বিশ্বজমিন
পারমাণবিক অস্ত্রের যুদ্ধ হবে ইরানে!
মানবজমিন ডেস্ক
(২ দিন আগে) ১ এপ্রিল ২০২৫, মঙ্গলবার, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে কথা বলছে ইরান। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এরই মধ্যে সরাসরি ইরানে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছে। তার জবাবে নিজেকে কাবু করে না রেখে সটান বুকে কথা বলছে ইরান। সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যদি তাদের ওপর বোমা হামলা করা হয়, তাহলে তারাও পাল্টা হামলা চালাবেন। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আরেকটি ভয়াবহ যুদ্ধের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, আয়াতুল্লাহ খামেনির একজন উপদেষ্টা আলি লারিজানি রাষ্ট্রীয় টিভিতে বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র বা তার কোনো মিত্র ইরানে হামলা চালায়, তাহলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি খর্ব করতে চুক্তি না করে তাহলে তাদের ওপর বোমা হামলা করা হবে। জবাবে আলি লারিজানি বলেন, আমরা (পারমাণবিক) অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছি না। কিন্তু যদি ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে আপনারা ভুল করেন, ইরানকে সামনে এগিয়ে যেতে বাধ্য করেন, তাহলে ইরান আত্মরক্ষা করবে। ইরান এটা করতে চায় না। কিন্তু তা না করে কোনো বিকল্পও থাকবে না। যদি কখনো আপনারা (যুক্তরাষ্ট্র) বা আপনাদের মিত্র ইসরাইলকে দিয়ে বোমা হামলা চালাতে যান, তাহলে ইরান ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেবে। উল্লেখ্য, এনবিসি নিউজের মতে, গত শনিবার ট্রাম্প বলেছেন, যদ ইরান পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হয় তাহলে বোমা হামলা চালানো হবে। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের শুল্ক’ আরোপের হুমকি দেন। ট্রাম্পের এই হুমকি জোরালো হলেও এটা পরিষ্কার নয় যে যুক্তরাষ্ট্র একাই নাকি অন্য দেশগুলোর সমন্বয়ে ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। ওদিকে পবিত্র ঈদের দিন এক ভাষণে খামেনি বলেছেন, তারা ভুল কাজ করার হুমকি দিয়েছে। যদি তারা এই হামলা করে, তাহলে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে পাল্টা আঘাত হানা হবে। এই বার্তা জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইয়িদ ইরাভানির মাধ্যমে পৌঁছে দেয়া হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে। ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে যুদ্ধবাজরা উস্কানি দিচ্ছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তার প্রক্সি ইসরাইল শাসকগোষ্ঠী যদি আগ্রাসন চালায় তাহলে দ্রুততার সঙ্গে এবং সুচিন্তিত জবাব দেবে ইরান। ওদিকে ইরাানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে সুইস দূতাবাস। ট্রাম্পের হুমকির পর এর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। হুমকির জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোরের সিনিয়র কমান্ডার জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ বলেছেন, ইরানের চারপাশে বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আছে কমপক্ষে ১০টি ঘাঁটি। আর তাতে আছে ৫০ হাজার সেনা। কাচের তৈরি ঘরের ভিতর আছে এমন কারো উচিত হবে না বাইরে অন্য কারো দিকে ঢিল ছোড়া। উল্লেখ্য, আলি হাজিজাদেহ ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির দায়িত্বে আছেন।
