ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

কাওরান বাজারের চিঠি

জামায়াত-হেফাজত, মেসেজ কি লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার?

সাজেদুল হক
২ জুলাই ২০২২, শনিবার

অতীতে পেশাজীবী সংগঠনগুলোতে প্রায় সবসময়ই বিএনপি-জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে ঐক্য দেখা গেছে। কিন্তু চলতি বছর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সেটা দেখা যায়নি। বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে তারা ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দিতে সক্ষম হয়। হেফাজতের মতো একই অবস্থা জামায়াতেরও। আসলেই তাদের সামনে খুব বেশি বিকল্প নেই। তবে মূল প্রশ্ন ছিল, গন্তব্যের ব্যাপারে জামায়াত ও হেফাজতের বার্তা কি লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার? এ প্রশ্নের কিছুটা হলেও ইতিবাচক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে। তবে পুরোটা নয়।


পলিটিক্স ইজ আর্ট অব কম্প্রোমাইজ। কেবল রাজনীতিই বা কেন! জীবন ও সংসারটাই এমন। আপনাকে কম্প্রোমাইজ করে চলতে হয়। কখনো স্বেচ্ছায়, কখনো বিকল্প না পেয়ে।

বিজ্ঞাপন
গেল সপ্তাহেও জামায়াত ও হেফাজতকে নিয়ে লিখেছিলাম। নানা সূত্রে পাওয়া খবরে জানিয়েছিলাম, জোট রাজনীতিতে আর নিজেদের সম্পৃক্ত রাখতে চায় না জামায়াত। স্বতন্ত্র কৌশলে এগুতে চায় দলটি। প্রশ্ন রেখেছিলাম হেফাজতে ইসলামের গন্তব্য নিয়েও। পাঠকদের অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, জামায়াত ও হেফাজতকে নিয়ে একই কলামে লেখা নিয়ে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে- জামায়াত তো রাজনৈতিক দল। হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক সংগঠন। এ বক্তব্য পুরোপুরি ভুল নয়। হেফাজতে ইসলাম প্রচলিত রাজনৈতিক দলের মতো কোনো দল নয়। তবে তারা যেসব দাবি-দাওয়া উত্থাপন করে তার অনেক কিছুই রাজনৈতিক। সে অর্থে রাজনীতির বাইরে কেউই নয়। দ্বিতীয়ত, এটাও স্পষ্ট করেছি যে, জামায়াত ও হেফাজতের মধ্যে আদিকাল থেকেই দূরত্ব রয়েছে। রয়েছে আকিদাগত প্রার্থক্য। বিশেষত জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মাওলানা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদীর বিভিন্ন মতামত ঘিরে। যদিও সম্ভবত, তারা এখন একে অন্যের বিরুদ্ধে সরব নয়। 

সে সময়ও এখন নয়। ক’দিন আগে বিবিসি বাংলায় কবি ও চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহারের ইন্টারভিউ শুনছিলাম। সাংবাদিক আকবর হোসেনকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের একটি অংশ শুনে চমকে ওঠি। যেখানে নিজের একটি লেখার প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার বলেন, হেফাজতে ইসলামও সেক্যুলার। এটি নিয়েও আসলে আলোচনা হতে পারে। সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার মূল মর্মবাণী কী? রাষ্ট্র এবং ধর্ম আলাদা। রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম নেই। হেফাজত কি তা সমর্থন করে? এই নিবন্ধে সে আলোচনার পরিসর নেই। কিন্তু গেল সপ্তাহে হেফাজতে ইসলাম আবার খবরে এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংগঠনটির একটি প্রতিনিধি দল। ওই সাক্ষাতের ব্যাপারে দৈনিক প্রথম আলো’র অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, জামিন  পেলে সরকার ‘বিব্রত’ হয়, এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কারাবন্দি নেতাদের মুক্তি চেয়েছে   হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রন্ত্রীকে দেয়া সংগঠনের এক চিঠিতে এ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, জামিন-পরবর্তী তারা এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত  হবে না, যাতে রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’ 

 

 

