ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নেতাকর্মীদের ঢল

নৌকায় ভোট দিন আরও উন্নয়ন করবো

নূর ইসলাম, যশোর থেকে
২৫ নভেম্বর ২০২২, শুক্রবার

দেশের চলমান উন্নয়ন ধারা ধরে রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল যশোর স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল  সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। উপস্থিত নেতাকর্মী ও জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই, আগামী নির্বাচনেও আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যশোরে জনসভা করতে পেরে আমি আনন্দিত। এই যশোরে আমার নাড়ির টান আছে। এখানের মাটিতে আমার মায়ের নানা শেখ জহুরুল হক শুয়ে আছেন। তিনি যশোরে চাকরি করতেন। আমার মায়ের বয়স যখন তিন বছর ছিল তখন তিনি মারা যান। ওই সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা এতই খারাপ ছিল যে, তার লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। তাই আমার মায়ের নানাকে এখানে দাফন করা হয়। 

যশোর শহরের শাম্স-উল হুদা স্টেডিয়াম সংস্কার করা হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এজন্য যা যা দরকার আমাদের সরকার করবে।

বিজ্ঞাপন
আমি আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা চাই। একইসঙ্গে আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই, আপনারা আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করবেন। আপনারা যা চাইবেন, আমি তার চেয়ে বেশি দেবো। তার জন্য আপনাদের দুই হাত তুলে আগামীতে নৌকায় ভোট দেওয়ার ওয়াদা করতে হবে। এ সময় জনতা দুই হাত তুলে প্রধানমন্ত্রীকে নৌকার পক্ষে তাদের সমর্থন দেখান। 

দক্ষিণাঞ্চলে আরও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, বিগত দিনে দেশের উন্নয়ন করেছি। আপনারা সুযোগ দিলে আগামী দিনেও উন্নয়ন করবো। কাজেই ওয়াদা দেন, আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করবেন।
যশোরবাসীর প্রতি গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি’র কাজই হচ্ছে সব সময় গুজব ছড়ানো। ওরা নিজেরা কিছু করতে পারে না। ক্ষমতায় যখনই এসেছে, লুটপাট করে খেয়েছে।
তিনি বলেন, যে বাংলাদেশকে খালেদা জিয়া রেখে গিয়েছিল প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বাস করতো। এটাকে আমরা কমিয়ে ২০ ভাগে এনেছি। আমরা যদি আরও কমাতে পারতাম তাহলে বাংলাদেশে দরিদ্র বলে কেউ থাকতো না। হত দরিদ্র ২৫ ভাগ ছিল, সেটা আমরা ১০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। 

তিনি বলেন, আমরা মানুষের কথা চিন্তা করি। করোনার সময় আমরা মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছি। এমন কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ নেই যাদের আমরা সহযোগিতা করিনি। যেসব স্কুল এমপিওভুক্ত না, সেসব শিক্ষকের কাছেও আমি টাকা পাঠিয়েছি। মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন থেকে শুরু করে আমাদের শিল্পী, প্রত্যেককে আমরা সহযোগিতা দিয়েছি। আমরা এ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। টাকা আমরা জনগণকে দিয়ে দিয়েছি। গ্রামে গ্রামে টাকা পাঠিয়েছি যেন করোনার সময় কোনো মানুষের কষ্ট না হয়। তিনি বলেন- দেশে টাকার কোনো সংকট নেই, সংকট বিএনপিতে। তাদের নেতারা টাকা চুরি ও অস্ত্র মামলায় সাজা ভোগ করছে। কীভাবে তারা দেশের মানুষ্যের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটাবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছেন আর আমরা দেশবাসীকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়েছি। যশোরের উন্নয়নে আমাদের সরকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকা- সম্পন্ন হয়েছে। যশোরে দেশের প্রথম আইসিটি পার্ক স্থাপন করে বেকার যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি। আমাদের সরকার দেশের মানুষের হাতে হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক ভালো। আমাদের ব্যাংকে টাকার কোনো সংকট নেই। গতকালও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন দেশে রিজার্ভের কোনো সংকট নেই। রিজার্ভের টাকা দেশবাসীর কল্যাণে ব্যয় করেছি। 

গতকাল সকালে যশোর মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর শীতকালীন কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ করে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে যশোর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত যশোর শাম্স-উল হুদা স্টেডিয়ামে জনসভায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী গাড়িটি সভাস্থলে পৌঁছালে আগে থেকেই মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে লাল গালিচা পেরিয়ে মঞ্চে উঠে তিনি স্বভাবসূলভ ভঙ্গিতে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে পৌঁছানোর আগেই জনসভার মাঠ নেতাকর্মীতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। যশোর ও আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা সকাল থেকে সভাস্থলে আসতে থাকেন। দুপুরের পর সমাবেশের ব্যাপ্তি মাঠ পেরিয়ে আশপাশের সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। নেতাকর্মীরা নানা ধরনের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সভায় অংশ নেন। 

