ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

'তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে, ফেরতের দায় জনগণের'

আলী রীয়াজ

(১ মাস আগে) ২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:১৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১:৩৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের চাওয়া সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের 'বেইল আউট'  নিয়ে আইএমএফ'-এর  সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। প্রায় নয় দিন ধরে আলোচনার পর এই অগ্রগতির ফলে এখন দ্বিতীয় প্রতিনিধি দল ঢাকা আসবে। ইতিমধ্যেই আইএমএফ-এর শর্তগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে যা বলা হচ্ছে সেগুলো নতুন কিছু নয় এই অর্থে যে এগুলো নিয়ে  দেশের ভেতরে গত কয়েক বছর ধরেই বলা হচ্ছিলো। যারা বলছিলেন তাদের কথা সরকার শোনেন নি, সরকার সমর্থকরা এই বক্তব্যগুলোকে 'দেশ বিরোধী' 'উন্নয়ন বিরোধী', এমন কি 'রাষ্ট্র বিরোধী' বলেও অভিহিত করেছেন। দুর্ভাগ্যজনক যে, যাদের এই প্রশ্নগুলো করা দরকার ছিল সেই অর্থনীতিবিদদের এক বড় অংশ এই প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেছেন।

আইএমএফ-এর প্রাথমিক শর্তগুলোর মোদ্দা কথা হচ্ছে দুর্নীতি, বেহিসেবি ব্যয় এবং অবাধ লুন্ঠনের যে মহোৎসব চলেছে তা বন্ধ করতে হবে। ঠিক এই ভাষায় আইএমএফ বলতে পারেনা, তাদের সেই এখতিয়ার নেই; ফলে তাদের ভাষায় এখন হিসেব চাওয়া হয়েছে জ্বালানি খাতে দেয়া ভর্তুকি কোথায়  কীভাবে ব্যয় হয়েছে, কোভিড মোকাবেলায় প্রণোদনার নামে যে টাকা দেয়া হয়েছে তার হিসেব কোথায়,  আর মেগা প্রকল্পে 'অতি-মুল্যায়ন' - সহজ  ভাষায় অতিরিক্ত ব্যয় - কেনো হয়েছে। এগুলোতে স্বচ্ছতার কথাও বলা হয়েছে। এই সব শর্ত আলোচনার প্রথম ধাপেই এসেছে, সামনে আর কী কী তাতে যুক্ত হবে আমরা তা জানিনা।

শর্তগুলোর যৌক্তিকতা আছে কীনা সেটা বিবেচনা করুন। আইএমএফ-এর কাছে অর্থ নেয়ার প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে কেনো সেটা ভাবুন।

বিজ্ঞাপন
আর এটাও মনে রাখুন সরকার কেবল যে আইএমএফ আর বিশ্বব্যাংকের কাছেই টাকা চেয়েছে তা নয়, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উন্নয়ন অংশীদারদের কাছেও বাংলাদেশ অর্থ চেয়েছে। তার পরিমাণ তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি। গত বছরগুলোতেও বাংলাদেশ এই ধরণের ঋণ নিয়েছে। অথচ বলা হয়েছে উন্নয়নের রেলগাড়ী বুলেট গতিতে এগুচ্ছে।

একটি অস্বচ্ছ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এই সব ঋণ নেয়া হচ্ছে। এর জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নেই। এমন কি সাজানো সংসদে এই নিয়ে কোনও ধরনের আলোচনা পর্যন্ত হচ্ছে না। এইসব হচ্ছে এমন এক সময়ে যখন আমরা জানি যে ইতিমধ্যে যে ঋণ আছে সেগুলোর কারণে আগামী তিন বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে। এই সব অর্থ ফেরত দেয়ার দায় জনগণের। আগামীতে প্রতিটি পয়সা হিসেব করে ফেরত দিতে হবে। কিন্ত এই নিয়ে তাদের জানানোর পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেই। সংকটের মাত্রাটা বোঝা দরকার, সামনে কী ধরণের পরিস্থিতির সূচনা হতে পারে সেই বিষয়ে ভাবা দরকার।

[লেখকঃ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট। লেখাটি ফেসবুক থেকে নেয়া]

