ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

চূড়ান্ত হচ্ছে যুগপৎ আন্দোলনের ছক

স্টাফ রিপোর্টার
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

নির্বাচনের আর বছর দেড়েক বাকি। এরইমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজনীতির মাঠ। গত ১ মাস ধরে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। সরকারি দলের পক্ষ থেকেও দেয়া হচ্ছে পাল্টা কর্মসূচি। এসব কারণে বিভিন্ন স্থানে ঘটছে হামলার ঘটনা। ভোলা এবং নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন বিএনপি’র  তিন কর্মী।  এদিকে চলমান কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি অন্য সমমনা দলগুলো নিয়ে বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনের দিকে এগোচ্ছে বিএনপি। এর প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব শিগগিরই দলের পক্ষ থেকে যুগপৎ আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। চলতি মাসের শেষ অথবা আগামী মাসের যেকোনো সময় এই রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরবে বিএনপি।

বিজ্ঞাপন
 যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা যুগপৎ আন্দোলনের জন্য সবাইকেই আহ্বান জানিয়েছি। রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও সংগঠন যারাই এ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা আন্দোলন করবো।

 রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার ব্যাপারে আমরা কাজ করছি এবং দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে আন্দোলনের রূপরেখা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  এদিকে চলতি মাসেই সমমনা দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংলাপ শুরু করবে বিএনপি। এর আগে দলগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে তারা। এ ছাড়া প্রথম দফার সংলাপে অন্য দলগুলো যে দাবি জানিয়েছে এসব বিষয়ে বিএনপি’র শীর্ষ নেতার সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন দলটির মহাসচিবসহ নীতিনির্ধারকরা। এসব বিষয়েও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছাড়ার কথা জানিয়েছেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তবে বিএনপি’র সঙ্গে আগামীর যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। 

এদিকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ), ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের নেতৃত্বাধীন বিজেপি, শরীফ নূরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন জাসদ, জেবেল রহমান গানির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাপ ও কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সঙ্গেও প্রকাশ্যে সংলাপ করতে চায় বিএনপি। ইতিমধ্যে এসব দলের নেতাদের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের যুগপৎ আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানা যায়। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না মানবজমিনকে বলেন, বিএনপি’র মহাসচিব বলেছেন যুগপৎ আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করবেন। তিনি আগে সেটা ঘোষণা করুন। এটা নিয়ে কথা বলা শুরু করুক। আর দ্বিতীয় দফায় সংলাপ করতে চাইলে যেকোনো সময় সংলাপ করতে রাজি আছি।   

 বিএনপি’র সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া একটি দলের শীর্ষ নেতা মানবজমিনকে বলেন, আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। আবার কিছু কিছু বিষয়ে আরও আলোচনা করতে হবে। আমরা মনে করি, দেশে বিরাজমান সমস্যা সমাধানে সাংবিধানিক ক্ষমতার কাঠামো বদলানো দরকার। এ বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে। আলাপ আলোচনা শেষে আমরা আমাদের কর্মসূচি ঠিক করবো।  বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকারের স্বার্থে সবাইকে এ আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। ইস্পাত কঠিন ঐক্য সৃষ্টি করে বর্তমান সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এজন্য সবাইকে আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থাকতে হবে। এদিকে বিএনপি’র পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করছে নবগঠিত রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চ। আগামী সপ্তাহ থেকেই বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে তারা।  

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, বিএনপি’র সঙ্গে আমাদের অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ আছে। এই মাসের মধ্যে বা আগামী মাসের শুরুতে আমরা মতবিনিময় করবো। আলোচনা করে আমরা কমন রাজনৈতিক ইস্যুগুলো বের করে নিয়ে আসতে চেষ্টা করবো। আগামী মাসের মধ্যেই হয়তো যুগপৎ আন্দোলন শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে।  গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে বিএনপি’র সঙ্গে দলীয়ভাবে কথা হয়েছে। তবে জোটগতভাবে এখনো কোনো কথা হয়নি। তবে একটি রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে গেলে একটি প্রস্তুতির দরকার রয়েছে। একটি দলের রাজনৈতিক লক্ষ্য থাকবে। তাদের নিজস্ব প্রস্তুতি রয়েছে। জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্যও একটি সময়ের দরকার রয়েছে। বিএনপি বলেছে, তারা তাদের মতো করে বক্তব্য তৈরি করছে। খুব শিগগিরই তারা তা প্রকাশ করে অন্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

পাঠকের মতামত

সবাইকে নিয়ে ঐক্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্দোলন করতে হবে।

জাকির হোসেন
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

So far 4 young man lost their lives! It is surprising no one say anything! Every body should protest against this Autocratic acts.

