ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, মঙ্গলবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৬ শাবান ১৪৪৫ হিঃ

মত-মতান্তর

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত: একটি অঙ্কভিত্তিক পর্যালোচনা

ইফতেখার আহমেদ খান

(৪ মাস আগে) ১৮ অক্টোবর ২০২৩, বুধবার, ৮:১১ অপরাহ্ন

mzamin

ফিলিস্তিন সংকটের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কলেবর এতো বড়ো যে ছোট করে   লেখার যতোই চেষ্টা করা হোক তা সম্ভব নয়। এখানে একটি কথা বলে নেওয়া ভালো, ইংরেজি Undue Intervention এর সরল বাংলা হলো অনুচিৎ হস্তক্ষেপ। এই বিশ্বসংসারের ইতিহাস অনুসন্ধানে যতো বড় বড় অনুচিৎ হস্তক্ষেপের নমুনা দেখা যায়, সেসব ক’টির মধ্যে ফিলিস্তিনি জনগণ সবচেয়ে বেশি অনুচিৎ হস্তক্ষেপের শিকার হয়েছে। আমি এখানে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর কোনো বর্ণ-ধর্ম-শ্রেণিগত পরিচয়ের মানদণ্ডে নয়, মানবসত্তা হিসেবে- মানবপ্রাণ হিসেবে তাদের জীবনের চাহিদা ও অধিকারের পরিপ্রেক্ষিতে বলছি। আমি মনে করি, সারা পৃথিবীর সকল মানুষ এই যুক্তিতে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার হওয়া দরকার। ইহুদি জনগোষ্ঠীর আদি উদ্ভবটা (Classical Era) দেখুন- নবী ইব্রাহিমের এক পুত্র ইসহাক তার পুত্র ইয়াকুব যার আরেক নাম ইসরাইল। ইয়াকুব নবীর বারোজন পুত্র ছিল, যাদের মধ্যে হযরত ইউসুফ সর্বপেক্ষা সমাদৃত। অন্যান্য পুত্রগণের মধ্যে একজনের নাম ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদার উত্তরসূরিগণ হলো ইহুদি। নবী ইব্রাহিমের আরেক পুত্র ইসমাইল, যার শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)।