পাঠকের মতামত

আমার এই লেখাটি একটু দির্ঘ্য হলেও প্রকাশ জন্য বিনিত অনুরোধ করছি। এখানে আমি প্রকৃত চিত্র তোলে ধরার চেষ্টা করেছি। ধন্যবাদ প্রবাসীরা অবৈধ পন্থা হুন্ডিতে টাকা পাঠায় কারণ প্রবাসী বৈধভাবে এসেও এখন সে নিজেই অবৈধভাবে বসবাস করছে। বিদেশ থেকে বৈধভাবে টাকা পাঠানো জন্য ভিন্ন ভিন্ন ফরমুলা যারা দিচ্ছেন তারা এতই নিন্ম মানের চিন্তক যে, বিদেশ থেকে বৈধভাবে টাকা পাঠাইতে হলে টাকা প্রেরকও যে বৈধ হতে হয় সেটি ঐ ফরমুলা দাতাদের জ্ঞানে ধরেনা, বৈধভাবে বিদেশ এসে প্রবাসীর অবৈধ হচ্ছে কেন সেটির সমাধান করার জ্ঞান ঐ ফরমুলা দাতাদের নাই। সুতরাং হুন্ডি কখনও বন্ধ হবেনা, সৌদি আরব কুয়েত কাতার আরব আমিরাত সহ অন্যান্য দেশে প্রকৃত বাংলাদেশী কোনো হুন্ডি ওয়ালা আছে বলে আমার মনে হয়না তবে প্রতি অলিগলিতে হুন্ডি ওয়ালার টাকা সংগ্রহকারী রয়েছে হাজার হাজার, এরা ভারতীয় প্রকৃত হুন্ডি ওয়ালাকে টাকা (রেয়াল দিনার) সংগ্রহ করে দেয়, ভারতীয় প্রকৃত হুন্ডি ওয়ালারা প্রতি রেয়াল দিনারে সামান্য কিছু লাভ দিয়ে এখানকার সংগ্রহকারীকে বাংলাদেশে টাকা দেয়, এখানকার সংগ্রহকারীরা তাদের স্বজনদের মাধ্যমে প্রকৃত প্রেরকের ঘরে বা হিসাবে টাকা পৌঁছায়। এটি সত্য যে, বৈধ চ্যানেলের তুলনায় হুন্ডিতে সামান্য ফায়দা হয় এবং দ্রুত পাওয়া যায় তবে ১০০℅ ঝুকিপূর্ণ অর্থাৎ ভারতীয় প্রকৃত হুন্ডি ওয়ালা যদি বেঈমানি করে হাজার হাজার সংগ্রহকারী এবং প্রেরক পথে বসবে সন্দেহ নাই। কেজি ১২০ টাকায় মুরগি খাওয়ার সামর্থ্য অর্জনের আগে ঋণ করে ১২০০ টাকায় খাসি খাওয়া মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়। বহিঃবিশ্ব থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়নের জোয়ার দেখিয়েছে আওয়ামী লীগের অবৈধ সরকার, গোটা জাতি সুদে আসলে এই ঋণের বোঝা টানতে হবে খেয়ে না খেয়ে। সুদে আসলে ঋণ পরিশোধে জাতি যদি ব্যর্থ হয় তখন ঋণ দাতার গোলাম হয়ে তদের পা চাটা ছাড়া ভিন্ন কোনো পথ খোলা থাকবেনা। ক্ষমতার মসনদে বসে হালুয়া রুটি খেয়ে যারা গোটা জাতিকে ভিন্ন দেশের গোলাম বানায় তারা আর যাইহোক দেশপ্রেমিক নয়। তৈরী পোষাক রপ্তানি এবং প্রবাসী শ্রমিকের ঘাম রক্তের উপর দাঁড়িয়ে থাকা অর্থনীতি কোনো দেশ জাতির মৌলিক অর্থনৈতিক খুটি হতে পারেনা অর্থাৎ জাতীয় অর্থনীতির স্থায়ী স্তম্ভ নয়। বাংলাদেশের অলিগলিতে গার্মেন্টস ফেক্টরী অর্থাৎ দর্জির দোকান, যারা পোষাক বানাইবে তারা স্বাভাবিক ভাবে দর্জির দোকানেই আসবে তবে সেটি তাদের ইচ্ছা অনইচ্ছা এবং পছন্দ ও শর্তের উপর নির্ভরশীল, পোষাক ব্যবহার কারীরা দর্জির উপর নির্ভরশীল নয়। ঠিক একইভাবে বিদেশে শ্রমিক রপ্তানিরও শ্রমিক আমদানি করারীর উপর নির্ভরশীল। তৈরী পোষাক আমদানি কারক দেশ এবং আমদানিকারকের শর্ত না মানলে রপ্তানিতে (দর্জি কাজে) ভাটা পড়ে ঠিক তেমনি বিদেশে শ্রমিক রপ্তানিতেও একই অবস্থা।

