প্রথম পাতা
শিশুর মতো কাঁপছিলেন এরদেম
মানবজমিন ডেস্ক
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার
ভয়ে শিশুদের মতো কাঁপছিলেন তুরস্কের গাজিয়ানতেপের ৪০ বছর বয়সী এরদেম। সোমবার ভোরের ভূমিকম্প নিয়ে বলছিলেন, ৪০ বছরের জীবনে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা কখনো হয়নি। গাজিয়ানতেপে কোনো বাড়িতে এখন আর একজন মানুষও নেই। যারা বেঁচে আছেন, তারা উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটছেন। কেউ গাড়িতে বসে আছেন। তারা রুদ্ধশ্বাসে দালানকোঠা থেকে দূরে ছুটে যাচ্ছিলেন একটু ফাঁকা জায়গার সন্ধানে। ভূমিকম্পের সময় এবং এরপর সেখানে মানুষের মধ্যে এক উন্মাদনা কাজ করে। তারা বুঝে উঠতে পারছিলেন না, তাদের কী করা উচিত। অন্যদিকে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক থেকে সামের নামে একজন অধিবাসী তার আতঙ্কের প্রকাশ ঘটান। তিনি বলেছেন, ভূমিকম্পে ঘরের দেয়াল থেকে সব পেইন্টিং ছিটকে এসে গায়ে পড়ছিল। এতে গুম থেকে আতঙ্কিত হয়ে জেগে উঠি। ঘটনা বুঝতে পেরে পোশাক পরে দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসি। তুরস্কের পাজারচিকের আরেকজন বলেছেন, শক্তিশালী কম্পনে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন তার পরিবারের সদস্যরা। বাইরে বেরিয়ে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মুখে পড়তে হয়েছে। সবাই অপেক্ষা করছিলেন সূর্যের একটুখানি উত্তাপের জন্য। নিহাত আলতুনডাগ বলেন, আমার চারদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভবন। কোনো কোনো ভবনে আগুন জ্বলছিল। অসংখ্য ভবনে ফাটল ধরেছে। আমি যেখানে অবস্থান করছি সেখান থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে একটি ভবন পুরো ধসে পড়েছে। জীবিতরা সবাই বাইরে অবস্থান করছেন। ভয়ে সবার মুখ, বুক শুকিয়ে গেছে।