ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

ভারত

এক বাঙালি কন্যার প্রেমে উন্মত্ত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা

(৪ সপ্তাহ আগে) ১৯ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৩:৫৪ অপরাহ্ন

কোনও ঢাক ঢাক গুড় গুড় নেই। ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহার জীবনিকায় তার লেখায় স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন তৎকালীন পাটনা কলেজের তেজস্বি ছাত্র যশবন্ত সিনহার প্রেমকাহিনী। যা কমেডি হয়নি, ট্রাজেডিতেই যার পরিণতি পাটনা কলেজে পড়ার সময়ই বিহারী যশবন্ত প্রেমে পড়েন কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী বাঙালিনি মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের। অসামান্য সুন্দরী, বিদুষী ছিলেন মীনাক্ষী। একদিন এক মেঘলা দুপুরে মীনাক্ষীকে প্রেম নিবেদন করেন সেদিনের তরুণ যশবন্ত। মীনাক্ষী বলেন, সে কি করে হয় তোমরা বিহারী আমরা বাঙালি। আমাদের সংস্কৃতি, আবহ সব তোমাদের থেকে আলাদা। আমরা ভালো বন্ধু হয়ে থাকি। যশোবন্ত এই ঘটনার পর মীনাক্ষীর সঙ্গে আর কথা বলেননি। এর কিছুদিন পরে মীনাক্ষীর বিয়ে হয় পাটনা কলেজের লেকচারার সুজিত বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

বিজ্ঞাপন
সুজিত আবার যশবন্ত'র সিনিয়র ছিলেন। বোনের মারফত বিয়েতে মীনাক্ষী আমন্ত্রণ জানান যশবন্তকে, তারপর দুজনের রাস্তা আলাদা খাতে বয়ে যায়। যশবন্ত সফল বুরোক্র্যাটের জীবন ছেড়ে রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বিয়ে করেন হিন্দি ভাষার লেখিকা নীলিমাকে। তিন কৃতি সন্তানের জনক হন - জয়ন্ত, শর্মিলা এবং সুমন্ত। অনেক পরে সুজিতের মৃত্যুর পর একবার দেখা হয়েছিল মীনাক্ষী - যশবন্ত এর। তারপর মীনাক্ষীরও প্রয়াণ হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী সেদিনের সেই স্মৃতি বুকে নিয়ে ঘুরছেন। রাজনীতিবিদদের কত কথাই না আমাদের অজানা থাকে!

ভারত থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

ভারত থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status