শাজিদ
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

সব কিছুর দাম বাড়াবে, পাবলিকের পকেট সাফা করে কিস্তি দিবে। ডিজিটাল কাায়দা ।

Nizam
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

সোনার বাংলা সত্যিই সোনার বাংলা এদেশের সাথে পৃথিবীর কোনো দেশের তুলনা হয়না কিন্তু সমস্যা হলো যে দলই যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দ্বায়িত্ব নিয়েছে তারাই দেশের জনগনের কথা চিন্তা না করে দেশের উন্নয়নের নামে নিজদের ভাগ্যের উন্নয়নই করেছেন যার ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনীতি আজ চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি যার মাশুল প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ এই দেশের জনগনকে দিতে হচ্ছে এবং এর থেকে পরিত্রাণের উপায়ও কারো জানা নেই সেইসাথে এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে আরও কতোটা ভয়াবহ পরিস্হিতির মুখোমুখি আমাদের হতে হবে তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন।

Syed abdul awal
৯ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১:০৭ পূর্বাহ্ন

দেশের অবস্হা যদি এতই খারাপ হয় তাহলে আইএমএফ ঋন দিচ্ছে কিভাবে ? ওরা কি কম বুঝে?

আনোয়ার হোসেন
৮ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

ঋন মানুষের মৌলিক অধিকার, জাতিরও যৌক্তিক অধিকার। পৃথিবীর উন্নয়ন হচ্ছে, আমাদের দেশে উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য ঋন নেবে, এটা দোষের কিছু নয়। যে সমস্ত প্রকল্প থেকে অর্জিত আয় দ্বারা ভবিষ্যতে ঋন পরিশোধ করা সম্ভব, ঐ সমস্ত প্রকল্পের জন্য ঋন নেয়ার সমস্যা নেই। তবে, যাদের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া কোন কিছু করা সম্ভব নয়, তাদের সমালোচনা করা বন্ধ করা উচিৎ। বাংলাদেশের প্রবাসীরা এই সমস্ত সমালোচনার জন্য বিদেশে খুবই লজ্জিত।

Md Emdadul Haque
৮ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৮:২০ পূর্বাহ্ন

বৈদেশিক ঋন এবং তা শোধ করা নিয়ে সবার মধ্যে যেহেতু অনেক দুস্চিন্তা , আওয়ামী লীগকেই আরো এক টার্ম ক্ষমতায় থাকতে দিয়ে এসকল ঋন পরিশোধের দায় দায়িত্ব দেয়া হোক । নতুন কোন সরকার আসলে দোষারোপ করতে করতেই পাঁচ বছর কাটিয়ে দেবে , কাজের কাজ কিছুই হবে না ।

Andalib
৭ আগস্ট ২০২২, রবিবার, ১:৩৯ অপরাহ্ন

BANGALEE get ready for the disaster . It is going to be SRILANKA. Just matter of time. Because all MEGA projects are losing projects . How BANGALEE is going to pay back capital loan and interest.

AKM Nurul Islam
৬ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

একন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি উন্নয়নের কি যন্ত্রণা..!

এম শফিক
৫ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে দুর্নীতির চাষাবাদ হয় না কি? সব বিষয়ে কেবল এই একমাত্র প্রশ্ন কেন?

কাজী রুহুল আমিন
৫ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

আওমিলিগার মোহা সাদিরুল ইসলাম, '' মনে রাখবেন এটা আমেরিকা না আমেরিকার মত জাতি না।এটা বাংলাদেশ'' । এখনও দেমাগ কত!

Rakib
৩ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ৮:২৩ অপরাহ্ন

আলী রিয়াজ সাহেবের কথায় যে কারো দ্বিমত থাকতেই পারে...কিন্তু এটা তো সত্য যে,দূর্নীতি, সুশাসন ছাড়া কোন উন্নয়ন ই সাসটেইনেবল নয়...আওয়ামী লীগ যা করছে তা হয়তো কিছুটা অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন হচ্ছে...কিন্তু সভ্যতর উন্নততর মানবাধিকার সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ যে দেশ ও জাতির মেরুদণ্ড ভেংগে দিয়েছে সেটা কিভাবে আমাদের সভ্য জাতিতে প্রতিষ্ঠিত করবে সেটা না হয় সরকার পন্থীরা একটু বলুন?

