অনলাইন
চট্টগ্রামে আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে চিন্ময় সমর্থকরা
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
(৪ মাস আগে) ২৬ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৬:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় সাইফুল ইসলাম নামে এক আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে চিন্ময় সমর্থকরা। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিবেদিতা ঘোষ সাইফুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সাইফুল সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৬ জন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভরত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আদালত চত্বরে প্রায় তিন ঘণ্টা পুলিশের প্রিজনভ্যান আটকে রাখেন। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ করে। এরপর তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে রঙ্গম কনভেনশন হলের সামনে অবস্থান নেন। এর মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুপস্থিতিতে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অনেকে গুরুতর আহত হন।
এ রিপোর্ট লেখার সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নগরের নিউমার্কেট মোড়ে অবস্থান করছেন। অপরদিকে, স্থানীয় তরুণ-যুবকদের একটি দল মিছিল নিয়ে নিউ মার্কেট এলাকায় অবস্থান করছেন। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। পুলিশের সঙ্গে বিজিবি সদস্যরাও ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
পাঠকের মতামত
শুধু সনাতন না বলে ইসকন সনাতন বলে রিপোর্টে উল্লেখ যৌক্তিক হতো। ইস্কন সিস্টেমে সবাই হিন্দুও না মনে হয়।
চট্টগ্রামে আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে চিন্ময় সমর্থকরা
ইসকন নিজেকে কি ভাবতেছেন। এইদেশে থাকবেন না হাসিনার মত পালাবেন। ভবিষ্যৎ টিকতে পারবেন এইগুলো করে।
The paid agents should be punished exemplary way.
সবগুলো ভারতের এজেন্ট। এদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে
চট্টগ্রামের মেরুদণ্ড হীন জনসাধারণ কি ইস্কনের হাতে বন্দী ?
এখন থেকে সারা দেশের রাজপথ দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা দখলে নিন। আর যেন কোন দেশ বিরুধীরা রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।
একটি স্বাধীন দেশে সুখে শান্তিতে থাকার পরেও যদি ভারতের দালালী করেন তাইলে এক বিন্দু ও ছাড় দেওয়া হবে না। মনে রাখবেন এটি ৯০% মুসলমানের বাংলাদেশ। এখনো সময় আছে সোজা হয়ে যান।
ভারতের ভয়াবহ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাজ করছে ইসকন।
এগুলো ভারতের উস্কানিমূলক নীতির কারণে হয়তাছে।