ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, শনিবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

টাকা ছাপিয়েও মেগা প্রকল্পের ঋণ শোধ করা যাবে না: আবুল বারকাত

অনলাইন ডেস্ক

(২ সপ্তাহ আগে) ২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৫ অপরাহ্ন

mzamin

বাংলাদেশের পাঁচটি মেগা প্রকল্পের ঋণ শোধ করা শুরু হবে ২০২৭ সালে। টাকা ছাপিয়েও এই ঋণ শোধ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত। তিনি বলেছেন, তখন সে পরিমাণ ফরেন কারেন্সিও থাকবে কি-না, যদি না থাকে তাহলে পিছনে ফিরে বলতে হবে ভুল করেছিলাম। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত 'খাদ্য নিরাপত্তা, ক্ষুদ্র কৃষকদের সংকট ও সমবায়ের গুরুত্ব' শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

আবুল বারকাত বলেন, ক্যান্সার, কিডনি, কার্ডিয়াক ও ডায়াবেটিস রোগে প্রতি বছর ৫০ লাখ মানুষ দরিদ্র হন। এভাবে যদি আগামী ২-১ বছর চলতে থাকে তবে মধ্যবিত্ত স্তর আর থাকবে না। উচ্চ মধ্যবিত্তের তেমন কিছু হবে না। নিম্ন মধ্যবিত্তের ক্ষতি হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশের অবস্থা ভালো হয়ে যাবে, রিজার্ভ ভালো হয়ে যাবে-আমি এরসঙ্গে একমত না। ঝুঁকি পরিমাপ করা যায়, ভবিষৎবাণী করা যায়। কিন্তু অনিশ্চয়তা পরিমাপ বা ভবিষৎবাণী করা যায় না। দ্রব্যমূল্য অনিশ্চয়তার বিষয়।

বিজ্ঞাপন
চালের কেজি ১৫০ টাকা হতে পারে।

আবুল বারকাত আরও বলেন, দেশে প্রায় ২ কোটি বিঘা খাসজমি ও জলাধার। ভূমিহীন পরিবার আছে প্রায় ১ কোটি। সরকার এরমধ্যে ১২ শতাংশ বিতরণ করেছে। কিন্তু ৮৮ শতাংশ বরাদ্দ প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের বেতন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারের থেকে এক টাকা বেশি হওয়া উচিত। তাহলে গ্রামের ভালো ছেলে-মেয়েরা গ্রামের শিক্ষক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, সমবায় আইন নিয়ন্ত্রণ করছেন আমলারা। তারা এ আইন নিজেদের স্বার্থে বানিয়েছে। সমবায় সাংবিধানিক অধিকার হলেও তা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। এর কারণ আমলাদের দুর্নীতি।

বেসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) সভাপতি শামসুল হুদা বলেন, আমলাদের সুবিধা দিতে গিয়ে সরকার দরিদ্র ভূমিহীন, কৃষকের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। তিন ফসলী জমিতে মেগা প্রকল্প, বন ধ্বংস, জলাধার ভরাট, বনের গাছপালা কেটে কোম্পানি করছে সরকার। তিনি বলেন, সংবিধানের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে সমবায় মালিকানার কথা উল্লেখ থাকলেও কোনো গুরুত্ব পাচ্ছে না। সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতির মাধ্যমে সমবায়ের প্রকৃত সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তার ঘাটতি হতো না যদি সমবায় ধারণাকে বাস্তবায়ন করা যেত। প্রয়োজন হলে সামাজিক আন্দোলন, রাজনৈতিক আন্দোলন করে সমবায় আইন সংশোধন করতে হবে।
 

