ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

ইডেন কলেজে হচ্ছেটা কি!

স্টাফ রিপোর্টার ও বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার

একের পর এক ঘটনা। আলোচনা-সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে আবারো উত্তপ্ত কলেজ ক্যাম্পাস। মারধর, হামলা, সংঘর্ষ, হোস্টেল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনায় গতকাল দিনভর ছিল উত্তেজনা। এসব ঘটনার জেরে কলেজ ছাত্রলীগের  সভাপতি-সেক্রেটারিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগের একাংশ। এছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান ধরে রাখতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। এমন অবস্থায় আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের অনেকে কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে গেছেন। সংঘাত, সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ছাত্রলীগ।

বিজ্ঞাপন
দুইদিনের তুলকালাম ঘটনার পর কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।  ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া চাঁদাবাজি ও সিট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস কয়েকদিন আগে গণমাধ্যমে কথা বলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধর করে কলেজের হল থেকে বের করে দেয়া হয়। এরপরই কলেজে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নির্যাতনকারীদের মধ্যে রয়েছেন- ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, কামরুন নাহার জ্যোতি, শিরিন আকতার, রিতু, স্বর্ণা, নুরজাহান, ফেরদৌসী, লিমা, পপি, বিজলীসহ আরও কয়েকজন। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরদিন সন্ধ্যায় জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার অনুসারী অন্য নারী নেত্রীরা গণমাধ্যমে কথা বলছিলেন তখন তাদের ওপর পেছন থেকে রীভা এবং রাজিয়ার অনুসারীরা হামলা চালায়। 

 ওদিকে গতকাল বিকালে কলেজের অডিটোরিয়ামের সামনে হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কলেজে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ক্যাম্পাস থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় একটি পক্ষ। আরেক পক্ষ শনিবার রাতের ঘটনার ভুক্তভোগী পক্ষের অংশকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়ে অবস্থান নেয়।  ইডেন কলেজের দুই নম্বর গেটের সামনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরোধী একটি পক্ষকে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা ‘রিভা-রাজিয়া, মানি না, মানবো না’, ‘রিভা-রাজিয়ার, বহিষ্কার চাই, করতে হবে’, ‘রিভা রাজিয়ার ঠিকানা, ইডেনে হবে না’, ‘রিভা-রাজিয়া, ইডেন কলেজের লজ্জা’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়। এদিকে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত তামান্না জেসমিন রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কলেজ প্রশাসন এম্বুলেন্স আনলে রিভার বিদ্রোহীরা এম্বুলেন্সকে বাধা দেন। তাদের দাবি রিভা সহানুভূতি পাওয়ার জন্য সে এখন ‘ভণিতা’ করছে। পরে বিদ্রোহীদের তোপের মুখে তাকে এম্বুলেন্স ছাড়াই ক্যাম্পাস থেকে বের করা হয়। পাঁজাকোলা করে তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার আশেপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বেশ কয়েকজন শিক্ষকও ছিলেন। 

তাকে গেটের বাহিরে বের করার পর বিদ্রোহীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ সময় রিভার কয়েকজন অনুসারীকে হেনস্তা করে গেট থেকে বের করে দেয়া হয়। এদিকে শনিবার রাতের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ভুক্তভোগী সূত্র মানবজমিনকে জানায়, হলের সিট বাণিজ্য এবং তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতেই মূলত জান্নাতুলের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। ঘটনার আগে জান্নাতুল ফেরদৌস হলে যে রুমটিতে থাকতেন সেটা ছেড়ে দিতে বলেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন ওরফে রীভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় জান্নাতুল জানান, তিনি অসুস্থ এই অবস্থায় রুম ছাড়তে পারবেন না।  এরপরই মূলত শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় তারা জান্নাতুলের রুমে হামলা চালায়। এ সময় জেবুন্নেছা হলের দ্বিতীয় তলার ২০৫ নম্বর রুমে সভাপতি তামান্না জেসমিন ওরফে রীভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার নেতৃত্বে সাড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ মেয়ে মিলে হামলা চালায়। এ সময় জান্নাতুল বাইরে ছিলেন। তার রুমে থাকা ৩ জন মেয়েকে মারধর করে। রুমে তারা ভাঙচুর চালায় এবং রুমে থাকা ল্যাপটপ, নগদ ৩০ হাজার টাকা, নববিবাহিত এক শিক্ষার্থীর স্বর্ণের গহনা নিয়ে যায়।  

