ঢাকা, ৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৩ শাওয়াল ১৪৪৬ হিঃ

মত-মতান্তর

বাংলাদেশের ইতিহাসে পিলখানার নির্মম হত্যাকাণ্ড: অনেক প্রশ্নের জবাব আজও মেলেনি

ব্যারিস্টার নাজির আহমদ

(১ মাস আগে) ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মঙ্গলবার, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৩:৫৯ অপরাহ্ন

mzamin

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানাতে ঘটেছিল ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড। সেনাবাহিনীর ৫৭ জন অফিসারসহ মোট ৭৪ জনকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল। যেসব কর্মরত সেনা অফিসারদেরকে হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে ছিলেন একজন মেজর জেনারেল, দুইজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ১৬ জন কর্ণেল, ১১ জন লেঃ কর্ণেল, ২৩ জন মেজর এবং দুইজন ক্যাপ্টেন। এত বিপুলসংখ্যক সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের একসাথে জীবন দেয়া ইতিহাসে বিরল। এমনকি বিশ্বের ইতিহাসে যুদ্ধেও একসাথে আর্মির এত বিপুলসংখ্যক সিনিয়র অফিসার জীবন দিয়েছেন - এমন নজির কোথাও নেই। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নয় মাস ব্যাপী পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর সাথে সসস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করেছে। কয়জন আর্মির অফিসার মারা গেছেন? ইতিহাস ও পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যাবে - একদিনে দুইজন মেজরকেও একসাথে হত্যা করতে পারেনি পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী। তাও আবার স্বাধীনতা যুদ্ধে! অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতার অতন্দ্রপ্রহরী দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর এত বিপুলসংখ্যক উর্ধ্বতন অফিসারদেরকে নির্মমভাবে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হলো।

শুধু অফিসারদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তাদের লাশকে পৈশাচিক কায়দার মাটি চাপা দিয়েছিল। তাদের পরিবার পরিজনকে করেছে নিপীড়ন ও নির্যাতন। তাদের সোনা, অলংকার ও মূল্যবান জিনিষপত্র লুণ্ঠন করেছে। কারা করেছে? এর সঠিক উত্তর আজো অজানা। এতগুলো চৌকস, দক্ষ ও মেধাবী অফিসারদের নির্মমভাবে হত্যা ও পৈশাচিক কায়দায় মাটি চাপা দিতে হত্যাকারীদের একটুও হাত-বুক কাপলো না! ওরা নরপিচাশ, ওরা ঠাণ্ডা মাথার জঘন্য খুনি।

ইতিহাসের এই নির্মম ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের কি উচিৎ ও সঠিক বিচার হয়েছে? ঐ পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড কি শুধুই ডাল-ভাত প্রজেক্টকে কেন্দ্র করে? এর মূল হোতা কারা? বাইরের কোনো শক্তি কি এতে জড়িত? এর কোনো সঠিক উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই দাবি উঠেছিল সুপ্রিমকোর্টের একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিশন বা কমিটি গঠন করে সীমাহীন ক্ষমতা ও নিরঙ্কুশ টার্মস্ অব রেফারেন্স দেয়া যাতে করে তারা যতটুকু গভীরে যাওয়ার দরকার যাবেন, তারপরও তারা যেন প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে পারেন এবং প্রকৃত দোষী ও পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করতে পারেন। পতিত সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। তারা বরং একজন সাবেক আমলার নেতৃত্বে সীমিত ক্ষমতা ও টার্মস্ অব রেফারেন্স দিয়ে এক নামকাওয়াস্তে তদন্ত কমিটি গঠন করলেন। সেই কমিটির রিপোর্টও জাতির সামনে প্রকাশ করা হলো না। ঐ কমিটির প্রধান আনিসুজ্জামান নিজেই রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন তার ক্ষমতা ও টার্মস্ অব রেফারেন্স খুবই সীমিত থাকার করণে ঘটনার গভীরে যেতে পারেননি। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট অনেকে আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেননি- এমন অভিযোগ উঠেছিল।

পতিত সরকার প্রচলিত আইনে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রয়াস চালিয়েছিলো। ৩০০০ জন বিডিআর-এর জওয়ানকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করার জন্য। হত্যার জন্য অনেককে সর্বোচ্চ সাজা দেয়া হয়েছে। বিতর্কিত সিনিয়র পুলিশ অফিসার আব্দুল কাহ্হার আকন্দকে দিয়ে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করানো হয়েছে। তার অতীত নিয়ে অনেক কথা আছে। প্রশ্ন উঠেছে একজন বিতর্কিত সাবেক সিআইডি অফিসারকে কেন চিফ ইনভেস্টিগেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাধারণ তদন্ত করানো হলো? আর কি দক্ষ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা আর্মি বা পুলিশ বিভাগে ছিল না? তাছাড়া সাধারণ আইনে কেন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে? যারা জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা ছিল শৃঙ্খঁলা বাহিনীর সদস্য। যাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তারাও সবাই ছিলেন আর্মি অফিসার। তাহলে কেন এই বিচার দ্য আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫২ এর অধীনে হলো না? পুরো বিচারটি আর্মি অ্যাক্ট এর অধীনে হলে  বিচার প্রক্রিয়াটি দ্রুত হত এবং তাতে অপরাধীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও ত্বরিত গতিতে দেয়া যেত।