Sulaiman
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১:৫৮ পূর্বাহ্ন

All people across the political divide including ruling party men should join democratic movement for the benefits of all.

Quamrul
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:৩০ অপরাহ্ন

স্বাধীনতা ও মানুষের ভোটাধিকার বিরোধী লুটপাটকারী দুটি দল ছাড়া দেশের সকল রাজনৈতিক দলই আজ অভিন্ন কর্মসূচিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মাঠে থাকার কথা।কিন্তু বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল হওয়ায় তার দলের নেতাদের এমপি,মন্ত্রী হওয়া এবং ক্ষমতার লোভ লালসার কারনে ১০ বছর ধরে এ সরকার টিকে আছে। আর বিএনপির দূর্নীতিবাজ লুটপাটকারীদের সরকার মামলার জালে আটকে নিয়ন্ত্রণ করছে,যার ফলে দিনের ভোট রাতে হলেও এরা কোন কর্মসূচি দেয়নি।নিজেদের সম্পদ রক্ষা ও জেলে যাওয়ার ভয়ে এরা সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেই এই সরকার কে টিকিয়ে রেখেছে।

ইকবাল কবির
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:২৪ অপরাহ্ন

যারাশ বলতেন বিএনপি ক্যাডার ভিত্তিক দল নয়, বিএনপির দাঙ্গাবাজ কর্মী নেই, আছে শুধু জনসমর্থন কিন্তু বিএনপি আন্দোলন করতে জানেনা বা আন্দোলনের মুরোদ নেই ইতিমধ্যে তাঁদের ভুল ভেঙে গেছে। বিএনপির কর্মীরা দাঙ্গাবাজ হয়ে ওঠেনি সত্য, কিন্তু ভয়কে জয় করতে পেরেছে সার্থকভাবে। কুল-কিনারাহীণ মহাসাগরে রাতের আঁধারে ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজ ডুবে গেলে একজন মানুষের বাঁচার জন্য শেষ আশ্রয়টুকুও আর থাকেনা। বাঁচার জন্য একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করাই যখন তাঁর শেষ সম্বল হয়ে পড়ে তখন সত্যি সত্যি গায়েবি সাহায্য নেমে আসে এবং তিনি নির্ভয়ে কুলের ঠিকানা খুঁজে পায়। গত পনের ষোল বছর ধরে বিএনপি মামলার হামলার অথৈ সাগরে সাঁতরাতে সাঁতরাতে যখন ক্লান্তশ্রান্ত হয়ে একরকম নৈরাশ্যের কবলে পড়েছে এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করা ছাড়া বাঁচার অন্য কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই এবং সবাই ধরে নিয়েছে এই বুঝি বিএনপির জীবন্ত সমাধি হয়ে গেলো ঠিক সে মুহূর্তে বিএনপির নেতাকর্মীরা গায়েবি সাহায্যে অলৌকিক শক্তি, মনোবল ফিরে পেয়ে কীভাবে সাহসী হয়ে ওঠেছে তা সত্যিই গায়েবি সাহায্যের অভিজ্ঞতা যাদের আছে তাঁরা ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে সক্ষম হবেনা। আজ আর কেউ বলতে পারবেনা বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করতে জানেনা, বিএনপির আন্দোলনের মুরোদ নেই এসব কথা বিএনপির অতীত হতে পারে কিন্তু, বর্তমানে রাজপথের আন্দোলনে বিএনপি সফল। গুলির মুখে বুক পেতে দিয়েছে, কিন্তু স্থান ত্যাগ করেনি। দাঙ্গা হাঙ্গামা আর সন্ত্রাসী কায়দায় কারা হামলা করতে পারে গুলি করতে পারে একটি শান্তি পূর্ণ মিছিলে তা দেশবিদেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। এখন আর বুঝতে বাকি নেই ২০১৪/১৫ সালে পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন সন্ত্রাস করে কারা মানুষ হত্যা করে বিএনপি ও জামায়াতের উপর দোষ চাপিয়েছিলো। বাড়ি ঘরে হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, মিছিলে সভাসমাবেশে হামলা ও লুটতরাজ এবং মামলার আসামি করে এলাকা ছাড়া করা এবং গুলি করে লাশের পর লাশ পড়ছে তবুও বিএনপির আন্দোলনের কর্মসূচি থেমে নেই। বিএনপি একাই রাজপথে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে, বিএনপির শরিক দলগুলোর এখনো ঘুম ভাঙ্গেনি তা সত্যি বিষ্ময়কর। বুঝতে হবে বিপদ বিএনপির একার নয়, বিএনপিকে কাবু করা গেলে বাকিগুলো পানির মতো তরল। বিএনপির সাংগঠনিক যে বিপর্যয় ছিলো তা তো দেখা যায় বহুলাংশে কেটে উঠেছে। কাজেই বিএনপির আন্দোলনে ঘুরে দাঁড়ানোর এই সময়ে সমমনার যদি চুপচাপ বসে থাকে তাহলে প্রতিপক্ষ একটা একটা করে কাউকে ছাড়বেনা। সুতরাং বিএনপির সঙ্গে সমমনারা যুগপৎভাবে আন্দোলনে নামতে দেরি করলে কুফল বয়ে আনবে।

