বিশ্বজমিন
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমার
বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান জান্তা প্রধানের
মানবজমিন ডেস্ক
(১ দিন আগে) ২ এপ্রিল ২০২৫, বুধবার, ১:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারের জান্তা সরকার। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। যারফলে ওই অঞ্চলগুলোতে ত্রান কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে জান্তা সরকারকে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির ছায়া সরকার। তবে তা নাকচ করে দিলেন মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এতে বলা হয়, রোববার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে আইন প্রণেতাদের নিয়ে গঠিত ছায়া সরকার। যেটি ২০২১ সালে গঠিত হয়েছিল। তারা বলেছেন, ভূমিকম্পে অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং সংঘাতের কারণে ত্রাণ প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণেই তারা দুই সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে জান্তা প্রধান অভিযোগ করে বলেছেন, ছায়া সরকারের সঙ্গে চক্রান্ত করে যুদ্ধবিরতির সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে বিদ্রোহীরা।
তিনি আরও বলেছেন, জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীরা হয়তো এখন সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে নেই, তবে তারা আক্রমণের জন্য সংগঠিত হয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। যেহেতু বিদ্রোহীরা আগ্রাসন চালাচ্ছে তাই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে অভিযান অব্যাহত রাখবে। মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদোর এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মিন অং হ্লাইং।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এখনও অভিযান অব্যাহত রেখেছে সামরিক বাহিনী। ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকা গুলোও তাদের অভিযানের আওতায় রয়েছে।
এদিকে দেশটিতে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২,৮৮৬ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে চীনা সংবাদমাধ্যম জিনহুয়া। গত শুক্রবার মধ্য দুপুরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমারের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং শহর। এতে দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভূকম্পনের রেশ গিয়ে পৌঁছায় ব্যাংকক ও ঢাকায়। বাংলাদেশে তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও, থাইল্যান্ডে একাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন ধসে যাওয়ায় কয়েক ডজন মানুষ আটকা পড়েন।