হামলার আগে তারা ইডেন কলেজের মূল দরজায় তালা মেরে দেয়। এরপর জান্নাতুল যখন হলে প্রবেশ করে এ সময় তাকে রীভা ও রাজিয়ার নেতৃত্বে টেনেহিঁচড়ে হলের সামনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে লাঠি দিয়ে পেটানো, লাথি, চড়-থাপ্পড়সহ বিভিন্নভাবে আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে রীভা ও রাজিয়াও তাকে মারধর করে। এ সময় সে বারবার বমি করলেও তারা তাকে ছেড়ে দেয়নি। জান্নাতুলের সঙ্গে থাকা মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে যায়। তাকে অনেকটা বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও করে তারা। যাতে পরবর্তীতে মারধরের বিষয়ে যেন কথা না বলে। এছাড়া এ সময় তার দুই অনুসারীকে জিম্মি করা হয়। তাদেরকে হল থেকে অন্যত্র আটকে রাখা হয়। এবং তাদের মুঠোফোন কেড়ে নেয়া হয়।  শনিবার দিবাগত রাতে জান্নাতুল ফেরদৌস নামের ওই নেত্রীকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগে তামান্না ও রাজিয়ার বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে অন্য শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তাদেরকে নিবৃত্ত করতে কলেজ প্রশাসনের কোনো ভূমিকা দেখা যায়নি বলে সাধারণ ছাত্রীরা জানিয়েছেন। এর পরপরই সভাপতি রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়াকে হলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে এবং ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় জান্নাতুল ফেরদৌস এবং অন্য ছাত্রলীগ নেত্রীরা।  এদিকে ইডেন মহিলা কলেজ শাখায় বিশৃঙ্খল ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি করে দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। গতকাল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিলোত্তমা শিকদার এবং বেনজির হোসেন নিশির সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুপারিশসহ তাদের তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেবেন।

 সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এ ধরনের নির্যাতন ক্যাম্পাসের নিত্যদিনের ঘটনা বলে অভিযোগ করেন আরেক সহ-সভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে বারবার জানানোর পরও তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একচ্ছত্রভাবে ক্যাম্পাসে অন্যায়-অপরাধ করে বেড়াচ্ছেন। এ ব্যাপারে কলেজ প্রশাসনও নীরব।  সভাপতি-সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা:  কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগের একাংশ। দুপুর ১টায় ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ। এ সময় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির ২০-২৫ জন নেত্রী উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের সুস্মিতা বলেন, আমরা ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। 

সেইসঙ্গে ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটিকে আমরা মানি না। রিভা ও রাজিয়াকে বহিষ্কার করে তদন্ত করতে হবে। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিলে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ২৫ নেত্রী। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী নিবাস প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ২৫ নেত্রী। এ সময় তারা তাদের দাবি মেনে নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। এই ২৫ নেত্রী কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদধারী। শনিবার রাতের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটিও মানেন না বলে এ সময় তারা জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি। তিনি বলেন, জান্নাতুল ফেরদৌসের ওপর হামলায় জড়িতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম আমরা জানতে পেরেছি। তারা হলো- ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা সিদ্দিকা মিম, আর্ণিকা তাবাসসুম স্বর্ণা, শিরিনা আক্তার, সোমা মল্লিক পপি, জিনাত হাসনাইন, লিমা ফেরদৌস, আশরাফ লুবনা, বিজলী আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঋতু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহার জ্যোতি ও ফারজানা ইয়াসমিন নীলা।

