ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

বাংলাদেশের জাতীয় সংকটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা

শান্তনা রহমান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার

মর্টার হামলা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করার প্রতিবাদ জানিয়ে একাধিকবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বাংলাদেশ। এর পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার গাড়ির কাছে দৌড়ে ছুটে যেতে দেখা গেছে মিয়ানমারের  রাষ্ট্রদূতকে। দৃশ্যটি মজার ছিল। কিন্তু মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ড মোটেই মজার নয়। যুক্তিসঙ্গতভাবে মিয়ানমারের কাছে অনেক কিছুর জবাব ছিল। তবে রাষ্ট্রদূতের দৌড়ে যাওয়ার কারণ অন্য। তিনি মিডিয়াকে এড়াতে চেয়েছিলেন। মিয়ানমার বাংলাদেশে সামরিক হামলা চালিয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বিশ্বের অন্যতম নির্মম সশস্ত্র বাহিনী, যারা প্রশিক্ষিত। রাখাইন, শান, কারেন্স এবং কাচিনদের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন থামাতে লড়াই করে আসছে অনেকদিন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিপ্রায় নিয়ে অন্তহীন কৌতূহল। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে এটা অবশ্য স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিছু বিশ্লেষক মনে করেছিলেন, মিয়ানমার নিজ থেকে বা অন্য কোনো শক্তির মদতে এই হামলার ছক করেছিল। অনেকে বিশ্বাস করেন, হয়তো চীনের নির্দেশে বাংলাদেশ ও ভারতকে এসব হামলার সংকেত পাঠাচ্ছে। ভারত সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। মিয়ানমারের হামলা এখনো বন্ধ হয়নি। বরং নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংকটের এই সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ স্থানীয়রা যুক্তরাষ্ট্রে বা দেশের বাইরে রয়েছেন। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের কাছে বাংলাদেশের প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানানোর দায়িত্ব তাই একজন নন-ক্যারিয়ার অফিসারের ওপর বর্তেছে। যার কিনা পররাষ্ট্র বা প্রতিরক্ষা বিষয়ে তেমন কোনো অভিজ্ঞতা নেই। মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রতিবাদপত্রটি এমওএফএ’র মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সেক্রেটারি রিয়ার এডমিরাল (অব.) খুরশিদ আলম তুলে দেন। বঙ্গোপসাগরে অধিকার সংক্রান্ত মামলায় ভারত ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর বাংলাদেশের ‘সমুদ্র-জয়ের’ জন্য এই কর্মকর্তাকে ২০১০ সালে সমুদ্র আইনের অধীনে বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে চুক্তি ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনা হয়।  