আবুল কাসেম
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৪ অপরাহ্ন

১৯৯১ হতে শুরু করে বর্তমান রাজনৈতিক ধারায় দেখা যাচ্ছে আপনারা যারাই ক্ষমতায় যাচ্ছেন তারা আর ক্ষমতা ছাড়তে চান না নিজেদের আগেকার রাজা বাদশাহ মনে করছেন। অন্যপক্ষকে তখন রাজ‍্য জয় করার মতই " যুদ্ধে " লিপ্ত হতে হচ্ছে ক্ষমতা পেতে। এই ধারা থেকে রাজনীতিকে কিভাবে বের করে আনা যাবে?

আনিস উল হক
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৭:৩১ অপরাহ্ন

যে কোন উপায়ে রাজপথ দখলে রাকতে হবে।

মেফা
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:৩৪ অপরাহ্ন

It looks like BNP has a different agenda. A neutral gov during election, which BNP demands and an interim gov before any election which the other parties are advocating, are completely two different issues. If they don't have consensus on the core issues, Hasina will prevail.

Mustafizur Rahman
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১:০১ অপরাহ্ন

শেখ হাছিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হলে ধারাবাহিক আন্দোলন করতে হবে আমার মনে হয় বি এন পি এবার পারবে কেননা তারা মার খেয়ে আরও শক্তিশালী হচ্ছে

মোহাম্মদ ছালমান
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

দানবীয় সরকার আলাদিের ক্ষমতার চেরাগ নিয়ে বসে আছে। ক্ষমতাকে যেভাবে যেদিকে ঘুরতে বলবে ক্ষমতা সেদিকেই ঘুরবে।দেশের সমস্ত বিরোধি দল অদ্যাবধি একযুগ ধরে সরকারের সমালোচনায় মূখর থাকলেও সরকারের অপশাসন দুঃশাসনকে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করতে পারেনি। বিরোধি দলের কথা অভিযোগ দাবী কচুপাতার পানির মত চকচক করলেও ঝড়ে পড়ে মাটিতে বিলিন হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার এখন ক্ষমতার বলে ফুলে ফেপে অপ্রতিরোধ্য বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিরোধিদলের কোন কিছুকেই বিন্দুমাত্র ধর্তব্যে নিচ্ছে না কিংবা আমলে স্থান দিচ্ছেনা। ভবিষ্যতে দিবে তারও কোন সুচাগ্র সম্ভাবনা নেই। এমতাবস্থায় সমস্ত ভেদাভেদ মতদ্বৈততা ভূলে ডান বাম ধার্মিক অধার্মিক সব পক্ষকে সিসাঢালা ঐক্যের প্রাচীর গড়ে ভয় ভীতি হামলা মামলা মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে আন্দোলনের সুনামী সৃষ্টি করতে হবে যাতে এক সপ্তাহের মধ্যেই দানব সরকারের পতন নিশ্চিত হয়ে যায়। নয়তো ইহকালে কখন এ সরকারের বিদায় হবে তা শতভাগ অনিশ্চিত।

আলমগীর
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

দল মত নির্বিশেষে আপমর জনগণেরও এক কাতারে শামিল হওয়া দরকার

Abdur Razzak
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status