ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

ইসি’র সংলাপ

ইভিএমে ‘না’, নির্বাচনকালীন সরকারের বিকল্প প্রস্তাব

মো. আল আমিন
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপের শেষদিন আজ। চলমান সংলাপে ২৬টি দল অংশ নিয়েছে। আজ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি। কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া দলগুলোর বেশির ভাগই জাতীয় নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহারের বিরোধিতা করে মতামত দিয়েছে। অন্যদিকে নির্বাচনকালীন সরকারের বিকল্প খোঁজার পরামর্শ দিয়েছে বেশির ভাগ দল। কেউ কেউ বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাবও দিয়েছে। আবার কোনো কোনো দল এ বিষয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয় সামনে এনেছে।  সংলাপে অংশ নেয়া ২৬ দলের মধ্যে ১৮টিই নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিপক্ষে অবস্থান জানিয়েছে। আজ সংলাপে অংশ নিতে যাওয়া জাতীয় পার্টিও ইভিএম চায় না বলে জানিয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের গতকাল মানবজমিনকে জানিয়েছেন, সংলাপে তারা ইভিএমের বিপক্ষে মতামত দেবেন।

বিজ্ঞাপন
 অন্যদিকে বিদ্যমান নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছে ১৮টি দল। জাতীয় পার্টি সরাসরি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চায় না। দলটি বলছে, যেহেতু নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে কোনো এখতিয়ার রাখে না তাই তাদের কাছে এ বিষয়ে দাবি করার কিছু নেই। তবে বিদ্যমান ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা নেই। নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে ওই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানোসহ কিছু পরামর্শ দেয়া হবে সংলাপে।  

ওদিকে আওয়ামী লীগের তরফে আগেই জানানো হয়েছে নির্বাচনে তারা ইভিএমের পক্ষে। সম্ভব হলে ৩০০ আসনেই ইভিএম নির্বাচন চায়। এ ছাড়া নির্বাচনকালীন সরকার নিয়েও তাদের কোনো আপত্তি নেই। আওয়ামী লীগ বরাবরই বলে আসছে নির্বাচনকালীন সরকারের সময়ে সব ক্ষমতা ইসি’র হাতে থাকে। সরকার শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করে।  সংলাপের বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখনো ঠিকমতো নাম পড়তে পারে না। মার্কা দেখে ভোট দিতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে ইভিএমে ভোট দিতে মানুষ প্রস্তুত নয়। তাছাড়া ইভিএম বিভিন্নভাবে ম্যানুপুলেট করা যায় জানিয়ে তিনি বলেন, ইভিএমে একজনের ভোট আরেকজনের দেয়ার সুযোগ থাকে। অনেক সময় মানুষের ফিঙ্গার প্রিন্ট মেলে না। এ ছাড়া ইভিএমের নির্বাচনে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। কারণ, ব্যালট পেপার থাকে না। ভোটিং মেশিন যে ফলাফল দেবে, তাই ঘোষণা হবে। বিষয়টি হচ্ছে, সরকার দেশের মানুষকে চাঁদে পাঠাতে চাচ্ছে, কিন্তু সেখানে বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।

 এ জন্য আমরা ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে।  সংলাপে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়ে বলেছেন, সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ অনেকগুলো যৌক্তিক কারণে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণের বড় অংশ ইভিএমকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে গ্রহণ করতে পারছে না। জনগণ ইভিএমকে ডিজিটাল কারচুপির বাক্স মনে করে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি চালু করার সকল তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অতি উৎসাহের মধ্যে ক্ষমতাসীনদের তল্পিবাহক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ইভিএমের পক্ষে ইসি’র ভূমিকা ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে জনগণকে সন্দিহান করে তুলেছে। ইভিএমের বিরুদ্ধে মত দিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বলেছে, ভোটারদের মধ্যে ইভিএমের বিষয়ে গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি না করে ইভিএম চাপিয়ে দিলে সিদ্ধান্তটি একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।  এ ছাড়া নানা শঙ্কার কথা জানিয়ে ইভিএমের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, জাকের পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)। তবে এর মধ্যে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন শর্তসাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে। তারা বলছে, ইভিএম ব্যবহার করতে হলে পেপার অডিট ট্রেইল সংযুক্ত করতে হবে। 