এডভোকেট নাজমুল
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:১৬ অপরাহ্ন

দূর্নীতি সমর্থন যোগ্য নয়,IMF এর মাতব্বর আমেরিকা সারাদুনিয়ায় খুন খারাবিসহ মিথ্যা চার এবং যত ধরনের দুর্নীতি জালিয়াতি আছে,সবি করে বেড়ায়। তাতে কি? জোর জার, মুল্লুক তার, কেয়ামত পর্যন্ত চলবে এসব।আর IMF কে দিয়ে আমেরিকা সবসময়ই তার রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করেছে, করছে,করবে, কারন সে শক্তিমান।সে নিজেই এমন সিস্টেম করে দিয়েছে যে, তোমরা যে যখন ক্ষমতায় বসবে নিজেই নিজেদের সমালোচনা নিয়ে গন্ধ ছড়াতে থাকবা আর আমরা আমেরিকা সেই সুযোগে উদ্দেশ্য হাসিল করে যাব। এটা আমাদের বড় রাজনৈতিক দল গুলো আর কবে বুঝবে জানিনা। আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমাদের দেশের সব বুদ্ধিমান মানুষেরা রাজনৈতিক দলের রঙে রাঙা।

জায়েদ
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১:৫৫ অপরাহ্ন

আপনার বা আপনাদের কথা বিশ্বাস করতে চাই।কিন্তু আপনারা আমাদেরকে বা জাতিকে যখন ভুল তথ্য দেন তখন আপনাদেরকে ভয় পাই।ধরুন ঢাকা সিটি দুইভাগ করা নিয়ে আপনারা ছিলেন সোচ্চার।দুইভাগ করা যাবে না,তাতে যেন স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে।মনে রাখবেন সাদেক হোসেন খোকা ১৩ বছর মেয়র ছিলেন।কিচ্ছু করতে পারেন নি।মানিক মিয়া এভিনিও দুইভাগ করা নিয়ে আপনাদের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল।যেন মহাভারত নষ্ট হয়ে গেছে।পদ্মাাসেতুর ব্যাপারে না হয় নাই বললাম।এতসাজানো গল্প আপনারা পান কোথা থেকে?বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিদ্ধস্থ একটা দেশ পূর্নরগঠন করতে কেবল মাত্র হাত দিয়েছিলেন।আপনাদের মত কিছু এজেন্ট ভুল তথ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে উদ্ববুদ্ধ করেছিল।বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পরে জাতিকে যদি সঠিকপথে পরিচালিত করে থাকে তাহলে বঙ্গবন্ধুকন্যা। আপনারা যারা হাজার ফর্মুলা দিয়েছেন সব ফর্মুলা মিথ্যা প্রতিপন্য হয়েছে।বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত সঠিক।আপনারা বুদ্ধিমান মানুষ মিলিয়ে নিয়েন। রাজনীতিতে পুথিগত বিদ্যা আর সরাসরি মাঠে কাজ অনেক পার্থক্য। আপনাদের ভয় হয় আপনারা গল্প করেন যে? আপনাদের জ্ঞানের তারিফ করতে হয়, আপনারা ভুল তথ্য দেন বলে যে? এখন সারা পৃথিবীতে সমস্যা চরছে তার পরেও মিথ্যার বেশ্যাতি করছেন?মনে রাখবেন এটা আমেরিকা না আমেরিকার মত জাতি না।এটা বাংলাদেশ। এখানে জগৎশেঠ পরিবারেরও ইতিহাস আছে। ১৪৭০0০ বর্গ কিঃ দেশে ১৬৫ মিলিয়ন লোক বাস করে।তার মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ কোন না কোন ভাবে অসৎ।বঙ্গবন্ধুর পরে কেউ রাষ্ট্রের জন্য তেমন কিছু করতে পারেনি।তখন জনসংখ্যাও কম ছিল?তার পরেও? ধোয্যধরুন আমরা (বলতে সমগ্র জাতি) জাতি হিসেবে অবশ্যই মাথা উচু করে অর্থনৈতিকভাবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নিব।ইনশাআল্লা্হ

মোহা সাদিরুল ইসলাম
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

তৌহিদ কিবরিয়া সাহেব, ভিক্ষা নেবেন তার কাছ থেকে তার গায়ের গন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হাস্যকর। আপনারা গতকাল ছিলেন বিশ্বের রোল মডেল,আজ ভিক্ষুক!! IMF, WORLD BANK,JIKA,ADB ইত্যাদির পায়ে ধরে ভিক্ষা আনার জন্য দিকে দিকে লোক পাঠিয়েছেন। ওরা টাকা ধার দেবে কিন্তু তার আগে সব পকেট সার্চ করবে ১৪ বছর দেশের টাকা লুট করে কোন্ পকেটে রেখেছেন।ভিক্ষা চাইবেন আবার গলা উঁচু করে কথা বলবেন,তাহবে না।ওরা" কারো স্বপ্নের" ধার ধারে না। ওগুলো আপনার মত ছাগল জনগণের জন্য। ্য্্য্্য্্য

nasym
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

কত দেশ কত মানুষ এই দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির প্রসংশা করে। কিন্তু কোন পজেটিভ কথা কোন দিন আপনার মুখ থেকে শুনলাম না।

