ঢাকা, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, শুক্রবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৯ শাওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ

অসহায় হয়ে পড়ছেন অভিভাবকরা

পিয়াস সরকার
২৪ মার্চ ২০২৪, রবিবার
mzamin

শিক্ষিত অভিভাবকরা দুটির বেশি সন্তান নিতে চান না। এই স্বল্প সন্তান নিয়েই তার স্বপ্ন, ইনভেস্টমেন্ট। তিনি যখন দেখেন বন্ধুর ছেলেটা অর্থের ঝনঝনানি দেখিয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছে। ছেলের জন্য বাড়ি, ব্যাংক ভর্তি টাকা। তখন নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তাও তার মধ্যে উঁকি দেয়। তাইতো সাধ্যমতো সন্তানকে উপরে উঠিয়ে দিতে চান। দুর্নীতি যখন চারদিকে গ্রাস করে তখন নিজের সন্তানের জন্য বিকল্প ভাবতে পিছপা হন না। কারণ বাবাটা চান ছেলেকে যেন স্ট্যাগল করতে না হয়। দেশের প্রেক্ষাপটে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোই যেখানে একমাত্র যোগ্যতা। দোষ সেই অভিভাবকেরও আছে অবশ্যই।

বিজ্ঞাপন
কিন্তু তার ছেলের বন্ধু ঠিকই বাবার টাকায় সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে কিংবা বেছে নিয়েছে বেসরকারি মেডিকেল। তখন তিনিও নিরুপায় হয়ে বেছে নেন ‘দুই নম্বর পথ’। এর জন্য চাই সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন। যখন হবে মেধার মূল্যায়ন, মিলবে যোগ্য সম্মান তখন আপনা আপনি কমে আসবে এসব নিয়ম বিমুখী কর্মকাণ্ড


নতুন কারিকুলাম নিয়ে আলোচনা, সমালোচনার অন্ত নেই। প্রতিনিয়ত আলোচনার ফুয়েল দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অভিভাবকরা। মোটা দাগে তাদের অভিযোগ-বাচ্চারা শিখছে না, পিছিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে দু’পক্ষের নানা যুক্তি। কিন্তু কেন নতুন এই কারিকুলামে অভিভাবকরা সন্তুষ্ট হতে পারছেন না, এটা নিয়ে ভাবছে কী শিক্ষা প্রশাসন? আর অভিভাবকরা যে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে পারছেন না তার জন্য শিক্ষা প্রশাসন নিশ্চয়ই দায় এড়াতে পারে না। 

তথ্য প্রযুক্তির যুগ। নতুন একটা সংস্কার। যে সংস্কারে জড়িত কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জড়িত। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন থাকবেন অভিভাবকরা। কারিকুলামে সুফল নিয়ে কটা তথ্যবহুল কন্টেন্ট চোখে পড়েছে? না তেমন প্রচারণাই নেই। চিন্তিত অভিভাবকরা তথ্য প্রবাহের যুগে খুব সহজেই নেতিবাচক প্রভাবগুলো দেখছেন আগে। বাসা বাঁধছে অসন্তোষ। বারংবার প্রশ্ন উঠছে- সৃজনশীলকেও তো ভালো বলা হয়েছিল। বছরের শেষ কিংবা নতুন বছরের শুরুতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা মাথা খাটান বছরের ভাইরাল মুহূর্ত বা ব্যক্তিত্বকে নিয়ে। আবার বছরের শেষের দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের কলম চলে সালতামামিতে। কিন্তু শিক্ষার সালতামামিতে কিছু বিষয় স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তা হলো- বই নিয়ে বিতর্ক। বছরের শুরুতেই অভিভাবকদের প্রথম চিন্তা বই পাবেতো সব। গেল বছর তো ৪ মাস লাগলো সব বই পৌঁছাতেই। এরপর অপেক্ষা বইয়ের ভুল খোঁজা। রুটিন করে প্রতিবছর খোঁজা হয় বইয়ের ভুল। খুব একটা বেগ পোহাতে হয় না। এরপর চলে সংশোধনের পালা। সরকারি টাকা গচ্ছা দিয়ে এরপর পাঠানো হয় সংশোধনের জন্য। প্রতি বছরই বইয়ে মেলে ভুল। কিন্তু শাস্তি হয় না কারও। জবাবদিহিতাও যেন প্রশ্নবিদ্ধ। এবারও তো শরীফার গল্প নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড। নতুন কারিকুলাম নিয়ে অভিভাবকদের ভাবনা- বাচ্চারা পড়ছে না, শিখছে না। তারা প্রশ্ন তুলছেন ভবিষ্যৎ নিয়ে। এক শিক্ষক ও অভিভাবকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম কেন এই শঙ্কা? তিনি বলেছিলেন, মানুষ তার সন্তানের জন্য স্বাধ্যমতো সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এই কারিকুলাম যে আমার সন্তানের জন্য ভালো হবে এটার কোনো যৌক্তিক ভিত্তি মিলছে না। তিনি এই কারিকুলাম ভালো উল্লেখ করে বলেন, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তিনি এর সুফল নিয়ে বলেন, ক্লাসে বাচ্চাদের অ্যাকটিভিটি বেড়েছে। বেড়েছে উপস্থিতিও। আগে ক্লাসে অনেক শিক্ষার্থী নিজেকে লুকিয়ে রাখতে ব্যস্ত থাকতো, এখন সেটা আর করছে না। 

