ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

কেন রাষ্ট্র আকবর আলি খানকে যথাযথ সম্মান দেয়নি

কাজল ঘোষ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার

ভারত ও পাকিস্তান বরাবরই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। দৃশ্যত বিরোধিতাই চোখে পড়ে। কিন্তু একটি ঘটনা জানা এই দৃশ্যপটকে একেবারেই উল্টে দেবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী তখন পণ্ডিত জওহরলাল নেহ্‌রু।  অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মালিক ফিরোজ খান নূন। নেহেরুর  আমন্ত্রণে ফিরোজ খান নূন যান ভারত সফরে। সঙ্গে পত্নী ভিকারুননিসা নূন। পিআইয়ের বিশেষ বিমানে পালাম বিমানবন্দরে নূন অবতরণ করলে নেহেরু তাকে স্বাগত জানান। আলোচিত এই সফরে নেহেরু প্রটোকল ভেঙে বিমানের গ্যাংওয়েতে গিয়ে এই দম্পতিকে উষ্ণ আথিতেয়তায় বরণ করেন। বিমান অবতরণ করলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নূন আর ভিকারুননিসা পাশাপাশি নামছিলেন।

বিজ্ঞাপন
কিন্তু সিঁড়ি থেকে নামার কয়েক ধাপ আগেই ভিকারুননিসার এক পাটি জুতা পা থেকে নিচে পড়ে যায়। বহু রকমের নিরাপত্তা কর্মীরা বিমানটি ঘিরে আছে। সকলকে অবাক করে দিয়ে সিঁড়ির নিচ থেকে জুতাটি তুলে আনেন স্বয়ং নেহেরু। চারপাশের নিরাপত্তাকর্মী ও দু’ দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা যেমন অবাক হয়েছেন এ ঘটনায়; তেমনি হতবাক হয়েছেন ফিরোজ খান নিজেও। কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ নয়। দু’দেশের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের বিস্ময়ের সীমা ছাড়িয়ে যায় যখন তারা দেখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিচু হয়ে বেগম নূনের পায়ে জুতা পরিয়ে দিয়েছেন। 

ভিকারুননিসা নূনের পায়ে জুতা পরিয়ে দিয়ে জওহরলাল নেহেরু কি ছোট হয়েছেন না চরম সৌজন্যবোধ ও শিষ্টাচারের পরিচয় দিয়েছেন? ফিরি দেশের মাটিতে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা ভাসানী দুজনই প্রয়াত। রাজনীতির মাঠে তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও এই দু’নেতার মধ্যে শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ ছিল কিংবদন্তি পর্যায়ে। ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক তখন কাজী জাফর আহমদ। সামনে ঈদ। কাজী জাফর বহু খোঁজাখুঁজি করে মওলানা ভাসানীর জন্য তার পছন্দের পোশাক কিনেন। সঙ্গে ভাসানী পত্নীর জন্যও। ঈদের আগের দিন ভাসানীর বাড়িতে সেই পোশাক নিয়ে যান কাজী জাফর নিজে। পোশাক দেখে খুশি হন ভাসানী। আর মুখে বলেন, তোমার দেয়া পোশাক ঈদের দিন বিকালে পরবো। কথা শোনে কাজী জাফর তো থ’ মেরে যান। এত খোঁজাখুঁজি করে আনা পোশাক মওলানা ভাসানী পরবেন বিকালে তা তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। জাফরের ইচ্ছা এই পোশাক পরে মওলানা ভাসানী ঈদের জামাতে যাবেন। একপর্যায়ে ভাসানীর কাছে বিকালে এই পোশাক পরার কারণ জানতে চান। ভাসানী তাকে জানান, ঈদের জামাতে যাবো মুজিবুরের পোশাক পরে। রাতেই মুজিবুরের পোশাক পেয়ে যাবো। তাজ্জব বনে যান কাজী জাফর। বলেন, বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আপনি রাজপথে আন্দোলন করছেন। তার সরকারের সমালোচনা করছেন। আর তার দেয়া পোশাক পরে আপনি ঈদের জামাতে যাবেন? মওলানা ভাসানী তখন কাজী জাফরকে বলেন, শোন জাফর, শুধু কালকের ঈদই নয়, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মুজিবুরের দেয়া পোশাক পরে আমি ঈদের নামাজ পড়ি। 

