ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

মেকংয়ে পাওয়া গেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছ

(১ মাস আগে) ২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কম্বোডিয়ার মেকং নদীতে ধরা পড়া একটি ৩০০কেজি স্টিংরে এখনও পর্যন্ত নথিভুক্ত হওয়া সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছ। এর আগে ২০০৫ সালে থাইল্যান্ডের মেকং নদীতে ধরা পড়েছিল একটি ২৯৩ কেজির দৈত্যাকার ক্যাটফিশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছের কোনো সরকারি রেকর্ড বা ডাটাবেস নেই। মেকং জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ কিন্তু অতিরিক্ত মাছ ধরা, বাঁধ  এবং দূষণ এর ভঙ্গুর ইকোসিস্টেমকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এটি তিব্বত মালভূমি থেকে চীন, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনাম হয়ে প্রবাহিত হয়েছে। জীববিজ্ঞানী জেব হোগান বলেছেন, ছয়টি মহাদেশের নদী ও হ্রদে দৈত্যাকার মাছ নিয়ে গবেষণা করার ২০ বছর পরে এটিই সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছ যা আমরা পেয়েছি। নেভাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হোগান বলেন, এতো বড়  স্টিংরে খুঁজে পাওয়া সত্যিই বিরল। কারণ মেকং বর্তমানে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কম্বোডিয়ান ফিশারিজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যে কোনোধরনের বড় বা বিপন্ন মাছ ধরতে পারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১৩ জুন রাতে, কোহ প্রিয়াহ দ্বীপের একজন স্থানীয় জেলে গবেষকদের বলার জন্য ডেকেছিলেন যে তিনি একটি খুব বড় স্টিং রে - মাছ ধরেছেন।

বিজ্ঞাপন
যেটি ৩.৯৮ মিটার লম্বা এবং ২.২মিটার চওড়া। এর ভবিষ্যত গতিবিধি ট্র্যাক করার জন্য একটি অ্যাকোস্টিক ট্যাগ লাগানোর পরে, স্টিংরেটিকে আবার নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় খেমার ভাষায় মাছটিকে বলা হয় "বোরামি", যার অর্থ পূর্ণিমা। ডক্টর হোগান বলেন, "স্টিংরে  খুঁজে পাওয়া প্রমাণ করে যে অনেক বড় জলজ প্রাণী দুর্ভাগ্যজনকভাবে অবহেলিত হচ্ছে।'' Yantgze নদীর মতো জায়গায়, যেখানে বিজ্ঞানীরা চীনা প্যাডলফিশের বিলুপ্তির কথা জানিয়েছেন। দৈত্যাকার স্বাদুপানির স্টিংরে  একটি বিপন্ন প্রজাতি। মে মাস থেকে এই মাছকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগে যে মাছটি পাওয়া গিয়েছিল তার ওজন ছিল ১৮১কেজি। মেকং-নদীতে  প্রতি বছর কোটি কোটি মাছ উৎপন্ন হয় যা কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামের লক্ষ লক্ষ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবিকা নিশ্চিত করে

সূত্র :/www.bbc.com

পাঠকের মতামত

বিপন্ন প্রানী বিলুপ্ত হওয়ার আগে এই রকম দু চারটি দেখা যায় । যেমন স্বাধীনতার আগে শেরপুরের গারো পাহাড় থেকে একটা বিশাল গয়াল্ নেমে এসেছিল , গয়াল্ টি দিক ভ্রান্ত হয়ে র্বতমান বকশিগঞ্জ বাজারে ধরা পড়ে । অসচেতন , নিষ্ঠুর জনতা গয়াল টিকে জবাই করে ভুরিভোজ সেরে নেয় । বর্তমান গারো পাহাড়ে গয়াল ত দুরের কথা একটা খরগোস খুঁজে পাওয়া যায় না ।

Zakiul Islam
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ১০:২১ অপরাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন থেকে সর্বাধিক পঠিত

আইজিপি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মুখপাত্র/ কাউকে ভিসা ও প্রবেশের অনুমতির এখতিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ/ নয়াপল্টনে জনসমুদ্র

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status