বিচার শুরু করার আগে পতিত সরকার হঠাৎ করে বিচারটি কোন আইনে হবে তার মতামতের জন্য প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়। তখনই সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকে সন্দেহ পোষণ করেন। সুপ্রিমকোর্টের রায় সবার জন্য মানা বাধ্যতামূলক হলেও তাদের এডভাইজারি অপিনিয়ন তথা পরামর্শমূলক মতামত সরকার বা কারোর জন্য মানা বাধ্যতামূলক নয়। এতকিছু জানার পরও পতিত সরকার কেন পিলখানার নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি মতামতের জন্য সুপ্রিমকোর্টে পাঠালো? অথচ অন্যান্য অনেক জটিল বিষয়গুলো- যেমন এককভাবে সংবিধান সংশোধন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, ভুতপূর্ব সংশোধনী দিয়ে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রভৃতি বিষয়ে পতিত সরকার কখনও সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাওয়ার কোনো প্রয়োজন অনুভব করেনি।

জঘন্য এই হত্যাকাণ্ডের সাথে বাহ্যিকভাবে যাদেরকে দেখা গেছে শুধু কি তারাই জড়িত না তাদের সাথে আরও রাঘব-বোয়ালরা জড়িত ছিল? যাদের ঘোষণা বা তৎপরতায় ধানমন্ডির প্রায় তিন কিলোমিটার জায়গা খালি করে দোষী জওয়ানদের পলায়ন করতে সাহায্য করেছে তাদেরকে কেন আইনের ও বিচারের আওতায় আনা হলো না? ডিএডি তাওহীদকে কেন জামাই আদরে রেখে পরবর্তীতে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হলো? বিচারের পূর্বে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থায় অনেক জওয়ানদের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। অনেক মানবাধিকার সংগঠন এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যতই অপরাধী হোক না কেন সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দিতে হবে-এটাই হলো আইনের শাসন ও সভ্যতার দাবি। বিচারের পূর্বেই পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাদেরকে হত্যা করার মূল কারণ কী? মূল হোতা বা রাঘব-বোয়ালদের আড়াল বা রক্ষার জন্য কি তাদেরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে? প্রত্যক্ষদর্শী ও দায়ীরা চলে যাওয়ার কারণে কোনোদিনই হয়তো সত্যিকার ও প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে না।

পিলখানার জঘন্য হত্যাকাণ্ড কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা হত্যাকাণ্ড ছিল না। তাহলে মিলিটারি ফোর্স না পাঠিয়ে পতিত প্রধানমন্ত্রী ঘটনার রাজনৈতিক সমাধানের মতো চেষ্টা করলেন কেন? বারবার মৃত্যুপথযাত্রী অফিসাররা মেসেজ পাঠালেও কেন তাদেরকে রক্ষা ও উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনী পাঠানো হলো না? কিছু অফিসারদের বিদ্রোহের সাথে সাথে হত্যা করা হলেও বেশিরভাগ অফিসারদেরকে হত্যা ও তাদের পরিবারবর্গদের নির্যাতন ও নিপিড়ন এবং সম্পদ লুণ্ঠন করা হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি সারা দিন ও রাত এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ও দিন। যদি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সেনাবাহিনী পাঠানো হতো তাহলে বেশিরভাগ সেনা অফিসারদের বাচাঁনো যেত। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সেনাবাহিনী তাদের যথাযথ রসদ নিয়ে অ্যাকশনে যেত তাহলে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো পিলখানাকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যেত। একটি ডিসিপ্লিন ফোর্সের অযাচিত বিদ্রোহ শাশ্বত পন্থা সামরিক কায়দায় সমাধানের পরিবর্তে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের ন্যায় বৈঠক ও সমঝোতার মাধ্যমে কালক্ষেপণের ফলে কেন চৌকস অফিসারদের নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে টেলে দেয়া হলো জাতি ভালো করে এখনও জানলো না। সত্যিকার অর্থে তৎকালীন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মঈন ইউ. আহমদ এবং পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা ছিল রহস্যময় ও চরম বিতর্কিত।

