ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৮ রজব ১৪৪৪ হিঃ

মত-মতান্তর

বিউটি অব ডেমোক্রেসি!

ড. মাহফুজ পারভেজ

(৪ মাস আগে) ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:৪৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

mzamin

১. 

প্রায়শই আমরা গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে বহুবিধ অসঙ্গতি, স্বৈরতন্ত্র ও ভ্রান্তি যেমনভাবে দেখতে পাই, তেমনিভাবে 'গণতন্ত্রের সৌন্দর্য' বা 'বিউটি অব ডেমোক্রেসি'রও তালাশ করি। আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার বৃটেনে দেখা গেলো গণতন্ত্রের সেই চিরায়ত সুন্দর রূপ।

কোটি টাকার কোনো কাউন্সিল বা সন্মেলন নেই, পদ বাগানোর সহিংস-রক্তাক্ত লড়াই নেই, স্বজনপ্রীতি, আঞ্চলিকতা বা টাকা-পয়সার লেনদেন নেই। নেই কোনো হৈহল্লা ও রণহুংকার। শান্তিপূর্ণ নীরবতায় নির্বাচিত হলেন দেশের সরকার প্রধান। গণতন্ত্র এমনই সৌন্দর্যময় আচরণ ও সংস্কৃতি আশা করে, যা দেখা গেলো বৃটেনে।

ভোটাভুটির পালা শেষ হলো যথানিয়ম, যথানির্দিষ্ট সময়ে। ভোট দিয়েছেন কেবলমাত্র দলের লক্ষাধিক রেজিস্টার্ড কর্মী।  তারপর মাত্র একটি রাত অপেক্ষা করতে হলো। রাত পোহালেই প্রকাশিত হলো বৃটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্বে এই প্রথম কোনো ভারতীয় বংশোদ্ভূত লড়াই করলেন। প্রাক্তন চ্যান্সেলর এবং অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনককে হারিয়ে বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী লিজ ট্রাস নির্বাচিত হলেন দলের পক্ষে দেশের প্রধানমন্ত্রীত্বের জন্য।

অনলাইন আর ব্যালটে ভোট দেওয়া এবং ভোট গণনা, সবকিছুই করা হয়েছে দলের তরফে।

বিজ্ঞাপন
কেউ বিন্দুমাত্র আপত্তি করেননি। পক্ষপাত বা অনিয়মের সামান্য অভিযোগ করার মতো কোনো কারণও কেউ খুঁজে পাননি। কনজ়ারভেটিভ ক্যাম্পেন হেডকোয়াটার্স (সিসিএইচকিউ)-এ দিব্যি ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডি।

উন্নয়নশীল বিশ্বে 'গণতন্ত্রের তকমাআঁটা' দেশে এমন পরিস্থিতিতে কেমন লঙ্কাকাণ্ড হতো, তা তো আমরা চাক্ষুষ দেখি। কাউন্সিল করা যায় না। প্যান্ডেল ভাঙচুর হয়। চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি ও অস্ত্রবাজি চলে অবাধে। কমিটি না দিয়ে কখনো কখনো মারমুখী পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে আসেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। পরে সেই কমিটির পদ বাগানোর নামে লবিং, গ্রুপিং, খুনোখুনি, অর্থবাণিজ্যের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আর সবকিছুই হয় গণতন্ত্রের নামে। কুৎসিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়কেও অবলীলায় গণতন্ত্রের প্যাকেজে ভর্তি করে চালিয়ে দেওয়া হয়। ফলে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে যে একটা বিষয় আছে, যা, সদ্যই বৃটেনে দেখা গেলো, তা আমাদের চারপাশে অহরহ আক্রান্ত হয়ে পরিণত হয় কাল্পনিক ও অবাস্তব বিষয়ে।

২. 

