ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

ভারত

স্ত্রীর অসম্মতিতে যৌন সম্পর্ক ধর্ষণ কিনা দ্বিধাবিভক্ত ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

বিশেষ সংবাদদাতা

(২ মাস আগে) ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৫:২২ অপরাহ্ন

mzamin

স্ত্রীর অসম্মতিতে কোনও ব্যক্তি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে সেই অপরাধ ধর্ষণের আওতায় আসবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট। এই কোর্টের বিচারপতি রাজীব সাকধের এবং সি হরিচাঁদ এই বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় বল পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তাঁদের অভিমত চাওয়া হয়েছে এই বিষয়ে। ডিভিশন বেঞ্চটি বিভিন্ন এনজিও এবং মহিলা সংগঠনের আনা মামলার বিচার করছিলো।   বিচারপতি সাকধের মনে করেন, ১৬২ বছরের পুরোনো ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের আইন বাতিল করে স্ত্রীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি মনে করেন, স্ত্রীদের অধিকার আছে স্বামী যৌনসঙ্গমে বাধ্য করলে তার প্রতিকার চাওয়ার। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনিচ্ছুক সঙ্গম হলে তা ধর্ষণের আওতায় আসা উচিত বলে বিচারপতি সাকধের মনে করেন। বিচারপতি হরিচাঁদ মনে করেন, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক একান্ত ব্যক্তিগত। অনিচ্ছুক সঙ্গম নিয়ে আইন আদালতের দ্বারস্থ না হয়ে তা নিজেদের মধ্যেই মেটানো সম্ভব। তিনি স্ত্রীর অনিচ্ছায় যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণের আওতায় আনার পক্ষপাতী নন।

বিজ্ঞাপন
এই দুই বিচারপতির মতপার্থক্যর পর বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনিচ্ছুক সঙ্গমের ফলে ভারতে জনসংখ্যা বাড়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। স্বামীর অধিকার ফলিয়ে স্ত্রীকে বিছানায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস সম্পর্কে নারীবাদী সংগঠনগুলো সরব হয়েছে। আজও ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ- পুত্রর্থে ক্রিয়তে ভার্যা- এই নীতিতে বিশ্বাসী। স্ত্রীদের অনেকেই মনে করেন স্বামীকে শারীরিক বিনোদন দেওয়া তাঁদের কর্তব্য। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে এখন গোটা দেশ।        
 

পাঠকের মতামত

বিবাহ কার্যকর হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত যৌন সম্পর্ক। যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে নারী ও পুরুষ ব্যাভিচার, অবাধ ও অবৈধ যৌনাচার থেকে রক্ষা পায়, সন্তান জন্মের মাধ্যমে মানব জাতির বংশ বিস্তার ঘটে, বহুগামিতা থেকে বিরত থেকে যাবতীয় যৌন রোগ থেকে রক্ষা পায়, পরিবার নামক সর্বপ্রাচীন সংগঠন গড়ে উঠে, মানুষ সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করে। সব ধর্মেই সুর্নিদিষ্ট ও শরীয়ত সম্মত কারণ ছাড়া স্ত্রী যৌন সম্পর্কে অসম্মতি জানাতে পারে না। যৌন সম্পর্ক স্থাপনে অসম্মতি জানানো স্ত্রীর অবাধ অধিকার হলে বিকৃত, নিকৃষ্ট ও বিবাহ বহির্ভূত অবাধ যৌনাচারকে স্বীকৃত ও উৎসাহ দেওয়া হয়।

মোঃ আতাউর রহমান
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ২:১৭ পূর্বাহ্ন

যৌবনে কোন স্ত্রীর এই অভিযোগ থাকার কথা নয়। বরং স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তার অনিচ্ছার জন্য। পুরুষ সারাদিন পরিশ্রম করে ক্লান্ত থাকে, নানান সমস্যা মাথায় কিলবিল করে । তাই এ সবে আগ্রহ কম থাকে । বয়স্ক স্ত্রীলোকের হরমোন নিঃসরন কমলে তাদের আগ্রহ কমতে থাকে । যে বয়সে সাধারণত পুরুষ প্রতিষ্ঠিত হয়ে কাজের চাপ কমে স্ত্রীকে সময় দেওয়ার সুযোগ হয় । এ সময় ধারাবাহিক ভাবে স্ত্রী প্রত্যাখ্যান করার ও অধিকার নাই । অন্তত প্রতি চতুর্থ দিন বৈবাহিক দায়িত্ব হিসাবে সম্মতি দিতে বাধ্য। যদি সম্মতি না দেন আর স্বামী অসম্মতিতে ও মিলন করে তা কখনও জোর পূর্বক পর্যায়ের আওতায় ফেলা যাবে না । বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সময় সে সম্মতি গ্রহণ করেছেন।

Kazi
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

ভারত থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

ভারত সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status