বিদ্যালয় যে আনন্দের স্থান সেটা এখন বোঝা যাচ্ছে। ক্লাসের যে ছেলেটা পাস করা নিয়ে আগে শঙ্কায় থাকতো সেও এখন শিখছে। আমাদের অভিভাবকদের যুগের পর যুগ ধরে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে শুধু পড়ার টেবিলেই সময় দিলেই লেখাপড়া হয়। আর হবেই না কেন? যেখানে একজন ইঞ্জিনিয়ারকে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ মুখস্ত করে বিসিএস ক্যাডার হতে হয়। সে ইঞ্জিনিয়ারেরতো পদ্মা সেতু তৈরিতে কন্ট্রিবিউশন রাখার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুখস্থ বিদ্যাটাই বড় মাপকাঠি। নেতিবাচক প্রভাব জানতে চাইলে সেই শিক্ষক বলেন, বাচ্চাদের বেসিক ইংরেজি শেখার জায়গাটা কমে আসছে। কিছু ক্ষেত্রে গণিত নিয়েও শঙ্কা আছে। আর তার সবথেকে বড় ভয়- সৃজনশীলের মতো এটাও যদি হুট করে উঠে যায়, তবে এই শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। শিক্ষা কারিকুলাম বাতিল করার দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ছেলেকে নিয়ে ভয়ে আছি। ছেলের জন্য আর্ট পেপার, কালার পেন্সিল, আঠা ইত্যাদি কিনতে হচ্ছে নিয়মিত। এগুলোর জন্য নিয়মিত একটা ব্যয়তো করতেই হচ্ছে। আবার নতুন কারিকুলামে নম্বর যেহেতু শিক্ষকের হাতে সেহেতু শিক্ষকের কাছেও টিউশন নিতে হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন- দরিদ্র ঘরের শিক্ষার্থীরা কীভাবে করবে এই এসাইনমেন্ট? কোথা থেকে মিলবে সরঞ্জাম?  মোদ্দা কথা নতুন কারিকুলামের সঙ্গে জড়িত দেশের ভবিষ্যৎ। কিন্তু শিক্ষকদের যথেষ্ট ট্রেনিং না দিয়েই নামিয়ে দেয়া হয়েছে মাঠে। আর শিক্ষা প্রশাসনও এর ভালো দিকগুলো তুলে ধরতে ব্যর্থ আম-জনতার কাছে। কারিকুলাম নিয়ে চাই সংস্কার। তার থেকেও বেশি জরুরি অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করা। অভিভাবকদের সহযোগিতা ছাড়া যে এই কারিকুলাম ব্যর্থ হতে বাধ্য তা মনে হয় মাইক লাগিয়ে না বললেও চলে। কারিকুলামের বাইরেও কী অভিভাবকরা স্বস্তিতে আছেন? ঢাকার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসায় বেরিয়ে এলো ভয়ঙ্কর সব তথ্য। মেয়ের সমতুল্য ছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষকের যৌনলিপ্সা। 

এক অভিভাবক আন্দোলনের সময় বলছিলেন, মেয়েকে স্কুলে দিয়ে ভয়ে থাকতে হয়। গেট পেরিয়ে স্কুলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে হয় মেয়েকে বিপদে ফেললাম নাতো? স্কুল হবে বাচ্চাদের আনন্দের স্থান, শেখার স্থান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অবন্তিকার আত্মহত্যা অভিভাবকদের কপালে এঁকে দিয়েছে চিন্তার রেখা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা মিম কতোটা যুদ্ধ করে যাচ্ছেন? শিক্ষকের অসৎ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হুমকির মুখে তার শিক্ষা জীবন। মানসিক জীবন কতোটা নিম্নগতি তা বোঝার মতো জ্ঞান নিশ্চয়ই আপনার আছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পড়তে আসেন ছাত্রীরা। অনেক বাবা-মা মেয়েকে একা ছাড়তেই ভয় পান। অনেক মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম বাবা-মাকে ছাড়া থাকা শুরু করেন। আদরের সন্তানকে একা রেখে চিন্তায় থাকেন বাবা-মায়েরা। এরপর অবন্তিকার এই ঘটনার পর অভিভাবকরা যাবেন কোথায়? সহপাঠী-শিক্ষকদের কাছেই যেখানে নিরাপদ নন ছাত্রীরা। আবার প্রতিদিন যৌন নিপীড়নের ঘটনাতো আছেই। শুধু কি ছাত্রী? ছেলেকে নিয়েও কী ভয়টা কম! বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে কতোটা নির্মমতা সহ্য করে চলে যেতে হয়েছে। 