বৃটেনের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হতে পারেন, তাতে অধিকাংশ সমীক্ষার ফল এবং সংবাদ মাধ্যমের একাংশের মতে এগিয়ে ছিলেন লিজ। সুনকের জেতার সম্ভাবনা ছিল কম। তবু শেষ মুহূর্তেও আশাবাদী ছিলেন ৪২ বছরের সুনক। শুরু করেছিলেন ‘রেডি ফর ঋষি’ নামে প্রচারণা। প্রচার পর্ব শেষ করে সুনক টুইট করেছেন শোভন ও মার্জিত ভাষায়, ‘ভোটাভুটি শেষ। আমার সহকর্মীদের ধন্যবাদ। আমার প্রচারকর্মীরা, যাঁরা আমায় সমর্থন করেছেন, আমার পাশে থেকেছেন তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ। প্রচারের এই ছয় সপ্তাহের প্রতিটা সেকেন্ড চুটিয়ে উপভোগ করেছি।’

ভোট নিয়ে কোনো শঙ্কা, অতিশয়োক্তি, খোঁচা মারার কথা কল্পনাও করেন নি প্রার্থীদের কেউই। ভোটের প্রচারে ঋষির তুরুপের তাস ছিল মূল্যবৃদ্ধির কড়া দাওয়াই, অবৈধ অভিবাসন রুখতে দশ দফা পরিকল্পনা, বৃটেনের রাস্তাকে অপরাধমুক্ত করে আরো নিরাপদ করে তোলার মতো শক্তিশালী প্রতিশ্রুতি। তবে সেই প্রতিশ্রুতির হাত ধরে সুনকের জয় আসে নি। লিজের কৌশল, নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন দলের সমর্থক-কর্মীগণ।

কারো প্রভাব-প্রতিপত্তি-হস্তক্ষেপ নয়, সাধারণ দলীয় কর্মীদের ভোটের ক্ষমতায় সরকারের শীর্ষ আসন নির্ধারিত হয়েছে। স্বচ্ছ মতামতের ভিত্তিতে যে দলীয় রায় প্রতিফলিত হয়েছে, তা নতমস্তকে মেনে নিয়েছে দল ও দেশের সবাই। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার, 'মানি না-মানবো না' বলার, আটকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করার কথা কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারে না। বরং রানী থেকে প্রজা, সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে দলের গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত কার্যকর দেখতে অধীর আগ্রহভরে অপেক্ষমান।

৩.

বৃটেনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এবং প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সবকিছুই একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সুনির্দিষ্ট। তাতে হাত দেওয়ার ক্ষমতা ও সাহস কারোই নেই। নিয়মানুযায়ী, বৃটেনে নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিক কিছু পর্ব রয়েছে। জনসমক্ষে ফল ঘোষণার ১০ মিনিট আগে সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ভোটের ফল জানতে পারবেন। তার পরে প্রকাশ্যে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেবেন তিনি। সাধারণত বৃটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাকিংহাম প্রাসাদে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়োগ করেন। সেটাই রীতি।

তবে, এবার চলে আসা নিয়মে কিঞ্চিত ব্যতিক্রম হবে। এই প্রথম ইংল্যান্ডের বাইরে কেউ বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদে নিযুক্ত হবেন। চলাফেরায় অসুবিধার কারণে রানী এখন স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে। নয়া নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়ে রানীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নেবেন।

লিজের প্রধানমন্ত্রীত্বের ফলে আরো একজন নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বৃটেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের দায়িত্বে আসছেন বহুল আলোচিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। ভারতীয় বংশোদ্ভূত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাককে হারিয়ে ক্ষমতাসীন দল কনজার্ভেটিভের নেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

প্রথা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) লিজ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন স্কটল্যান্ডের বালমোরালে অবস্থানরত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সেখানে রানীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র পেশ করবেন বরিস জনসন। তারপরই শুরু হবে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ প্রক্রিয়ার নানারূপ আনুষ্ঠানিকতা।