পাঠকের মতামত

@kazi জনাব, সুকুমার রায়ের ১৬ আনাই মিছে কবিতাটি একটু পড়ে দেখিয়েন। “পদ্মা সেতু সহ সব সেতুর টোল ধারণার চাইতে ও বেশি আদায় হচ্ছে”- এই কথাটা একমাত্র দালাল ছাড়া আর কেউ বলতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করিনা। সরকারের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী প্রথম তিন মাসে পদ্মা সেতুর টোল আদায় ১৯৫ কোটি টাকা। তারমানে বছরে ৭৮০ কোটি টাকা। তারমানে ৩০ হাজার কোটির প্রিন্সিপাল এমাউন্ট শোধ হতেই ৩৮ বছরের বেশি লাগবে (এই হিসাব শুধুমাত্র সড়ক অংশের)। এইবার রেলসেতুরটা হিসাব করেন তাহলেই বুঝবেন। আপনার পক্ষপাতিত্ব দেখে তো সন্দেহ হয়, আপনার বাড়ি কেনায় সরকারের সহযোগিতা নেই তো!

মজলুম
২৫ নভেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৯:৩৯ অপরাহ্ন

Ignorant people don't know that good governance key to the maco economic management.Transparentcy comes from institutions that prolongs sustainable development. Today there's no accountability, just because the government came from vote rigging and as usual the oceans of loopholes reigned by the rougues.

D Akash
২৫ নভেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১:১৩ পূর্বাহ্ন

কাজী সাহেব আপনি যে একজন লীগার আমরা সবাই জানি।তাই হোক বিএনপি পদ্মা করার পরিকল্পনা করেছিল, মোটামুটি অনেক কাজ শেষ হয়েছিল কিন্তু সময়ের অভাবে করতে পারে নাই। বিএনপির পদ্মাসেতুর বাজেট ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা আর আওয়ামী লীগের ১০ হাজার এর পাঁচ গুণ (প্রায়) ।তাহলে বুঝেন কি রকম সমদ্র চুরি হয়েছে।

মোঃ আজিজুল হক
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:১৫ পূর্বাহ্ন

মৌলবাদী অর্থনীতি ধ্বংস করতে গিয়ে বারাকাত সাহেব মুক্তিযোদ্ধা অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছেন। আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন-বারাকাত পুরো জনতা ব্যাংক ধ্বংস করে দিয়েছে।

আজাদ আবদুল্যাহ শহিদ
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:১০ পূর্বাহ্ন

Kazi সাহেব আপনার বাড়ী কিনা আর বিদেশের ঋণ পরিশোধ করা যে একসুতায় গেতে দিলেন এখানে ইকনমিটা জটিল হয়েগেলনা। দেশি মুদ্রায় বিদেশি ঋণ কিভাবে পরিশোধ হয় , যেখানে রিজার্ভ দিন দিন নিচের দিকে নামছে ।

Pazi
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৪:০৭ পূর্বাহ্ন

Kazi সাহেব দয়া করে বাংলাদেশে এসে ঋণ শোধ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিন। দেশ এমন সুযোগ্য লোক পেয়ে ধন্য হবে। প্লিজ Kazi সাহেব। আপনাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ। যোগ্য হাতে পড়লে ঋণ শোধ আনুমানিক সময়ের অনেক আগেই শেষ হয়ে যাবে সুনিশ্চিত। তার পরে দেশের Kazi অফিসগুলোর সুব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয়া যেতে পারে।

Kalim Shikdar
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:৫৮ পূর্বাহ্ন

বারাকাত সাহেব কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানিয়ে ছিলেন, কিন্তু তিনি জনতা ব্যাংক থেকে গাড়ি চোর নুরুল ইসলাম কে হাজার কোটি টাকা লোন দিয়ে জনতা ব্যাংকের বারোটা বাঝিয়ে দিয়েছেন।

এন,এম, হোসাইন আকবর চ
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:১০ পূর্বাহ্ন