আবরারের ঘটনায় মন ব্যথিত হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক গত বছর ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে হারালেন চোখ। আবার ২০২২ সালে নিজের ক্যালকুলেটর ফেরত চাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তিনদফা নির্যাতন চালায় দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র এহসান রফিকের ওপর। এতে তার একটি চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আঘাত লাগে মাথায়। যার কারণে তার মস্তিষ্কও  ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিয়মিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খবর আসে গণরুমে নির্যাতনের। যাদের কথা বলা হলো তারা সকলেই নন পলিটিক্যাল। না আমি বলছি না রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হলেই তাদের ওপর নির্যাতন জায়েজ। কিন্তু যে শিক্ষার্থীটা শুধুই লেখাপড়া, ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে আসেন তাদের নিরাপত্তাটাও নেই। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  বড় সমস্যা আসন সংকট। এজন্যই দেশে বর্তমানে ১০০টির উপরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু নতুন করে এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র রাজনীতির কমিটি দেয়া হয়েছে। অনেক অভিভাবক ছেলে-মেয়ের স্বপ্ন পুরণের আশায় সম্পদ ভেঙে ভর্তি করাচ্ছেন এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে। চিন্তার রেখা এঁকে দিচ্ছে এসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ভয়। সরকারিতে সিট নেই তাইতো বাবা-মা বিপুল অর্থ খরচ করে পড়াচ্ছেন। যেখানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পড়ছে, সুযোগ না পেয়ে অন্যত্র যাচ্ছেন বেসরকারিতে। সেখানে নতুন করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে করের বোঝা। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক দেশ ভর্তুকি দেয় সেখানে এই অভিভাবকদের গুনতে হবে বাড়তি অর্থ। অভিভাবকদের মানসিকতা নিয়ে প্রায়শই ওঠে প্রশ্ন। অনেকেই টাকা দিয়ে প্রশ্ন কিনে দেন সন্তানের হাতে। সাধ্যমতো সুপারিশের পথ খুঁজে নেন।

 নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি আমরা সকলেই। দেশে শিক্ষার হার বাড়ছে। শিক্ষিত অভিভাবকরা দুটির বেশি সন্তান নিতে চান না। এই স্বল্প সন্তান নিয়েই তার স্বপ্ন, ইনভেস্টমেন্ট। তিনি যখন দেখেন বন্ধুর ছেলেটা অর্থের ঝনঝনানি দেখিয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছে। ছেলের জন্য বাড়ি, ব্যাংক ভর্তি টাকা। তখন নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তাও তার মধ্যে উঁকি দেয়। তাইতো সাধ্যমতো সন্তানকে উপরে উঠিয়ে দিতে চান। দুর্নীতি যখন চারদিকে গ্রাস করে তখন নিজের সন্তানের জন্য বিকল্প ভাবতে পিছপা হন না। কারণ বাবাটা চান ছেলেকে যেন স্ট্যাগল করতে না হয়। দেশের প্রেক্ষাপটে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোই যেখানে একমাত্র যোগ্যতা। দোষ সেই অভিভাবকেরও আছে অবশ্যই। কিন্তু তার ছেলের বন্ধু ঠিকই বাবার টাকায় সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে কিংবা বেছে নিয়েছে বেসরকারি মেডিকেল। তখন তিনিও নিরুপায় হয়ে বেছে নেন ‘দুই নম্বর পথ’। এর জন্য চাই সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন। যখন হবে মেধার মূল্যায়ন, মিলবে যোগ্য সম্মান তখন আপনা আপনি কমে আসবে এসব নিয়ম বিমুখী কর্মকাণ্ড। অভিভাবকদের চারিদিকে ভয়। আদরের সন্তানের সঠিক শিক্ষা মিলছে কি না? যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে কি না? কারও রোষানলে পড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে কি না? এত ভয় নিয়ে সন্তানের জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছেন তারা। প্রতিনিয়ত বাড়ছে খরচ। প্রতি মাসেই বাড়ছে মিলরেট। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে টেক্কা দিতে বাড়তি অর্থ দেয়াটা নিয়মিত ঘটনা। সন্তানকে মানুষ করতে হবে, যেকরেই হোক পাঠাতে হবে টাকা। আর আদরের সন্তানের জন্য করে যাচ্ছেন দোয়া/প্রার্থনা। এ ছাড়া যে উপায়টাও খুব একটা নেই।

পাঠকের মতামত

আমি অভিভাবক হিসাবে চিন্তিত, আর্ট পেপার, মার্কার এখন শিক্ষার মূল উপকরণ। সাধারণ অধিকাংশ স্কুলে উপস্থিতি বাড়েনি। এখন বাচ্চারা পড়ার টেবিলে বসে না। মনে হয়, যারা কারিকুলাম বানিয়েছে, তারা নিজেরা বুঝে কি না, আমার অনেক সন্দেহ আছে। মূল্যায়নের তিন দিন আগে বলবে, এই অংশটুকু এইভাবে মূল্যায়ন হবে। তারপর শিক্ষার্থী ইউটিউব দেখে লিখে মূল্যায়িত হবে। তারা সারা বছর কেন পড়বে?

শেফা
২৪ মার্চ ২০২৪, রবিবার, ৬:৫৪ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

নির্বাচিত কলাম সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status