ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০২৪, শনিবার, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ শাওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

শেষের পাতা

মামলা, গ্রেপ্তার

ট্রান্সকমের পাঁচ কর্মকর্তার জামিন

স্টাফ রিপোর্টার
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, শনিবার
mzamin

শেয়ার জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও জাল দলিল তৈরি করে সম্পত্তি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের গ্রেপ্তার করে গতকাল ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে              আদালতে হাজির করে। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তারের আদালত শুনানি শেষে ৩ হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন-ট্রান্সকম গ্রুপের আইন উপদেষ্টা ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও এসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। এর আগে বৃহস্পতিবার নিজের মা, বড় বোন, ভাগ্নে ও কোম্পানির ৫ জন কর্মকর্তাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক। গুলশান থানায় ৩টি মামলা করেছেন তিনি। মামলায় ওই ৫ কর্মকর্তা ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- লতিফুর রহমানের মেয়ে সিমিন রহমান, স্ত্রী শাহনাজ রহমান, নাতী যারাইফ আয়াত হোসেন।  

পিবিআইয়ের পরিদর্শক আলাউদ্দিন বলেছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের বড় মেয়ে সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ এনে ছোট মেয়ে শাযরেহ হক গুলশান থানায় এই মামলা করেছেন।

বিজ্ঞাপন
সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই গ্রুপটির শীর্ষ ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহানুর রহমান বলেন, শাযরেহ হক বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার গুলশান থানায় উপস্থিত হয়ে ৩টি মামলা করেছেন। এসব মামলায় কোম্পানির শেয়ার ও অর্থসম্পদ নিয়ে প্রতারণামূলক বিশ্বাস ভঙ্গ এবং জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। গুলশান থানার ২০ নম্বর মামলার এজাহারে শাযরেহ হক বলেছেন, আমি ট্রান্সকম লিমিটেডের একজন শেয়ারহোল্ডার এবং পরিচালক বটে।

 আমার বাবা মৃত লতিফুর রহমান তার জীবদ্দশায় ট্রান্সকম লিমিটেডের ২৩ হাজার ৬০০টি শেয়ারের মালিক থাকাবস্থায় ২০২০ সালের ১লা জুলাই মারা যান। আমিসহ অন্যান্য উত্তরাধিকারগণ আমার বাবার শেয়ারের মুসলিম শরিয়া আইন অনুযায়ী মালিক। আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকাবস্থায় কুমিল্লাতে মারা যান। মারা যাওয়ার প্রায় ১ বছর আগে থেকেই তিনি কুমিল্লাতে অবস্থান করছিলেন। আমার বাবার ২৩ হাজার ৬০০টি শেয়ার থেকে ১নং আসামি সিমিন রহমান আমাকে এবং আমার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে বঞ্চিত করার জন্য অবৈধভাবে নিজের নামে বেশি শেয়ার ট্রান্সফার করার অসৎ উদ্দেশ্যে ২,৩,৪ ও ৫নং আসামিদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৩টি ফর্ম ১১৭ (হস্তান্তর দলিল)সহ আরও গুরত্বপূর্ণ শেয়ার ট্রান্সফারের বিভিন্ন কাগজপত্র আমার এবং আমার ভাইয়ের অজ্ঞাতসারে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে তৈরি করেন। 

আমার বাবার মৃত্যুর পর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি দলিলসহ শেয়ার ট্রান্সফারের অন্যান্য কাগজপত্র ৩নং আসামি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মসে জমা দেন। ১নং আসামি থেকে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ৪ এবং ৫নং আসামি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি দলিলে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন এবং সব আসামিরা ষড়যন্ত্র করে পারস্পারিক সহযোগিতায় আমার, আমার বাবার, এবং ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে এ স্বাক্ষর করে। আমার বাবা মারা যাওয়ার পর প্রথমে ২নং আসামি ২০২৩ সালের ২৩শে মার্চ এবং পরে ২নং এবং ৩নং আসামিরা ১৪ মে  আমাকে জানায় যে, আমার বাবা, আমিসহ আমার ভাই বোনদের শেয়ার হস্থান্তর করে দিয়েছেন। পরে আমি যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে শেয়ার হস্তান্তর সংক্রান্ত দলিলাদির অনলাইন কপি সংগ্রহ করি।