@ মোমেন খান । টাকা ছাপিয়েও মেগা প্রকল্পের ঋণ শোধ করা যাবে না: আবুল বারকাত । জনাব মোমেন খান । হেডিং পড়েন । এখানে ডলারের কথা বলেন নি । আমি দেশ কানা । কোন দলকানা নই।।দেশের অগ্রগতি কাম্য। অথচ এর কোন উপকার ভোগী হব না । আমার বক্তব্য ঋণের উপর। কোন দলের পক্ষে বিপক্ষে নয়। আর ডলার ও যখন পরিশোধ করার সময় হবে যোগান ও হবে । বিদেশীরা বুঝে শুনেই ঋণ দিচ্ছে । আমি যখন বাড়ি কিনি আমার চাকরি ছিল ক্ষণস্থায়ী - এক বছরের চুক্তির। বাকি মেয়াদ ছিল ছয় মাস। এই চাকরির বেতনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মর্গেজ করা সম্ভব হয়ে ছিল। কিন্ত অনেকেই ভয় দেখিয়েছিলেন চাকরি শেষ হলে মর্গেজ কি ভাবে পে করব। কিন্ত একজন মাত্র ব্যক্তি বলেছিল চাকরি চলে গেলেও ঘর ভাড়া তো দিতে হবে । কিছু একটি কাজ করে এই টাকা রোজগার করতেই হবে । তাই মর্গেজ ও সেভাবেই হবে । নিরুৎসাহিত করা ভুল। এক বেড রুমের বাসা $875.00 দিতাম। এখন $1900.00 আমার বাসা তিন বেড রুমের। মর্গেজ আমার পকেট থেকে দিতাম $1000.00 . $125 বেশী । এখন মর্গেজ নাই । যারা চাকরির পর ভয় দেখিয়েছিল তারা বন্ধুবান্ধব আজ ও বাড়ি কিনতে পারে নি । ছেলে মেয়েরা বড় হয়েছে এক বেড রুমের জায়গায় তিন বেড রুমের বাসা ভাড়া গুনতে হচ্ছে আড়াই হাজার ডলার। ঢাকা শহরের রাস্তা পার্কিং লটে পরিণত হয়েছিল। বর্তমানে চলমান প্রকল্প শেষ হলে সে অবস্থা থাকবে না । অন্তত কিছুটা রেহাই মিলবে । বিদেশে বসে পদ্মার ফেরিতে গরমে ও পদদলিত হয়ে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ ও পত্রিকায় পড়েছিলাম। ঈদের ছুটির সময়। আবহাওয়া খারাপ হলে দুই দিন গাড়ি পারাপার বন্ধ থাকত। এই সংবাদ ও পড়েছি । সেতু চালুর পর নিশ্চয়ই সমস্যা ভোগান্তির শেষ হয়েছে । অগ্রগতি চাইবেন আর ঋণ কিভাবে দিবেন প্রশ্ন উত্থাপন করলে আইসোলেশনে বাস করা ছাড়া তো পথ নাই। এইসব ঝুঝুর ভয় প্রদর্শন কারি ও তাদের সমর্থক কখনও উন্নতি আশা করতে পারবে না । আমার ছাত্র জামানায় 22 মাইল হেটে কলেজের শহরে গিয়ে লজিং থেকে পড়তে হয়েছিল । এখন আমার আত্মীয়দের ছেলে মেয়ে বাড়ি থেকে সকাল বেলা কলেজে যায়। বিকালে চলে আসে । অগ্রগতির জন্য সাহস লাগে । কাপুরুষ হলে জীবনে উন্নতি হয় না। NO RISK NO GAIN.

Kazi
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:০৬ পূর্বাহ্ন

১৫০ চালের কেজি হলে বহু মানুষের মৃত্যু খাবার অভাবে। টাকা চাপিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে চাইলে টাকার দাম আরো কমে যাবে। ফলে মূল্যস্ফিতিও হু হু করে বাড়বে। অর্থনীতি পাজির কবলে পড়েছে। পাজিরা লুটপাট বুঝে, অর্থনীতি বুঝেনা। বড়ো বড়ো প্রকল্পের নামে ঋণ করেছে আর নিজেরাই ভাগবাটোয়ারা করেছে।

আবুল কাসেম
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১:৫৩ পূর্বাহ্ন

It appears that he has been working overnight in a shadow of light with no reality of life. He was a failure whilst he was in charge with responsibility to run a bank. Without loan, how on the earth one can undertake this sort of projects.

