রিসেট

ছোট ও মাঝারি গরুতেই আগ্রহ ক্রেতাদের

প্রকাশিত: ১৬ জুন (রবিবার), ২০২৪ Archive 2022Source: স্টাফ রিপোর্টার

রোববার বেলা ১২টা। রাজধানীর ভাটারার ১০০ ফিট গরুর হাটের এক নম্বর ফটকে মানুষের ভিড়। দেখে বোঝা গেল ঈদের আগের দিনের গরুর হাটের ব্যস্ততা। কেউ গরু কিনে হাসিমুখে বের হচ্ছেন আবার কেউ কেনার প্রস্তুতি নিয়ে ভেতরে যাচ্ছেন। হাটে কারো চাই গরু কারো ছাগল। তবে বেশিরভাগ ক্রেতাই ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতি নজর দিচ্ছিলেন। আবার এসব কোরবানির পশুর দামও ছাড়ছিলেন না ব্যাপারীরা।

ভাটারার ওই হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ দিন হাওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে বাজেটের বাইরে গিয়েও গরু কিনেছেন। তবে কেউ কেউ সাধ্যের মধ্যে নিজ কোরবানির পশুটি কিনে হাসিমুখেই হাট ছেড়েছেন।

মধ্য বাড্ডা থেকে হাটে আসা ক্রেতা আল মামুন জানান, এবার গরুর দাম অনেক বেশি। আমাদের মত ছোট পরিবারের জন্য একটি ছোট গরুর প্রয়োজন। চাহিদা অনুযায়ী দাম বেশি। ১ লাখের নিচে ব্যাপারীরা  বিক্রি করতে চাচ্ছেন না।

আবু সায়েম নামে আরেক ক্রেতা মানবজমিন কে বলেন,  ভেবেছিলাম আজ দাম কমবে। কিন্তু সেটা হলো না। এখন মনে হচ্ছে একটু বাকি দাম নিয়েই গরু নিতে হবে।

পাবনা থেকে শাহিন মোল্লা ১৭টি গরু আনেন ১০০ ফিট হাটে। শুক্রবারে বিক্রি করেন ১টি গরু। শনিবার আর রোববার ১৩টি গরু বিক্রি করেন। অভিযোগের সুরে এই খামারি  বলেন, ‘ক্রেতারা গতবছরের চেয়েও দাম বেশি বলছেন।  যে লাভের আশায় ঢাকার পশুর হাটে গরু নিয়ে এসেছিলেন তার চেয়ে অনেক কম দামে গরু বিক্রি করতে হয়েছে তাকে।’  

দিনাজপুর থেকে শহীদ উদ্দিন রাজধানীর মেরাদিয়া হাটে ২০টি গরু নিয়ে আসেন। এর মধ্যে ছোট মাঝারি সাইজের ১২টি  শনিবার পর্যন্ত বিক্রি হয়ে যায়। বাকি ৮টি বড় গরু আজ রোববার বিকেল পর্যন্ত বিক্রি হয়নি। অবিক্রিত গরুগুলো সঠিক দাম না করায় বিক্রি করতে পারেননি। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার ও শেষ নেই শহীদ উদ্দিনের। তিনি বলেন, ছোটগুলো বিক্রি করতে পেরেছি। কিন্তু বড়গুলো নিয়ে টেনশন কাজ করতেছে।