এর পর থেকে ১২ বছর কেটে গেছে। কিন্তু উপসাগরে কোনো গ্যাস বা তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের কথা শোনা যায়নি। তাতে কি? এই বিশেষজ্ঞের ভাগ্য আকাশচুম্বী হয়েছে। তিনি এখন বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সর্বোচ্চ পদমর্যাদা ভোগ করেন, সরকারের একজন সচিবের মতো। লক্ষণীয় যে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের মতো তার চাকরি থেকে অবসর নেয়া নির্ভর করছে তার নিজের সিদ্ধান্তের উপর। রিয়ার এডমিরাল (অব.) খুরশিদ আলমকে দেয়া এই সুবিধাগুলো প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই যুক্তি দিয়ে রেহাই পেতে পারতো যে, তার নিয়োগ ও চাকরির সময়সীমা কারও জন্য ক্ষতিকর নয়। বিদেশ মন্ত্রণালয় এই নৌ কর্মকর্তাকে যে সুবিধা দিয়েছে তা রক্ষা করার জন্য এই যুক্তিগুলো যদিও অকার্যকর। কারণ মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রতিবাদ নোটটি হস্তান্তরের বিষয়টি এই সত্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে যে, বাংলাদেশ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় অপ্রস্তুত ছিল। বিশেষত, এই সময়ে যখন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মিয়ানমার উসকানি দিয়ে চলেছে। এটা সম্ভবত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত দেশটির সামরিক বাহিনীর উসকানিমূলক তৎপরতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে তার সরকারকে অবহিত করতেই মিডিয়াকে এড়িয়ে গাড়িতে দৌড়ে উঠতে চেয়েছিলেন। জাতীয় সংকটের এমন একটি মুহূর্তে অবসরপ্রাপ্ত এই নৌ কর্মকর্তার কাছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছেড়ে দিয়ে এবং মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাঠিয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে কোনো বার্তা কি দিতে পেরেছে? আগে যখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়টি পেশাদারভাবে পরিচালিত হতো তখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি অলিখিত নির্দেশিকা ছিল। যদি সে সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদলে থাকতেন তখন পররাষ্ট্র সচিব প্রতিনিধিদলের অংশ হতেন না। এই নির্দেশিকাটির পেছনে নীতিটি ছিল সাধারণ পরিস্থিতিতেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যাতে পেশাদার নেতৃত্ব ছাড়া অন্য কারও হাতে না থাকে তা নিশ্চিত করা। যদিও মিয়ানমার থেকে যুদ্ধের বর্তমান উসকানি অনেকটাই ব্যতিক্রমী। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এতদিন বিদেশে থাকার জন্য জাতীয় নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করেছেন।  যদিও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদলে তার বা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ স্থানীয় কারও থাকার কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছিল না। প্রধানমন্ত্রী তাদের ছাড়াই সফর করতে পারতেন। কারণ, বর্তমান মুহূর্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সকলের চেয়ে তার অনেক বেশি কূটনৈতিক দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত নৌ-কর্মকর্তার হাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছেড়ে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেটা করেছেন, তা নিয়ে অনেক কথাই বলা যায়। বাংলাদেশের অগুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি না দেখালেও পারতেন। এটা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন বা যা করেছেন তাতে কী লাভ হয়েছে জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমেডির উপাদানে পরিণত হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে তিনি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বলে অভিহিত করেন। সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহতদের উল্টো সেখানে থাকার জন্য দায়ী করেন। তিনি একইভাবে বিএসএফকে বাংলাদেশিদের হত্যার জন্য দায়ী না করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সংবেদনশীল দ্বিপক্ষীয় সমস্যাটিকে তুচ্ছ করে তুলেন। অতি সম্প্রতি ক্ষমতার পালাবদল যাতে না ঘটে সে জন্য শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য ভারতের সহযোগিতা কামনা করেন। এটা এক অদ্ভুত কূটনৈতিক প্রয়াস। এটি নয়াদিল্লিও নিতে পারেনি। এটা ভারতের জন্য আত্মসম্মানেরও একটা বিষয়। যা গভীরভাবে ভারতকে বিব্রত করেছে। ভারতের দ্য স্টেটসম্যান 'A storm that could hurt ties' শিরোনামে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভারতের কাছে তার বুদ্ধিহীন ও অমার্জিত আবেদনের জন্য চিহ্নিত করেছে। বলেছে, তার আবেদন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে নয়াদিল্লির পায়ের কাছে এনে ফেলেছে। স্টেটসম্যান ভারতের প্রতি মন্ত্রীর আবেদনকে ‘খুবই ভুল সংকেত এবং সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য’ বলে অভিহিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীকেই এখন পরিস্থিতি সামলাতে হবে। কারণ তার মন্ত্রী অন্য কোনো বিকল্প রাখেননি। প্রধানমন্ত্রী এ সম্পর্কে কী ভাবছেন জানা যায়নি। তবে এটা বলাই যায়, ড. মোমেনের মতো বন্ধু থাকলে আর শত্রুর প্রয়োজন হবে না।  

পাঠকের মতামত

পুরো আলোচনাটি অতি সরলিকরন দোষে দুষ্ট এখানে কোন সমাধানের ইংগিত নেই ! মায়ানমারের সেনাবাহিনী সেদেশের বিদ্রোহীদের দমনে দেশের আরো আন্যান্য প্রান্তের মত রাখাইন প্রদেশেও যুদ্ধ চালাচ্ছে সেকারনেই,মর্টার শেল বা মাঝে মাঝে হয়তো আমাদের আকাশ সীমা লংঘন হতে পারে তবে এটাও এক ধরনের হুমকি এর আরো কড়া প্রতিবাদ হওয়া জরুরী । এ বিষয়ে ভারত চীনের পরামর্শ্য চাইতে পারে বাংলাদেশ সেই সংগে দেশের সামরিক বাহিনীর আধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ন !