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে  দেখা করেন। প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক শেষে সাজিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, তারা কারাবন্দি আলেমদের মুক্তিসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। গত বছর মার্চের শেষ দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের বিরোধিতা ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজত নেতাকর্মীদের ব্যাপক সহিংসতা হয়। এরপর ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের অনেকে এখনো কারাবন্দি আছেন। অনেকে মুক্তি পেয়েছেন। বলে রাখা প্রয়োজন, হেফাজতে ইসলাম দৃশ্যত বিপর্যস্ত এবং নেতৃত্বহীন। আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর সংগঠনটির মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে যায়। মাওলানা জুনায়েদ বাবু নগরীর মৃত্যু সংগঠনটিকে আরও নাজুক অবস্থায় নিয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তির ব্যাপারে সংগঠনটির সামনে খুব বেশি বিকল্পও নেই। বিএনপি-জামায়াত সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপড়েন চলছে। 

আগের লেখাতে সে ব্যাপারে বিস্তারিত উল্লেখ করেছিলাম। তবে একটি প্রশ্ন শুরু থেকেই রয়ে গেছে, জোটের আনুষ্ঠানিক বিলপ্তি ঘোষণা করবে কে? দুই দলেই এ নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। বিএনপির একটি অংশ মনে করে জামায়াত বিএনপির জন্য বোঝা। আরেক অংশ মনে করে, জামায়াতের ভোট ব্যাংক প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এ অংশটি দলের ভেতর এখন একেবারেই দুর্বল। জামায়াতের এখন নিবন্ধন নেই। তবে দলটি নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে। জামায়াতের মধ্যে এখন শক্তিশালী একটি মত হচ্ছে, কারও সঙ্গে স্থায়ী মিত্রতা কিংবা স্থায়ী শত্রুতা দলের জন্য ক্ষতিকর। এজন্য জামায়াতকে মূল্য দিতে হয়েছে। এই অবস্থায় পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান অবশ্য এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ত্রাণ তৎপরতায় প্রায় প্রতিদিনই তিনি ছুটছেন দুর্গত এলাকায়। এই অবস্থাতে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি। যা রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করে। ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘যুগ-যুগ ধরে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগণ রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে যাতায়াত ও যোগাযোগে সীমাহীন কষ্ট স্বীকার করে আসছিলেন। এমনকি মাঝে-মধ্যে ঢাকার উদ্দেশ্যে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা লোকদের কারও কারও মৃত্যু ফেরীঘাটেই হয়েছে।

 চিন্তা করলে যা খুবই হৃদয়বিদারক। আজ তাদের সে কষ্টের অনেকখানিই অবসান হলো। মহান রবের দরবারে এজন্য শুকরিয়া আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ। সেতু নির্মাণে যার যেখানে যতটুকু অবদান কিংবা ভালো-মন্দ, তার বিচারের ভার জনগণের ওপর। পৃথিবীতে যা কিছুই কল্যাণকর হয়, তার জন্য মহান প্রভুর শুকরিয়া আদায় করাই হচ্ছে মানুষের দায়িত্ব। আর মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞচিত্ত মানুষ বিনয়ী হয়। বিনয় হলো- ভালো মানুষের পোশাক। মহান আল্লাহ্‌র দরবারে দোয়া করি- জনগণের ভ্যাট, ট্যাক্সের অর্থ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের আর্থিক ও কারিগরি অংশগ্রহণে যে সেতু তৈরি হলো, তা জনগণের কল্যাণে নিবেদিত হোক। কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান, যানবাহনে উচ্চ হারের টোল যেন তাদের পুনর্বিবেচনায় স্থান পায়।’ এ নিয়ে ‘জামায়াত আমীরের একটি স্ট্যাটাস, রাজনীতিতে কৌতূহল’ শিরোনামে মানবজমিনে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। পরে আরেকটি স্ট্যাটাসে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি লিখেন, ‘গত ২৫শে জুন আমার একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে কিছু কিছু গণমাধ্যম ও ব্যক্তি এটাকে নিজ নিজ পছন্দের আঙ্গিকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। 

