ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

প্রসঙ্গ বাহার

সিইসি’র ইউটার্ন

স্টাফ রিপোর্টার
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় স্থানীয় এমপি আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহারকে এলাকা ছাড়ার চিঠি দিয়ে আলোচনায় এসেছিল কাজী হাবিবুল আউয়ালের নির্বাচন কমিশন। যদিও এমপি তা আমলে নেননি। সে সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছিলেন। দুই নির্বাচন কমিশনার সমালোচনা করেছিলেন বাহারের। তবে বাহার বলেছিলেন, ইসির চিঠিই এখতিয়ার বহির্ভূত। এতো কিছুর পর এসে ইউটার্ন করলেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। নিজের অবস্থান বদলে তিনি জানিয়েছেন, এমপি বাহার কোনো নির্দেশনা ভঙ্গ করেননি। কুমিল্লার নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যেই সিইসি এই বক্তব্য দিলেন। তার এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছেন, নানা বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাওয়া আগের নির্বাচন কমিশনগুলোর রেখে যাওয়া পুরনো জুতোতেই পা ঢুকিয়েছে নতুন কমিশন।

বিজ্ঞাপন
 

গতকাল নির্বাচন কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেন, আচরণবিধি অনুযায়ী উনি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা তাকে এলাকা ত্যাগ করার আদেশ করিনি। তাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছিলাম, সেই চিঠি আমাদের কাছে আছে। কিন্তু চারদিকে ছড়িয়ে গেল আদেশ করার পরও তিনি প্রতিপালন করতে পারলেন না। এ কথা পুরোপুরি সত্য নয়। নির্বাচন কমিশন কাউকে এলাকা ত্যাগ করার আদেশ দিতে পারে না। তিনি বলেন, এর আগে বলা হয়েছিল একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী গিয়েছিলেন তাকে এক ঘণ্টার মধ্যে এলাকা ত্যাগ করাতে পেরেছিলাম। সেটা ভিন্ন কথা। সেই মন্ত্রী ছিলেন বহিরাগত। আর বাহাউদ্দিন সাহেবের তো ওটা স্থায়ী ঠিকানা। একজন মানুষ তার বাড়িতে থাকতে পারবে না তা তো নয়। হয়তো উনি ডিস্টার্ব করছেন বা কৌশলে প্রচারণা চালিয়েছেন। সেজন্য তাকে অনুরোধ করা হয়েছিল। আমরা আইনকানুন দেখে চিঠি দিয়েছিলাম। 

হাবিবুল আউয়াল বলেন, বাহাউদ্দিন সাহেব কোনো আইন ভঙ্গ করেননি। অভিযোগ আসছিল তিনি গোপনে প্রচারণা চালাচ্ছেন, তাই তাকে অনুরোধ করেছি। তবে উনি চলে গেলে হয়তো ভালো হতো।
কুমিল্লার ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময় বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছি, কোনো বিপর্যয় দেখিনি। সিসিটিভির মাধ্যমে আমরা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলাম। কিন্তু একটা টেলিফোনে ফলাফল পাল্টে গেল-এমন একটি কথা শোনা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে একটা ফোনে ফল পাল্টে যায়, এটা একেবারে অসম্ভব। একটা বা দুইটা টেলিফোন আমি নিজেও করেছিলাম। আমাদের রিটার্নিং অফিসার আমাকে খুব বিপর্যস্ত অবস্থায় ফোন করে বললেন, আমি বিপদে পড়েছি। আমি সেখানে প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি ভাবলাম তাকে মারধর করা হচ্ছে।
আমি এরপর ডিসি-এসপিকে ফোন করেছিলাম। তারা তখন জানালেন তাৎক্ষণিক বিষয়টি দেখছেন। এরপর রিটার্নিং অফিসারকে বললাম, সমস্যা হবে না।

 পরে তিনি জানালেন, পুলিশ এসেছে মানুষকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। উচ্ছৃঙ্খল ঘটনাটা মাত্র ১৫ মিনিট ছিল। কোনোভাবেই ২০ মিনিটের বেশি দীর্ঘ হয়নি। এরপর তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে ফলাফল ঘোষণা করলেন, সেটি আমরা দেখেছি। সিইসি বলেন, একটা ফোনে পাল্টে গেল, এটা একজন বলার পর হাজার মানুষ বললো। এটা আমাদের দেশের কালচার, এটা গুজব। মেশিনের ফল অথবা হাতের রেজাল্ট আমরা ওয়েবসাইটে তুলে দিয়েছি। এমন ঘটনা ঘটেনি।
সিইসি বলেন, ফলাফলের সময় মিছিলের বিষয়টি হয়েছে মানুষের আবেগ উচ্ছ্বাসের কারণে। এটা আমাদের কাছে অনাকাক্সিক্ষত কিন্তু তাদের কাছে কাক্সিক্ষত। তারা উচ্ছ্বাসের কারণেই এটা করেছেন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল ঘোষণার সময় টয়লেটে গেছেন বলে যেটি বলা হচ্ছে, তিনি ন্যাচারাল কলিং হলে যেতেই পারেন। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই। আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলছি, আপনারাও খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন পাঁচ মিনিটে ফল পাল্টানো সম্ভব না।

