ঢাকা, ২৭ জুন ২০২২, সোমবার, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬ জিলক্বদ ১৪৪৩ হিঃ

বিশ্বজমিন

হাসপাতাল ছেড়েছেন সৌদি বাদশা সালমান

মানবজমিন ডেস্ক

(১ মাস আগে) ১৬ মে ২০২২, সোমবার, ৬:০৪ অপরাহ্ন

চিকিৎসা শেষে রোববার হাসপাতাল ছেড়েছেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ। কোলনস্কোপি করাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা তাকে কিছু সময় হাসপাতালেই বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য কয়েকদিন তিনি হাসপাতালেই ছিলেন। তবে পরীক্ষায় জানানো হয়েছে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তিনি সুস্থ আছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়ে বলছে, ৭ই মে সন্ধ্যায় জেদ্দায় অবস্থিত কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বাদশাকে। সেখান থেকে রোববার তিনি বেতের লাঠিতে ভর দিয়ে ধীর পায়ে বেরিয়ে আসেন। এমন একটি ভিডিও ক্লিপ প্রচার করা হয়েছে সৌদি টিভিতে। এ সময় তার পাশে দেখা গেছে একজন সহযোগী ও তার ছেলে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে। 

সৌদি প্রেস এজেন্সি টুইটারে বলেছে, বাদশা সালমানের মেডিকেল পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিকল্পিতভাবে ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
এক সপ্তাহ আগে রাষ্ট্রীয় মিডিয়া রিপোর্ট করে যে, তার কোলনস্কোপির ফল ‘সাউন্ড’ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা তাকে কিছুদিন হাসপাতালে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

ওদিকে ২০১৭ সালে কানকথা ছড়িয়ে পড়ে যে, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছেন বাদশা। কিন্তু এ রিপোর্টকে গুজব উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করে সৌদি আরব। বাদশা সালমান বিশ্বের সবেচেয়ে বেশি তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের শাসক হন ২০১৫ সালে। একই সঙ্গে তিনি পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষকও। ২০২০ সালে তার মূত্রাশয়ের অপারেশন করা হয়েছে। হার্টে বসানো পেসমেকারের ব্যাটারি পরিবর্তন করা হয়েছে মার্চে। 

তার শাসনকালে সৌদি আরব উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক সংস্কার চালু করে। নারীদের অধিক অধিকার নিশ্চিত করে। ইতিবাচক পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করে। 
 

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

বিশ্বজমিন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com