মান্নান মিয়াজী
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:৪০ অপরাহ্ন

To respond the title of this news, there is nothing wrong being an ex- military officer (member of the arm forces are citizen of this country as well) doing this job. He has been appointed by a non-military administration. By reading the news regarding the issue, I think he has done a better job. UNGA meeting is very big deal many country attend this important meeting with a big team. Perhaps we may agree to disagree, but follow the protocol in this situation.

Moin
৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সময় বিদেশ মন্ত্রী সফরে না গেলেই পারতেন

ashraful alam
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

Reporter has raised correct issue regarding Myanmar but very cheap style. The reporter having no knowledge about Admiral Khurshid and govt has put right person in right position. His contribution on maritime sector is unprecedented. Reporter like him can not evaluate him. Editor should check the report before publishing.

Rubel
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:৫৫ অপরাহ্ন

This report seems published with very shallow knowledge on particular Admiral. The report is emotionally ill as its not projected true fact. The admiral had huge training on strategic, security and diplomatic matter. A naval office had always chances to represent his country outside the country as they visit different country with war ship.He wrote books on maritime issue and contributed his expertise on delimitation issue with India and Myanmar. I am not sure about current crisis but he was acting on behalf seems going fine.His main work sector is different but he can act in all issue as he had vast experience and training.Most importantly he is honest.

Mahboob
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:৫১ পূর্বাহ্ন

প্রতিবেদক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন তা হল পর রাষ্ট্্র মণ্ত্ত্রণালয় কেন অ্যাডমিরাল সামলাবে? উনি কূটনীতিক নন . উনি নৌযুদ্ধ বিশেষঞ্জ. ওনার আত্মীয়দের আর মোমেন সাহেবের আত্মীয়দের এই প্রতিবেদন ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু সঠিক বিষয় তুলে ধরার জন্য প্রতিবেদককে ধন্যযবাদ. ম

পাঠক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ২:০৫ পূর্বাহ্ন

আমাদের ভ্রমন বিলাসী মন্ত্রী, আমলারা সুযোগ পেলেই বিদেশে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। মায়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশ এখন একটি সঙ্কটময় মুহূর্তে আছে । তাদের কাছে সঙ্কটের সময় দেশে থেকে মোকাবেলা করার চাইতে সরকারী খরচে বিদেশ ভ্রমন করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা সেই কাজটিই করছেন ।

Andalib
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১:০৬ পূর্বাহ্ন

Rear Admiral Khorshed Alam was an outstanding officer of Bangladesh Navy. He has vast knowledge on defence related matters. He also made huge contribution for the delimitation of our maritime boundary. The reporter is completely ignorant and does not have any knowledge about this think tank. Myanmar ambassador is running that's not the problem of Rear Admiral. He protested correctly thus the Ambassador was running. The editor must check this kind of report before publishing.

Mahmud
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

This feature from Shantona Rahman is very pragmatic indeed. Mr. Khurshid Alam is an experienced person in a certain track, an expert in the Blue economy, and contributed a lot in this regard. But surely he is not a diplomat, the situation he is facing doesn't go with the nature of his job. I appreciate, Ms. Shantona Rahman has raised a very pragmatic issue in her feature. No doubt the current Myanmar issue demands high priority but unfortunately, foreign Minister, state minister and secretary, none are available to manage or act on it.

Md Alamgir jalil
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন

ইনশাল্লাহ, বাংলাদেশ কোন সংকটে নেই। এই ধরনের প্রতিবেদন দিয়ে দেশের জনগন কে হতাশায় ফেলানো।

শামীম
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

Rear Admiral Khorshed Alam was one of the brightest and most talented officer of our Navy. He has enormous experience in defence related stuff. He also dealt our maritime boundary related matters most efficiently. The reporter does not have much knowledge about this think tank. The reporter is ignorant and made an improper and biased report defaming an individual.