সিসিটিভিতে কোনো ভোট ডাকাত ধরা পড়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সিসিটিভির মাধ্যমে নির্বাচনের দিন ১১ জনকে আটক করা হয়। তবে গোপন কক্ষে একাধিক মানুষের উপস্থিতি সিসিটিভিতে দেখা যায়নি বলে জানান তিনি। 

সিইসি বলেন, মানুষ আমাদের চেয়ে টকশোকে বেশি বিশ্বাস করে। নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানার কুমিল্লায় দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় কমিশনার বলেননি আমরা দেখে নেবো। তিনি বলেছেন ওয়েট অ্যান্ড সি। কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন আমাদেরও সময় আসবে।

পাঠকের মতামত

সিইসি এতো সহজে ধরা খাবে এটা কেহই কল্পনা করতে পারে নাই।

A. R. Sarker
২৩ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৮:০৬ অপরাহ্ন

যে কমিশন নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকতে পারেনা, কারো হুমকি ধমকি শুনে মরা সাপের মতো সোজা হয়ে যায় এবং আত্মসমর্পণ করতে পারে, ভুলে যেতে পারে নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতা এবং মেরুদণ্ড সোজা করে নিজের অবাধ ক্ষমতা প্রয়োগের মুরোদ নেই যে কমিশনের তাদের দিয়ে প্রভাবমুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা অসম্ভব। কমিশন বাহাউদ্দীন বাহারকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ সম্বলিত চিঠি দিয়ে কার চাপে পড়ে এখন অস্বীকার করছেন তা সহজেই বুঝা যায়। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই স্বাধীন ক্ষমতার চর্চা করার সুযোগ তাদের অবারিত। কিন্তু তা না করে কমিশন অদৃশ্য কোন সুতোর টানে ইউটার্ন করলেন তাও বুঝতে অসুবিধার নয়। চিঠি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি নিজের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন, প্রভাবের কাছে পরাজিত হয়েছেন এবং তার মেরুদণ্ড যে ভাঙা ও হাতপা বাঁধা আছে তার জানান দিয়েছেন। কিন্তু তিনি অস্বীকার করলেই তো হবেনা। তাঁর চিঠি দেয়ার বিষয় এখনো পত্রিকাগুলোর আর্কাইভে রয়েছে। তিনি অথবা যে কেউ ইচ্ছে করলে দেখে নিতে পারেন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের চলমান খবর প্রত্যেকটি খবরের কাগজ অনলাইনে প্রতি মুহূর্তে প্রকাশ করেছে। পরের দিন প্রিন্ট কপিতেও নির্বাচনের চলমান খবর প্রকাশিত হয়েছে। এখানে শুধুমাত্র প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবরগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমেই উল্লেখ করা হচ্ছে, মাননীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. মনিরুল হক ওরফে সাক্কুর চিঠি প্রসঙ্গ। 'স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. মনিরুল হক বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তিনি (সংসদ সদস্য) নির্বাচনী কাজ করছেন। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের কাছে এর প্রতিকার চাই। এতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং সমস্যা হচ্ছে।’ চিঠিতে মনিরুল হক উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে সব প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যক্রম চলছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বহিরাগত নেতা-কর্মীদের আনাগোনা ও চলাচল দিন দিন বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মহানগর দলীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় নেতা-কর্মীদের একত্র করছেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।'... 'এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’' (প্রথম আলো ০৬ জুন ২০২২)। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাক্কুর অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিনকে চিঠি দিয়ে নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। প্রথম আলোতে প্রকাশিত এই খবরের শিরোনাম ছিলো, 'সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিনকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ, প্রথম আলো, নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা, প্রকাশ:০৮ জুন ২০২২, ২১: ০৯।' খবরে বলা হয়েছে, 'ইসির চিঠিতে বলা হয়, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কৌশলে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। ৭ জুন প্রথম আলো ও যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন অত্যন্ত সুকৌশলে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন, যা সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬–এর ২২ বিধির লঙ্ঘন। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করানো হয়। এতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ কারণে এই সংসদ সদস্যকে অবিলম্বে এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে ইসি।' (প্রথম আলো, ০৮ জুন ২০২২)। ইসির পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বলা হলেও মাননীয় সাংসদ বাহাউদ্দিন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ থোড়াই কেয়ার করেছেন। প্রথম আলো খবরটির শিরোনাম লিখেছে, 'ইসির নির্দেশের পরও নির্বাচনী এলাকায় আছেন সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা, প্রকাশ:০৯ জুন ২০২২, ২১: ৪৮। মাননীয় সাংসদ তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, 'তবে গত সোমবার সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন খুদে বার্তায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করি না। আমি কোনো নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহণ করি না। নির্বাচন ছাড়াও আমার অনেক কাজ আছে। সেগুলো আমাকে করতে হয়। আমি সে কাজ করি।’ (প্রথম আলো, ০৯ জুন ২০২২)। মাননীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন নির্বাচন কমিশনের চিঠির বিষয়ে উল্টো প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথম আলো এই খবরের শিরোনাম লিখেছে, 'নির্বাচন কমিশন কি এ ভাষায় চিঠি লিখতে পারে, প্রশ্ন আ ক ম বাহাউদ্দিনের By মহিউদ্দিন, June 15, 2022 at 12:34 PM. খবরে লেখা হয়েছে, 'ইসি যে চিঠি দিয়েছে, তা এখতিয়ারবহির্ভূত এবং ভাষাগতভাবেও ঠিক হয়নি উল্লেখ করে কুমিল্লার এই সংসদ সদস্য বলেন, একজন জাতীয় সংসদ সদস্যকে এভাবে নির্দেশ শব্দ ব্যবহার করতে পারে না। চিঠিটা অসমাপ্ত ছিল। আইনের পুরো ব্যাখ্যা ছিল না। আইনটি নিয়ে সংসদে কথা বলবেন বলে জানান এবং তা সংশোধন করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।' (প্রথম আলো ১৫ জুন ২০২২)। সিইসির জানা থাকার কথা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোনো কথা একবার বলে ফেললে তা ফিরিয়ে নেয়া যায় না অথবা, কঠিন। কারণ মিডিয়ার কাছে সব কথার রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে। এখানে শুধুমাত্র প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবর উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি সবগুলো মিডিয়াতেও অনুরূপ খবরের রেকর্ড রয়েছে। এখন কি করে তিনি বলতে পারলেন, মাননীয় সংসদ সদস্যে তিনি কোনো চিঠি দেননি। প্রথম আলো এই খবরের শিরোনাম লিখেছে, 'বাহাউদ্দিনকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ ইসি দেয়নি : সিইসি নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা প্রকাশ:২০ জুন ২০২২, ১৪: ০৭।' এই শিরোনামের গর্ভে বিস্তারিত খবর রয়েছে। সেদিকে না গিয়ে বলা যায়, ইসি একজন সংসদ সদস্যের কাছে হার মেনেছেন। এখন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক, একজন সংসদ সদস্যকে সিইসি সামলাতে পারলেননা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ৩০০ জন সংসদ সদস্যকে তিনি সামলাবেন কিভাবে? যদি তাঁর কাছে কোনো যাদুমন্ত্র থাকতো তাহলে কুমিল্লাতেই তিনি তা প্রয়োগ করে দেখাতে পারতেন। তাহলে বলার অপেক্ষা রাখেনা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আকাশ কুসুম কল্পনা মাত্র।