বিজ্ঞাপন
উভয়গোষ্ঠী একই পরিবার থেকে এসেছে।

ইতিহাস অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সেই ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে কিছুসংখ্যক শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান বর্তমান তেল আবিবের কাছে কলোনী গড়ে তুলেছিল। ১৮৫৮ সালে তাদের এই অবৈধ বসতিতে ফিলিস্তিনিরা প্রতিরোধমূক আক্রমণ করেছিল। সেই সময়ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাষ্পচালিত নৌবহর পাঠায়। তৎকালীন অটোম্যান সম্রাজ্যের শাসকরা যেন মার্কিন নাগরিক হত্যার বিচার করে সে দাবিতে তারা ফিলিস্তিনে সোচ্চার হয়েছিল। এরপর জার্মানরাও ফিলিস্তিনে ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করে এবং একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ১৮৭৭-১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে জার্মান ঔপনিবেশিকদের রক্ষায় ফিলিস্তিন উপকূলে জার্মান যুদ্ধজাহাজ ভিড়েছিল। এর তিন দশক পর ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কন্সটেনটিনোপলে ফিলিস্তিনি কৃষক সম্প্রদায় জার্মান উপনিবেশে হামলা চালায়। জবাবে জার্মান আবারও যুদ্ধজাহাজ পাঠায় জার্মানদের সহায়তা করার জন্য। এ প্রসঙ্গে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পন্ডিত  জোসেফ মাসাদ একটি দারুণ মন্তব্য করেন- জার্মানি-ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য- পশ্চিমা বিশ্ব জুড়ে ফিলিস্তিন বিরোধী মানসতার কারণ হলো- তারা বর্ণবাদী, ইসরাইলও বর্ণবাদী। এক বর্ণ আরেক বর্ণের সহগ হতে চায়- এটা তো খুব স্বাভাবিক। প্যালেস্টনে ইহুদিদের প্রাচীন পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ ও শোকের দেওয়াল (Walling wall) বলে বর্ণিত তীর্থটি মুসলমানদেরও ধর্মীয়স্থান ছিল।  স্বভাবতই সেটা তাদেরও পবিত্র স্থান। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে শোকের দেওয়ালকে কেন্দ্র করে আরব-ইহুদি দাঙ্গা বাধে। জার্মানিতে হিটলারের ক্ষমতা লাভের পর ব্যাপকভাবে ইহুদি দলন শুরু হয়। দলে দলে ইহুদরিা ফিলিস্তিনে আসতে শুরু করে। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৪ই মে আরবরাষ্ট্রগুলো ফিলিস্তিন হতে ইহুদিদের বিতাড়িত করার জন্য সৈন্য সমাবেশ করেছিল। একই বছরের ১৪ই মে মধ্যরাতে ডেভিড বেনগুরিনের নেতৃত্বে স্বাধীন ইসরাইলি রাষ্ট্রের জন্মের কথা এই পৃথিবীতে ঘোষিত হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড ও ফিলিস্তিন আরব-ইহুদি সংঘর্ষের সমস্যা রাষ্ট্রসংঙ্ঘে তুলেছিল। সমস্যা সমাধানকল্পে একটি কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটি ফিলিস্তিনে ইহুদি ও আরবদের মধ্যে বিভক্ত করার সুপারিশ করে। সাধারণ সভার প্রস্তাবে ১৯৪৮’র আগস্টে ফিলিস্তিনে ইংরেজ মেনডেটের অবসান করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়। ১৯৪৭’র ১৫ই মে ইংরেজগোষ্ঠী ফিলিস্তিন ত্যাগ করে। ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। আরব-ইসরাইল যুদ্ধে একটি দিক হলো জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করতে চাওয়া। এই শহর খ্রিস্টান-ইহুদি-মসলমানদের ধর্মক্ষেত্র। লীগ এবং রাষ্ট্রসংঙ্ঘ একে একটি আন্তর্জাতিক শহর হিসাবে বারবার স্বীকৃতি দিয়েছে।  ১৯৬৭’র ১৯শে মে আরব-ইসরাইল সীমানা হতে রাষ্ট্রসংঙ্ঘের জরুরি বাহিনী অপসারিত হয়। ৫ই জুন ইসরাইলি বাহিনী মিশর-সিরিয়া-জর্ডানের ওপর বিমান আক্রমণ করে। ইসরাইলরা-ই জয়লাভ করে। ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে আরব-ইসরাইল সংকটের জন্য সংঘর্ষ শুরু হয়। ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে ইসরাইল সিরিয়ার গোলান মালভূমি শিখর দখল করে ও ইরাকের ওপরও গোলাবর্ষণ করে। রাষ্ট্রসংঙ্ঘের বিরোধীতা সত্ত্বেও ইসরাইল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্টপোষকতায় প্রতিবারেই এইসব আক্রমণে সফল হয়।