এ প্রসঙ্গে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মানবজমিনকে বলেন, ইভিএম ব্যবহারের আগে ত্রুটিগুলো ঠিক করতে হবে। এ ছাড়া অধিকাংশ রাজনৈতিক দল যেহেতু ইভিএম চাচ্ছে না, তাহলে ব্যবহার না করাই ভালো। সরকারি দল ইভিএম চাচ্ছে বলে যদি নির্বাচন কমিশন ইভিএম ব্যবহার করতে চায় তাহলে তাদের ভাবমূর্তি আরও খারাপ হবে।   সংলাপ কতোটুকু ফলপ্রসূ হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন কী চায় সেটা আগে জানতে হবে। এজেন্ডাবিহীন আলোচনা দুনিয়াতে কোনোদিন ফলপ্রসূ হয় না।  এদিকে বিদ্যমান নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছে ৭০ শতাংশ দল। এর মধ্যে চারটি দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা বা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের সুপারিশ করেছে। ভোটের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসনসহ কয়েক মন্ত্রণালয় ইসি’র অধীনে নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছে ১৩টি দল। চারটি দল নিবন্ধিত দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সুপারিশ করেছে।

 এমনকি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, দিলীপ বড়ুয়ার সাম্যবাদী দল ও তরীকত ফেডারেশনও বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন চেয়েছে। তারা ভোটের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগ ইসি’র হাতে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যমান নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন চায় জাতীয় পার্টিও। তবে নির্বাচন কমিশনে বিদ্যমান সরকার ব্যবস্থা নিয়ে কোনো আলোচনা করতে চায় না দলটি। কারণ হিসেবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন আগেই বলে দিয়েছে সংবিধানের বাইরে গিয়ে ওনারা কিছু করতে পারবে না। এ জন্য সংবিধানের বাইরের কোনো আলোচনা আমরা করবো না। সংবিধানের ভেতরে থেকেই নির্বাচনকালীন সরকারের ক্ষমতা নিয়ে আমাদের কিছু প্রস্তাবনা আছে। জি এম কাদের বলেন, বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় কর্তৃত্ববাদী সরকারের হাতেই সব ক্ষমতা থাকে। সেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে না। এ জন্য আমাদের কিছু প্রস্তাব আছে।

 লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্য ভোটের সময় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের নেতাদের স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগে সেট করা যেতে পারে। তাহলে ব্যালেন্স হতে পারে।  নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সংবিধানের মধ্যে থেকেই ইসিকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেছেন, এটা করতে পারলে সংবিধান কোনো বাধা নয়। জনগণের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনও করা যেতে পারে।  এ বিষয়ে ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কিছু করার নেই। যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন বিষয়টি সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। এটি যদি তারা সরকারকে লিখিতভাবে জানায় সেটা ভালো উদ্যোগ হবে।  উল্লেখ্য, গত ১৭ই জুলাই নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপিসহ ৯টি দল সংলাপে অংশ নেয়নি। এই দলগুলোর মধ্যে বিএনপি’র জোটসঙ্গী দলও রয়েছে।    

পাঠকের মতামত

দলীয় সরকারের অধীনে এইদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, তাছাড়া ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট করা অর্থই হচ্ছে ডিজিটাল ভোট চুরি অভিনব পদ্ধতি! সুতরাং, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের কোন বিকল্প নেই, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে পুনরায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে কারচুপির শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে!

Md. Anowar Hossain
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ক্ষমতাসীন সরকার যে জনগণের ভোটের অধিকার হরন করেছে গত নির্বাচনে যে শঠতাগিরি দেখিয়েছে প্রশাসন যন্ত্র যেভাবে নির্লজ্জ ভাবে সরকারের পক্ষে কাজ করেছে এর পুরনাবৃত্তি আর দেখতে চাইনা। এই ক্ষমতাসিনরা কিভাবে ভোটকেন্দ্রে মানুষদের সাথে অমানবিক আচরণ করেছে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখিয়েছে জাতি তা আর দেখতে চায়না। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের তো কোনো মর‍্যালিটি নেই তারা ক্ষমতায় থেকে বিত্তশালী হবে দূনাীতি করবে বুক চেতিয়ে চলবে আবার বলবে আওয়ামী লীগকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবেনা এতো অধঃপতন তো জাতির জনক ও বুঝি চায়নি।