২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ডিএডির তাওহীদের নেতৃত্বে যখন বিডিআর জওয়ানদের একটি গ্রুপ প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে দেন-দরকার করছিল তখন দেদারছে পিলখানায় গণহত্যা চলছিল। প্রধানমন্ত্রী কেন তখনও জানতে চাইলেন না বিডিআর - এর ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল কাথায়? ডিজি ছাড়া ওদের সাথে বৈঠকে কেন তিনি অস্বীকৃতি জানালেন না? প্রটোকলও তো তাই বলে। ডিএডি তাওহীদসহ যারা এসেছিল তাদেরকে আটক করে রাখা হলো না কেন? তাদের রেকর্ড ও বিস্তারিত তথ্যাদি কেন সংরক্ষণ করে রাখা হলো না? তারা কে কে এসেছিল ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের পর কোথায় গেল তার হদিস জাতি এখনও জানে না! ডিএডি তওহীদের নেতৃত্বে বিডিআর-এর জওয়ানরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পূর্বে কলকাতার আকাশবাণীসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় খবর চলে এসেছিল বিডিআর-এর ডিজি মেজর জেনারেল শাকিলকে হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারপরও তাদের সাথে বৈঠকে বসলেন! সেনাবাহিনী অ্যাকশনে যযাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। র‍্যাবের কর্ণেল গুলজারের মেসেজ পেয়ে‌ র‍্যাব অ্যাকশনের জন্য পিলখানার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল। কেন র‍্যাব ও সেনাবাহিনীকে অ্যাকশনে যেতে দেয়া হয়নি। ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে পিলখানার ভিতরে তথাকথিত অস্ত্র উদ্ধার ও সমর্পণের নাটক যখন চলছিল তখনও এবং পুরো রাতভর পিলখানার ভেতর গণহত্যা ও লাশগুলো মাটি চাপা দিয়ে গুম করার কাজ পুরোদমে চলছিল।

পিলখানার গণহত্যার পর ত্বরিত গতিতে দ্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ অ্যাক্ট ২০১০ পাস করে বিডিআর-এর নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ তথা বিজিবি করা হলো। সাথে সাথে তাদের পোশাকও পরিবর্তন করা হলো।  বিডিআর-এর নাম ও পোশাকের পরিবর্তনের কি দরকারটা ছিল? বিডিআর-এর একটি ঐতিহ্য, সম্মান, গৌরব ও ইতিহাস আছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে তারা অসামান্য অবদান রেখেছে। সাত জন বীরশ্রেষ্ঠ এর মধ্যে দুইজন ছিল বিডিআর থেকে। শুধু বিডিআর কেন, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীতেও বহুবার বিদ্রোহ হয়েছে। আনসার, ভিডিবিতে বিদ্রোহ হয়েছে। সেনাবাহিনীতে বহুবার বিদ্রোহ ও অভ্যূত্থান হয়েছে তাতে অনেক অফিসার ও সৈনিককে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু, কই তাদের নাম বা পোশাক পরিবর্তনের তো কোন দাবি বা আওয়াজ উঠেনি? তাহলে বিডিআর-এ এই পরিবর্তনের প্রশ্ন ও দাবি আসলো কেন? এ ঘটনাগুলো থেকে অনেকে সন্দেহ করছেন ও প্রশ্ন তুলছেন যে পিলখানার পৈশাচিক হত্যার পেচনে আন্তর্জাতিক চক্র, বিশেষ করে বৃহৎ একটি প্রতিবেশীর হাত থাকতে পারে।

আন্তর্জাতিক বা প্রতিবেশিদের ষড়যন্ত্রের সন্দেহ অমূলক নয়। বিডিআর শক্তিশালী হলে ক্ষতি কার? সেনাবাহিনীর চৌকস অফিসারদের দক্ষ কমান্ড স্ট্রাকচারের মাধ্যমে দূর্বার ও দুৎসাহসিক বিডিআর কার জন্য হুমকি? কারা বিডিআর-এর কাছে অতীতে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে? কারা বিডিআর-এর কারণে বাংলাদেশকে অবাধ খোলা বাজার বানাতে পারছিল না সীমান্তে চোরাই পথে মালামাল পাচার করে? এই প্রশ্নগুলোর যতই উত্তর খোঁজতে যাবেন, ততই সন্দেহের ডাল-পালা আরও গভীর ও সুপ্রসারিত হবে।

পরিশেষে, পিলখানার নারকীয় গণহত্যার এবার ১৬তম বছর পার হচ্ছে । যারা ঐ দুর্দিনে শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সাথে সাথে ২৫শে ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা বিচার হয়েছে বলে মনে হলেও প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও দোষীরা এখন ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তাদেরকে এখনও ভাল করে শনাক্ত করা যায়নি। যেদিন প্রকৃত ও সত্যিকার তদন্তের মাধ্যমে মূল হোতাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা যাবে, ঠিক তখনই শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে এবং তার পাশাপাশি শহীদদের পরিবারবর্গ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন।

 

নাজির আহমদ: বিশিষ্ট আইনজীবী, রাষ্ট্রচিন্তক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং ইংল্যান্ডের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার।

Email: [email protected]

মত-মতান্তর থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত

   
Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status