পাকিস্তান আমলে মুজিবুর জেলে থাকলেও তার স্ত্রী ঈদের পারিবারিক বাজারের সঙ্গে আমার পোশাক কিনতে ভুলতো না। যথারীতি ঈদের আগের রাতে সেই পোশাক আমার কাছে পাঠিয়ে দিতো সে।  দুটি ঘটনার কথা বারবার মনে হচ্ছে সদ্য প্রয়াত ড. আকবর আলি খানের মৃত্যুর পর থেকেই। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের পক্ষ থেকে কোনো শোকবার্তা আসেনি। টেলিভিশন স্ক্রল বা পত্রিকার পাতায় তা চোখে পড়েনি। স্বাভাবিক কারণেই জনমনে প্রশ্ন ড. আকবর আলি খান কেন এই শোকবঞ্চিত হলেন। রাষ্ট্রে শীর্ষ পর্যায় থেকে গুণী ও বিদ্বগ্ধ এই মানুষটির প্রতি শোক জ্ঞাপনে কেন এত কার্পণ্য? তিনি কি এমন অপরাধ করলেন?  একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন হবিগঞ্জের এসডিও। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে তিনি তার এখতিয়ারের বাইরে কি-না করেছেন? তদানীন্তন মহকুমার অস্ত্রাগারের ভল্ট খুলে দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। খাদ্যগুদাম খুলে দিয়েছিলেন ক্ষুধার্থ নিরন্ন মানুষের জন্য। ব্যাংক থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা তুলে দিয়েছিলেন প্রবাসী সরকারের হাতে। তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।

 একাই তিনি ছিলেন মুক্তি সংগ্রামের লড়াকু সৈনিক। তার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার চৌদ্দ বছরের সাজাও দিয়েছিল। কিন্তু অকুতোভয় আকবর আলি খান পিছপা হননি। জীবন বাজি রেখে লড়েছেন।  স্বাধীনতার পর আকবর আলি খান যোগ দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায়। ইচ্ছা ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করবেন। সরকারি কর্মকর্তার পদ থেকে তিনি ছুটি চাইলেন বঙ্গবন্ধুর কাছে। আবেদন বঙ্গবন্ধুর নজরে এলে তিনি ডেকে পাঠান আকবর আলি খানকে। বললেন, তোমার মতো কর্মকর্তার দরকার আছে সরকারের। সুতরাং ছুটি হবে না, কাজে যোগ দাও। নিজের স্বপ্নকে দূরে রেখে বঙ্গবন্ধুর ডাকে যোগ দেন সরকারের আমলা হিসেবে। একের পর এক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন প্রতিটি দপ্তরেই।  সরকারের শীর্ষ আমলার পদে উন্নীত হয়ে অবসরে যান তিনি। কিন্তু দমে যান নি। ডাক আসে দেশের সংকটময় মুহূর্তে। দেশে তখন তীব্র অচলাবস্থা। রাজনীতির মাঠ দু’ শিবিরে বিভক্ত। আওয়ামী লীগ একদিকে লগি বৈঠা নিয়ে, অন্যদিকে বিএনপি’র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে টালবাহানায় দেশের রাজপথ উত্তপ্ত। ২০০৬ সালের ১১ই জানুয়ারি আসে ইয়াজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। 

সে সরকারের অংশ হন ড. আকবর আলি খানও। তিনি ছিলেন  জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিষিক্ত হন। ইয়াজউদ্দিন সরকার চলমান সঙ্কটের সুরাহা করতে পারেনি। দেশের মানুষ তখন তাকিয়ে আছে উপদেষ্টা পরিষদ কী করছে সেদিকে। প্রায় প্রতিদিনই খবরের শিরোনাম হচ্ছেন ড. আকবর আলি খানসহ অন্য উপদেষ্টাগণ। আড়ালের নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে ড. আকবর আলি খানের নেতৃত্বে আরও তিন উপদেষ্টা জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী, সি এম শফি সামী ও এডভোকেট সুলতানা কামাল পদত্যাগ করলেন। চার উপদেষ্টার পদত্যাগে সে সময়ের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যায় রাতারাতি।    ড. আকবর আলি খান তার পদত্যাগের  যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বিবৃতিও দিয়েছিলেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সেই বিবৃতিতে বললেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারে থেকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অবদান রাখার কোনো সুযোগ নেই। আফসোস থেকেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। চার উপদেষ্টার পদত্যাগে জল গড়ায় অনেকদূর। গঠিত হয় নতুন উপদেষ্টা পরিষদ। নির্বাচন নিয়ে যে ধরনের দোলাচল চলছিল তা কেটে যায়। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়।