হামিম
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৯:১৪ পূর্বাহ্ন

ইভিএম মেশিন যারা আবিষ্কার করেছে তারাই এটা বাতিল করেছে। নতুনভাবে কিছু ই বলার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করি ।

হেলাল
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

ইভিএম আর ব্যালট পেপার যাই হোক ভোট কেন্দ্রের গোপন কক্ষের ডাকাতদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে কোন পরিবর্তন আসবে। আপনি ব্যালট পেপার নিয়ে গোপন কক্ষে গেলেন সেখানে বসে আছে ডাকাত। আপনার হাত থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিবে। ইভিএমে গোপন কক্ষের ডাকাত ফাইনাল বোতাম টিপতে দিবেনা। এই ডাকাতদের কোমরের শক্তি যারা যোগায়, তত্বাবধায়ক সরকার এসেই শক্তিদাতাদের প্লান তছনছ করে দিবে। এই জায়গাতেই সরকারের তত্ববধায়কে সমস্যা। সরকার চায় তাদের সাজানো পরিকল্পনায় ভোট হোক, ডাকাতরা তাদের জয় এনে দিক।

জামশেদ পাটোয়ারী
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:৪৯ পূর্বাহ্ন

শুধু নির্বাচন কালিন সরকার না নির্বাচন সাথে জড়িত পুরো দেশের ডিসি এডিসি সহ সরকারি বড়বড় সকল অফিসার দেরকে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ওসডি করতে হবে। না হয় যে তেল সেই কদু

Dr shaju
৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার, ২:১৪ পূর্বাহ্ন

নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচন দিতে সমস্যা কি। আমরা সাধারণ জনগণ চাই দেশে একটা সুন্দর নির্বাচন হউক। আর সংবিধানের কথা বলা হচ্ছে সংবিধান মানুষে তৈরি করেছে। সেটা চাইলে পরিবর্তন করা যায়।

মোহাম্মদ
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:২৪ অপরাহ্ন

বি এন পি র উচিৎ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বর্তমান সরকারের সহযোগিতা করা। কারণ তাহাজ্জুদের পবিত্র সময়টা নষ্ট করা ঠিক হবে না। এটা খুব মুবারক সময়। এ সময় ই নির্বাচন হওয়া উচিৎ।

salim khan
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

যত প্রকারের সাপোর্টের কথাই বলা হোক না কেন, কোন সাপোর্ট ই কাজে আসবে না, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ, অবাধ নির্বাচন করতে পারবে না, যদি না তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা না হয়। এ অবৈধ, ভোট চোর সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কখনই বাংলাদেশে সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। এরা এটা হতে দিবে না।

salim khan
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১০:২৯ অপরাহ্ন

কিছু মতলবি নেতা ও দল প্রস্তাবকরে নির্বাচনের সময় কিছু মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন‍্যাস্ত করতে। এটি একটি শতভাগ শঠতাপুর্ন প্রতারণামুুললক।

মো হেদায়েত উল্লাহ
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৩৮ অপরাহ্ন

সংসদ নির্বাচন কালিন দলিয় সরকার ক্ষমতায় থাকলে নির্বাচন কমিশন যত চেষ্টাই করুন নির্বাচনে সরকারি দলের প্রভাব উপেক্ষা করার মত তেমন কঠোর হতে পারবেন না। কারন আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কতৃপক্ষ, জন প্রশাসন ইত্যাদি সরকারের প্রতি সঙ্গত কারনে আজ্ঞাবহ থাকতে থাকতে সাময়িক নিরপেক্ষতার ভান করতে চাইলেও ক্ষমতাশীন সরকারের রক্তচক্ষু তারা সচেতনভাবে উপলব্দি করবেন। তাছাড়া সরকারের কট্টর সমর্থক কর্মকর্তাগনের প্রভাব নির্বাচনের সকল হিসেব নিকেশ পাল্টে দিতে পারে। বিগত নির্বাচনে জাতি তা অবাক বিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করেছে। সুতরাং নির্বাচন কালিন সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনের কিছু করবার না থাকলেও তা নিয়ে অন্যান্য বিরোধী দলের যে দাবি সমান গুরুত্বে আলোচিত হয়েছিল তা সরকারি দলের দৃষ্টি গোচরে নিলে বিষয়টি গুরত্ব পাবে। সরকারি দলের ইভিএমে আস্থা যেন কমিশনের একক ও অপ্রতিস্থাপনীয় আস্থায় না যায় সে আশাই জনগন করে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৯:৩০ অপরাহ্ন