বৃটেনের গণতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দলের প্রধানকেই রানি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করে থাকেন। সেই হিসেবে বরিস জনসনের সঙ্গে যাওয়া লিজ ট্রাসকেই তিনি নিয়োগ করবেন। বস্তুত, মঙ্গলবারই লিজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাবেন। ওদিকে দলীয় চেয়ারম্যান গ্রাহাম ব্রাডি ঘোষণা দেয়ার পর পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন ঋষি সুনাক। তিনি এক টুইটে বলেছেন, কনজার্ভেটিভ পার্টি হলো ‘একটি পরিবার’।

পরাজয়ে বিভেদ নয়, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ অটুট রাখাও গণতন্ত্রের শিক্ষা এবং সৌন্দর্য। 

৪.

Demos ও Kritos গ্রিক শব্দ। Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব। সুতরাং গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
গণতন্ত্রের জন্ম প্রাচীন গ্রিস দেশের নগরে হলেও আধুনিক গণতন্ত্রের জননী বৃটেন। বিশ্বের প্রায়-প্রতিটি গণতান্ত্রিক দেশই, পালন করুক না করুন, গণতন্ত্রের আধুনিক শিক্ষাটুকু পেয়েছে বৃটেনের কাছ থেকে। এমনকি, উগ্র ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলও নিজেদের পরিচালনা করার শাসনব্যবস্থা রূপে গণতন্ত্রকেই গ্রহণ করেছে।

ইসরায়েলি সংসদে সাংসদদের দায়িত্ব ও কর্মপরিধির কোনো সংজ্ঞা নেই; না আইনে, না নীতিমালায়। যেটি আছে তা হলো সাংসদদের দায়িত্বের বর্ণনা, সাংসদেরাই নিজেদের কর্মপরিধি ঠিক করেন। তবে যেটি ব্যতিক্রম তা হলো, ইসরায়েলের পার্লামেন্টই হচ্ছে বিশ্বের একমাত্র উদাহরণ, যেখানে অনলাইনে কমিটি মিটিংসহ (প্রতিরক্ষার গোপন সিদ্ধান্ত ছাড়া) অনেক আলোচ্যসূচি ও সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে উপস্থাপন করা হয়।

সেদেশে একজন সাংসদ কোনোভাবেই চাকরি বা লাভজনক কাজে অংশ নিতে পারেন না। সেই সুবাদে একজন সাংসদকে সার্বক্ষণিকভাবে সংসদীয় কাজে মনোনিবেশ করতে হয়। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে ৭০ ধারা মোতাবেক নিজ দলের বিরুদ্ধে সাংসদ যেমন ভোট দিতে পারেন না, তেমনি স্পেনিশ পার্লামেন্টেও একই ধারা বিরাজমান। স্পেনে দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে সাংসদকে জরিমানা করা হয়, অন্যদিকে ইসরায়েলি সাংসদেরা অনেকাংশে স্বাধীনভাবে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন (যেমন: প্রাইভেট মেম্বারস বিল)।

এতো বড় কট্টরপন্থী ও আক্রমণাত্মক দেশ হয়েও ইসরায়েল নিজের জন্য গণতন্ত্রের সৌন্দর্যকে উন্মুক্ত ও বাধাহীন রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

৫.

টেমস নদীর তীরবর্তী জলাভূমি বিশিষ্ট একটি ছোট্ট দ্বীপ ওয়েস্টমিনস্টার। হাজার বছরের পরিক্রমায় কীভাবে এই ছোট্ট দ্বীপটি আধ্যাত্মিক থেকে শুরু করে রাজকীয় শিষ্টাচারের প্রতীক এবং আধুনিক গণতান্ত্রিক রাজনীতির আঁতুড় ঘর হয়ে উঠলো, তা শুধু ঘটনাবহুল নয়, রোমাঞ্চকরও বটে।