তাদের উদ্দেশ্য আমার কাছে স্পষ্ট নয়। আমি আমার স্ট্যাটাসে কাউকে শুভেচ্ছা কিংবা অভিনন্দনসূচক একটি শব্দও উচ্চারণ করিনি। আমি সর্বাবস্থায় দেশের মানুষের কল্যাণ ও মহান রাব্বুল আলামীনের শুকরিয়া আদায় করে স্ট্যাটাসটি দিয়েছি। ফেসবুক ওয়ালে এখনো আমার স্ট্যাটাসটি চলমান আছে। যে কেউ পুনরায় দেখে নিতে পারেন।’ অবশ্য জামায়াত আমীরের এই স্ট্যাটাসে মূল যে প্রশ্ন তার উত্তর পাওয়া যায় না। পদ্মা সেতু দেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে। এটি মাথা তুলে দাঁড়ানো বাংলাদেশের প্রতীকও। কিন্তু বিএনপি নেতারা, জোনায়েদ সাকী কিংবা নুরুল হক নুররা এ সেতুর নির্মাণ ব্যয় নিয়েও বরাবরই প্রশ্ন তুলে আসছেন। এখন জামায়াত আমীরের যে বক্তব্য তা বিরোধী অন্য নেতাদের থেকে আলাদা কি-না? সেটিই মৌলিক প্রশ্ন। জামায়াত আমীর অবশ্য সে ব্যাপারে এখনো নীরব। জামায়াত আমীরের স্ট্যাটাস নিয়ে দলটির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। 

রীতি মেনে নেতার বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান না কেউই। জামায়াত নেতাদের একটি অংশ বলেছেন, আমীরের ফেসবুক স্ট্যাটাসের  মধ্যে রাজনৈতিক কোনো বার্তা নেই। এটি নিছকই শুকরিয়া জ্ঞাপন। অন্যদিকে আরেক অংশ এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে অপারগতা জানায়। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জামায়াত নেতার দেয়া বক্তব্যও ইন্টারেস্টিং। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে রাজনৈতিক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জামায়াত। তারপরও পদ্মা সেতু নিয়ে জামায়াতের আমীর সুন্দর লিখেছেন। রাজনৈতিক মতভেদ, বিরোধিতা ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সরকারের অনিয়ম ও ভুল শাসনের সমালোচনা করার পাশাপাশি ভালো কাজের কিছু প্রশংসা করলে কিন্তু মর্যাদা নষ্ট হয় না। একটা সরকার তো আর সবই খারাপ করে না। কিছু ভালো কাজও করে।’ জামায়াতের সামনে বিকল্প কি? এ নিয়ে গত কয়েক বছরে দলটির ভেতরে অনেক আলোচনা হয়েছে। তবে বরারবরই একটি প্রশ্ন বড় ছিল? রাজনীতি না আদর্শ? সে প্রশ্নের সুরাহা অবশ্য এখনো হয়নি। যুদ্ধাপরাধের মামলায় শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি কার্য়করের পর জামায়াতে নেতৃত্ব সংকটও প্রকট। যদিও দলটির বর্তমান নেতারা  সেটা মানতে নারাজ। কিন্তু জামায়াতের রাজনীতির ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দলটিতে বর্তমানে ভালো আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় যোগাযোগ আছে এমন নেতা নেই বললেই চলে। 

বিশ্বব্যাপী পলিটিক্যাল ইসলামের দুঃসময়ও তাদের জন্য কঠিন বার্তা নিয়ে এসেছে। আরব বসন্তের পর থেকে মুসলিম বিশ্বের সৌদি নেতৃত্বাধীন অংশ পলিটিক্যাল ইসলামের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেয়। এ বিষয়টিও জামায়াতের বিরুদ্ধে যায়। আর উপ-মহাদেশের ভূ-রাজনীতির হিসাবটি জামায়াতের জন্য আরও কঠিন।  বিএনপি-জামায়াত সম্পর্ক এবং জামায়াতের স্বতন্ত্র অবস্থান নিয়ে বলছিলাম। অতীতে পেশাজীবী সংগঠনগুলোতে প্রায় সবসময়ই বিএনপি-জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে ঐক্য দেখা গেছে। কিন্তু চলতি বছর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সেটা দেখা যায়নি। বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে তারা ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দিতে সক্ষম হয়। হেফাজতের মতো একই অবস্থা জামায়াতেরও। আসলেই তাদের সামনে খুব বেশি বিকল্প নেই। তবে মূল প্রশ্ন ছিল, গন্তব্যের ব্যাপারে জামায়াত ও হেফাজতের বার্তা কি লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার? এ প্রশ্নের কিছুটা হলেও ইতিবাচক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে। তবে পুরোটা নয়। 

