ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

কী হচ্ছে, কী হবে?

৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার

জাতীয় নির্বাচন অনেক দূর। এখনো এক বছরের বেশি সময় বাকি। এর আগে যে হতে পারে না, তা কিন্তু নয়। কতো কিছুই তো হয়। কী ধরনের নির্বাচন হবে এ নিয়েই যত আলোচনা। বিরোধীরা চাইছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে একদম অনড়। এবার অবশ্য বিরোধী শিবিরের পাল্লা ভারী। বাংলাদেশে কী অন্য কিসিমের শাসন  আসবে! নাকি সমঝোতা হবে দু’পক্ষের মধ্যে। যদিও রাজনৈতিক পণ্ডিতরা বলছেন এর সম্ভাবনা খুবই কম।

বিজ্ঞাপন
তাহলে কী হবে? এর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেছেন আমাদের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শান্তনা রহমান। 

সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে করে রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি মাঠ দখলের চেষ্টায়  মরিয়া। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বিএনপি অনেকটা গোছালো। প্রচুর লোক সমাগম হচ্ছে দলটির  জনসভাগুলোতে। নেতাদের  বক্তৃতার ভাষাও বদলে গেছে। গোড়াতে দলটির ভেতরে আন্দোলন প্রশ্নে দুটি ধারা ছিল। এক দল মনে করতো, এখনই আন্দোলনে গেলে এর গতিধারা ধরে রাখা যাবে না। অন্য দল এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। তাদের কথা, এখনই উপযুক্ত সময়। পেছনের ইতিহাস আমাদের জন্য মোটেই ভালো নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। দলের অদৃশ্য নেতৃত্বও এই মতের সঙ্গে একমত। এই অবস্থায় সরকার কিছুটা নার্ভাস। তারা মনে করছে, এর পেছনে নিশ্চয় কোনো শক্তি কাজ করছে। বিদেশি কূটনীতিকদের তারা সন্দেহের চোখেই দেখছে। তাদের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পশ্চিমা শক্তি স্বচ্ছ নির্বাচনের পক্ষে। আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও এখন সুর অনেকটাই কাছাকাছি। একদিকে অর্থনৈতিক সংকট, অন্যদিকে রাজপথ বেদখল হয়ে যাচ্ছে দেখে সরকারের নীতিনির্ধারকরা চিন্তিত। তারা মনে করছেন, আন্দোলন গড়ে উঠলে সরকারকে হয়তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিতে হতে পারে। আর যদি তত্ত্বাবধায়কে ফিরে যেতে হয় তাহলে ক্ষমতায় ফিরে আসা কঠিন হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিরোধী দল জয়লাভ করেনি। যেমনটা ২০০৮ সন থেকে এ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনে বিরোধী দল জেতেনি বা অংশ নেয়নি। ১৯৯১ সনে বিএনপি জয়ী হয়েছিল। ’৯৬-এ আওয়ামী লীগ জয় পায়। একই অবস্থা ছিল ২০০১ সনের নির্বাচনে। বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। এ কারণেই সরকারের ভেতরে নির্বাচন নিয়ে টালমাটাল অবস্থা। ভোট ছাড়া নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মজাই আলাদা। শুধু নমিনেশন পেলে বা কোনো কৌশলে আদায় করতে পারলেই কেল্লাফতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এখন কী করবে? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার নিত্যদিনের বক্তৃতায় নরমে-গরমে নানা ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছেন। বলছেন, বিএনপি সন্ত্রাসের পথ বেছে নিচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা- সরকার হার্ড লাইনে যাবে। সভা-সমাবেশের অনুমতি দিলেও শর্ত জুড়ে দেবে। কোনোটাই অবশ্য চূড়ান্ত নয়। কারণ, পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাচ্ছে। সম্পূর্ণ প্রশাসননির্ভর হয়ে পড়েছে সরকার। দল আর সরকারের আলাদা অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, রাজনৈতিক কৌশলের কাছে  বরাবরই প্রশাসন হার মেনেছে। কিন্তু এখন মনে করা হচ্ছে রাজনীতিকরা বাতিল, প্রশাসনই ক্ষমতায় রাখবে। কিন্তু আখেরে প্রশাসন তার নিজের পথ বেছে নেবে- এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যেই কিছু আলামত দেখা যাচ্ছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শেষ দিনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে সেদিন কী ঘটার কথা ছিল, কিন্তু কেন তা ঘটেনি। এক দুপুরেই সব পাল্টে যায়। অন্যসব সরকারের আমলেও অনেক কিছু ঘটেছে। বিএনপি’র জমানায় প্রকাশ্যেই খেলা শুরু হয়েছিল। বলাবলি আছে, বিএনপি  বুঝে ওঠার আগেই মাঠ চলে যায় অন্যদের হাতে। দুজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা কয়েক মাস আগেই তৎপরতা শুরু করেছিলেন। ২০১৪ সনে যা ঘটেছিল আবারো কী তার পুনরাবৃত্তি হবে? সহিংসতা ফিরে আসবে? তদন্তে যদিও সে সময় ভিন্ন রিপোর্টই পাওয়া যাচ্ছিল। বিএনপি’র এক নেতা বললেন, আমরা ওয়াকিবহাল। আমরা জানি তারা কী করবে। কিন্তু অন্য কোনো কূটকৌশল এবার কাজে আসবে না। বিদেশিরাও নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সুতরাং আগামীদিনে কী ঘটবে তা অনেকটাই অনিশ্চিত। জরুরি অবস্থা জারিই কি সমাধান? হাইব্রিড আওয়ামী লীগাররা অবশ্য এটাকেই সমাধান মনে করছেন। আর যারা নিবেদিতপ্রাণ আওয়ামী লীগ তারা মনে করছেন- রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবিলা করা উচিত। তাদের যুক্তি, রাজনীতিতে পালাবদল ঘটতে বেশি সময় লাগে না। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষ দিশাহারা। সঞ্চয় ভেঙে সংসার চলছে। প্রবাসী আয় কমে গেছে।  রপ্তানি নিম্নমুখী। উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা। এসব কারণে মানুষ ক্ষুব্ধ। তাই বিরোধী শিবিরের জনস্রোত দিন দিন লম্বা হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