৭ই অক্টোবর ২০২৩ তারিখে সীমান্ত অতিক্রম করে ইসরাইলে প্রবেশ করে হামাসের অতর্কিত হামলা ইসরাইলসহ সারাবিশ্বে বেশ তোলপাড় করে। জানা যায়, বিশ মিনিটে পাঁচ হাজার রকেট ছুড়ে ইসরাইলের বুকে। বস্তুতঃ হামাস কর্তৃক এই আক্রমণ ছিল অকস্মাৎ। আমরা দেখতে পাই, জল-স্থল-আকাশপথে সমন্বিত এই আক্রমণ ইসরাইলকে দিশেহারা করে দিয়েছে। এই আক্রমণে ইরান ও লেবাননের মিত্র হিজবুল্লাহর সহযোগিতা ছিল বলে অনেকে মনে করেন। ইসরাইল ও মার্কিনিদের দাবি এই আত্রমণে ইরান সরাসরি যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদেশ যুগের পর যুগ ইসরাইলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে। এর সাপেক্ষে ফিলিস্তিন যদি তারই প্রতিবেশী ইরান থেকে সহযোগিতা লাভ করে, তবে সেট তো দোষের হতে পারে না। এদিকে যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন গড়াতে না গড়াতেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইসরাইলকে সহযোগিতা দেয়ার জন্য পাঁচহাজার নৌ-সেনাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে পূর্ব ভূ-মধ্যসাগরে রওনা হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জেরাল্ড আর ফোর্ডের সঙ্গে একটি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ এবং চারটি ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসকারী জাহাজ রয়েছে। অস্টিন বলেছেন- এই বহরের সঙ্গে বিশে^র সবচেয়ে ক্ষিপ্রগতির এফ-৩৫ এফ-১৬ এফ-১০ ফাইটার জেট পুরো এলাকা ঘিরে রাখার জন্য যুক্ত থাকবে। তার বক্তব্যে এটা প্রকাশ পেয়েছে জর্ডান, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব দেশসমূহে থাকা মার্কিন ঘাঁটিসমূহকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পত্রিকার একটি নিবন্ধ বলছে- এখানে ধর্তব্য বিষয় হলো, ফিলিস্তিনের দুই বসতি পশ্চিম তীর ও গাজার মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধ ইরানের সঙ্গে হামাসের সম্পর্কের কারণ কি না তা বিশ্লেষণের দাবি রাখে। পশ্চিম তীর ও গাজার মনস্তাত্ত্বিক ফারাকটি ইসরাইলকে অনেকক্ষেত্রেই সুবিধা দেয়। এমন একটি ভয়াবহ সময়েও পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা কোনোরুপ ক্রিয়া করেনি- বিষয়টি অদ্ভুত। পশ্চিম তীরে ত্রিশ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি লোকের বাস। ঘটনা হলো পশ্চিম তীরের গেরিলাবাহিনীর নাম ফাতাহ। গাজার গেরিলা দল হামাসের সঙ্গে পশ্চিম তীরের গেরিলা দল ফাতার আদর্শগত-বুঝপড়াগত অনৈক্য রয়েছে। পশ্চিম তীরকে শান্ত রাখা মার্কিনিদের অন্যতম অভিপ্রায় ও কৌশল। এটা ইসরাইলের একটি ভাবনা-আতঙ্ক গাজায় সর্বাত্মক স্থল অভিযান শুরু হলে পশ্চিম তীর অশান্ত হয়ে যেতে পারে, যা তাদের জন্য বিপদের মধ্যে আর একটু বাড়তি বিপদ। ৭ই অক্টোবর ২০২৩ তারিখে হামাসের আক্রমণের আগে গাজা মোটামুটি শান্ত ছিল। তুলনায় পশ্চিম তীর ছিল অশান্ত। সেখানে ইসরাইলে সৈনিক ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষ চলছিল। গত কয়েক মাসে সেখানে প্রায় দুই শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়। পশ্চিম তীর ও গাজার প্রতিরোধযোদ্ধারা একক নেতৃত্বে এসব হামলা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয় না। ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামে এই একটা দুর্বল দিক- দুই অংশের মানসিক বিভক্তি। এর পেছনে ভূমিকা রয়েছে প্রতিবেশী দেশসমূহ- যেমন, ইরান ও অন্যান্য। ইরানকে হামাসের তত্ত্বাবধায়ক মনে করা হলেও এখানে তুরস্ক এবং কাতার ফাতাহ-এর বিপরীতে হামাসকে পৃষ্টপোষকতা দিয়েছে। এই রকম সহযোগিতার ভিত্তিতে ফাতাহর কাছ থেকে গাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হামাস। আবার দেখা যায়, মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহকে বলবান রাখতে মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টাও রয়েছে। আবার হামাসের সাম্প্রতিক হামলার সমর্থনে পশ্চিম তীরে হরতাল পালিত হয়। ৭ই অক্টোবর থেকে এই পর্যন্ত পশ্চিম তীরে প্রায় ২০ জন প্রতিরোধ যোদ্ধা মারা গেছে। ইরানের সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকার টানপোড়ন বহুকালের। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে সম্প্রতি আফ্রিকাতেও ছড়িয়েছে। কিছুদিন আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি কেনয়িা, উগান্ডা ও জিম্বাবুয়ে সফরে যান। হামাসের এই আক্রমণের  মাধ্যমে ইরান, ইসরাইল ও আমেরিকাকে একটি বার্তা প্রদান করে যে ইরান একা নয়। তাছাড়া হামাস কর্তৃক ইসরাইলে ঢুকে পড়া এবং তীব্র তান্ডব চলানো ইরানের দিক থেকে একটি বড় প্রদর্শনীও বটে।

