ঢাকা, ১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

প্রথম পাতা

ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদার

স্টাফ রিপোর্টার ও মানবজমিন ডেস্ক
১৫ মে ২০২২, রবিবার

বহুল আলোচিত রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পি কে হালদার ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পি কে হালদারের সঙ্গে তার আইনজীবী সুকুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে শুক্রবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরে সুকুমার মৃধা নামের পি কে হালদারের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির তিনটি বাড়িতে অভিযান চালায় ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ওই অভিযানের সূত্র ধরে শনিবার পি কে হালদারসহ মোট ৬ জনকে অশোকনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভারতের গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। শিবশঙ্কর পরিচয়ে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করা পি কে হালদার তার সহযোগীদের মাধ্যমে সেখানে বিপুল সম্পদ পাচার করেছেন বলেও ইডি’র কর্মকর্তারা তথ্য পেয়েছেন। 

গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম বলছে, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে এক অভিযানে আলোচিত পি কে হালদারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জার্মান সংবাদ সংস্থা ডয়চে ভেলে বলছে, শুক্রবার বাংলাদেশে অর্থপাচার মামলার পলাতক আসামি পি কে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার সম্পত্তির সন্ধানে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এদিন ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাটে দুটি বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় সুকুমার মৃধার বেআইনি সম্পত্তির খোঁজে অভিযান শুরু করে ইডি। কর্মকর্তারা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এই তল্লাশি চালান বলে জানা গেছে। এ সময় তাদের সঙ্গে প্রচুর নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন

বিজ্ঞাপন
মৃধার একটি বাড়ি থেকে প্রচুর অর্থ পেয়েছে ইডি। তবে এই টাকা কোথা থেকে এসেছে সেই বিষয়ে তারা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। ইডি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত শেষে জব্দকৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হতে পারবেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থ পাচার মামলার আসামি প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) জড়িত কিনা তা-ও তদন্ত রিপোর্ট এলে জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে সুকুমার মৃধা বাংলাদেশে বসবাস করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তার অনেক মাছের ভেড়ি আছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ইডি। সুকুমার মৃধার অবৈধ সম্পদ বা অর্থ পাচারের বিষয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দিয়েছিল কি-না সে বিষয়টি ইডি সূত্র নিশ্চিত করেনি। এ ব্যাপরে দুদকের আইনজীবী এডভোকেট খুরশীদ আলম খান গণমাধ্যমকে বলেন, বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো আমার জানা নেই। পি কে হালদার বা সুকুমার মৃধা বাংলাদেশ থেকে ভারতে অর্থ পাচার করলে সেটি ফেরত আনা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তিনি। দুদকের আইনজীবী বলেন, ভারতের কর্তৃপক্ষ যদি নিশ্চিত করে এই অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে, তাহলে আদালতের মাধ্যমে আমরা সেটা জব্দ করতে পারবো।

৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের মামলায় পলাতক পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে। ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের’ এই মামলায় গত বছরের জানুয়ারিতে পি কে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সে সময় দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পর তার অবৈধ সম্পদ দেখাশোনা করতেন সুকুমার ও অনিন্দতা মৃধা। পি কে হালদারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানও করেন সুকুমার মৃধা। পি কে হালদার ভুয়া ঋণ দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ১০০ কোটি টাকা তার মা লিলাবতী হালদারের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে রাখেন। পরে লিলাবতী হালদারের ব্যাংক হিসাব থেকে সুকুমার মৃধা, অবন্তিকা বড়াল ও অনিন্দিতা মৃধার মাধ্যমে আবার পি কে হালদারের কাছে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করা হয়। এভাবে তারা মানিলন্ডারিং করেছেন বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য পেয়েছেন।

দুদক সুকুমার মৃধার প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ এবং তার মেয়ে অনিন্দিতার প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে, যা পি কে হালদারের অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ। সুকুমার মৃধা পি কে হালদারের আয়কর আইনজীবী ছিলেন। পি কে হালদার ও তার মেয়ে আদালতের কাছে তাদের অপরাধ স্বীকার করেন। অবৈধ ক্যাসিনো মালিকদের সম্পদের তদন্ত শুরুর পরে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে দুদক মামলা দায়ের করে। পি কে হালদার ২০০৮ সালে আইআইডিএফসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে তিনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। তাকে গ্রেপ্তার করতে রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল।

পি কে হালদারের জন্ম পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান গ্রামে। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লিলাবতী হালদার। তার মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
পি কে হালদার ও তার ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার দু’জনই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে দু’জনই ব্যবসায় প্রশাসনের আইবিএ থেকে এমবিএ করেন। পাশাপাশি চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) সম্পন্ন করেন পি কে হালদার।  