সামছুল হক
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

যেই দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন দেশের উন্নয়নের নামে সব দলই ঋণ নিয়ে থাকে । সে ঋণ দিয়ে দেশের উন্নয়ন হলেও জনগণকে পরিশোধ করতে হয় না হলেও পরিশোধ করতে হয় । সরকার যদি ঋণ না নেয় তাহলে তো বৈদেশিক ঋণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন হবে কিভাবে। আর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে সব সরকারি জনগণের পকেট ফাঁকা করেছে । শুধু মাত্র বর্তমান সরকারের উপর দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই ।

বাশার
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:২২ পূর্বাহ্ন

শুধু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে গত পাঁচ বছরে হাজারের মত গাড়ি দেয়া হয়েছে এবং তার আদৌ প্রয়োজন ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। প্রকল্প ছাড়া উক্ত দপ্তরের কোন করার সুযোগ নেই? যেভাবে নিচ্ছে সম্ভবত আগামীতে উন্নয়নের নামে প্রতিটি ফসলেই “প্রকল্প” লাগবে।

তৌহিদ
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:১৫ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে দুর্নীতির চেয়ে বুজর্গ ও কম না .. তবে বুজুর্গ রা দলীয় ভিত্তিক বুজে ....এইটাই বড় সমস্যা ...

Rg
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৫০ পূর্বাহ্ন

এই তিন বছরে আয় কি বাড়বেনা।জনগনকে ভয় দেখাচ্ছেন কেন।

Fakhrul
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:০৩ পূর্বাহ্ন

We will first dethrone them, then prosecute them, sentence them according to their crimes, confiscate their properties at home and abroad, and use the properties to repay the loans. It's not going to be easy for them this time. They made our lives hell since 2009, we will make their lives hell this time.

Nam Nai
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

We will first dethrone them, then prosecute them, sentence them according to their crimes, confiscate their properties at home and abroad, and use the properties to repay the loans. It's not going to be easy for them this time.

Nam Nai
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে যে ভাবে র্দুনীতি হয়, টাকা বিদেশে পাচার হয়, তাতে প্রশ্ল ও র্শত ছাড়া, জবাবদিহিতা ছাড়া ঋ‍ৃন নাদেয়াই উচিৎ। দেশের জনগন কি জানে যে কি দরে পদ্মা সতুর জন‍্য পাথর, রড, লোহা, সিমেন্ট, বিভিন্ন যন্ত্র-পাতি, সরঞ্জামাদি ইত‍্যাদি ক্রয় করা হয়েছে, চায়নিজ কো: সহ সংশ্লিষ্ট কোন কোন কো: কে কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে?

লুৎফুর রহমান
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:২৮ পূর্বাহ্ন

IMF লন দেয়ার আগে যে সব quiry করে তা একটি দেশের আর্থিক সাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ। তারা কেন লোন দেয় কাদের দেয় কি শর্তে দেয় এর পেছনে সাম্রাজ্যবাদী কি আচরণ তা এখানে তুলে ধরা হয়নি। এখানে শুধু একপক্ষীয় সমালোচনা / আলোচনা করা হয়েছে। এমন এক পক্ষীয় লিখা না রাজনৈতিক না অর্থনৈতিক।

তৌহিদ কিবরিয়া
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:২৯ পূর্বাহ্ন

জ্বালানি খাতের হিসাব প্রণোদনার হিসেবতো দিতে পারবেনা,গোঁজামিলের হিসেব কি আইএমএফ গ্রহণ করবে??

নাসের
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ২:২৭ পূর্বাহ্ন

"নিজের টাকায়" ওনারা ঋণ পরিষদের ব্যবস্থা করছেন আরকি। পাবলিকের পকেট সাফা করে কিস্তি দিবে।

sattar
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ২:০১ পূর্বাহ্ন

স্থায়ী ভাবে প্রবাসী ভোটাধিকার নাই। ঋণ দ্বিগুণ হলেও জনগণের হিসাবে আমরাও নাই । তবুও দেশের অবস্থার সাথে আত্মিক সম্পর্ক আছে ভাই। সব সময় দেশের কথা ভাবি তাই ।

Kazi
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রায়শই মিলত ধর্ষণের হুমকি/ ‘গেট খুলে দেখি মেয়ে অর্ধ-উলঙ্গ এবং গলা কাটা’

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status