 তারপরের ঘটনা তো কারও অজানা নয়। সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। রাজনীতির মাঠে বলাবলি আছে, সেদিন যদি ড. আকবর আলি খানের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে চার জন সরে না দাঁড়াতেন তাহলে রাজনীতির ইতিহাস হয়তো অন্যরকম হতো।  ন্যায়নিষ্ঠ ও স্পষ্টবাদী মানুষ ড. আকবর আলি খানের বিবেকের কণ্ঠ থামেনি। ক্ষমতার অংশীজন বা ক্ষমতার বাইরে থাকলেও যেখানেই ছিলেন শেষ পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্র, নির্বাচন ও মানুষের ভোটাধিকার প্রশ্নে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন। দেশের চলমান যেকোনো সংকটে সত্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। প্রশ্ন থাকে, জনমানুষের পক্ষে অবস্থান নেয়াই কি রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে প্রয়াত এই মানুষটির জন্য কোনো শোকবার্তা আসেনি। শুধু পক্ষে থাকলেই সব ঠিক আর যদি তা ন্যায়ের পক্ষে হয়, মানুষের পক্ষে হয়- তা বললে কি ঠিক নয়? এই যদি নীতি হয় তাহলে আমাদের সমাজ থেকে সৌজন্যতাবোধ ও শিষ্টাচার কি বিলুপ্ত হয়ে যাবে?  লেখাটির ইতি টানতে চাই দুজন মনীষীর কথা বলে। রুশো ও ভলতেয়ারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে। দুজন ছিলেন একেবারেই দু’মেরুর।

 একজন নগর সভ্যতার পক্ষে আর অন্যজন প্রকৃতির পক্ষে। রুশোর সোশ্যাল কনট্রাক্ট বইটি নিয়ে দুনিয়াজুড়ে হইচই। কিন্তু প্রতিপক্ষের মত তার বিরুদ্ধে গেলেও সেই মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য  বরাবরই সোচ্চার ছিলেন এই দার্শনিক। নানান বিষয় নিয়ে রুশো ও ভলতেয়ারের মধ্যে বিতর্ক হতো। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধ মতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে গিয়ে রুশো বলেছিলেন, আমার বিরোধীপক্ষের মতের সঙ্গে আমি একমত নাও হতে পারি কিন্তু তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। আমরা আছি কোথায়? আমাদের এখানে সবকিছুই কি দলীয় বিবেচনায়? সেখানে পারস্পরিক সৌজন্যতাবোধ একেবারেই কি বিলুপ্ত? স্বশ্রদ্ধ প্রণতি ও বিনম্র শ্রদ্ধা সদ্য প্রয়াত ড. আকবর আলি খানের প্রতি। দেশের মানুষ আপনার কীর্তি ও কর্ম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

পাঠকের মতামত

Hv any of you heard one word of appreciation of M. Bhashani, Tajuddin Ah, Gen Osmani over the last 12 yrs in any occassion relevent to independence? No. Then what we are expecting to see for A. Khan?

F. K. Siddiky
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১:০৮ পূর্বাহ্ন

এই দূর্বিনীত শাসক গোষ্টিকে ক্ষমতায় আনার পিছনে তার ব্যপক অবদান ছিল । তত্তাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসাবে বিদেশি আধিপত্যবাদের ক্রিড়ানক হয়ে কাজ করেছেন তিনি । তাকে নিয়ে সংবাদপত্র জগতের এত মাতামাতিও রহস্যজনক ।

Aftab Chowdhury
২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

সৎ ও ন্যায় পথ অবলম্বনকারী দুনিয়া এবং আখেরাতে সম্মান লাভ করে।

Mohammad Sharifuzzam
২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

salute sir Aponake, Ai Desh ai shomaj baro bashi kripon, are selfish tara nijeder niye khob bashi babe. onno ke shomman dile nijer shomman kome jaoar bhoy thake,

shahal
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১০:৪১ অপরাহ্ন

তিনি যাদেরকে খুশী করার জন্য সেদিন ইয়াজুদ্দীনকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ক্ষষতায় গিয়ে তারা তার খবর নেয়নি. একেই বলে যার জন্য করলাম চুরি সেই বলে চোর. এ দুঃখ রাখি কোথায়? .