Mahmud Hossain
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

প্রতিবেদক হয়তো গুলিয়ে ফেলেছেন যে নৌবাহিনীর রিয়ার এডমিরাল সচিবের সমমর্যাদার একটি পদবী। যার বিষয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য আকারে ইঙ্গিত করা হয়েছে উনার ব্যাকগ্রাঊন্ড, অতীত অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষন এবং জ্ঞানের পরিধি একজন সচিবের চেয়ে কোন অংশে যে কম নয় তা একটু খোজ নিলেই জানা যেত । সিনিয়রমোস্ট হিসেবে উনি সামনে আসলেও উনার সাথে পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগনও ছিলেন এই বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল ।

মোঃ আতাউর রহমান খান
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১১:২৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে যা ঘটছে তা এই সরকারের নীতি বিরুদ্ধ কিছু নয় বলেই আমার মনে হয়। আমরা এই আলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত সময়টা নিয়ে একটু চিন্তা করলেই তা পরিস্কার হবে। সরকারের দুর্বলতা প্রকাশ পায় এমন কোন পরিস্থিতির সৃস্টি হলে এবং একটি ইস্যু তৈরী হলে সরকার বরাবরই আরেকটি ইস্যু সৃষ্টি করে তা চাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে যেভাবে বাংলাদেশীদের পাখির মত গুলি করে হত্যা করা হয় তার উপযুক্ত প্রতিবাদ এই সরকারকে দিয়ে একটি বারের জন্যও সম্ভব হয়নি। কারণ একটিই, ভারত যাতে রুষ্ঠ না হয়ে যায়। দেশের মানুষের একটি ধারণা ছিল হয়তো তাবেদারীর কারণেই বা দেশে জনসমর্থন নাই বলেই ভারতের তাবেদারী করে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টার জন্যই সরকারের এই প্রচেষ্টা। কিন্তু মিয়ানমারের উস্কানীর কোন কড়া জবাবও এই সরকার দিতে পারেনি। প্রতিবেশী এগ্রেসিভ সামরিক জান্তাকে যদি বলা হয় আমরা যুদ্ধ করতে চাইনা, সুতরাং তোমরা আমাদের দিকে মর্টার ছুড়োনা। এই ধরনের কথা কোন দেশপ্রেমিক সরকারের হতে পারেনা। জনসমর্থনহীন সরকার যে কত দুর্বল হতে পারে এর চেয়ে উ্যকৃষ্ট প্রমাণ মনে হয় আর হয়না।

jamshed Patwari
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

Aowami goverment has bone less foreign minister ( as like as funny robot) that's the reason bangladesh made self offer friendship with india china russia without looking self interest,that's why now we have to go all alone with incase war with myanmar....

Nannu chowhan
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১০:২৩ অপরাহ্ন

Myanmar is doing this for long time and China and India both support Myanmar. Bangladeshi diplomacy failed long time ago so why blaming a pity officer.

Mohhammad
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৮:৫৩ অপরাহ্ন

প্রতিবেদনটির শিরোনাম ও প্রথমদিকটি পড়ে মনে হোল এটি সেই নৌ কর্মকর্তাকে নিয়ে লেখা হচ্ছে কিন্তু শেষাংশে এসে পাওয়া গেল- ঝি কে বকে বৌকে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।।

আনিস উল হক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৭:১৬ অপরাহ্ন

The current BAL government does not know how to take care of the country and the people. It only knows how to keep its grip on power and steal money from the coffer for its enjoyment.

Nam Nai
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ৪:৩৯ অপরাহ্ন

Our PM should act like a PM, not like a premier.

Mustafizur Rahman
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১:৫৩ অপরাহ্ন

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পারফরম্যান্স প্রশংসা যোগ্য। তিনি অত্যন্ত সফলতার সহিত তাঁর মন্ত্রণালয়ের সকল কাজ সম্পন্ন করছেন। বহির্বিশ্ব বা মন্ত্রণালয়ের কোন কাজে মন্ত্রী মহোদয়ের কোন গাফিলতি নেই। বিতর্ক যা হয় তা হলো সাংবাদিকদের কাছে বলা বা মন্তব্য নিয়ে।

Mohammod Abdul Gofur
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১২:০৪ অপরাহ্ন

Nobody will take risk to ride on a sunken boat. Hence Hasina has to drive this sunken boat with the rotten & worthless Foreign Minister.

Rozina
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

চিন, ভারত, রাশিয়া সবাই বাংলাদেশকে পিঠ লেখালো। বিমান বাহিনীর আধুনিক যুদ্ধ বিমান মাত্র ৪টি, মিসাইল উৎপাদন ক্ষমতা নাই। সমরাস্ত্রের ৮৫ ভাগ চাইনিজ। যুদ্ধ লাগলে গোলা বারুদ দিবে না। বাংলাদেশ আসলে সঙ্কটে পড়ে গেছে।

আজিজ
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status