আবুল কাসেম
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ২:৫২ পূর্বাহ্ন

ছিঃ ছিঃ

কাজী এনাম
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১:২০ পূর্বাহ্ন

Balloon phoosh

Liakat Chowdhury
২১ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১:০৯ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন কমিশন হচ্ছে একটা নাচের পুতুল তাকে যেমনে নাচাও তেমনি নাচে তাতে পুতুলের কি দোষ।

মুহাম্মদ আলমগীর
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ৯:২৬ অপরাহ্ন

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে কি লাভ। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কখনো সুস্থ করা যাবে না। তাই তত্তাবোধক সরকার অনিবার্য।

মুহাম্মদ আলমগীর
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ৯:২৪ অপরাহ্ন

এই সিইসি বেহুদা সিইসি র ডাবল মামছা,সে কি রকম নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে জনগণ বুঝে গেছে। একজন মহামিথ্যাবাদী দিয়ে আর যাইহোক নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

মোঃ আজিজুল হক
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ৭:২০ অপরাহ্ন

হাবিবুল আউয়াল শুরুতে অনেক হাঁকডাক ছেড়েছেন। তবে দিনশেষে নতুন বোতলে পুরনো মদেরই পূর্বাভাস দেখছি। বরং রাকিব, হুদাদের চেয়ে দ্রুতই নিজের আওয়ামী চেহারা উন্মোচিত করে দিবেন বলেই মনে হচ্ছে। উনি যতই অস্বীকার করুন না কেন কুসিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার শেষ মূহুর্তের ৪৫ মিনিটে কি ঘটেছে তা দুগ্ধপোষ্য শিশুও বোঝে।

Maqsoud
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ১:৫৬ অপরাহ্ন

যেই হুদা,সেই বেহুদা

Ataur
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status