লেখক: প্রধান বার্তা সম্পাদক, মানবজমিন ই-মেইল: [email protected]

পাঠকের মতামত

কিছু বলার নাই ...।

মুশজ
৩ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:৩২ পূর্বাহ্ন

কি বুজাতে চেয়েছেন কিছুই বুজলামনা।

মো হেদায়েত উল্লাহ
৩ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:০৬ পূর্বাহ্ন

ভাই, আশা রাখি আমার মন্তব্য ইতিবাচকভাবে নেবেন। আপনার দুটি পর্বই মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। আমার মতে, একটি কলাম থেকে হয় কিছু নতুন তথ্য অথবা বিশ্লেষণ পাওয়ার কথা, যাতে পাঠক কিছু জানতে পারে, পরিস্থিতি বুঝতে পারে। কিন্তু দুঃখজনক, দুটি কলামেই সে রকম কিছু পেলাম না। বিগত সময়ের ঘটনাগুলো সংক্ষিপ্ত করে (যদিও অনেক বড়ই হয়েছে) সাজিয়ে লেখা, যা একজন সচেতন পাঠক মাত্রই জানার কথা। তো জানা ঘটনার চমক লাগানো শিরোনাম! পড়ার পুরো সময়টাই নষ্ট! তথ্যবহুল ও বিশ্লেষণধর্মী লেখার অনুরোধ থাকল।

Jaidul Haque
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

জামায়াতকে একটা মহল সুবিধাভোগী বলার চেষ্টা করছে এখানে তাদের প্রতি বিনয়ের সাথে আমার জিজ্ঞাসা ৯১ সালে জামায়াত কি সুবিধা নিয়েছিল আর ৯৬ সালে কি সুবিধা নিয়েছিল আওয়ামীলীগ থেকে বিস্তারিত জানাবেন,যেইখানে অন্যায় সেখানে জামায়াত প্রতিবাদ করেছে মাত্র ,চোখ বন্ধ করে কথা না বলে জামাতের বিকল্প কি করার ছিল সেই সময়ে সেটাও জানবেন।

Showkath
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৪:৪০ পূর্বাহ্ন

যাদের রাজনৈতিক প্রঞ্জা ও অভিঞ্জতা নৈই তাদের রাজনিতী মানায় না। শুধু মাত্র ইসলামী মূল্যবোধের কারনে ধর্মভিরু জনগন তাদের সমর্থন করেন। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন ইসতেহার তাদের নেই। এটা তাদের পরিস্কার করে দেয়া উচিৎ তারা কি ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। তাদের নেতাদের নিবুদ্ধিতার জন্য সাধারন আলেমরা বিপদ গ্রস্থ। তাদের উচিৎ হবে তারা যে অরাজনৈতিক দাবী করছে তার উপর স্থির থাকা। শুধু শুধু একটি শক্তিশালী সরকার ও রাষ্ট্রকে অস্থির করা নয়।

কামরুজ্জামান
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৩:১৮ পূর্বাহ্ন

BNP dori mach na cui Pani Achoron korbe tha tho hote pare na.......Ami Mone kori Jamath Akla cholo Nitite ageia choluk.

Forhad
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ২:০৬ পূর্বাহ্ন

Gontobber bepare Jamate Islam er bartha clear Jamat Islami adorse kollan rasto gotoner lokko niya kaj korce jekane takbe na kono boisommo Takbe ney O Insaf........

