দেয়ার আগে আমরা টেস্ট পরীক্ষা দিতাম। ফাইনাল পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা দিতে হয়। ফাইনাল পরীক্ষা দেয়া লাগবে না, টেস্ট পরীক্ষাতেই বর্তমান সরকারের গদি উল্টে যাবে।’

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, এসব কিছুই গণতন্ত্রের ভাষা। কিন্তু, এসবের পাশাপাশি দুই দলের নেতারা আরও অনেক কিছুই বলেছেন। ইচ্ছে করেই সেসব কিছু লিখলাম না। খামোখা, পরস্পর তিক্ততা বাড়িয়ে দেশ ও জনগণের ক্ষতি বই লাভ নেই। আমরা বরং, প্রকৃত অর্থেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক ফাইনাল পরীক্ষা দেখার অপেক্ষায় রইলাম। 

পাঠকের মতামত

আন্দোলন করে সরকার হঠানোর বিকল্প কোন পথ খোলা নেই .কোন মিষ্টি কথার পাদে পা দিলেই যে লাউ সেই কদু

MOMTAZ
২৭ জুলাই ২০২২, বুধবার, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগ প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ উন্নয়নে সয়লাব তাহলে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় কোথায় ? সত্য কথা হচ্ছে উন্নয়নের নামে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে তাই নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় !!

KM Shafiqul
২৬ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:১০ পূর্বাহ্ন

যাদের নিজেদের উপর আত্মবিশ্বাস নাই, যারা মনে করে জনগণ তাদের ভোট দিবে না, তাই তারা অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাইবে না, দিবে না। তারা চাইবে বি এন পি যাতে নির্বাচনে না আসে। অবাধ, সুস্থ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বর্তমান (অবৈধ, ভোট চোর)ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ প্রাথীদের জামানত ও থাকবে না। এই উপলদ্ধি তাদের আছে। যদি ও তারা তা প্রকাশ করে না। আর বি এন পি এমন একটা জনপ্রিয় দল যার নাম শুনলে আওয়ামীলীগের অন্তরাত্মা কাঁপা শুরু করে। তাই তারা প্রতিদিন বি এন পি কে কিছু না কিছু গাল মন্ধ না করলে তাদের পেটের ভাত হজম হয় না। যারা নিজেদের ঢোল নিজেরা পেটায় যে জনগণ তাদেরকে ক্ষমতায় দেখতে চায়, তাহলে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ নির্বাচন দিতে ভয় কিসের?

salim khan
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১০:৪০ অপরাহ্ন

বিএনপির অংশগ্রহন ছাড়া নির্বাচন গ্রহনযোগ্য হবেনা বুঝলাম। গ্রহনযোগ্য না হলে কি হবে? গত নির্বাচন গ্রহনযোগ্য হয়নি তো কি হয়েছে। আলীগ তো ঠিকই পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে গেল, যেটি তাদেরকে সামনে এরকম আরো নির্বাচন করে আপাতত ২০৪০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার উৎসাহ যোগাচ্ছে। কথা হলো আন্দোলন করতে হবে, আন্দোলন ছাড়া পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া সংবিধানে তত্ববধায়ক সরকার পুনর্বহাল হবেনা। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। গত নির্বাচনগুলোর ছয় মাস আগে থেকেই বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ব্যাপকহারে জেলে ঢুকানো হতো, এবার সে জায়গায় সরকার কিছুটা চাপে থাকবে। নির্বাচনের এখনো প্রায় দেড় বছর বাকী, সরকারী দলও সময় নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করছে। বিরোধীদলগুলোও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকার বিভিন্ন উস্কানি দিয়ে সময়ের আগেই আন্দোলনে নামাতে চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। এবার বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের রাগামহীনতার কারণে ও সরকারী দলের অঢেল টাকা পাচারসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ ক্ষেপে আছে, রাস্তায় নামানো গেলে দাবী মানাতে খুব বেশীদিন লাগবেনা।

জামশেদ পাটোয়ারী
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য কখন‌ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে না।

