ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ মহরম ১৪৪৬ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

হালফিল বৃত্তান্ত

কার পাপে, কার দোষে প্রকৃতির প্রতিশোধ

ড. মাহফুজ পারভেজ
১ মে ২০২৪, বুধবারmzamin

এমন একটি ক্ষতিকর পরিস্থিতিতে পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনও বিপদগ্রস্ত এবং বিপন্ন হচ্ছে। এজন্য একে অপরকে বা গায়েবি গজবকে অভিযুক্ত করার আগে নিজেদের আয়নার সামনে দাঁড় করানো দরকার। কার পাপে, কার দোষে প্রকৃতির প্রতিশোধ অক্টোপাসের মতো আমাদের ঘিরে ধরেছে, তার প্রতিকার করা দরকার জরুরিভিত্তিতে। নইলে গজবের দোহাই দিয়ে বিপদের কবল থেকে বাঁচা যাবে না। সামনের প্রকৃত শত্রুকে কিছু না করে অদৃশ্য বা গায়েবি কারণকে দোষারোপের পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। প্রকৃত শত্রুকে দমনের বদলে কাল্পনিক শত্রুর পেছনে লাগলে কোনো লাভ হবে না। বরং সর্ষের ভূত হয়ে যারা প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি করে সমগ্র জাতিকে বিপদের মুখোমুখি করছে, তাদেরকে দমন ও নির্মূল করতে হবে সর্বাগ্রে


বিশ্বের নানা দেশে এবং বাংলাদেশেও চলছে প্রকৃতির চরম প্রতিশোধ। মরুদেশ দুবাই সবাইকে অবাক করে ভেসেছে আকস্মিক বন্যার পানিতে। আমাজন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আমেরিকার বনাঞ্চল পুড়ছে প্রচণ্ড দাবানলে। বাড়ির পাশে কলকাতার রাজস্থানে মরুভূমির মতো উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
হিমালয়ের বরফ গলছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। সামগ্রিক বিবেচনায় প্রকৃতি তার স্বাভাবিক গতির বাইরে নানা রকমের অস্বাভাবিক আচরণ করছে।   বৈশ্বিক পরিবেশ বিপর্যয়ের মতোই বিপদের নানা প্রকাশ ঘটছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশে অসহনীয় গরমে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। তাপে রাস্তার পিচ গলে যাচ্ছে। রেলপথ বেঁকে যাচ্ছে। হিটস্ট্রোকে মারা যাচ্ছে মানুষ। সুজলা, সুফলা, শ্যামলা বাংলাদেশের ছিল নাতিশীতোষ্ণ ধরনের সহনীয় আবহাওয়া। সেই সবুজ বাংলাদেশে এখন মরুর উত্তাপ। তীব্র গরম আর লু হাওয়ায় দিনগুলো অসহনীয় ও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। এমন চরম ও অভাবনীয় পরিস্থিতি হওয়ার কথা নয় বাংলাদেশ নামক ভারসাম্যপূর্ণ দেশে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এখানেও আবহাওয়ার চরম আচরণের দাপট দৃশ্যমান। গরমের মতোই আবার শীতেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি হয়েছিল চরম। হাল্কা ঠাণ্ডার বাংলাদেশে শৈত্যপ্রবাহ কবলিত হয়ে মারা গিয়েছিল বহু মানুষ, এখন যেমন মরছে তীব্র দাবদাহে। এই দেশে এখন গরমও তীব্র, শীতও তীব্র। নাতিশীতোষ্ণ বলতে কিছুই নেই। প্রকৃতির প্রতিশোধ ও আবহাওয়ার বৈরিতা আচমকা কোনো ঘটনা নয়। বৈশ্বিক জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতার নানাবিধ বিপদ সম্পর্কে বিগত বছরগুলোতে বহু সতর্কবার্তা দেয়া হলেও কেউ সচেতন হয়নি। উন্নত দেশগুলো যেমন বেপরোয়া হয়ে শিল্পায়ন করছে, জ্বালানি পোড়াচ্ছে, বর্জ্য বাড়াচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোও তেমনিভাবে প্রকৃতি বিনাশ করছে গাছ কেটে, নদী ভরাট করে, পাহাড় সমান করে। সকলের সম্মিলিত অপরাধের ফল ফলছে হাতেনাতে। বিশ্বের দেশে দেশে প্রকৃতি প্রতিশোধ নিচ্ছে নির্মমভাবে।   

