ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, মঙ্গলবার, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

শেষের পাতা

অভিজাত সিগমা অ্যাওয়ার্ড জিতলেন নাজমুল আহসান

মানবজমিন ডেস্ক
৪ এপ্রিল ২০২৪, বৃহস্পতিবার
mzamin

যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত পুরস্কার সিগমা অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক নাজমুল আহসান। বিগত বছরের ডাটা-ভিত্তিক সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে  দেখা হয় এই অ্যাওয়ার্ডকে। তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে ‘বডি কাউন্ট: এক্সট্রাজুডিশিয়াল এক্সিকিউশন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য। মূলত এটি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। নাজমুল আহসানের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভূয়সী প্রশংসা করেছে পুরস্কার প্রদানকারী কমিটি। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি’র সাংবাদিকতা বিভাগ তাদের ওয়েবসাইটে এই পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। কমিটি তার রিপোর্ট সম্পর্কে বলেছে, বডি কাউন্ট একটি অসাধারণ ডাটাভিত্তিক সাংবাদিকতার উদ্যোগ। এতে সংখ্যাগুলো এক ভয়াবহ কাহিনী ফুটিয়ে তোলে। এতে আছে তরতাজা ডাটা এবং ফিল্ড ওয়ার্ক। এই দুইয়ের বাস্তব সমন্বয় ঘটেছে এই রিপোর্টে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশে যেসব অজ্ঞাতনামা সাংবাদিকরা কাজ করছেন ঝুঁকি নিয়ে তাদেরকে কাহিনী সামনে আনার জন্য ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে গোয়েন্দা সংস্থার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়ে তদন্ত করা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য একটি দিকনির্দেশ করে আন্তঃসীমান্ত ডাটা সাংবাদিকতায় এবং সাংবাদিকদের অনিরাপদ পরিবেশ থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। একই সঙ্গে উন্মোচিত হতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো।  নাজমুল আহসান বলেন, এক বছর ধরে বার্কলিতে আমার ডাটা সাংবাদিকতার ক্লাসের মাধ্যমে এই যাত্রার সূচনা।

 আমার প্রফেসররা উদারতার সঙ্গে তাদের গাইডলাইন দিয়েছেন, জটিলতার মধ্যে তারা এই রিপোর্টটিকে বর্তমান রূপে আনতে সহায়তা করেছেন। এ কাজে সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নাজমুল, যাদের অনেকের নাম এখনো অজ্ঞাত। তারা ক্লান্তিহীন গবেষণা করেছেন, একটি ব্যাপকভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরিতে কাজ করেছেন। এক দশকেরও  বেশি সময় ধরে কমপক্ষে ২৫০০ মানুষকে হত্যার ঘটনা পঞ্জি আকারে সাজিয়েছেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা প্রাথমিকভাবে এই ডকুমেন্টগুলো ধারণ করেন। নাজমুল বলেন, সত্যিই এটি টিমওয়ার্কের চেতনার প্রতিফলন। আমরা আগে এটা বুঝতে পারিনি। কিন্তু সম্মিলিতভাবে এটা ফলপ্রসূ হয়েছে। রিপোর্ট ও তা পুরস্কারের জন্য জমা দেয়ার জন্য নাজমুল তার প্রদর্শক পিটার আলদৌস, সু ওহ এবং ইয়োলি মার্টিনেজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, পিটার আমাকে ডাটাগুলো পরিচ্ছন্নভাবে উপস্থাপন এবং ম্যাপে ভিজ্যুয়ালাইজেশনে সহায়তা করেন। সু এবং ইয়োলি ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টে সহায়তা করেন।  উল্লেখ্য, নাজমুল আহসান বাংলাদেশি নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্লুমবার্গ নিউজের একজন রিপোর্টার। এর আগে তিনি আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং ওয়ার্কশপে কাজ করেন। কাজ করেন ইউসি বার্কলিতে ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং প্রোগ্রামে। তিনি ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য ইকোনমিস্ট, ফরেন পলিসি, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল, কলাম্বিয়া জার্নালিজম রিভিউ এবং হারেটজসে রিপোর্ট ও মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেছেন। বার্কলি জার্নালিজমে তিনি অ্যালামনি এডভাইসরি কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক। এখানে উল্লেখ্য, নাজমুল আহসান তার সাংবাদিকতা শুরু করেন দৈনিক মানবজমিন থেকে। তিনি এখানে স্টাফ রাইটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status