অতীতের তুলনায় চলমান আল-আকসা ফ্লাডের তীব্রতা অনেক বেশি। আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক ইসরাইলি নিহত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধ ইসরাইলের অনুকূলে চলে যাবেই এটা বোঝা যায়। মার্কিন সহায়তা ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে। তাহলে হামাস কেন, এই সব অঙ্কভিত্তিক হিসাব-নিকাশের তুয়াক্কা না করে এই আক্রমণ করলো। ইরানের সরাসরি নির্দেশে হামাস এই হামলা করেনি বলে বোঝা যায়। হামাস ইরানের সহায়তা পেলেও ঐতিহাসিকভাবে হামাস ইরানের সৃষ্টি নয়। ফিলিস্তিনে হামাসের ভিত্তি গড়ে ছিল মিশরের সুন্নী ব্রাদারহুড, শিয়ারা নয়। এখন প্রশ্ন হলো- ইরান দ্বারা কিংবা অন্য কোন শক্তি দ্বারা শক্তিমান না হয়ে নিজের সিদ্ধান্তে এই হমালা চালিয়ে হামাস আসলে কী করতে চাচ্ছে। হামাস ফিলিস্তিনি সংগ্রামের দিকে বিশ্বের দৃষ্টি ফেরাতে চাইছে? সারা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির যে প্রবাহ শুরু হয়েছে তার রোধ করতে চাচ্ছে, পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি বন্ধ করতে বিশে^র মনোযোগ আকর্ষণ করছে? অন্যদিকে, ইসরাইল তাদের পূর্বের সকল দমনপীড়ন-আক্রমণ ইত্যাদির একটি বিশেষ বৈধতা পেয়ে গেলো। নিজেদের সকল যুদ্ধদোষ হামাসের অভিযানের ভিত্তিতে মুছে ফেলতে সুযোগ পাবে। নতুন করে সামরিকশক্তি বৃদ্ধিসহ সকল আগ্রাসী নীতিসমূহের সম্প্রসারণের একটি সুন্দর সুযোগ এসে গেলো। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই ঘটনায় কৌশলগত মুশকিলে আছেন। জন-জবাবদিহির মধ্যে পড়ে গেছেন হামাসের আক্রমণের এই সফলতায়। ইরান বিরোধী কৌশলকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হলো ইসরাইলের। ইরান প্রশাসন হামাসের এই অভিযান এবং এর ঘটিত সফলতায় তার বিদেশনীতির একটি বিশেষ তাৎক্ষণিক সফলতা হিসেবে মূল্যায়ন পায়। নার্গিসের নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিষয়ক হৈচৈ টিও বন্ধ হয়ে যায়। সৌদি আরব আরব, আমিরাতসহ যেসব আরব দেশ ইসরাইলের সঙ্গে দ্রুত সম্পর্ক উন্নয়নের পথে ছিল তা আপাদত গতি হারায়। সৌদি আরবকে পাশে পাচ্ছে না এটা ইসরাইলের জন্য বড় ক্ষতি। সৌদি আরব কর্তৃক ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া হলে অন্য সব মুসলিম দেশের শাসকগণ এটাকে স্বীকৃতি হিসেবে হাজির করে নিজেরাও ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ হতো। লেবাননের হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নসুরুল্লাহ বলেছেন যারা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে চায় তাদের জন্য এই হামলা সতর্ক সংকেত। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কর্তৃত্বই সবল হলো। গাজার হামাস যোদ্ধাদের এই অভিযান ইয়েমেন-সিরিয়া-ইরাক- লেবাননে ইরানের প্রভাবের পরিসর বাড়ালো। কিন্তু মাতৃভূমি উদ্ধারের সংগ্রাম কতটা এগুতে পারে তা ফিলিস্তিনিদের কাছে খুব অস্পষ্ট। 
লেখক: উন্নয়নকর্মী 
[email protected]
 

মত-মতান্তর থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবদলই সরকার সমর্থিত / ভোটের মাঠে নেই সরকারি দলের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো বিরোধীদল

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2023
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status