অনেকে প্রকৃতির প্রতিশোধকে ‘প্রাকৃতিক বিপদ‘ বলে চিহ্নিত করছেন। ‘ঐশ্বরিক গজব’ও বলছেন কেউ কেউ। কিন্তু এসব বিপদ ও গজব এমনিতেই নেমে আসছে না। কার পাপে, কার দোষে প্রকৃতির প্রতিশোধ চলছে, সেটাও অনুসন্ধান করা জরুরি। কারণ, এসব বিপদের সৃষ্টি আমরাই করেছি। ফলে প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি অন্যায় আচরণের প্রতিফল পেতে হচ্ছে বিশ্ববাসীকে। বাংলাদেশও রক্ষা পায়নি বিপদ থেকে। চরম উষ্ণতার দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশের আবহাওয়া। বৈশাখের শুরুতেই যে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে, সামনের মাসগুলোতে তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে চরমতম হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। বন-জঙ্গল-বৃক্ষ কেটে সাফ করা, নদী ভরাট করে দখল করা, পাহাড় কর্তন করা, এমনকি, প্রাকৃতিক জলাধার, মাছ ও জীববৈচিত্র্যের অভয়ারণ্য হাওরের পরিবেশ-প্রকৃতিতে বিকৃতি সাধন করার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের কুফল ক্রমেই ঘিরে ধরেছে সবাইকে। আর এসব কারণে বাড়ছে বিপদ আর ভবিষ্যতের দিনগুলোতে অপেক্ষা করছে আরও বড় আকারের বিপর্যয়। পরিবেশ বিনষ্টকরণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতি চরম আঘাত হানবে, এটা বিশেষজ্ঞরা বার বার বলেছেন। সারা বিশ্বের জন্যই সমস্যাটি একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। তথাপি অবিবেচক বৈশ্বিক নেতৃত্ব লোভ ও লাভের বশবর্তী হয়ে প্রকৃতিকে বিনষ্ট করে চলেছে নানাভাবে, যার প্রতিফল ভোগ করতে শুরু করেছে সারা পৃথিবী। বৈশ্বিক বিপদের মুখে বাংলাদেশ যথেষ্ট পূর্ব-প্রস্তুতি নেয়নি। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় যা করণীয়, তা করা হয়নি। ফলস্বরূপ, বিপদ বাংলাদেশেও সরাসরি টের পাওয়া যাচ্ছে নানাভাবে ও নানা দিক থেকে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নানা বিপদের যে আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা আস্তে আস্তে বাস্তব আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশও এই বিপদের মুখোমুখি হয়েছে স্থানীয় ক্ষেত্রে অসতর্কতার কারণে।  এর ফলে অনেকগুলো প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও বিপদের মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। একদা নাতিশীতোষ্ণ বাংলাদেশও পুড়ছে প্রচণ্ড দাবদাহে। এরও আগে থেকেই পরিবেশগত নানা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় ঢাকার বায়ু লাগাতারভাবে অস্বাস্থ্যকর থাকার রেকর্ড করেই চলেছে। বিশ্বের বায়ুদূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে  থেকে ঢাকা দিনে দিনে বিপজ্জনক ও বসবাসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। 