 অনলাইন দলিল অনুযায়ী ২০২০ সালের ১৩ই জুন আমার বাবা আমাকে ৪ হাজার ২৭০টি শেয়ার, আমার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে ৪ হাজার ২৭০টি শেয়ার এবং ১নং আসামিকে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তান্তর করেছেন বলে ৩নং আসামি শেয়ার হস্তান্তর সংক্রান্ত দলিলাদি দাখিল করে। কিন্তু কোনো সময়ই আমি কিংবা আমার ভাই উক্ত হস্তান্তর সংক্রান্ত ফরম-১১৭ (হস্তান্তর দলিল)-এ সই কিংবা টিপসই প্রদান করিনি। আমার বাবা তার জীবদ্দশায় কখনো দলিলে স্বাক্ষর বা টিপসই প্রদান করেননি। ট্রান্সকম লিমিটেডে থাকা আমার বাবার ২৩ হাজার ৬০০টি শেয়ার তার উত্তারিধারদের মধ্যে বণ্টন না করে ১নং আসামি নিজের নামে বেশি শেয়ার নেয়ার উদ্দেশ্যে এবং অন্যান্য আসামিরা ১নং আসামির কাছ থেকে অবৈধ লাভের উদ্দেশ্যে শেয়ার হস্তান্তর কাগজাদি জাল-জালিয়াতি করে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে জমা দেয়। 

আসামিরা অসৎ ও অসাধু উপায় অবলম্বন করে আমাকে এবং আমার ভাইকে আমার বাবার ন্যায্য শেয়ার থেকে বঞ্চিত করার জন্য জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের স্বাক্ষর জাল করে অপরাধ করেছে। জাল-জালিয়াতি উল্লেখ করে আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর পরও তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়নি। ২১ নম্বর মামলায় ১ নম্বর আসামি সিমিন রহমান। ২নং আসামি বাদীর মা শাহনাজ রহমান। বাকি ৩ জন কোম্পানির কর্মকর্তা। বাদী এজাহারে বলেছেন, আমার বাবা লতিফুর রহমান ট্রান্সকম লিমিটেড এবং উক্ত গ্রুপের বাণিজ্যিক অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। আমার বাবার প্রতিষ্ঠা করা ট্রান্সকম গ্রুপের শেয়ার এবং পজিশন নিজেদের অনুকূলে  নেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে ১নং এবং ২নং আসামীরা ৩,৪ ও ৫নং আসামিদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ডিড অব সেটেলমেন্ট তৈরি করে যেখানে আমার বাবা, আমার ও  আমার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে আসামিরা নিজেরাই স্বাক্ষর করেন। আসামিরা আমার দুই ছেলে যোহেব আসরার হক এবং মিকাইল ইমান হকের স্বাক্ষরও জাল করে। বাবার মৃত্যুর পর ১নং এবং ২নং আসামি ডিড ব্যবহার করে ট্রান্সকম গ্রুপের শেয়ার নিজের নামে হস্তান্তর করাসহ ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ সিইও- এর পদ পজিশন নিজেদের নামে করে নিয়েছেন যার ফলে আমি ও আমার ভাই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এবং হচ্ছি। 

আমাদের সঙ্গে আমাদের বাবা এবং ১ ও ২নং আসামির সঙ্গে কখনো কোনোকালে ডিড করেন নাই এবং আমি, আমার বাবা, আমার ভাই এবং আমার ছেলেরা ডিডে স্বাক্ষর করে নাই। ১ ও ২নং আসামিদের থেকে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে ৩নং এবং ৪নং আসামিরা ডিডে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন এবং ৫নং আসামি ১নং আসামির ছেলে হিসেবে মাকে অবৈধভাবে লাভবান করার জন্য ডিডে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করে। তারা ষড়যন্ত্র করে পারস্পারিক সহযোগিতায় আমার, আমার ভাই, আমার বাবা এবং আমার ছেলেদের স্বাক্ষর জাল করে ডিড করে। তারা আমার বাবার ন্যায্য শেয়ার থেকে বঞ্চিত করার জন্য জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের স্বাক্ষর জাল করে আমার পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি যাহার মূল্য আনুমানিক দশ হাজার কোটি বা তারও বেশি টাকা নিজেদের নামে কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে এই ডিড অব সেটেলমেন্ট সম্পাদন করে।