পাঠক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১০:২২ অপরাহ্ন

স্ফটিক কখনও হয় না কালো,ময়না থাকে খাচায় ভালো। উনি মানুষের মনে থাকবেন। কারো বেজারে কিছু যায় আসে না।

srkhan
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৯:৫৩ অপরাহ্ন

আকবর আলী খান নিয়ে লেখা শেষ হবার নয়। উনাকে মন থেকে মুছে ফেলা সত্যিই কঠিন। তাছাড়া সৎ সাহসী লোকদের মানুষ এমনিতেই পছন্দ করে। সে যেই হোক এই ক্যাটাগরীর লোকদের সবাই নীরবে সমর্থনও করে। সমাজে এরা খুবই শক্তিশালী ইমেজ নিয়ে চলেন। সুতরাং তাদের নেই কোন চিন্তা, চিন্তা আছে তাদেরই যাদের কিছুই মনে রাখার মত যথেষ্ট নয়। তবে তারাও সমাজের একজন। এটাত ঠিক একজনের নামই বলে দেবে তিনি কি ছিলেন কেমন ছিলেন। বেঁচে থাকুন চিরদিন। অনেক অনেক দোয়া রইল।

Anwarul Azam
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৮:০৮ অপরাহ্ন

বিনম্র শ্রদ্ধা সদ্য প্রয়াত ড. আকবর আলি খানের প্রতি।মহান রব্বুল আলামিন ওনাকে জান্নাতবাসি করুন।আমিন

Jalal Ahmed
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১২:২২ অপরাহ্ন

বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি।

আবু মকসুদ খান
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৭:২৫ পূর্বাহ্ন

লেখকের লেখার সাথে সহমত পোষন করি।বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

ANU
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৬:২১ পূর্বাহ্ন

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মরহুম আকবর আলী খান সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।

Masudur Rahman Chaya
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৫:১৭ পূর্বাহ্ন

অজানা তথ্য,ভাললাগলো।

Harounor rashid
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই আমার প্রিয় মানুষটিকে। তিনি কোন সময় সরকারের দলদাস-দলদাসী ছিলেন না বিধায় ।

আসাদ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ২:০৮ পূর্বাহ্ন

কি আর বলবো। আমিও লজ্জিত আমাদের সমাজের এই চিত্র দেখে।

হাবিব খান।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১:৪৪ পূর্বাহ্ন

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মরহুম আকবর আলী খান সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।

aliakbar
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১:৩১ পূর্বাহ্ন

দেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী ইতিহাসের কৃতিত্ব একটি পরিবারকে দিতে গিয়ে আর অন্য সবার কৃতিত্বকে খাটো করার প্রবনতা অত্যন্ত দুঃখজনক।‌‌ আকবর আলী খান সাহেবের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের নামে এ দেশে কোন সড়ক বা ষ্টেডিয়ামের নামকরণ হবে না । এ দেশে যাদের কোন অবদান নেই তাদের নামেই এগুলোর নাম করন হচ্ছে।

Andalib
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১:২৬ পূর্বাহ্ন

এই লেখা টি যেন সবাই পড়ে।

A. R. Sarker
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১:২৪ পূর্বাহ্ন

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মরহুম আকবর আলী খান সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।

Hasan
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

বিষয়টি হচ্ছে যাপিত সংস্কৃতি ও মানসিকতার ।

Md. Abdul Matin
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১১:২৮ অপরাহ্ন

আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পারি কিন্তু স্বাধীনতা নাই, জ্ঞানী গুণীজনেরা ভালো মানুষ হতে পারেন কিন্তু কদর নাই। সবকিছুর মূলে একটিই বিষয় আর তা হল সততার সমাদর নাই।