দেশের আরেক বড় শহর চট্টগ্রামে পাহাড় কাটায় ভূমিধসে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রাকৃতিক বিন্যাস নষ্ট করে রিসোর্ট, সুইমিং পুল ও অন্যান্য বিতর্কিত উন্নয়নের কারণে ক্ষতি হচ্ছে মানুষ, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের। মধুপুর, ভাওয়ালসহ দেশে ছড়িয়ে থাকা বনাঞ্চলগুলো দখলের জন্য গাছ কেটে প্রকৃতির ভারসাম্য বিনষ্ট করা হচ্ছে। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদ-নদী দখল ও দূষণে ক্ষীণ হতে হতে খালে পরিণত হয়েছে বা লুপ্তই হয়ে গেছে। শিল্পায়নের বর্জ্য অনেক নদীকে এবং নদীর জীব ও উদ্ভিদগোষ্ঠীকে মেরে ফেলছে। জল নিষ্কাষণ ব্যাহত হয়ে বাড়িয়েছে জলাবদ্ধতা। নানামুখী ক্ষতির মধ্যেই পূর্ব-মধ্যাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে যে বিশাল হাওরাঞ্চল, সেখানেও চলছে বিপর্যয়। প্রাকৃতিক এই জলাধারের কিশোরগঞ্জ অংশে রাস্তা, রিসোর্ট ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের ফলের উজানের বৃহত্তর সিলেটে নজিরবিহীন বন্যা হয়েছে। হাওরের মিঠা পানির মাছের বংশবিস্তার ও আবাদ হ্রাস পেয়েছে। নানা রকমের জ্বালানি, পলিথিন, ব্যবহার্য বস্তু ও কেমিক্যালের ব্যবহারে পানির মান দূষিত হচ্ছে। প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ হাওর অঞ্চলটিও নদী, পাহাড় ও বনের মতো দখলের কারণে রয়েছে অবলুপ্ত হওয়ার আতঙ্কে। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জের হাওরে চলছে ফ্রি-স্টাইল অবস্থা। নদী আটকে হয়েছে রাস্তা। সেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো হয়েছে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, বাণিজ্যিক স্থাপনা। 

শত শত ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে পোড়া তেল-মবিল ভাসছে পানিতে। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন হাওরের মিঠামইন, অষ্টগ্রাম অংশে ঘুরতে গিয়ে নদীতে ফেলে আসছে অদ্রবীভূত প্যাকেট, বর্জ্য ও আবর্জনা। চরম নৈরাজ্যের কারণে জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদশালী হাওর এখন চরম বিপদ ও আশু বিপর্যয়ের মুখোমুখি। ব্যক্তিগতভাবে কারও কারও ব্যবসা বা লাভ হলেও হাওর, নদী, বন ও পাহাড়ের ক্ষতিতে সমগ্র জাতি বিপদের ‘রেডএলার্ট’-এর সম্মুখীন। এজন্যই বাংলাদেশে প্রাকৃতিক বিপদ, আবহাওয়ার বৈরী আচরণ, চরম ভাবাপন্ন পরিস্থিতিকে ‘আসমানি গজব‘ বলে নিজেকে সাধু বানানোর সুযোগ নেই। কতিপয় মানুষ ও গোষ্ঠী কর্তৃক হাওর, নদী, বন, পাহাড় তথা প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের চরম ক্ষতি সাধনের প্রতিফল হলো এসব বিপদ। যাদের কারণে পুরো দেশের আবহাওয়া, পানি, বায়ু, পরিবেশ হচ্ছে বিপর্যস্ত। সমগ্র জাতি বিপদাপন্ন। বাংলাদেশ সরকার সুনির্দিষ্টভাবে পবিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সরকার আগ্রহী ও সচেতন। তারপরেও হাওর, নদী, বন ও পাহাড়ে সীমাহীন ক্ষতির ঘটনা ঘটছে। এসব অপকর্ম কেউ লুকিয়ে করছে না। সরকার ও প্রশাসনের চোখের সামনে দিয়েই হচ্ছে।  