শিক্ষা জীবন শেষে পি কে হালদার যোগ দেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত উপ-ব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ১০ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়েই ২০০৯ সালে তিনি অদৃশ্য আশীর্বাদে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি পদে যোগ দেন। পি কে হালদারের কারণে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক নানা অনিয়মে জড়ায়।  হালদার দুই ভাই মিলে ভারতে হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে কোম্পানি খোলেন ২০১৮ সালে, যার অন্যতম পরিচালক প্রীতিশ কুমার হালদার। কলকাতার মহাজাতি সদনে তাদের কার্যালয়। আর কানাডায় পিঅ্যান্ডএল হাল হোল্ডিং ইনক নামে কোম্পানি খোলা হয় ২০১৪ সালে, যার পরিচালক পি কে হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী সুস্মিতা সাহা। কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, কানাডার টরন্টোর ডিনক্রেস্ট সড়কের ১৬ নম্বর বাসাটি তাদের।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে কমপক্ষে চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) মালিকানায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসে। সেই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। একটি বিলুপ্তের পথে, বাকি তিনটিও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। নানা কৌশল করে এসব প্রতিষ্ঠান দখল করেন পি কে হালদার। প্রতিষ্ঠান দখল করার জন্য নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলেছেন, শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছেন, দখল করা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে টাকাও সরিয়েছেন। এমনকি দেশের বাইরেও কোম্পানি খোলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বললেন: কূটনৈতিক রিপোর্টার জানান, বাংলাদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে পাচার করে পলাতক এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) ভারতে গ্রেপ্তার বিষয়ে এখনো কিছুই জানে না বাংলাদেশ। এমনটাই দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। পিকে হালদারের গ্রেপ্তার বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানালে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। শনিবার বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মন্ত্রী মোমেন। সেখানে পিকে হালদারে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো এ সম্পর্কে আমাকে কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কেউ কিছু জানায়নি। বিষয়টি আপনাদের মতো আমিও মিডিয়াতে দেখেছি। আমাদের জানালে যা যা করা দরকার সেটি আমরা তাৎক্ষণিকভাবেই করবো। এ বিষয়ে আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসা করতে পারেন। বাংলাদেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পিকে হালদারকে ভারত আটক করেছে এমন গুঞ্জনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা (ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট-ইডি) তথ্য সংগ্রহ করে গেছেন। এর পরের বিষয়গুলো আমি জানি না। বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের ফিরিয়ে আনতে দুর্নীতি দমন কমিশন বহু আগে থেকেই কাজ করছে উল্লেখ করে মোমেন বলেন, অনেক লোক আমাদের টাকা নামে-বেনামে বিভিন্ন দেশে পাচার করেছে। এরা দেশের শত্রু, সুতরাং এদের ধরে আনতে পারলে ভালো। ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্টের (ইডি) বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। অভিযানে পিকে হালদারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিবেদনে প্রশান্ত কুমার হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার ও প্রাণেশ কুমার হালদারের কথা বলা হয়। এর মধ্যে প্রীতিশ হালদার পিকে হালদারের আপন ছোট ভাই। ভারতে তার বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় পিকে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধার কাছে এই অর্থের সন্ধান মেলে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশান্ত কুমার হালদার তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভারতে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা পাচার করেছে। পুরো টাকাই হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণার অশোকনগরে সম্পত্তি কেনার পাশাপাশি আশেপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কলকাতার অভিজাত এলাকাতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। অশোকনগরে পিকে হালদারের অন্যতম প্রধান সহযোগী সুকুমার মৃধার নামে চার বিঘা জমির ওপর একটি প্রাসাদসম বাড়িরও সন্ধান পাওয়া গেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে দুদক গ্রেপ্তার করে। তারা এখনো কারাগারে আছেন। এর আগে ২০১৮ সালে পিকে হালদার এবং তার ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার কানাডার পাশাপাশি ভারতেও হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। সেই প্রতিষ্ঠানের সূত্র ধরেই পিকে হালদার ও তার সহযোগীরা ভারতে অবৈধভাবে অর্থ পাচার করে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলেন।

 

পাঠকের মতামত

একই অপরাধে জড়িত অনেকেরই শাস্তি হয়নি বলেই এই অপরাধ বেড়েই চলেছে। আর এত বড় অংক যারা মেরে দেয়, তারা উচ্চ পর্যায়ের যে কারো সাথে সমঝোতা করে বিদেশ পাড়ি জমাতে পারেন।

জামশেদ পাটোয়ারী
১৪ মে ২০২২, শনিবার, ১০:৪০ অপরাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com