ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, মঙ্গলবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৬ শাবান ১৪৪৫ হিঃ

বিশ্বজমিন

কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচি, রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড, নিরাপত্তায় ঘিরে রাখা হয়েছে দিল্লি

মানবজমিন ডেস্ক

(১ সপ্তাহ আগে) ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, মঙ্গলবার, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৪ অপরাহ্ন

mzamin

পাঞ্জাবের কৃষকরা আজ মঙ্গলবার দিল্লি মার্চ কর্মসূচি দিয়েছে। এ জন্য কৃষকদের কমপক্ষে ২৫০টি ইউনিয়ন একত্রিত হয়ে গঠন করেছে কৃষান মজদুর মোর্চা। তাদের সঙ্গে আছে আরও কমপক্ষে ১৫০টি ইউনিয়নের প্লাটফর্ম সংযুক্ত কৃষান মোর্চা। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে সোমবার দিবাগত রাতে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টার মিটিং করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। তাতে কৃষকদের সব দাবি পূরণ হয়নি। এসব কৃষককে দিল্লি প্রবেশের পথে পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। সীমান্ত সিল করে দেয়া হয়েছে। তাদের এই বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দিল্লিকে নিরাপদ দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন
 

কৃষকদের মূল দাবি তাদের শস্যের সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ। ৫ ঘন্টা বৈঠক চললেও এ নিয়ে কোনো সমাধান বা সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। এ নিয়ে ছত্তিশগড়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক চলে কৃষক প্রতিনিধিদের। সোমবার দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। কৃষকদের সঙ্গে এতে অংশ নেন খাদ্য ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী পিযুষ গয়াল এবং কৃষিমন্ত্রী অর্জন মুন্ডা। স্থানীয় সময় রাত ১১টার পর উভয় পক্ষ বিদ্যুত বিষয়ক আইন ২০২০ বাতিল করা, উত্তর প্রদেশের লক্ষ্মীপুরে যেসব কৃষককে হত্যা করা হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ এবং কৃষক আন্দোলনের সময় যেসব কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে তা প্রত্যাহারে একমত হয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দাবিতে একমত হতে পারেননি তারা। এগুলো হলো সব শস্যের জন্য সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণের নিশ্চয়তা দিয়ে একটি আইন করা, কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং স্বামীনাথান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন। 

মধ্যরাতের সামান্য আগে মিটিং শেষে কৃষান মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সারওয়ান সিং পানধার বলেন, ‘দিল্লি চলো’ মার্চ চলমান। দুই বছর আগে আমাদের দাবির অর্ধেক পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। আমরা সমস্যার সমাধান চেয়েছি শান্তিপূর্ণভাবে। কিন্তু সরকার আন্তরিক নয়। তারা শুধুই সময়ক্ষেপণ করছে। 
এর প্রেক্ষিতে দিল্লিতে প্রবেশমুখে সব স্থানে তাদেরকে থামিয়ে দেয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সিঙ্গু, তিকরি এবং গাজীপুর সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। মাসব্যাপী জনসভা নিষিদ্ধ করেছে তারা। শহরে ট্রাক্টর ও ট্রলি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এসব এলাকায় বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বেশির ভাগ সড়কে কংক্রিটের ব্লক ফেলে ও কাঁটাতার ব্যবহার করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। বাণিজ্যিক যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। 

পাঞ্জাবের সঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত সুরক্ষিত করেছে হরিয়ানা কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে আছে আম্বালা, জিন্দ, ফতেহাবাদ, কুরুক্ষেত্র ও সিরসা। রাজ্যে প্রবেশের পথগুলোতে কংক্রিটের ব্লক ফেলা হয়েছে। লোহার পেরেক এবং কাঁটাতার ব্যবহার করে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২১ সালের সরকারি ও বেসরকারি সম্পদের ক্ষতি বিষয়ক আইন সক্রিয় করেছে রাজ্যটি।
উল্লেখ্য, গত মার্চে দিল্লি চলো আন্দোলন ঘোষণা দেয় সংযুক্ত কৃষান মোর্চা ও কৃষান মজদুর মোর্চা। এর মধ্য দিয়ে কৃষকরা তাদের দাবি আদায়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।  

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2023
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status