এতে দেশ ও জাতি প্রাকৃতিক বিপর্যয় কবলিত হচ্ছে। দেশে সামগ্রিক জলবায়ু ও আবহাওয়া ক্ষুণ্ন ও চরম ভাবাপন্ন হচ্ছে।  সামনের দিনগুলোতে বিপদ যখন আরও ভয়াবহ আকার নেবে, তখন পরিস্থিতি হবে আরও মারাত্মক। বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিপদ রোধে চুপ থাকার অর্থ হলো জেনেশুনে ক্ষতির পথকে প্রসারিত করা। সরকার, সুশীল সমাজ, পরিবেশবাদীগণ এবং আমজনতার তরফে হাওর, নদী, বন ও পাহাড়ে চলমান ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে আর চুপ করে থাকার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। এখনই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে না দাঁড়ালে ‘বিপদের রেডএলার্ট‘ অচীরেই সবাইকে বিপন্ন করবে। এরই মাঝে বিশ্বের নানা দেশ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে নিপতিত হয়ে চরম মূল্য দিতে শুরু করেছে। সেসব দেশে এখন সবুজ আন্দোলন হচ্ছে প্রকৃতিকে বাঁচানোর জন্য। নদী, গাছ ও প্রকৃতির যেকোনো অংশের ক্ষতিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও গণ্য করা হচ্ছে। রাসায়নিক দ্রব্য ও ক্ষতিকর পদার্থের ব্যবহারও কমিয়ে আনা হচ্ছে। সে তুলনায় আমাদের কার্যকলাপ খুবই বিপদজনক পর্যায়ে রয়েছে। যত গাছ কাটা হচ্ছে, তত লাগানো হচ্ছে না। নদী, জলাধারা খনন ও উদ্ধার করা যাচ্ছে না। পলিথিনের ব্যবহার ভূমিস্তরকে বন্ধ্যা করছে। রাসায়নিক বর্জ্য বায়ুকে দূষিত করেই চলেছে। কৃষিতে লাগামহীনভাবে সার, কীটনাশক, প্রিজারভেটিভ দিয়ে মানুষকে ক্যান্সারসহ নানা রোগ ও মৃত্যু ঝুঁকির সম্মুখীন করা হচ্ছে। সেসব পদার্থ আবার পানি ও মাটিতে ছড়িয়ে আরো মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে।   

এমন একটি ক্ষতিকর পরিস্থিতিতে পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনও বিপদগ্রস্ত এবং বিপন্ন হচ্ছে। এজন্য একে অপরকে বা গায়েবি গজবকে অভিযুক্ত করার আগে নিজেদের আয়নার সামনে দাঁড় করানো দরকার। কার পাপে, কার দোষে প্রকৃতির প্রতিশোধ অক্টোপাসের মতো আমাদের ঘিরে ধরেছে, তার প্রতিকার করা দরকার জরুরিভিত্তিতে। নইলে গজবের দোহাই দিয়ে বিপদের কবল থেকে বাঁচা যাবে না। সামনের প্রকৃত শত্রুকে কিছু না করে অদৃশ্য বা গায়েবি কারণকে দোষারোপের পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। প্রকৃত শত্রুকে দমনের বদলে কাল্পনিক শত্রুর পেছনে লাগলে কোনো লাভ হবে না। বরং সর্ষের ভূত হয়ে যারা প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি করে সমগ্র জাতিকে বিপদের মুখোমুখি করছে, তাদেরকে দমন ও নির্মূল করতে হবে সর্বাগ্রে।  

লেখক: প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ, বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)।

পাঠকের মতামত

বাস্তব ও যুক্তিসংগত বক্তব্য। এখন ই নিয়ন্ত্রণ করার সময়। আর দেরি করার কোন সুযোগ নেই।

Rafiqul Islam
১ মে ২০২৪, বুধবার, ১২:৪৩ অপরাহ্ন

অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারনে আজ আমাদের এই অবস্থা।

shohidullah
১ মে ২০২৪, বুধবার, ৬:৫০ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ তাসে কি তবে টোকা লেগেছে?

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status