গত শনিবার রাতে মারধরের ঘণ্টাখানেক আগে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী নেতাকর্মীরা জান্নাতুল ফেরদৌসের রুমে হামলা চালায়। এ সময় তার রুমে থাকা ল্যাপটপসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পরে হামলার সময় সহ-সভাপতি আয়েশা সিদ্দিকা মিম, রোকসানা জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার সঙ্গে থাকা ছোট বোনের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সভাপতির হাতে তুলে দেয় তারা। গলা থেকে স্বর্ণের চেইন, ব্যাগে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ও ছোট বোনের হাতের আংটিও কেড়ে নেয় হামলাকারীরা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেত্রীরা বলেন, গতকাল গঠিত হওয়া তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে নিশি ও তিলোত্তমাকে। এর আগে যখন রিভার অডিও ফাঁস হয় সেটিরও তদন্ত করতে দেয়া হয়েছিল এই দুই জনকে। তারা সেই তদন্তের কোনো রিপোর্ট আমাদের জানায়নি। নিশি আর তিলোত্তমাকে নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি আমরা মানবো না। বারবার অপরাধ করেও কেন্দ্র থেকে ইডেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

 এবার যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে আমরা এখানে উপস্থিত ২৫ জন একসঙ্গে পদত্যাগ করবো। অভিযুক্তদের একজন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শিরিন আকতার বলেন, প্রশাসন আমাদের পক্ষে আছে। তারা ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা করছিল। আমরা তাদের কাউকে মারধর করিনি। এসব অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে।  বঙ্গমাতা হোস্টেলের তত্ত্বাবধায়ক নাজমুন নাহার বলেন, আমরা মূল ঘটনা এখনো জানি না। আমরা শুনেছি এটা ছাত্রলীগের আভ্যন্তরীণ বিষয়। দুই পক্ষই ছাত্রলীগের। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাজিয়া বেগম ছাত্রী নিবাসের প্রাধ্যক্ষ নারগিস রুমা ও কলেজের অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পাঠকের মতামত

ঐতিহ্যবাহি সংগঠনের ঐতিহ্যবাহি কার্যকলাপ আর কি।

T. U. Khan
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ৯:১০ পূর্বাহ্ন

আর কত নীচে নামবেন. এক ছাত্রলীগের জ্বালায় দেশ অস্থির, আবার ছাত্রীলীগের আগমন.

শেলী
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ২:৩৭ পূর্বাহ্ন

we should think about our next generation who are study there.

Omar Faruk
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ২:১৫ পূর্বাহ্ন

এদের যে বিয়ে করবে তার জীবন ত্যানা ত্যানা করে ফেলবে?

Shah Alam
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ২:০৯ পূর্বাহ্ন

সবাই চেতনায় চেতনায় সয়লাব। এখন মনেহয় চেতনার ছাতা বন্ধ করে রোদে শুকিয়ে ঘরের চিপায় রেখে দেয়াই মঙ্গলজনক।

Siddq
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ১:১৯ পূর্বাহ্ন

সার্কাস

ফারুক হোসেন
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

......আজ যদি এটি ইডেন মহিলা কলেজ না হয়ে 'ইডেন মহিলা মাদ্রাসা' হতো তাহলে 'চেতনাবাজ'দের গায়ে আগুন লেগে যেত। ইসলাম-আলেম-ওলামাদের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতো।

