ঢাকা, ৩০ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৯ জিলক্বদ ১৪৪৩ হিঃ

কলকাতা কথকতা

জুতোপেটা খেয়ে নিজের গ্রামই ছাড়তে হয়েছিল পি কে হালদারকে

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা

(১ মাস আগে) ১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৫:২৪ অপরাহ্ন

কীর্তিমান পি কে হালদার এর জীবনকাহিনী যতই পরিস্ফুটিত হচ্ছে তদন্তকারী ইডি  অফিসারদের স্ক্যানারে, ততই তাঁরা বিস্মিত হয়ে যাচ্ছেন। পি কে হালদারের বাবা ছিলেন কৃষক, মা স্কুল শিক্ষিকা। বাংলাদেশের পিরোজপুরের নাজিরপুরের একটি গ্রামে দিন আনি দিন খাই অবস্থা ছিল তাঁদের। দীঘিরজান প্রাইমারি স্কুলের মেধাবী ছাত্রটির চোখে ছিল লোভ আর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আকাঙ্খা। জীবনে কোনও দিন সেকেন্ড হননি পি কে হালদার ওরফে প্রশান্ত। এসএসসি পরীক্ষা খুব ভালোভাবে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে ভর্তি হন। সেই পড়াশোনা ছেড়ে ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস এডমিন্সট্রেশন থেকে এমবিএ করেন। এরপর ব্যাঙ্কিং সেক্টরে যোগদান এবং অবিলম্বে ম্যানেজ মাস্টার বলে পরিচিতি। 

১০ বছরের ব্যাঙ্কিং অভিজ্ঞতা নিয়ে রিলায়েন্স ফিনান্সিয়াল কর্পোরেশন এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হন ২০০৯ সালে। ২০১৫ সালে এন আর বি গ্লোবাল ব্যাংক এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর। টাকা সাইফনিং এবং দানধ্যান একসঙ্গেই চলতে থাকে।

বিজ্ঞাপন
মায়ের নামে স্কুল করেন গ্রামে। কিন্তু, এই স্কুল করতে গিয়েই প্রথম পি কে হালদার এর স্বরূপ বুঝতে পারেন পিরোজপুর-নাজিরপুরের প্রভাবশালী ব্যক্তি আমজাদ খান। গ্রামে স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে জুতোপেটা করেন আমজাদ এই পি কে হালদারকে। আর কোনোদিন গ্রামমুখী হননি তিনি। এরপর বিলাসবহুল জীবন, দামি গাড়ি, বান্ধবী- ইডি মিল খুঁজে পাচ্ছে সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুন্ডুর জীবনের সঙ্গে। কিংবা কে বলতে পারে এদের জীবন হয়তোবা একই ছাচে গড়া!               

পাঠকের মতামত

Lockdown er por theke 3/4 lakh taka wrin hoye pagoler moto chutlam akta loan er jonno soto babshata dar korabo bole kew dilona,r eisob manush rupi posura Bina documents a hajar hajar koti taka loan niye bilasita korce.R sob theke boro kotha eto taka loan j sob bank ba songstha diyece tader k dhorte hobe.

Jayanta Adhikary
১৯ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৭:১৪ পূর্বাহ্ন

পিরোজপুর নাজিরপুর আজাদ খান, এঘটনার সত্যতা যাচাই করা খুব কঠিন কাজ নয়। অত্র এলাকার ঐ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কেও থাকলে সত্য বাস্তব লিখে জানালে সবাই উপকৃত হ‌ই।

নূর মোহাম্মদ এরফান
১৮ মে ২০২২, বুধবার, ২:২১ পূর্বাহ্ন

গ্রামে স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে জুতোপেটা করেন এলাকার প্রভাবশালী আমজাদ খান এই পি কে হালদারকে। আর কোনোদিন গ্রামমুখী হননি তিনি।- এই তথ্য বিশ্বাসযোগ্য হতে পারেনা। একটু বেশিই মুখরোচক খবর হয়ে গেছে!!

আব্দুল জব্বার
১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:১৪ অপরাহ্ন

আমাদের সমাজ তথা দেশটা বৈষম্যতায় পরিপূর্ণ, উত্তরণের উপায় নৈতিক উন্নয়ন, নৈতিক উন্নয়ন এর জন্য সরকারের একটা বাজেট প্রয়োজন, ঘুষবিহীন জনবল প্রয়োজন।,,,,

মোঃ ফারুক শিকদার
১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:১২ অপরাহ্ন

সুযোগ থাকলেই দুর্নীতি হয় ! দেশে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন হয় না । সৎ অফিসারদের নানা হয়রানি । হিন্দু মুসলমান সকলে মিলেই দুর্নীতি করে । হিন্দুরা সুযোগ পেলে দুর্নীতি বেশী করে ! এর প্রধান কারন আমাদের দেশের হিন্দুরা বাংলাদেশকে নিজের দেশ মনে করে না । রাষ্ট্র হয়তো তাদের মনে সে বিশ্বাস দিতে পারে নি ।

Shubhrajyoti
১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার, ১:৫৭ অপরাহ্ন

শুধুকি পি,কে হালদার ? আমাদের ফরিদপুরে বেশ কয়েকজন হিন্দু ডাক্তার আছে ১০/১৫ বছর আগেও যারা ছিল একেবারেও অক্ষ্যাত আর অপরিচিত। অথচ আজ শতশত কোতি টাকার মালিক !! এই কদিন আগেও ডাঃ বিশ্বনাথ সাহা রয় বিশ কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিল শহরের সবচেয়ে চৌকস যায়গা সহ মার্কেট !! এছাড়াও তার রয়েছে নিজস্ব বিলাসবহুল ৫ তলা বাড়ি। রয়েছে নামে বেনামে শতশত কোটি টাকার সম্পদ !! কই তাদের নিয়েতো কোন রিপোর্ট হয়না ?? এই পি,কে হালদারের কূকির্তী আমাদের দেশের সাংবাদিক ভাইয়েরা আগে থেকেই জানতো কই কোনদিনতো এভাবে রিপোর্ট করেননি ? আজ ভারতে গ্রেফতার হয়েছে বলেইকি সাহস পেলেন তার বিরুদ্ধে এভাবে লিখতে ?? এমন হাজারো পি,কে হালদার আর ডাঃ বিশ্বনাথ সাহা রয় এর মত দুর্নিতিবাজরা সমাজে ঘুরে বেড়ায় স্বমহিমায় !! অথচ ঋণের মাত্র এক হাজার টাকা দিতে না পেরে জেল খাটে অসহায় আদম সন্তানেরা !! এই আমাদের বাংলাদেশ !!

ফরিদপুরের পোলা
১৬ মে ২০২২, সোমবার, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

জুতোপেটা অবিশ্বাস্য !!!

Amirswapan
১৬ মে ২০২২, সোমবার, ১১:১২ অপরাহ্ন

কলকাতা কথকতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

কলকাতা কথকতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com