পাঠকের মতামত
গোটা পৃথিবীতে মুসলমানদের ধ্বংস করতে মরিয়া ইসরাইল আমেরিকা। ইতিমধ্যে গোটা মধ্য প্রার্চের অনেক দেশ কে কবরস্থানে পরিণত করেছেন। ফিলিস্তিনের গাজা মৃত্যুপুরী গোটা পৃথিবীর মাঝে ইরান জীবিত আছে ইসরাইল বিরুদ্ধে আমেরিকার অত্যাধনিক সকল সমরাস্ত্রের বিরুদ্ধে। এখন প্রযোজন আল্লাহর সাহায্য। যখনই আল্লাহর সাহায্য আসবে পৃথিবীর কোন পরাশক্তি ঠিকতে পারবেনা। ইতিপূর্বে অনেক জালেম অনেক শক্তিশালী রাষ্ট্র কে আল্লাহ ধ্বংস করে ছিলো। আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান বিভিন্ন রাষ্ট্রের জনগণ আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি। মধ্য প্রার্চের রাজা বাদশাহ গুলো চরিত্র মতামত রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত পরিপূর্ণ ভাবে ইসলামের পক্ষে নাই। আরব লিগ এবং ও আই সি চুপচাপ। আমেরিকার ভয়ে কারণ অনেক। ক্ষমতা হারানো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পৃথিবীর মাঝে বিশালাকার অর্থ সম্পদ তাদের কে শয়তান অন্ধ বধির করে ফেলেছে। অথচ দুনিয়ার জীবন খেল তামাশা ক্ষণিকের জন্যে আসল জীবন কবর থেকেই শুরু। শয়তান মুসলমানদের জন্যে প্রকাশ্য শক্র কুমন্ত্রণাদাতা আল্লাহর সাহায্য ছাড়া বাচতে পারবে এই বিশ্বাস টুকু এখন সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানদের ভূলুণ্ঠিত করছেন শয়তান। মুসলমানদের বুঝিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীতে বাচতে চাইলে ক্ষমতাই টিকে থাকতে চাইলে শুধু আমেরিকার কাছে মাথা নত করে থাকতে হবে। কিছু কিছু প্রমাণ তারা ইতিমধ্যে ইরাক লিবিয়া সিরিযা গোটা মধ্যপ্রার্চের শাসন ব্যাবস্থার কৌশতগত নিয়ন্ত্রণকারী আমেরিকা। পরমানু অস্থের বিশালাকার মৌজুদ আছে ইসরাইলের কাছে আমেরিকা কাছে আছে পৃথিবীর সব চাইতে বেশী পারমানবিক বোমা প্রায় সাড়ে চৌদ্দ হাজার। পৃথিবীর যত গুলো পরমানু বোমা আছে এই পৃথিবী ১০ হাজার বার ধ্বংস করে যাবে। এটি কি সম্ভব কিনা জানিনা। গোটা পৃথিবীতে মানুষের চরিত্র আচরণ কথা বার্তা রাষ্ট্র ক্ষমতার অহংকার ভয়ানক মারাত্মক মারনাস্থের অস্ত্রের শক্তি প্রদর্শন মানুষ কে নানাভাবে চিহ্নিত করে ইহুদি কাফের মুনাফেক ষড়যন্ত্রের কবলে নিক্ষেপ করে পেলেছে। ইসলামের পক্ষে শক্তিশালী ভাবে কথা বলাও শক্তি টুকু অনেক দেশ ইতিমধ্যে হারিয়ে পেলেছে। আমেরিকার সকল অত্যাধনিক বোমারু বিমান প্রস্তুত ইরানের পরমানু স্থাপনা ধ্বংস করতে। হয়তো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দিবেন। কেও কিছু করার নেই। একজন আছেন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ সবকিছুই অবগত সবকিছুই দেখছেন। জমিনজুড়ে মুসলমান কাছে আল্লাহর সাহায্য ছাড়া বিকল্প নেই। ঐ সাহায্য প্রার্থীরা আল্লাহর পরিক্ষাই অবতীর্ণ আল্লাহ মুসলমানদের সাহায্য করুন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তৌফিক দাও। আমিন।
If America, Russia, China and North Korea can own atomic weapons, what's wrong if Iran possess atomic weapons. Is it because Iran is a Muslim country ? Many non Muslim countries other than I mentioned above own atomic weapons. So, Muslim countries now must have same types of weapons to protect themselves
যুদ্ধ বেধে গেছে ইয়া আল্লাহ আপনি তাদের বদরের যুদ্ধের পরিনতি দিয়েন।