হাবিব, আবুধাবী-ইউএই।
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

গতকাল মারামারি চুলোচুলি যা দেখলাম, তাতে মনে হয়েছে ইডেন কলেজে প্রকৃত ছাত্রী খুব কমই আছে। বেশীর ভাগের চেহারা আর গঠন দেখে মনে হয়েছে তারা সবাই বিবাহিত একেক জন কয়েকজন সন্তানের মা। এদেরকে রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনে এখনো শিক্ষার্থী বানিয়ে রাখা হয়েছে। এদের চেহারাই যেন কসাই কসাই ভাব। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো যারা আনছেন তারাও হয়তো নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় আছেন।

jamshed Patwari
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

এত কিছুর স্বাক্ষি থেকেও এই নির্যাতিত মেয়েরা কিভাবে এমন একটি জঘন্য সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে? যেখানে কলেজটির হল কর্তৃপক্ষও লীগের আভ্যন্তরীণ বিষয় বলে ব্যাপারটিকে হাল্কা ভাবে নেয়! অথচ এই দলটির জোর জুলুম নির্যাতন নিপীড়নের জন্য এই মুহুর্তে দেশের ৯৫% মানুষ এই দলটির বিপক্ষে। ছিঃ

Salma Khatun
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন নৈরাজ্যের প্রধান কারন দলিয় বিবেচনায় অধ্যক্ষসহ প্রশাসন নিয়োগ। দ্বীতিয় কারন শিক্ষক রাজনীতি। তৃতীয় কারন অন্য ছাত্র সংঘটনের রাজনীতিক কর্মকান্ড গায়ের জোরে নিষিদ্ধ রাখা। ক্ষমতার ভারসাম্য বিলুপ্ত হওয়ায় সরকার সমর্থকদের এতোটা বেপরোয়া হয়ে এখন নিজেদের মধ্যে সর্বত্র যুদ্ধ সংঘাতে লিপ্ত হতে দেখা যায়।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:৩১ অপরাহ্ন

আর দরকার নেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি । বাংলার মানুষ মুক্তি চাই। যাদের আশায় বুক বেধেঁ ছিল মা-বাবা,ভাই-বোন,এ দেশ ,এ জাতি, তাদের আজ কি অবস্থা?

MD.MAHMUDUL HASAN
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:৩০ অপরাহ্ন

কার দোষ কে কার উপর চাপাচ্ছে? বুঝা দায়, তবে সাধারনত দেখা যায় যার বেশী অত্যাচারীরাই ক্ষমতার ছায়াতলে থাকে।

টিটো
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:১৬ অপরাহ্ন

সব মন্তব্য পড়লাম। সবার মন্তব্যের সাথে সহমত।

A R Sarkar
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:১০ অপরাহ্ন

সুখ বেশী হয়ে উপচে পড়লে যা হয়, তাই আর কি। এখন, এতো সুখ আর সহ্য হচ্ছে না। অতি সুখের এখন ক্ষরণ হচ্ছে। বিরোধীদল নেই, তাই নিজেদের মধ্যে থেকেই বিরোধী দল তৈরি করে নিয়ে, এসব করছে। কি আর করবেন, দেখতে থাকেন।

Akbar Ali
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৯:০১ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে সরকারী কলেজে মারপিট, ধর্ষণ, অপহরন, চাদাবাজি ইত্যাদি প্রতিদিনের রুটিন । পড়ালেখার ভান করে এখানে চলে আবর্জনা তৈরির প্রতিযোগিতা ।

shiblik
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৮:১৮ অপরাহ্ন

হায়রে স্বাধীন বাংলাদেশ । বর্তমানে বাংলাদেশে ভদ্রতা ,সব্যতা, সত্যকথা বলা, বিলিন হয়ে গেছে হারিয়ে গেছে। ছলচে শুধু মিথ্যা কথা বলা ,কথায় কথায় খুন ,ঘুম,হত্যা লুটপাট করা। শিখ্যা প্রতিষ্ঠান ও সমাজে বেবিচার চলচে।

দোলন
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৮:০৬ অপরাহ্ন

শিক্ষাঙ্গনের এই 'ছাত্র রাজনীতি' আর দরকার নেই! যতদ্রুত সম্ভব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই অপরাজনীতি বন্ধ করা হোক। যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা স্বাভাবিক পরিবেশ নিরাপদে পড়ালেখা করতে পারে।

