ঢাকা, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, বুধবার, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ শাওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

বাংলারজমিন

তিতাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এপিএস মতিনের সংবাদ সম্মেলন

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার
mzamin

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস-২ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (অব.) মো. আবদুল মতিন খানের বিরুদ্ধে কুমিল্লার তিতাস ও হোমনা উপজেলার বিএনপি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আবদুল মতিন খান। গতকাল সকাল ১১টায় তার নিজ বাড়ি তিতাস উপজেলার মাছিমপুরে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১০ই  জানুয়ারি তিতাস-হোমনা উপজেলা বিএনপি ও হোমনা পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সভায় আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ করে যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, ষড়যন্ত্রমূলক এবং আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও মানহানিকর। তিনি অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অভিযোগে তারা আমাকে আওয়ামী লীগের দালাল, পৃষ্ঠপোষক, চোর, দুর্নীতিবাজ, প্রতারক, হত্যাকারী, ১/১১ এর সময় বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গাদ্দারি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি দিয়ে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দলের নেতা-নেত্রীকে অবমাননা করেছি, চাকরি করাকালীন সময় ঘুষ, দুর্নীতি করে অঢেল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছি ও বিএনপি’র ভাবমূর্তি নষ্ট করেছি সহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। অথচ আমি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এপিএস-২ হিসেবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে আমি উপ-সচিব হই। উপ-সচিব হওয়ার এক মাস পরই আওয়ামী লীগ সরকার ওএসডি করে। ১৪ বছর ওএসডি থেকে ২০২০ সালের জুন মাসে উপ-সচিব হিসেবেই আমি অবসরপ্রাপ্ত হই। ১৪ বছর ওএসডি এযাবৎকালে ইতিহাসের দীর্ঘতম ওএসডি। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিমনা অফিসার হিসেবে আমার বিরুদ্ধে ২টি মামালা দায়ের করে।

বিজ্ঞাপন
যা এখনো চলমান আছে। তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জ্ঞাত আয় বহিভূর্ত সম্পদ অর্জনের মামলা করে। পরবর্তীতে দুুদক তদন্ত করে আমার আয় বহির্ভূত সম্পদ বা অবৈধ সম্পদ না পাওয়ায় অভিযোগ থেকে দুুদক আমাকে অব্যাহতি দেয়। যেটি ৮-১০টি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। আমি যদি আওয়ামী লীগ মনোভাবাপন্ন হতাম কিংবা দুর্নীতিবাজ হতাম, তাহলে সাবেক প্রধামন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কীভাবে ৫ বছর তার পুরো শাসনামলে আমাকে এপিএস রাখলেন? আমি বিএনপি নাকি আওয়ামী লীগ বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আমার নির্বাচনী আসন কুমিল্লা-২ হোমনা-তিতাসের জনগণ জানে। সৎ ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ এ পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি এবং আর কোনোদিন পারবেও না ইনশাআল্লাহ। যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে তারা আমার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে কুৎসা রটানোর চেষ্টা করছে। যেন আমি বিএনপি থেকে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে জনগণের সেবক হয়ে না আসতে পারি। নেতার ভাষায় ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’, আমার ভাষায় ‘প্রথম বিএনপি আমার শেষ বিপএনপি আমার জীবনে।’

 

বাংলারজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

বাংলারজমিন সর্বাধিক পঠিত

সিন্ডিকেট চক্রের ঈদ বাণিজ্য/ ট্রেনের ১০৫৩ টাকার এসি চেয়ার ২৫০০

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status