রুহুল আমিন
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ৯:২১ অপরাহ্ন

বিএনপি অংশ না নিলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবেনা -------------------------------------------------------------------- বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে শুধু আগামী নির্বাচনই নয়, সামনে আছে গনতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা। গনতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অপরিহার্য। 'ঠেলার নাম বাবাজী', 'বাঙালি ঠেকে শেখে' প্রবাদ দুটো অনেক পুরোনো। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। এই উপলব্ধি ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় থাকলে আজকের পরিস্থিতি তৈরি হতোনা। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভারতের সহায়তায় প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে সাইড লাইনে ঠেলে দিয়ে ছলচাতুরী করে জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দলে বসিয়ে সাময়িক পার পেলেও আখেরে তা লেজেগোবরে অবস্থা তৈরি করেছে। যে কারণে আজকের আওয়াজ- বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবেনা।বিএনপি ক্যাডার ভিত্তিক বা দাঙ্গাবাজ কর্মীদের দল নয়। গ্রামগঞ্জের আপামর জনসাধারণের বিপুল সমর্থনে মূলত বিএনপি টিকে আছে। প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগের বিএনপির চর্চা দেখে মনে হয় তাঁরা বিএনপিকে মূর্তিমান আতঙ্ক মনে করেন। তাই বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগের স্বাচ্ছন্দ্য বোধ বেশি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে ক্ষমতায় আসেন। নিরপেক্ষ নির্বাচনে পরাজয় আঁচ করতে পেরে আওয়ামী লীগ আদালতের দ্বারস্ত হয়ে নির্বাচন কালীন কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি বাতিল করেন। অবশ্য আদালত আরো দুটি নির্বাচন কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের মতামত ব্যক্ত করেন। আদালতের কথা আমলে না নিয়ে আওয়ামী সরকার হটকারি হয়ে ওঠেন। 'বিচার মানি, তালগাছ আমার' নীতিতে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিলো যে প্রকারেই হোক ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা। আওয়ামী লীগের দুরভিসন্ধি বুঝতে পেরে বিএনপি বাধ্য হয়ে নির্বাচন বর্জন করে। আওয়ামী লীগ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জবরদস্তি পথে ভোট ছাড়াই সংখ্যা গরিষ্ঠ আসেন এমপি নির্বাচিত করে ক্ষমতায় বহাল থাকে। ওই সময় নির্বাচনে ভারতের উলঙ্গ হস্তক্ষেপ ছিলো দেখার মতো। বাংলাদেশের গনতন্ত্র বিকশিত হতে ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে না পারার জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতও দায়ী। কথায় কথায় বলা হয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রক্তের এবং স্বামীস্ত্রীর। কিন্তু, বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের পর্যায়ের সম্পর্ক ইতিমধ্যে বিষাদময় হয়ে ওঠেছে। শ্রীলঙ্কার রাজাপক্ষের সরকারকে ভারত সুরক্ষা দিতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে রাতের অন্ধকারে চুপিচুপি ভোট করে আওয়ামী লীগ বিএনপি সহ সকল বিরোধী দলের ভোটারদেরকে, এমনকি আওয়ামী মহা জোটের ভোটারদেরকেও ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের এমনকি বিশ্বের ইতিহাসে এমন ভোট চুরির উদাহরণ আর একটিও নেই। এরই প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে অংশগ্রহণ করানো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। কিন্তু, আওয়ামী লীগ সরকার যদি আগের মতো ক্ষমতায় বহাল থাকার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকে তাহলে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা বিফল হবে; কারণ বিএনপির দাবি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। ২০০৬ সালে বিএনপির ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হলে যে আঙ্গিকেই হোক নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছে। তাই বিএনপির কেয়ারটেকার সরকারের দাবি ন্যায্য। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন আওয়ামী লীগও কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছে। বিএনপি সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন বর্জন করতে পারে তাহলে বিএনপিরও সে অধিকার আছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে উঠিয়ে আনার দাবি করছে। তবুও কেনো জনগণের ভোটের ওপর তাঁদের আস্থা নেই তা এক রহস্যময় ব্যপার। জনগণকে স্বাধীন ভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ বা অধিকার তাঁরা দিতে চাননা কেনো তাও রহস্যময়। অবশ্য তাঁদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুলভাবে সমালোচিত। দৃশ্যমান উন্নয়নে জনগণের যেটুকু উপকার হয়েছে অভিযোগ আছে তার চেয়ে অনেক বেশি লাভবান হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠজনেরা (oligarch). বিদ্যুৎ খাতের বিপর্যয়ে ইতিমধ্যে উন্নয়নের মহাসড়ক ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। জনগণের মধ্যে এসব আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। সে জন্যই কি আওয়ামী লীগ জনগণের নিরপেক্ষ মুক্ত ভোটের ওপর আস্থা রাখতে বিচলিত বোধ করছে? মানুষের মুখ বন্ধ করে, ভোটের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে গনতন্ত্রহীন বলপূর্বক একদলীয় উন্নয়ন অটেকসই প্রমাণিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত মানুষের ভোটের অধিকার ও গনতন্ত্র নিশ্চিত করা। 'আগে উন্নয়ন পরে গনতন্ত্র', প্রমাণিত হয়েছে এটি অন্তঃসার শূন্য কথা। নির্বাচন কমিশন ও বিশিষ্টজনেরা বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবেনা বললেও আওয়ামী লীগের স্বদিচ্ছা এখানে মুখ্য। কারণ আওয়ামী লীগ সরকার যদি কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে না দেয় তাহলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবেনা। নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা অসম্ভব। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে গনতন্ত্রও নিশ্চিত হবেনা। নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া বিএনপি অংশ নেবেনা। এখন জনগণের ভোটের অধিকার ও গনতন্ত্র নিশ্চিত করতে হলে বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে হবে। বিএনপিকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগেরই বেশি। আওয়ামী লীগের সে দায়িত্ব পালনের কোনো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছেনা। বরঞ্চ তাঁরা বিএনপিকে বাদ দিয়ে জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল সাজিয়ে শর্টকাট ক্ষমতায় বহাল থাকতেই বেশি আগ্রহী বলে মনে হয়। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন, বিশিষ্ট্য ব্যক্তবর্গ, বুদ্ধিজীবী ও গনতান্ত্রিক উন্নয়ন সহযোগী দেশ সমূহ এবং বিএনপির ভূমিকার ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। এ অবস্থার সমাধান তাঁদেরই খুঁজে বের করতে হবে। আলী রিয়াজ বলেছেন, 'রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য একটি বড় লড়াই লাগবে। পৃথিবীর কোথাও সাধারণ মানুষ আগে নামেনি। রাজনৈতিক শক্তিই আগে নেমেছে। প্রথম ঝুঁকিটা অংশীজনদেরই নিতে হবে। তারা নামলে মানুষ নামবে।' (আলী রীয়াজ, যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিকস অ্যান্ড গভর্নমেন্ট বিভাগের ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক, প্রথম আলো ২৪ জুলাই ২০২২)। [তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকা থেকে]