সময় এবং স্রোত সব সময় এক দিকে থাকে থাকে না।

md alamgir
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:২৬ পূর্বাহ্ন

কি হচ্ছে না কি হবে না?

A R Sarkar
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:৫২ পূর্বাহ্ন

কি হবে কেউ জানেনা? ক্ষমতায় আওয়ামীলীগ থাকবে নয়তো বিএনপি আসবে। কিন্তু জনগণের মুক্তি কি আদৌ হবে?

ফারুক হোসেন
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ২:৩৪ পূর্বাহ্ন

জাতীয় পার্টির তেলেস্মাতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। সব সময় যা করে আগামীতে ও তাই হবে । তাদের কে দিয়ে বিশ্বাস নেই

hossain
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১১:১৯ অপরাহ্ন

চমৎকার বিশ্লেষণ।

হাফিজুর রহমান।
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

এ সরকারের অধীন আগামী সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা যতটা আইনানুগ, তা থেকে অনেক বেশী আইন অমান্য করে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করতে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে নেয়ার অনায্যতা। এমন মন্দ বিশ্বাস ও জবরদস্তিমূলক পরিবেশ ও পক্ষপাতগ্রস্থ আমলাদের প্রভাব বলয়যুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে ক্ষমতাশীনদের সংবিধানের দোহাই ধোপে টিকবে না। তাই সকল সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দশ জন বিশিষ্ট নাগরিকদের বাছাই করে মাননীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে একটা "উচ্চ কক্ষ পরিষদ" নির্বাচনের প্রস্তাব করছি।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১০:৫২ অপরাহ্ন

রাজনীতিরি দাবা খেলার গুটি হিসেবে জাপা এক বড় ফ্যাক্টর। জাপাকে টানতে না পারলে বিরোধীদল হিসেবে আবারো জাপাকে নিয়ে সংসদ গঠিত হবে। তাই প্রয়োজন সকল দলের ঐক্য।

এ,টি,এম, তোহা
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১০:৪০ অপরাহ্ন

@kamrozzaman আমরা প্রবাসে আছি । দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি শুধু বাংলাদেশে নয় । পৃথিবীর সব দেশেই । তিন গুণ থেকে পাঁচ গুণ ও কোন কোন দ্রব্যমূল্য বেড়েছে । বৃটেনের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির তুলনায় বাংলাদেশে খুব কম দাম বেড়েছে । কোন সরকার এই মূল্য হ্রাস করতে পারবে না । এটা বৈশ্বিক ঘটনা । যার উপর কোন দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নাই । আমি কানাডায় আছি । আমাদের ও একই অবস্থা । কিন্ত এদেশের কেউ সরকার কে দোষারোপ করছে না । কারণ জনগণ আন্তর্জাতিক মূল্য বৃদ্ধির খবর রাখে ও বুঝে সরকার পরিবর্তন করলে নতুন সরকার মূল্য হ্রাস করতে পারবে না ।

Kazi
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১০:১৫ অপরাহ্ন

দেশে মীর জাফরদের অভাব নেই ,,,,তাই অপেক্ষায় থাকুন ,,আর দেখুন .....কখন কি হয়ে যায় !!!