Forhad
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ২:০৪ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত আলেম সমাজের চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকাণ্ড প্রশংসার দাবী রাখে কিন্তু পর্যায়ক্রমে হেফাজতে ইসলাম জামায়াতে ইসলামী ও বি এন পি'র খপ্পরে পড়ে নানাবিধ চরমপন্থী অবস্থান গ্রহন করে যার ফলশ্রুতিতে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা শহর অবরোধের লক্ষ্যে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান করে এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম সহ অন্যান্য জায়গায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে মারাত্মক অরাজকতার সৃষ্টি করে। যার ফল স্বরূপ শাপলা চত্বরে পুলিশকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হয়,পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ স্বনামধন্য আলেম আল্লামা আহমেদ শফি সাহেবের সুচিন্তিত পদক্ষেপের ফলে হেফাজতে ইসলাম অ রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবে আবার লাইম লাইটে ফিরে আসে এবং সরকারের সাথে বার্গেনিং করে দাওরা এ হাদিস উর্ত্তীন আলেমদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মাষ্টার্স ডিগ্রীর সমতুল্য মর্যাদা প্রদানের স্বীকৃতি আদায় করেন ও বাংলাদেশের স্কুল কলেজ পর্যায়ের সিলেবাসে ইসলাম সম্পর্কিত অনেক কিছু সন্নেঃবেশিত করেন।কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর ও মুজিব শতবর্ষ উৎযাপন কালে পুনরায় জামায়াত ইসলামী হেফাজতে ইসলামের ঘাড়ে চড়ে বসে ও কৌমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দ্বারা দেশে ভাংচুর অগ্নিসংযোগ সহ নানাবিধ উশৃংখল কুকর্ম শুরু করে এতে সম্পুর্ণরুপে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবির ও অংশগ্রহণ করে যার পুরোভাগে হেফাজতের যুবনেতৃত্ব কমান্ড পরিচালনা করে। বর্তমানে হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ যে পদ্ধতিতে সরকারের সাথে বোঝাপড়া করে জেলবন্দি আলেমদের মুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছে তা প্রশংসনীয়।এককথায় আমরা দেশবাসী হেফাজতে ইসলামকে দেশে ইসলামের রাহবার হিসাবে দেখতে আগ্রহী।

বাবুল চৌধুরী এইচ এম
২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

১৯৯১ সালে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আলীগের সাথে কাদে কাদ মিলিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে জামাত। আগামীতেও জামাত সরকারের পক্ষে দাড়িয়ে গেলে আশ্চর্য হবার কিছু থাকবেনা।

জামশেদ পাটোয়ারী
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:২৭ অপরাহ্ন

জামায়াতে ইসলাম নি‌য়ে কলাম লিখার পূ‌র্বে সংগঠন টি কে নি‌য়ে আ‌রো বেশী গ‌বেষণা করা প্রয়োজন ছিল। সংগঠন‌টির লক্ষ এবং উ‌দ্দেশ‌্য কি? জামায়াত শুধুমাত্র রাজ‌নৈ‌তিক সংগঠন নয়, এটা মানবতার কল‌্যা‌ণে কাজ করার প‌রি‌ক্ষি‌ত এক‌টি দল। দলমত মত নি‌র্বিশে‌ষে জামায়াত মানবতার কল‌্যা‌ণে কাজ ক‌রে যা‌চ্ছে। জামায়া‌তের ঘোষনা বেশ প‌রিস্কার। ‌আল্লাহর জ‌মি‌নে আল্লাহর দ্বীন কে প্রতিষ্টা করা, সে ল‌ক্ষে‌ এগি‌য়ে যা‌চ্ছে।