Nayeem
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:৫৯ অপরাহ্ন

যারযার কাজ সে চালিয়ে যাচ্ছে, কোন সমস্যা নেই। সবই ভাগবাটোয়ারার ব্যাপার। নীতি - আদর্শের বালাই নেই। কে কত বড়ো মাস্তান / চাপাবাজ / তেলবাজ এটা প্রমান করাই মুখ্য উদ্দেশ্য।

SM Rafiqul Islam
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:৪৯ অপরাহ্ন

মুক্তি যুদ্ধের চেতনাধারী মহান ছাত্র লীগ!!!!!!!

মোঃ আতাউর রহমান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:৪৬ অপরাহ্ন

এরাই ছাত্রলীগ। জয়বাংলা জয়ছাত্রলীগ।

মোঃ আজিজুল হক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:২৪ অপরাহ্ন

ছাত্রলীগ মুক্ত হলে শান্তি।

আজাদ আবদুল্লাহ শহিদ
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৭:২৩ অপরাহ্ন

এই ঘটনাগুলো খুবই লজ্জাজনক। এর দায় কে নিবে? কলেজ প্রশাসন না আওয়ামিলীগ। কলেজ প্রশাসন মেরুদণ্ড সোজা করে দায়িত্ব পালন করলে কোন ক্যাম্পাসে এমন ঘটনা হওয়ার কথা নয়। কথা হলো আওয়ামীলীগের ফ্যাসিবাদী শাসনে কোন প্রতিষ্ঠান/কর্তৃপক্ষ কোমড় সোজা করে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না কারণ নির্লজ্জ দলীয়করণ সকল প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে তারা কায়েম করতে সামর্থ্য হয়েছে। আর ছাত্রলীগের এই করুন পরিনতির জন্য তারাই দায়ী। তাদের ক্ষমতায় থাকার অসীম মোহই স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রলীগের এই অধঃপতনের কারণ।

ইয়াসীন খান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৬:০১ অপরাহ্ন

সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। কাউকে গ্রেপতার ও করে নাই কোন ব্যবস্থা ও নেয় নাই। ব্যবস্থা কি নিবে? সরকার ই তো এদেরকে পালে। এদেরকে ব্যবহার করেই তারা ক্ষমতায়। এদেরকে ব্যবহার করেই বিরোধী দল মতের লোকদের উপর আক্রমন করে। মামলা হামলা করে। নাহলে বিরোধীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি চালিয়ে হত্যা করতে কোন দিধা করে না। অথচ এ সব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না কেন? শিক্ষাঙ্গন আজ ধংস হয়ে গেছে। সাধারন শিক্ষার্থীগন লেখা পড়া করতে পারছে না। জনগন জিম্মি হয়ে আছে। গোটা দেশে নৈরাজ্য আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। জনগনের কোন অধিকার আর বাকী নাই।

Salim Khan
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৫:৫৩ অপরাহ্ন

এরা শিক্ষিত হয়ে জাতীর জন্য কি করবে তা বোঝা হয়ে গেছে ।

মোস্তাইন বিল্লাহ
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ৫:০২ অপরাহ্ন

Any sorts of Institutions are building a garbage bin in Bangladesh.

Koyla
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ২:১০ অপরাহ্ন

এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই। এরা জাতি ও ইডেন কলেজের কলন্ক। আগামী দিনের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকি । আর কোন বাবা মা ইডেন কলেজে মেয়েদের লেখাপড়া করাতে চাইবেনা।ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ।এখনো কি সময় হয়নি ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার।

Aklima begum
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

বাঙালী এবার দেখছে বাঘীনির থাবা কাকে বলে।

Mohib
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

বিষে বিষ ক্ষয়।

রুহুল আমিন
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status