সেলিম আহমেদ
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৯:৪৬ অপরাহ্ন

মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ!!! নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষ দিশাহারা। সব চেয়ে ভাল জনগনের ভোটাভোটির উপর সব কিছু ছেড়ে দেয়া।জনগন না চাইলে কেউ ক্ষমতায় না থাকা ভাল।স্বাধীন নির্বাচন কমিশন,পক্ষমাতমুক্ত প্রশাসন, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থাছাড়া বাংলাদেশের অস্তীত্ব থাকবেনা।

kamrozzaman
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৯:১২ অপরাহ্ন

অক্টোবর মাস লগি-বইঠার তান্ডবের মাস,যে ভাবে দেশে ১/১১ এসেছিলো ঠিক সেই পথেই দেশ।যারা এই ফসলের দাবিদার ছিলো,তারা ভাল করেই জানে এবং বুঝতে পারছে কি ঘটতে যাচ্ছে। যারা তাদের এতো দিন ক্ষমতায় বসিয়ে রেখে রেখে দেশের একটি জনপ্রিয় বৃহৎ দলের জনপ্রিয়তা কে শূন্যের কোটায় নামিয়ে দিলো এটা কি তারা বুঝতে পেরেছে? মানুষের যখন দুনিয়ায় একটি রিজিকও না থাকে,একটি স্টেপ পা ফেলার জায়গাও না থাকে তখন তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে যায়।ঠিক তেমনি সমর্থন দেয়ার যখন কোন সেক্টরই থাকবে না তখন তারও বিদায় অনিবার্য।

ইকবাল কবির
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৮:৪৭ অপরাহ্ন

ভোট ছাড়া নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মজাই আলাদা।

হেদায়েত উল্লাহ।
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৮:০০ অপরাহ্ন

আমার ধারনা , পারমাণবিক যুদ্ধ হলে তো পৃথিবীই ধংস হয়ে যাবে। আর যদি পারমাণবিক যুদ্ধ না হয়, তাহলে বাংলাদেশে গনতন্ত্র,সুষ্ঠু নির্বাচনের ধারা প্রতিষ্ঠিত হবে। রক্তপাতের মাধ্যমে বা রক্তপাত ছাড়া। অতএব, বাংলাদেশের সকল অপরাধীরা সময় খারাপ হওয়ার আগে দেশ ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

MD Emdadul Hoque
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৬:২০ অপরাহ্ন

সব চেয়ে ভাল জনগনের ভোটাভোটির উপর সব কিছু ছেড়ে দেয়া।জনগন না চাইলে কেউ ক্ষমতায় না থাকা ভাল।স্বাধীন নির্বাচন কমিশন,পক্ষমাতমুক্ত প্রশাসন, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থাছাড়া বাংলাদেশের অস্তীত্ব থাকবেনা।দেশের অর্থনীতি দ্রুত দুর্বল হয়ে যাচ্চে,ফরেনরেমিটেন্স কমে যাচ্ছে,রপ্তানী স্থবির,আমাদানী বৃদ্বি পাচ্ছে কিন্ত বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ক্রমশঃ বৃদ্বি পাচ্চে উপায় একটা সমঝোতার ভিত্তিতে সবাই মিলে সমস্যার সমাধান না হলে এ সংকট এদেশকে গিলে খাবে।

আশ্রাফ চৌধুরী
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৩:৪৭ অপরাহ্ন

মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ........নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষ দিশাহারা। সঞ্চয় ভেঙে সংসার চলছে। প্রবাসী আয় কমে গেছে। রপ্তানি নিম্নমুখী। উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা। মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ, মানুষ ক্ষুব্ধ........

Khan
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ২:৪৪ অপরাহ্ন

ওবায়দুল কাদের সাহেবরা আরেকটা লোগীーবইঠাーপিস্তলের তান্ডব চান। আরেকটা লোগীーবইঠাーপিস্তলের তান্ডব চালালেও জনগণ আর তাদের আন্ডারে নির্বাচন করতে দেবে না।

R. Khan
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ২:৪০ অপরাহ্ন

জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসলে, ২০০৮.২০১৪,২০১৮ সব নির্বাচনের কুশিলবদের আগে বিচার করতে হবে।

শেফা
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ২:২০ অপরাহ্ন

সরকারের জনপ্রিয়তা যে একেবারেই তলানিতে এই ব‍্যাপারে আওয়ামীলীগও ওয়াকিব হাল। এই যখন বাস্তবতা তখন স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে কোন ভাবেই এবার অন্তত ক্ষমতায় আসতে পারবে না বর্তমান সরকার। উল্লেখ্য, সবকিছু বিবেচনায় ভিন্ন পথে ক্ষমতার মসনদে বসাও খুব একটা স্বাভাবিক হবে বলে মনে হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আগামী দিনের পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া উপায় নেই।

দয়াল মাসুদ
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১২:০১ অপরাহ্ন

খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। আগে কিছু বলা যাবে না। সময় বলে দিবে কখন কি করতে হবে। ধন্যবাদ লেখককে সুন্দর লেখার জন‍্য। সবাই ভালো থাকুন।

hira ahmed
৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status