ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ রজব ১৪৪৪ হিঃ

মত-মতান্তর

ফ্রাইডে জার্নাল

আমলা সমাচার

ড. মাহফুজ পারভেজ

(৩ মাস আগে) ২১ অক্টোবর ২০২২, শুক্রবার, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫০ অপরাহ্ন

mzamin

ড. মাহফুজ পারভেজ

১. লেখক-সাংবাদিক আব্দুল গণি হাজারি অত্যল্প রচনার মধ্যেও একটি কবিতার কারণে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ষাটের দশকে রচিত কবিতাটি খুবই তীক্ষ্ণ। আমাদের সমাজের পেশাগত গোত্র-বর্ণের কাঠামোয় উপরতলার অবস্থিত একটি বিশেষ শ্রেণির প্রতিকৃতি অঙ্কনে কবিতাটি স্বার্থক হয়েছে, যার শিরোনাম 'কতিপয় আমলার স্ত্রী'। শুরুটা এরকম: "আমরা কতিপয় আমলার স্ত্রী/তোমার দিকে মুখ ফেরালাম/হে প্রভু আমাদের ত্রাণ করো/বিশ্রামে বিধ্বস্ত আমরা/কতিপয় আমলার স্ত্রী/হে প্রভু আমাদের স্বামীরা/অগাধ নথিপত্রে ডুবুরি

(কি তোলে তা তারাই জানে)/পরিবার-পরিকল্পনায় আমরা নিঃস্ব/সময় আমাদের পিষ্ট করে যায়/আমরা কতিপয় আমলার স্ত্রী।"

২. খোদ আমলাগণও নিজেদের নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেছেন। একটি উল্লেখযোগ্য রচনা হলো মাহবুব তালুকদারের 'আমলার আমলনামা'। মূলত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলেও এতে লেখক তাঁর চাকরি জীবনের একাংশের ফিরিস্তি তুলে ধরেছেন। ১৯৭২ সাল থেকে কিছুদিনের ঘটনাবলি একই লেখক তাঁর 'বঙ্গভবনে পাঁচ বছর' গ্রন্থে বিধৃত করেছেন। এরপর তাঁর আমলা জীবনের আরও কাহিনী অন্তর্ভূক্ত হয়েছে 'আমলার আমলনামা'য়। স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের হালফিল বহু বিষয় এবং নানা অজানা তথ্যের জন্য বইগুলো উল্লেখযোগ্য সূত্র।

৩. অধিকাংশ আমলা বা প্রশাসক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ রচনা করেছেন। এদের মধ্যে অন্নদাশঙ্কর রায় থেকে আকবর আলি খান পর্যন্ত বহুজন আছেন।

বিজ্ঞাপন
আমলা-রচিত এসব গ্রন্থের মধ্যে কয়েকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সমাজ, রাজনীতি, রাষ্ট্রীয় নীতি, অর্থনীতি সম্পর্কে মূল্যবান ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও তথ্য রয়েছে। প্রশাসনের অন্দরমহলের নানা ঘটনাও আলোচিত হয়েছে কোনও কোনও গ্রন্থে। সন্দেহ নেই, শাসন ও রাজনীতির নৈকট্যে অবস্থানের কারণে আমলাদের পক্ষে অনেক বিষয়ে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। অনেকেই সেসব অম্ল-মধুর বিষয়সমূহ সততার সঙ্গে লিপিবদ্ধও করেছেন। 

৪. শাসনের প্রয়োজনে বৃটিশদের হাতে আমলাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার পর থেকে বহু মেধাবী মানুষ আমলা বা প্রশাসক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে কাজ করেছেন। যাদের অনেকেই স্বকীয় কর্মের আলোয় উজ্জ্বল। তেমনই একজন আখতার হামিদ খান। বৃটিশ সরকারের গণবিরোধী নীতির বিরোধিতা করে চাকরি পরিত্যাগ করেন তিনি এবং পরবর্তীতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও পল্লী উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে স্মরণীয় হন। আবার এমন অনেক আমলাই আছেন, যারা স্বৈরশাসকের পদলেহী ছিলেন। সরকারের দুর্নীতি ও অনিয়মের সহযোগী-দালাল রূপে কুখ্যাত আমলার সংখ্যাও কম নয়।