আবুল কাসেম
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ৯:০১ অপরাহ্ন

হে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক এটি সবারই প্রথ্যাশা।যাতে আমরা সাধারণ জনগণ সুষ্ঠু ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারি

ফেরদৌস
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ৭:৫৫ অপরাহ্ন

বিএনপি ছাড়া নির্বাচন গ্রহণ যোগ্যই না। কিন্তু এই কথা আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

mohd islam
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১:৩৪ অপরাহ্ন

Hi I got you. Do you think BNP is a political party? You think so. But you are not right. Let BNP become a political party n then practice democracy.

Mohammad Shaheed
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১২:২৫ অপরাহ্ন

না, নূতন কোন বিশ্লেষন পাওয়া গেল না। সবই পুরানো চাল চিত্র। তবে নাগরিকগনের একটা বৃহৎ অংশ পৃনঃ পৌনিকভাবে রাজনৈতিক কৌশলের নামে অতি চতুরতায় ভোটাধিকার প্রয়োগে বঞ্চিত বা বাধাগ্রস্থ হলেও তাকে সংবিধান রক্ষার এবতেদায়ী সনদ দেয়র মত গ্রহনযোগ্যতার পথ রুদ্ধ করতে হবে। তবেই গনতন্ত্র চর্চার পথ আবারিত হবে- নির্বাচনও হবে অংশ গ্রহনমূলক।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১২:১৪ অপরাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট / আমরা এখানে কীভাবে এলাম?

বেহুদা প্যাঁচাল: মমতাজের ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি, রাব্বানীর দৃষ্টিতে সেরা কৌতুক / কি হয়েছে সিইসি কাজী হাবিবের?

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status