ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

শেষের পাতা

জনশুমারি যাচাই জরিপ শুরু ১০ই অক্টোবর

স্টাফ রিপোর্টার
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার

জনসংখ্যার তথ্যে গরমিল হলে সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বাধাগ্রস্ত হয়। তাই ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা-  ২০২২’ এর প্রকাশিত ফলাফল আরও স্বচ্ছ করতে শুরু হচ্ছে শুমারি পরবর্তী যাচাই। গ্রহণযোগ্য জনসংখ্যার হিসাব নিরূপণের উদ্দেশে কার্যক্রমটি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বিআইডিএস। সংস্থাটি আগামী ১০ থেকে ১৬ই অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের মোট ৩৫৪টি নমুনা এলাকা ধরে গণনা যাচাই জরিপ করবে। গতকাল সকালে জনশুমারি ও গৃহগণনা যাচাই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয় । 
অনুষ্ঠানে বলা হয়, নির্বাচিত গণনা এলাকায় ৯ই অক্টোবর যারা খানায় অবস্থান করেছেন তাদের তথ্য ট্যাবের মাধ্যমে বিআইডিএস নিয়োগ করা গণনাকারীরা সরাসরি সাক্ষাৎকার পদ্ধতিতে সংগ্রহ করবেন। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, যাচাই জরিপ ট্যাবের মাধ্যমে কম্পিউটার অ্যাসিসটেড পারসোনাল ইন্টারভিউং (সিএপিআই) পদ্ধতিতে করা হবে। ৯ই অক্টোবর রাত ১২টা ১ মিনিটে নির্ধিারিত এলাকার অবস্থান করা সব নাগরিককে গণনার আওতায় আনা হবে। এছাড়া ছয় মাসের কম সময়ের জন্য সাময়িকভাবে বিদেশে অবস্থান করা নির্দিষ্ট এলাকার সব বাংলাদেশি নাগরিককে পুনরায় গণনা করা হবে। এরপর নতুন তথ্যের সঙ্গে আগে পাওয়া শুমারির তথ্য মিলিয়ে দেখে বলা যাবে শুমারিতে কতটা ভুল-ত্রুটি হয়েছে। তারপর তথ্য সমন্বয় করে জনশুমারির মূল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, আমাদের বিবিএস ভালো কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন
বিবিএস’র কাজের স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ। আমরা সঠিক তথ্য সবসময় প্রকাশ করি। তারপরও কিছু মানুষের বিবিএস’র তথ্য শুনতে গায়ে জ্বালা করে। কারণ বিবিএস মাথাপিছু আয় ও প্রবৃদ্ধির তথ্য দেয়। এসব তথ্য যারা সহ্য করতে পারেন না তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে। আমরা তথ্যেও কেন ইঞ্জিনিয়ারিং করবো না। শুধু প্রক্রিয়াগত কারণে এটি দেরি হয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর আগরগাঁও এ বিআইডিএস’র সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন- পরিকল্পনা সচিব মামুন-আল-রশীদ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মতিউর রহমান। সভাপতিত্ব করেন- বিআইডিএস’র মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন। এছাড়া বক্তব্য দেন- জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. দিলদার হোসেন, পিইসি কার্যক্রমের সমন্বয়কারী ড. ইউনূস।

 

পাঠকের মতামত

এক কালের আদম শুমারিই এখন জনশুমারী এটা এযুগের মানুষের কাছে কৌতুহলুদ্দীপক পরিভাষা। আশির দশক অবধি যখন আদম শুমারী হতো তখন গণনাকারী লোকজন বাড়ি বাড়ি গিয়ে উঠোনে বসে কিংবা বিত্তশালী হলে বাড়ির বারান্দায় অথবা চৌকাঠে বসে তন্ন তন্ন করে পরিবারের সমস্ত সদস্য সংখ্যা বয়স নাম সহ গণনা করে রেজিঃ খাতায় লিপিবদ্ধ করা হতো। সময় নিয়ে ভুলত্রুটি মুক্ত ভাবে এই কার্যক্রম ধারাবাহিক এলাকা এলাকা ভাগাভাগি সীমানা নির্দিষ্ট করে চলতো। কোন লোক কিংবা আদম সন্তানের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ বিরল ছিল যে তার নাম গণনায় পড়ে নাই। কিন্ত বর্তমান জনশুমারী দেখে বিস্ময়ে অবাক না হওয়ার কোন যো নাই। অথচ বর্তমান শুমারী কখন কবে শুরু আর শেষ হলো এ তথ্য শতকরা কত পারসেন্ট মানুষ জানে তাও অনেকের জানা নাই। অথবা যারা জানে তাদের ভাষ্য হলো শুমারী কর্মীরা এক জায়গায় বসে জনৈকের কাছ থেকে বেশুমার তথ্য লিপিবদ্ধ করে কর্ম সমাপ্তি করেছে। অথচ তাতে কার নাম উঠলো কারটা বাদ পড়লো এ তথ্য সংশ্লিষ্ট অনেক মানুষেরই জানা নেই। তাতে স্বয়ং আমিও একজন। দেশের বিচরণকৃত লোক সংখ্যা বাড়িঘর নতুন নতুন আবসস্থল পাড়া গ্রাম মহল্লা অঞ্চল পরিবারের লোক সংখ্যা দেখলে কিছুতেই মনে হয়না যে লোকসংখ্যার কোন কমতি আছে। বরং দ্বিগুন ত্রিগুন চৌগুন পঞ্চগুন মনে হয়। তারপরও কথিত এবং প্রচলিত ১৮ কোটি লোক সংখ্যা কি করে সারে ১৬ কোটির ঘরে প্রাচীর বন্দি হলো। প্রশ্ন প্রশ্ন প্রশ্ন???

আলমগীর
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শেষের পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status