৫. পশ্চিমা বিশ্বের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে পেশাদার আমলারা সমাজে ও রাজনীতিতে মোটেও আলোচিত হন না। সেসব দেশে স্ব স্ব কাজের বৃত্তের বাইরে আমলাগণ বের হন না। একটি সুষ্ঠু ও গতিশীল সরকার চালাতে নিভৃতে কাজ করেন তারা। তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য তথা নৈর্ব্যক্তিকতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তারা তাদের সর্বোচ্চ মেধা ও শ্রম ঢেলে দেন সরকার, প্রশাসন তথা দেশ ও মানুষের কল্যাণে। কিন্তু বিপত্তি ঘটে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে। সেসব দেশের আমলাগণ যত না পেশাদার কর্মচারি, তারচেয়ে বেশি রাজনৈতিক। এসব সমস্যা নিয়ে গবেষণা করেছেন হামজা আলাভি। আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন এই সমাজবিজ্ঞানী তাঁর গবেষণার ভিত্তিতে বলেছিলেন যে, উপনিবেশ-উত্তর রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্র হচ্ছে 'ওভারডেভেলপড' বা 'অতিবিকশিত'। ফলে রাষ্ট্রের যা থাকা দরকার তার চেয়ে অনেক বেশি সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র মাথা ভারি করে রেখেছে।

৬. উপনিবেশ-উত্তর রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্রের  'ওভারডেভেলপড' বা 'অতিবিকশিত' রূপ দেখা গেছে ১৯৪৭-পরবর্তী পাকিস্তানে। বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের উত্তরাধিকারী আমলাগণ জন্মলগ্ন থেকেই পাকিস্থানকে রাহুর মতো গ্রাস করেছিল। দেশটির গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী হতে দেয় নি। ২৪ বছরের শাসনে পাকিস্তান খুব অল্প সময়ই রাজনীতিবিদগণের নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ পায়। অধিকাংশ সময়ই দেশটিকে কব্জা করে রাখে সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, যার খেসারত দেশটি আগেও দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। এবং পরিণতিতে সেখানে গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বারোটা বেজেছে। ফলে এখনও পাকিস্তান নানা দিক থেকে সঙ্কটাপন্ন এবং ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে।

৭. বৃটিশ ও পাকিস্তানি আমলাতন্ত্রের ঐতিহ্য ধারায় বাংলাদেশে যে আমলাতন্ত্র বিকশিত হয়েছে, তা মাঝে মধ্যেই নানা কারণে আলোচনা-সমালোচনার সম্মুখীন হয়। একটি নিরপেক্ষ-পেশাদারি সংগঠনের চেয়ে তাদের রাজনৈতিক ও উন্নাসিক কার্যকলাপের খবর প্রাধান্য পায় প্রায়শই। তাদের সুপ্ত রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং নিজস্ব কাজের গণ্ডি ছাড়িয়ে ক্ষমতাসীন দলের ছায়ায় চলে যাওয়ার মানসিকতাও গোপন থাকে না। তথ্য সচিব, চট্টগ্রামের ডিসির মতো অনেকেই যে কয়েকদিন পর পর সংবাদের শিরোনামে চলে আসেন, তা নয়। বরং তাদের আলাদা পদমর্যাদা, বিশেষ আলিশান বাসা-বাড়ি, প্রভূত ক্ষমতা চর্চা, সম্পদ ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব হাসিলের প্রচেষ্টার বিস্ময়কর বিষয়গুলো আলোচনা-সমালোচনা ও চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়। এমনকি, খোদ রাজনীতিবিদগণ পর্যন্ত তাদের বশে আনতে ব্যর্থ হয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ উত্থাপন করেন।

৮. পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবরে এমনও জানা গেছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট, ইউএনওকে স্যার বা ম্যাডাম সম্বোধন না করায় লঙ্কাকাণ্ড হয়েছে। এসব বিষয় গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদমাধ্যমে আসার কথা নয়। সাংবিধানিক এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে নীরবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার কথা। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা স্পষ্ট করে যে, প্রশাসনিক আমলাদের কেউ কেউ রাজনীতি সম্পৃক্ত হন এবং নিজেদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অবাধে প্রয়োগ করেন। নিজের ও পরিবার-পরিজনের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহারের মধ্যে পুরস্কার বাগিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়ও আলোচিত হয়েছে। এমনও রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে যে এক বা একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছেন, নিজেকে জড়াচ্ছেন নানা ধরনের ব্যবসার সঙ্গেও। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জবাবদিহির মধ্যে থাকতে আমলাদের ভীষণ অনীহা। অথচ প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে চাকরিতে প্রবেশের সময় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ঘোষণা দিতে হয়। এরপর পাঁচ বছর অন্তর সম্পদের হ্রাস-বৃদ্ধির বিবরণী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নিয়ম। দুর্নীতি রোধ এবং চাকরিজীবীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আচরণ বিধিমালায় এমন নিয়ম থাকলেও কাগজের এই নিয়ম মানছেন না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনেকেই। 