হরতাল, অবরোধ এ'র ঘোষণা দেবেনা / গণভবন ঘেরাও করবেনা / সংলাপে অংশ গ্রহণ করবেনা / যে সব দলের সমর্থকের চেয়ে নেতা বেশি সেই সব দলের সাথে আলোচনা করে ও কেক পেস্ট্রি, পেটিস খেলে কি সরকারের পতন হবে ?

mohd islam
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৭:১৪ অপরাহ্ন

ইভিএম হলো নির্বচনে কারচুপির নবতর সংযোজন। এই ব্যবস্থার প্রতি ক্ষমতাসীন দল খুবই আন্তরিক। তবে তাহারা ক্ষমতাসীন না থাকিলে জাতি আওয়ামীলীগের কাছ থেকে ইভিএমের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা দেখতে পেতো। প্রয়োজনে লাগাতার হরতাল, অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও, লগি-বৈঠার ব্যবহার জনগণ দেখিতে পেতো। যেমন দেখতে পেয়েছিলো, ১৯৯৬ সালে নির্দলীর সরকার প্রতিষ্ঠায় তাদের আন্দোলনে। কী বিভৎস ছিল সেই আন্দোলন। জনগণের প্রতি আস্থা থকিলে, ক্ষমতা ছেড়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মতো একই কাতারে আসুন। একটি নির্দলীয় সরকার নির্বাচনকদলীন দেশ পরিচালনা করিবে। এতে আপনাদের ভয় থাকার কথা নয়। কারন আপনারা অনেক অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। জনগণ আপনাদের এই কাজের যথাযথ মূল্যয়নের জন্য ভোট দানের সুযোগ চায়। যাহা গত ২০১৪ ও ২০১৮ র নির্বাচনে পায়নি।

মোঃ জহিরুল ইসলাম
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ৪:৫৩ অপরাহ্ন

নির্বাচন কমিশনকে যদি নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয় তবে সংখ্যাধিক্য রাজনৈতিক দলের দাবী ইভিএমকে নির্বাচনের কাজে প্রথমেই বাদ দিতে হবে অতঃপর সরকারের যেসব মন্ত্রণালয় নির্বাচনে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করার ন্যূনতম শংকা আছে সেসব মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশনের অধিনে আনার ঘোষণা দিতে হবে। ভোটকেন্দ্রগুলি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে যাতে ভোটারদের সমস্ত ভোটদান প্রক্রিয়া ক্যামেরা বন্দি থাকে।পুলিং অফিসার পুলিং এজেন্টরা যেন স্বাধিন ভাবে কারো কোন হুমকি ধমকির প্রভাবে না পরে কাজ করতে পারে। সেনা আনসার পুলিশ বিজিপি নির্বাচন কমিশনের আওতায় এনে তাদরকে যেন প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে।কেন পক্ষ যদি কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে বা গোলযোগের জন্য দায়ী হয় তবে তাদেরকে যেন তাৎক্ষণিক বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দিতে পারে। এসব বিষয়ে যদি নির্বাচন কমিশন অবিচল অনঢ় থাকতে পারে তবে হয়তো বর্জনের ঘোষণাদানকারী রাাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনে আসতেও পারে।

আলমগীর
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ২:২৫ অপরাহ্ন

আমি মনে করি নিবন্ধিত দলগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ দল যেহেতু ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে, তাই ইভিএম ব্যবহার না করাই ভালো হবে, অথবা নিবন্ধিত দলগুলো নিয়ে একটা ভোটাভুটি ব্যাবস্থা করা যেতে পারে, ইভিএম জিতলে ইভিএমে ভোট হবে, বেলট পেপার জিতলে বেলট পেপারে হবে, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ, আমরা আগের মতো আনন্দ ঘন পরিবেশে ভোট দিত চাই, দেশের জন্য যাদের অবদান বেশি তারাই বেশি ভোট পাবে এবং সরকার গঠন করবে, আমরা ভোট দিতে চাই, আমরা ভোট দিতে চাই, আমরা ভোট দিতে চাই,

মোঃ ইমরান ভাই
৩০ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status