জা‌হিদুল আলম
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

'পলিটিক্স ইজ আর্ট অব কম্প্রোমাইজ।' প্রতিনিয়ত বিপরীতমুখী বহু পরিস্থিতির মোকাবিলা করে চলতে হয় মানুষকে। দাম্পত্য জীবন থেকে শুরু করে ঘরসংসার সামলাত, ব্যবসা বানিজ্যে এবং রাজনীতিতে তা অত্যাবশ্যক। তবে ভঙ্গুর গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কম্প্রোমাইজের চেয়ে অসহিষ্ণুতার চর্চা হয় বেশি। কোনো কোনো সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়ে পড়লে অসহিষ্ণুতার পারদ চরমে ওঠে। কিন্তু পূর্ণ গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের সাথে সদা সর্বদা কম্প্রোমাইজ না করে চলা যায়না। সময়ে সময়ে দেখা গেছে কম্প্রোমাইজ করতে ব্যর্থ হয়ে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। তাই পরিস্থিতির সঙ্গে কৌশলের পরিবর্তন করতে হয়। কম্প্রোমাইজ করতে পারাটাও একটা কৌশল। রাজনীতি বাদ দিলে ইসলামের কোনো অস্তিত্বই থাকেনা। কুরআন মজিদে একজন ব্যক্তির, তার পরিবারের, সমাজের ও রাষ্ট্রের আইনকানুন সবিস্তারে নির্দেশ করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক সংগঠন। সেই অর্থে হেফাজতে ইসলাম ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারে। কিন্তু একজন মুসলিমের (নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করা) পক্ষে ইসলামে নিরপেক্ষ থাকা অসম্ভব। রাজনীতি ছাড়া ইসলাম অসম্পূর্ণ। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা সূরা মায়েদার ৩ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন, জীবন যাপনের ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে, ইসলাম আল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়ামত এবং জীবন বিধান হিসেবে ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দেয়া হয়েছে। তাই একজন মুসলিমের পক্ষে রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে ইসলামকে বিচ্ছিন্ন করার কোনো সুযোগ নেই। এখানেই জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের আকিদাগত পার্থক্য। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম। কুরআনের যথাযথ শিক্ষার সুযোগ না পাওয়ার কারণে মানুষ শিরক, বিদয়াত ও নানাপ্রকার দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। এরজন্য মূখ্যত পেশাদার আলেমরাই দায়ী। তাঁরা রাজনীতি থেকে জাতিকে বিচ্ছিন্ন করার ফলে মানুষ যে রাজনৈতিক জীবনে আল্লাহর ইবাদত থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে তার জন্য ইসলামের প্রতিনিধি হিসেবে আল্লাহর দরবারে আলেমরা কি জবাব দেবেন? রাজনীতির সাথে কম্প্রোমাইজ করতে হলেও আল্লাহর ইবাদতের সাথে কম্প্রোমাইজ করা ঈমান বিরুদ্ধ। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন,...'যারা আল্লাহর নাজিল করা আইন অনুযায়ী ফায়সালা করেনা তারাই কাফের।' সূরা আল মায়েদা-৪৪। আর জীবন যাপনের ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামকে যেহেতু আল্লাহ তায়ালা মানুষের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন সেহেতু কোনো রকম কাটছাট না করে তিনি পরিপূর্ণ ইসলামকেই মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে, 'হে ঈমানদারগণ! তোমরা পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের অনুসারী হয়ো না, কেননা সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।' সূরা আল বাক্কারা-২০৮। এখানে লক্ষ্যণীয়, ইসলামে পুরোপুরি প্রবেশ না করলে জীবনের যে অংশ ইসলামের বাইরে থেকে যাবে সে অংশে শয়তানের অনুসরণ করা হবে। যেমন, রুমের ভেতর পুরোপুরি প্রবেশ না করে রুমের দরজায় উঁকি দিলে শুধু মাথার অংশটা রুমের ভেতর প্রবেশ করলেও পুরো শরীর রুমের বাইরে থেকে যাবে। এটাকে রুমে প্রবেশ করা হয়েছে কেউ বলবেনা। তদ্রূপ, নামাজ, রোজা, হজ্জ ও যাকাত আদায় করে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের ভেতর প্রবেশ না করলে তাকে ইসলামে প্রবেশ করেছে বলে গণ্য করা যায়না। এখন জাতিকে পুরোপুরি ইসলামের অনুসারী করতে ইসলামের প্রতিনিধি হিসেবে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচি, কর্মপদ্ধতি ও কর্মকৌশল কি তা তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন। এদেশের মানুষ দেশপ্রেমিক ও ইসলামি আদর্শে বিশ্বাসী। সেকারণে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী দলের ঐক্যে ভূমিধস বিজয় অর্জন করতে দেখা গেছে। বামপন্থী ও সেক্যুলার ভাবাপন্নরা কূটকৌশলের আশ্রয় নিতে দেখা যায়। তাই বিএনপি ও জামায়াতের জোট ভাঙ্গার নিরন্তর চেষ্টা দেখা যায়। জামায়াতকে কোনঠাসা এবং তাদের রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আইনের পরিবর্তন করতে দেখা গেছে, যেনো বিএনপি জামায়াতের সাথে ঐক্য করলে জাত চলে যাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। তবে বিএনপি ও জামায়াতের জোট ভাঙ্গা গেলে সুষ্ঠু ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে এবং বিএনপি কোনো কালেই ক্ষমতার ধারেকাছেও আসার সম্ভাবনা নেই। আর ভোটের রাজনীতিতে তাদের ঐক্য থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই এবং নির্বাচনের বৈতরণি পার হতে কূটকৌশলের মঞ্চস্থ আমাদের আবারো দেখতে হতে পারে। এখন দেখার বিষয় কে কোন কৌশলে সামনের পথ চলে।