M Nizamul haque
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

Much much Thanks to mr. @Kazi for your real & true comment, those who build a project being human or welfare of peaple by loan from any others.he or they trying the're best for paid installment of loan amount on due date. i hope that present Bangladesh goverment will be able to complete all big devolepment project sucsessfully.

Babul Chowdhury Hm
২৪ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

@Kazi সাহেব। আপনি অর্থনীতিতে পড়ে অর্থনৈতিক সংকটের যে উত্তর দিলেন তা হাস্যকর। আপনি দেশি প্রজেক্টের আয় (যা হবে দেশীয় মূলত মুদ্রায়) তা দিয়ে বিদেশি লোন শোধের যে ফর্মুলা দিলেন তাতেই বুঝা যায় আপনার পড়ালেখা দলকানা। আর প্রজেক্টের সুবিধা দিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে ডলার কামানো অত সহজ না (যমুনা সেতু হয়েছে তো অনেক দিন। উত্তর বংগের মানুষের আয় বেড়েছে রেফারেন্স দিতে পারবেন?)।আবুল বারাকাত সাহেব ঠিক ই বলেছেন। দলকানাগিরি বাদ দিয়ে অর্থনীতি নিয়ে আরো পড়ালেখা করুন।

মোনেম খান
২৩ নভেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:৪১ অপরাহ্ন

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আমার শ্রদ্ধেয় জনাব আবুল বরাকাত সাহেব যে বক্তব্য দিয়েছেন তা জাতির জন্য খুবই বেদনা দায়ক। কারণ তিনি এক সময় জনতা ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান ছিলেন, ব্যাংকের পুরো বোর্ড তাঁর হাতে ছিল অপ্রিয় হলেও সত্য তখন তিনি জনতা ব্যাংকের মতো দেশের রাষ্ট্রীয়াত্ব ব্যাংকের কতটুকু উন্নত করতে পেরেছেন?

rafiqul Islam
২৩ নভেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:২৯ অপরাহ্ন

আবুল বারাকাত সাহেব আওয়ামী লীগের খাস অর্থনীতিবিদ। তার মুখে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত সম্পর্কে, এ সব কথা শোনার পর, বিরোধী শিবিরের বক্তব্যকে সঠিক বলে মনে হচ্ছে।

আজিজ
২৩ নভেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:০৪ অপরাহ্ন

জনাব আবুল বারাকাত সাহেব একজন বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ । তাই উনার বক্তব্যের বিরুদ্ধে কিছু ই বলব না । আমি ও ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটিতে ইকোনমিক্স পড়েছি । যখন কারো নগদ টাকা দিয়ে বড় কোন কাজ করার সাধ্য থাকে না ঋণ করেই তা করতে হয়। ইচ্ছা থাকতে হয় ঋণ পরিশোধ করার । সে ( ব্যক্তি বা সরকার) গঠন মূলক কাজে ঋণ ব্যয় করলে অবশ্যই পরিশোধ করা সম্ভব । উদাহরণ হল আমি 2004 সালে ঋণ নিয়ে বাড়ি কিনেছিলাম । 25 বছর মেয়াদি । কিন্ত 17 বছরে ঋণ পরিশোধ করে বাড়ির মালিক । যারা ঋণের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সমালোচনা করেন তারা সরকার কে নিরুত্সাহিত করে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করেন । নেতিবাচক সমালোচকদের কথায় আগের সরকার গুলি কর্ণপাত করায় দেশের কোন উন্নয়ন কাজ করতে পারে নি । পদ্মা সেতু বিএনপি সরকার করতে পারত । কিন্ত তারা এই রকম অর্থনীতিবিদদের কথায় ভীত হয়ে করে নি । সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে । পদ্মা সেতু সহ সব সেতুর টোল ধারণার চাইতে ও বেশি আদায় হচ্ছে । এই অবকাঠামোর আয় ই এর ব্যয়ভার বহন করবে ।

Kazi
২৩ নভেম্বর ২০২২, বুধবার, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status