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১১ ও ১২ ধারামতে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি কেনাবেচা বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করতে হলে বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া কোনও কর্মচারী কেনাবেচা, দান, উইল বা অন্যভাবে বিদেশে কোনো স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা হস্তান্তর করতে পারবেন না। কোনও বিদেশি নাগরিক, বিদেশি সংস্থার সঙ্গে কোনও প্রকার ব্যবসায়িক লেনদেন করতে পারবেন না। ১২ ধারার তথ্য বলছে, সরকারের অনুমোদন ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীর নিজে বা আবাসন প্রতিষ্ঠানের (ডেভেলপার) মাধ্যমে ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট ইত্যাদি নির্মাণ বা কিনতেও মানা। এসব নিয়মকানুনের সঙ্গে আমাদের দেশের আমলারা নিশ্চয় পরিচিত। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়, সেটাও তুলে ধরেছেন অনেক বিশ্লেষক। দায়িত্বশীল মহল থেকে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশ থেকে কানাডায় টাকা পাচারের যে গুঞ্জন আছে, তার কিছুটা সত্যতা আমরা পেয়েছি। মনে করেছিলাম রাজনীতিবিদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু দেখা গেল, রাজনীতিবিদ চারজন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া ২৮টি ঘটনার মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীই বেশি।"

 ৯. সুশাসনের প্রয়োজনে এবং গণতন্ত্রের জন্য দরকার দক্ষ, নিরপেক্ষ, সৎ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার আমলাতন্ত্র, এ কথা সর্বজনবিদিত। আমলাতন্ত্র জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত রাজনৈতিক সরকারের কর্তৃত্বাধীন নির্বাহী বিভাগের অংশ। রাষ্ট্রের তিন প্রধানতম অংশ—সংসদ, বিচার ও নির্বাহী বিভাগের অন্যতম একটি অঙ্গের স্থায়ী, বেতনভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমষ্টি। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা আমলাতন্ত্রকে একটা দক্ষতানির্ভর, পক্ষপাতহীন, শৃঙ্খলাপ্রবণ ও ব্যক্তিনিরপেক্ষ সংগঠন হিসাবে দেখেছেন। নির্ভেজাল পেশাদারি এ গোষ্ঠীর অন্তর্গত শক্তি; যাকে আচরণগতভাবে যান্ত্রিক একটি ব্যবস্থা হিসাবে ধরা যায়। এই প্রশিক্ষিত সংগঠন যখন কোনও উপনিবেশ বা অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কাঠামো তৈরি করে, তখন তার আদর্শ, দর্শন ও লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়। অর্থাৎ শাসকের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও নিজেদের ব্যক্তিগত আর্থিক ও অন্যান্য স্বার্থ হাসিল করাই তখন এর উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার আমলাতন্ত্রে দলবাজি, দুর্নীতি, অমানবিকতা কখনোই কাম্য নয়। দায়িত্বশীলতা, নাগরিকতাবোধ ও দেশপ্রেম একটি স্বাধীন দেশে আমলাতন্ত্রের দার্শনিক ভিত্তি। সর্বাবস্থা তা বজায় রাখা শাসনের জন্য যেমন ভালো, আমলাতন্ত্রের জন্যও মর্যাদাকর। এই মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হলে সুশাসনের ক্ষেত্রেও বিপদ নেমে আসে। ফলে সরকার ও আমলাতন্ত্র উভয়কেই এসব ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হয়।

১০. বাংলাদেশের সংবিধানে নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনীতিবিদরা থাকেন দুটিতে। প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রিসভার পাশাপাশি চার স্তরের স্থানীয় সরকার-সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে নির্বাহী বিভাগে। জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকার হলেও এর নির্বাহী কর্তৃত্ব খুবই কম। এইসব নির্বাহী বিভাগেই কাজ করে আমলাতন্ত্র। আমলাতন্ত্রকে যিনি ব্রত হিসাবে গ্রহণ করবেন, নীতিগতভাবে তার ভূষণ হবে জ্ঞান, মেধা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম। কিন্তু এখন মনে হয় পরিস্থিতি বদলে গেছে। একদম ছোট থেকে বড়-সর্বত্রই কর্তৃত্ব, ক্ষমতা, লোভ, ভোগ ও দখলই যেন পরিণত হয়েছে মূল লক্ষ্যে। প্রচলিত রাজনৈতিক দর্শনে যদি কর্তৃত্বের বাসনা পুষ্ট হয়, তাহলে কর্তৃত্ববাদী ও সামন্ততান্ত্রিক মানসকাঠামো রাজনীতির পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও বিস্তার লাভ করে । তখন এর কুফল মোটেও লুক্কায়িত থাকে না। 'কী দিলাম'-এর বদলে সর্বত্র যখন 'কী পেলাম' ধ্বনিত হয়, তখন কে কাকে সামলাবে?

ড. মাহফুজ পারভেজ, অধ্যাপক-বিশ্লেষক। 

মত-মতান্তর থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: news@emanabzamin.com
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status