আবুল কাসেম
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১০:৫২ অপরাহ্ন

সেদিন মহান জাতীয় সংসদে প্রদত্ত জাতীয় পার্টির মাননীয় এমপি জনাব ফকরুল ইমাম এর বক্তব্য শোনার এবং দৈনিক শিক্ষা ( অন লাইন) পত্রিকায় প্রকাশিত এতদ সম্পর্কিত সংবাদ পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এখানে হেফাজতে ইসলাম ও জামাতে ইসলাম নামক দল দুটি সেকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে উঠছে দেখে খুশি হলাম। আলহামদুলিল্লাহ।

মোঃ আতাউর রহমান
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১০:০৯ অপরাহ্ন

জামায়াত কখনো বিএনপি'র সাথী আবার কখনো আওয়ামীলীগের সাথী ৷ যখন যেখানে যেমন সুযোগ সুবিধা ৷

Titu Meer
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ৯:৫৫ অপরাহ্ন

I think mr. sajidul hoque is a professional columnist as well as genious journalist. In future I shall try to follow his opinion.

md shamsul hoque
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ৭:৩৭ অপরাহ্ন

জামায়াত-হেফাজতের সামনে বিকল্প খুব কম আসলেই

আরিফ
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ৬:২৫ অপরাহ্ন

সুদিনে জামায়াতকে কেউ সঙ্গ দিলেও দুর্দিনে জামায়াতকে ছুড়েঁ ফেলার ইতিহাস সর্বজনবিদিত। হেফাজত জামায়াতের তুলনা মূলক বিশ্লেষণে জামায়াত হেফাজতের মিত্র সংগঠন বিবেচিত হলেও কর্মে হেফাজত জামায়াতকে মিত্র ভাবেনা। বর্তমান হেফাজত হলো আত্মরক্ষামূলক সমযোতা তত্বে বিশ্বাসি।ইসলাম হেফাজতে তাদের বর্তমান ভূমিকা প্রশ্নবোধক। ইসলামের চেয়ে নিজেদের হেফাজত আর অস্তিত্ব নিয়ে তারা উদ্বিঘ্ন। তাদের বর্তমান কর্মকান্ড তারই সুস্পষ্ট ইংগিত দেয়। অথচ জামায়াত হেফাজতের সম্পূর্ণ বিপরীত। বিএনপির অভ্যন্তরিন কোন্দলে জামায়াত নিয়ে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে খন্ড বিখন্ড। তাদের দ্বন্দ্বের ফলে জামায়াত তাদের অবস্থান পরিস্কার করতে পারছেনা। তবে জামায়াত তাতে ভীত নয়। মহান রবের মর্জি আর আনুগত্যকে প্রাধান্য দিয়ে দেশ জাতির কল্যাণে জামায়াত তাদের কর্মে অবিচল থাকবে তাতে বিন্দু মাত্র সংশয়ের অবকাশ নাই।

আলমগীর
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১২:২২ অপরাহ্ন

Why not any mention of powerful political party?

Mohhammad
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিএনপির "ধরি মাছ না ছুই পানি'র খেলা জামায়াতের জন্য কোন সুফল বয়ে আনবে না। জোট ভাঙ্গার দায় জামায়াত নিবে না। সেই সাথে কথায় কথায় অসম্মান মেনে নেবেনা। আওয়ামীলীগের মত দল থাকতে ভারত বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় তা পাগলের প্রলাপ বৈ কিছু নয়।

Fuad Mahmud
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

Jamat niyee apnara athoo research na korle o cholbee...because...jamat porikolpona chara kono kichu kore na....

KHASRU
১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট / আমরা এখানে কীভাবে এলাম?

বেহুদা প্যাঁচাল: মমতাজের ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি, রাব্বানীর দৃষ্টিতে সেরা কৌতুক / কি হয়েছে সিইসি কাজী হাবিবের?

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status