রুশো
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১০:১২ অপরাহ্ন

দলবাজ-দলদাস না হলে এই সমাজে কারো সন্মান নেই ।

Quamrul
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৯:২২ অপরাহ্ন

লেখকের লেখার সাথে সহমত পোষন করি।বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মরহুম আকবর আলী খান সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।আমরা জাতি হিসেবে লজ্জিত,গূনিজনকে আমরা সম্মান দিতে জানিনা? জীবিত থাকতে কেউ খোঁজ খবর নেই না,মারাযাবার পড়ে খবরে গিয়ে ফুলের মালা দিই মানুষকে দেখানোর জন্য,এখন বিরোধী দলের সঙ্গে এমনকি নিজ দলের একে অপরকে সম্মান দেখানো ভুলে গেছে হানা হানি বেড়েছে । রাষ্ট্রের শীর্ষে থাকা সম্মানিত ব্যক্তিরা দলের ক্ষুদ্র গন্ডি ও মানসিকতার উর্ধ্বে উঠতে পারেননি বলেই পরম শ্রদ্ধেয় ডঃ আকবর আলী খান স্যারের অবদানের প্রতি কোন সম্মান দেখাতে পারেননি। মাত্র ২৬ বছরের এক তরুণ এসডিও ক্ষমতা ও চমকপ্রদ ক্যারিয়ারের লোভকে ত্যাগ করে দেশমাতৃকার জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততার সাথে নিরলসভাবে দেশের সেবা করে গেছেন । রাষ্ট্র যেখানে তার নিম্ন রুচির পরিচয় দিয়েছে, সাধারন মানুষের ভালোবাসার ঢেউয়ে তিনি সিক্ত হয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও হবেন। AGAIN SAYS,মহান রাব্বুল আলামিন ওনাকে জান্নাতবাসি করুন।

fastboy
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৯:২০ অপরাহ্ন

আফসোস লাগলো। দেশের রাজনীতিবিদরা কি এই সব ঘটনার জানেনা?

মোঃ মিজানুর রহমান খা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৮:৫৮ অপরাহ্ন

দুষ্টের পালন ও শিষ্টের ১০০% দমনের জন্য এই অবস্থা!

Sultan mahmud
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৮:৫৭ অপরাহ্ন

গুণীজন ও দলীয় সংকীর্ণতার শিকার । শিষ্টাচার দলীয় রাজনৈতিক বাক্সবন্দি । তাই দেশে দলের সমর্থক শালীনতা ও শিষ্টাচার শিকার সূত্র নাই । এগুলি মানুষ বড়দের দেখে অনুকরণ করে । তাই এখন বিরোধী দলের সঙ্গে এমনকি নিজ দলের একে অপরকে সম্মান দেখানো ভুলে গেছে হানা হানি বেড়েছে ।

Kazi
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৭:৫৯ অপরাহ্ন

None of them have business or job income so, dependent on party members. Then how one can help the other.

Mohhammad
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৬:৪৬ অপরাহ্ন

লেখকের লেখার সাথে সহমত পোষন করি।

মুনির আহমদ
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৬:১৪ অপরাহ্ন

আমরা জাতি হিসেবে লজ্জিত,গূনিজনকে আমরা সম্মান দিতে জানিনা? জীবিত থাকতে কেউ খোঁজ খবর নেই না,মারাযাবার পড়ে খবরে গিয়ে ফুলের মালা দিই মানুষকে দেখানোর জন্য।

মোঃ হামিদুর রহমান
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৫:৩৭ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রের শীর্ষে থাকা সম্মানিত ব্যক্তিরা দলের ক্ষুদ্র গন্ডি ও মানসিকতার উর্ধ্বে উঠতে পারেননি বলেই পরম শ্রদ্ধেয় ডঃ আকবর আলী খান স্যারের অবদানের প্রতি কোন সম্মান দেখাতে পারেননি। মাত্র ২৬ বছরের এক তরুণ এসডিও ক্ষমতা ও চমকপ্রদ ক্যারিয়ারের লোভকে ত্যাগ করে দেশমাতৃকার জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততার সাথে নিরলসভাবে দেশের সেবা করে গেছেন । রাষ্ট্র যেখানে তার নিম্ন রুচির পরিচয় দিয়েছে, সাধারন মানুষের ভালোবাসার ঢেউয়ে তিনি সিক্ত হয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও হবেন। মহান রাব্বুল আলামিন ওনাকে জান্নাতবাসি করুন।

Khaja
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ২:৫৬ অপরাহ্ন

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মরহুম আকবর আলী খান সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।

Rubel Chowdhury
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১২:৫৭ অপরাহ্ন

I must salute late Dr. Akbar Ali khan. We should respect his legacy in our life. I also would like to salute Mr. Kajol Ghosh for this opinion article that will influence every sensible person of our nation to maintain ethics, integrity and mutual respect. My sincere regards to brother KAJOL.

Md Amir Hossain FCMA
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status