বক্তব্য দেয়ার জন্য বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন জনসভার সঞ্চালক যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি। 
বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী একটি শান্তিপূর্ণ জনসভায় উপস্থিত থাকার জন্য যশোরবাসীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো সরকারই উন্নয়ন করেনি। বিএনপি জামায়াত সরকার যখনই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে তখনই তারা দেশটাকে লুটপাটের কারখানা বানিয়েছে। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। টাকা পাচারের ঘটনায় বিএনপি নেতা তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক জীবন-যাপন করছে। বেগম জিয়া এতিমদের টাকা আত্মসাতের মামলায় সাজা ভোগ করছে। সেই দলের নেতারা বলে তারা নাকি ফের এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। অর্থ লুটপাটকারীদের মুথে রিজার্ভ নিয়ে কথা বলা মানায় না।

তিনি বলেন, জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যার পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি দেশে ফিরে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিলাম। সেই থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদের রায় নিয়ে আমরা বার বার ক্ষমতায় এসেছি। আর যখই আমরা ক্ষমতায় এসেছি তখন দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করেছি। আর অতীতে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তারা জাতিকে একটি ভিক্ষুকের জাতিতে পরিণত করেছিল। বিদেশ থেকে পুরনো কাপড় এনে দেশের মানুষকে পরাতো। মানুষের পেটে খাবার ছিল না। মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না, রোগে চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল না। আমরা ’৯৬ সালে সরকার গঠন করে এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেছি। আমরা ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের চিকিৎসার জন্য গ্রামে গ্রামে কমিউনিটি ক্লিনিক করি। যেখানে আপনারা বিনা পয়সায় এখন চিকিৎসা পাচ্ছেন। বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এসে ২০০১ সালে সেই কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থেকে মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল অস্ত্র, খুন আর হত্যা। এই যশোরেই শামছুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।  মুকুলকে হত্যা করা হয়েছে। খুলনায় আমাদের নেতা মঞ্জুরুল ইমামকে হত্যা করা হয়েছে। খুলনায় সাংবাদিক বালু, মানিক সাহাসহ সাংবাদিককে একে একে হত্যা করা হয়েছে। বিএনপি জামায়াত দেশবাসীকে হত্যা, খুন গুম উপহার দিয়েছে। 
তিনি যশোরসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এই অঞ্চলের উন্নয়নে কোনো কাজই করেনি। আমরা প্রথমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে যশোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম। বেগম জিয়া ক্ষমতায় এসে সেই প্রকল্প স্থগিত করেছিল। আমরা ফের ক্ষমতায় এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নতুন ভবন নির্মাণ করেছি। যশোর মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবন সহ বিভিন্ন বিল্ডিং করেছি।

তিনি বলেন, অর্থনীতি এখন একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। দেশের রেমিটেন্স দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রপ্তানি আয় বেড়েছে আমরা বিএনপি’র রেখে যাওয়া ৫ বিলিয়নের রিজার্ভকে ৪৮ বিলিয়নে উঠাতে সক্ষম হয়েছিলাম। করোনা মহামারির কারণে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সেই ধাক্কা আরও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। পৃথিবীর কোনো দেশই করোনার টিকা বিনা মূল্যে তার দেশের মানুষকে দেয়নি। কিন্তু আমরা কোটি কোটি টাকার করোনা টিকা কিনে দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দিয়েছি। আজও বিনামূল্যে ২ কোটি মানুষকে খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ৯০ টাকায় ইউরিয়া কিনে তা কৃষককে ১৬ টাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, দেশের ১ ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। বেকার যুব সমাজকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কর্মমুখী করতে হবে। এইজন্য যশোরে আমার মায়ের নানা শেখ জহুরুল হকের নামে একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে নারী-পুরুষ সবাই প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।

টানা ৪৫ মিনিটের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী  তার সরকারের আমলে যশোরাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে বলেন, যশোরবাসীর কল্যাণে আরও কিছু উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে বেনাপোল স্থলবন্দরের উন্নয়ন করা হয়েছে। নওয়াপাড়া নদীবন্দরের কাজ প্রথম ধাপে শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। পদ্মা সেতু ও কালনা সেতু চালু হওয়ার কারণে যশোরের মানুষের ভ্যাগ্যের আমূল পরিবর্তন ঘটছে। খুব সহজে তারা কৃষি দ্রব্যাদি ঢাকাসহ সারা দেশে পাঠাতে পারছে বলেও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দেশের একজন মানুষও ভূমিহীন থাকবে না। তার সরকার ভূমিহীনদের জমি ও বাড়ি বিনামূল্যে দান করছে। আগামীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ এলে দেশের একজন মানুষও ভূমিহীন থাকবে না বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন- যশোর ঢাকা রেল লাইনের কাজ এগিয়ে চলছে। যশোর বিমানবন্দরকে আধুনিকায়নের ফলে যশোর কক্সবাজার ফ্লাইট চালু হয়েছে এই বিমানবন্দরের আরও উন্নয়ন ঘটানো হবে। যশোর মেডিকেল কলেজে ৫শ’ শষ্যার হাসপাতাল করা হবে। কপোতাক্ষ নদের নাব্য ও ভবদহ সমস্যার সমাধানে তার সরকার কাজ অব্যাহত রেখেছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তৃতা করেন- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডিয়াম সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকসহ স্থানীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ।

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status