বহু মানুষের মনেই এসব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে এসেছে। বৃটেনের এই স্থানটিকে ঘিরে যুগে যুগে তৈরি হয়েছে নানা উপকথা। সেসব এখনো মানুষের মনে ভেসে বেড়ায়। হাউজ অফ পার্লামেন্ট এবং অ্যাবির চারপাশ ঘিরে ছোট্ট এই ওয়েস্টমিনস্টার নামক গ্রামের পরতে পরতে রয়েছে অসংখ্য অপ্রত্যাশিত এবং চমকপ্রদ কাহিনী। ক্ষমতার লড়াইয়ের পাশাপাশি উচ্চাকাঙ্ক্ষা, প্রতিবাদ, নৈরাজ্য এবং ষড়যন্ত্র, সবই এই ছোট্ট গ্রামের অংশ হয়ে আছে শতশত বছরের রূপকথার মতো, যার সর্বশেষ প্রাপ্তি হলো নিরেট গণতন্ত্র।

এখনকার ডাউনিং স্ট্রিট যেখানে, সেখানে হাজার হাজার বছর আগে ক্ষমতাবান এবং সচ্ছল অ্যাংলো-স্যাক্সন জাতি বসবাস করতো। জার্মানি থেকে মধ্য ইউরোপের দ্বীপগুলোতে অভিবাসিত হয়ে আসা জার্মান উপজাতিকে অ্যাংলো-স্যাক্সন বলা হয়। তখন তারা থর্নি আইল্যান্ডের কাছে একটি ছোট গির্জা নির্মাণ করেন। অ্যাংলো-স্যাক্সন লুন্ডেনউইকদের থেকে পশ্চিমে অবস্থিত ছিল বলে এই গির্জাটির নাম পরবর্তীতে ওয়েস্টমিনস্টার রাখা হয়েছিল। আর এই নামের সাথেই মিল রেখে জায়গার নামকরণ হয়েছিল ওয়েস্টমিনস্টার। আর বৃটেনের গণতান্ত্রিক মডেলের নাম হয়েছে 'ওয়েস্টমিনস্টার টাইপ অব ডেমোক্রেসি'।

কালক্রমে, ওয়েস্টমিনস্টার প্রাচীন অ্যাংলো-স্যাক্সনদের একটি ধর্মীয় স্থান থেকে বৃটেনের আধুনিক গণতন্ত্র চর্চার সুউচ্চ আসনে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ওয়েস্টমিনস্টার হল এবং অ্যাবির যে রূপ দেখা যায়, তাতে সেই মধ্যযুগ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগ পর্যন্ত ওয়েস্টমিনস্টারের লুকানো ইতিহাস বেশ ভালোভাবে ফুটে উঠে।

গণতন্ত্র যে আসলেই জনগণের শাসন, তার প্রকৃষ্ট পরীক্ষাগার ও বাস্তব রঙ্গমঞ্চ হলো বৃটেনের ওয়েস্টমিনস্টার। ওয়েস্টমিনস্টার মডেল শিক্ষা দিয়েছে যে, সরকার বা শাসনব্যবস্থা যখন পূর্ণভাবে ও অবিকৃতরূপে  সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত নিয়ে পরিচালিত হয়, তখন তাকে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বলা হয়।

প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা যদিও গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন (Solon) সেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। এ জন্য তাঁকে আখ্যায়িত করা হয় ‘গণতন্ত্রের জনক’ নামে। আর বৃটেনে সংসদীয় বা আধুনিক গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় ১৫ জুন ১২১৫ ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) চুক্তির মাধ্যমে। এর প্রথম নাম ছিল ‘চার্টার অব রানিমেড’ (Charter of Runnymede)। পরে এটি ম্যাগনাকার্টা চার্টার নামে পরিচিতি লাভ করে। ম্যাগনাকার্টা চুক্তির মাধ্যমে চালু হওয়া বৃটিশ গণতন্ত্রই কাগজেকলমে বিশ্বের অনেক দেশেই লিপিবদ্ধ। তবে তা প্রকৃতার্থে কতটুক অনুসৃত হচ্ছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।

ড. মাহফুজ পারভেজ, লেখক-বিশ্লেষক।          

মত-মতান্তর থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status