 আসামিরা ডিড ব্যবহার করে বিজ্ঞ প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ঢাকার আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা নং ৪৬৮/২০২৩ নং মামলা দায়ের করেন এবং এক সপ্তাহ পরে উক্ত মামলা প্রত্যাহার করে নেন। তখনই আমি এই জাল দলিলের সন্ধান পাই। ৩নং আসামি তার অপকর্মের পুরস্কার হিসেবে ২০২১ সালে কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স (লিগ্যাল) হিসেবে প্রমোশন পায়। ৪নং আসামি তার অপকর্মের পুরস্কার হিসেবে ২০২৩ সালে কোম্পানির পরিচালক হিসেবে অবৈধভাবে নিয়োজিত হয় এবং ১০০টি শেয়ার ২নং আসামি থেকে অভিহিত মূল্যে খরিদ করে যা বেআইনি। ২২ নম্বর মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে, লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমানকে,  দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে মেয়ে সিমিন রহমানকে। এজাহারে বাদী শাযরেহ হক বলেছেন, আমার বাবা প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লি., কর্মাশিয়াল ব্যাংক অফ সিলন ঢাকা, এইচএসবিসি ঢাকা, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকসহ আরও অন্যান্য ব্যাংকে তার নামীয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট এবং এফডিআর এ প্রায় ১০০ কোটি টাকা রেখে মারা যান। আমিসহ অন্যান্য ওয়ারিশরা আমার বাবার রেখে যাওয়া ১০০ কোটি টাকার হকদার। ওই টাকার নমিনী ছিলেন  ১নং আসামি শাহনাজ রহমান। কিন্তু ১নং আসামি শাহনাজ রহমান ও সিমিন রহমান ওই টাকা ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন করেননি।

  নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে আত্মসাৎ করার উদ্দেশে অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় শাহনাজ রহমান আমার বাবার অ্যাকাউন্ট থেকে তার মৃত্যুর পর ২০২০ সালের ১লা জুলাই থেকে বিভিন্ন তারিখে নিজের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেন। পরে শাহনাজ রহমান ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক লিমিটেড থেকে নিজের নামে ট্রান্সকম লিমিটেডের ১৮ শতাংশ শেয়ার ৬০ কোটি টাকা দিয়ে কেনার বাহানা করে ওই বছরের ৩রা আগস্ট নিজের নামে হস্তান্তর করেন। এজাহারে আরও বলেন, আমার বাবা লতিফুর রহমান ট্রান্সকম লিমিটেড এবং উক্ত গ্রুপের বাণিজ্যিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। আমিসহ অন্যান্য উত্তরাধিকাররা ট্রান্সকম লিমিটেডে-এ আমার বাবার শেয়ারে মুসলিম শরীয়া আইন অনুযায়ী ওয়ারিশ। 

 ১ ও ২নং আসামি পরস্পর যোগসাজোশে অন্যান্য ওয়ারিশগণকে বঞ্চিত করে এবং বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে ৬০ কোটি টাকা ব্যবহার করে ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের কাছ থেকে ট্রান্সকম লিমিটেডের শেয়ার ক্রয় বাবদ হস্তান্তর করেন। পরে ওই ৬০ কোটি টাকা ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড থেকে বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে কুক্ষিগত করেন। ওয়ারিশান সম্পতি ব্যবহার করে ক্রয়কৃত ট্রান্সকম লিমিটেডের ওই শেয়ার ১নং আসামি ২নং আসামিকে  ২০২২ সালের ১৪ই ডিসেম্বর দান করেন। তাই এতে প্রমাণ হয় যে ১নং আসামি ২নং আসামিকে ট্রান্সকম লিমিটেডের সর্বোচ্চ শেয়ার পাইয়ে দেয়া এবং ট্রান্সকম গ্রুপের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে অভৈধভাবে বিশ্বাস ভঙ্গ করে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। অসৎভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ৩, ৪ ও ৫নং  আসামি ১ ও ২নং আসামিকে সগযোগিতা করেছে। তারা অসৎ ও অসাধু উপায় অবলম্বন করে আমাকে এবং আমার ভাইকে বাবার নায্য টাকার অংশ এবং কোম্পানির শেয়ার থেকে বঞ্চিত করে নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য ৬০ কোটি টাকা ও কোম্পানির শেয়ার আত্মসাৎ করেছে।

পাঠকের মতামত

অর্থই অনর্থের মূল – এই কথাটাই কি তবে ঠিক ? অর্থ, না-কি “ লোভ “ অনর্থের মূল ? “ অর্থের জন্য অনর্থ হবে”- সেজন্য মানুষ কি গাছতলায় ঘুমোবে ? মানুষের জীবনে কত টাকার প্রয়োজন ? বাবা হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে অর্থ জমা করেছেন , আর সন্তানেরা তা ঠিকমত ব্যবহারও করতে পারছে না !! অপদার্থের দল !!!

Sultan
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, শুক্রবার, ৯:৩১ অপরাহ্ন

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status