ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

শেষের পাতা

এবার বিশেষ সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন

মো. আল আমিন
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার

সদ্য সমাপ্ত সংলাপ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ পর্যালোচনা করে শিগগিরই একটি কৌশলপত্র প্রস্তুত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর এই কৌশলপত্র সামনে রেখে বিশেষ সংলাপে বসবে কমিশন। গতকাল নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবগুলো নিয়ে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই খসড়াটি চূড়ান্ত্ত করা হবে। এরপর ফের গণমাধ্যম, শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ জন ও দলগুলোকে ডাকা হবে। এক্ষেত্রে সংলাপে সাড়া না দেয়া বিএনপি সহ অন্যান্য দলগুলোকেও ডাকা হবে। বিশেষ সংলাপটি অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী। সেখানে সবাই এক মঞ্চেই থাকবে। 

এক্ষেত্রে প্রত্যেক গ্রুপ থেকে চার-পাঁচ জন করে অংশ নেবে। সংলাপে কৌশলপত্রটি উপস্থাপন করে অংশীজনের কাছ থেকে মতামত নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
এরপর সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত কৌশলপত্র প্রণয়ন করবে নির্বাচন কমিশন। মো. আলমগীর বলেন, সংলাপ থেকে আসা প্রস্তাবে তথ্য ঘাটতি (ইনফরমেশন গ্যাপ) আছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে কিছু বলা যাবে না। আমরা সব রেকর্ড রেখেছি। এখন পর্যালোচনা করছি। রাজনৈতিক দলগুলো তিন ধরনের সুপারিশ করেছে। কিছু কিছু সুপারিশ আছে যেগুলো সংবিধান ও আইনের মধ্য থেকে করতে হবে। কিছু কিছু সুপারিশ আইনের পরিবর্তন নিয়ে। আর কিছু কিছু সুপারিশ ইসি’র এখতিয়ারের মধ্যে নয়। সেটা নিয়ে কীভাবে কী করবো, তা যখন আলাপ-আলোচনা করবো, তখন সিদ্ধান্ত নেবো। তখন হয়তো আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবগুলো পাঠিয়ে দেবো। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি। বলেন, নির্বাচন কিন্তু এখনো বেশ দূরে। অনেক পরিবর্তন হয়তো আসবে। আগামী বছরের অক্টোবর, নভেম্বরের দিকে নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে, তা তখন বোঝা যাবে। মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করা, একটু পরিচিত হওয়া, মন খুলে যেন আলোচনা করতে পারে- এজন্য আমরা খোলামেলাভাবে প্রাথমিক আলোচনা করেছি। আগের কমিশন রোডম্যাপ করে আলোচনা করেছেন। আমরা আলোচনা করে রোডম্যাপ করবো। 

আলমগীর বলেন, একজন বলেছেন অনলাইনে ভোট নেয়ার জন্য। এটা তো এখনই পারবো না। অর্থনৈতিক দিক থেকে পারবো কিনা- এসব আলোচনা করতে করতে যেটা বাস্তব, সেটা হয়তো আমরা নেবো। অন্যগুলো হয়তো বাদ রাখতে হবে। আপনি হয়তো খুব ভালো পরামর্শ দিয়েছেন, সেটা হয়তো এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। যেগুলো সম্ভব সেগুলো হয়তো আমরা নেবো। পরবর্তীতে আবার সংলাপ হবে। এই রোডম্যাপ করার পরে আবার আসবে বিশেষ আলোচনা। সেই রাউন্ড কিন্তু আমাদের সামনে রয়েছে। সেই রাউন্ডে বলা হবে যে, আপনারা এইটা করতে বলেছিলেন, আমরা তো করতে চাচ্ছি। কিন্তু এগুলোতে এই চ্যালেঞ্জ আছে, এখন বলেন- আমরা কী করবো। কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো।

তিনি বলেন, বিশেষ সংলাপে হয়তো পাঁচটা গ্রুপ একসঙ্গে বসে আলোচনা করবে। প্রত্যেক গ্রুপ থেকে হয়তো কয়েকজন করে আসবে। এক্ষেত্রে যেই দাবিগুলো খুব বেশি, সেগুলো নিয়ে হয়তো আলোচনা হবে। এবারের মতো বিভিন্ন মহলের সঙ্গে পৃথক পৃথক নয়। হয়তো দিনব্যাপী আলোচনা হবে। তিনি বলেন, বিএনপিকে আবার অবশ্যই ডাকবো। আমাদের কাছে সবার গুরুত্ব সমান। কেউ ছোট না, কেউ বড় না। যখনই প্রয়োজন হবে ডাকবো। শুধু তাই নয়, যখন কোনো দল আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইবে আমরা বসবো। 

বিএনপি’র নির্বাচনে না আসার ঘোষণা নিয়ে সংকটকে রাজনৈতিক সংকট হিসেবেই দেখছে ইসি। এ সংকট মোকাবিলা রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে। আর নির্বাচনকালীন সরকার নিয়েও তারা কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, বিশেষ সংলাপে আমাদের কৌশলপত্রে উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, সুবিধা-অসুবিধা, অর্থ সংক্রান্ত বিষয়, লোকবল, চ্যালেঞ্জ, ইভিএম ইত্যাদি থাকবে। যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে, সেগুলো কীভাবে মোকাবিলা করতে পারি, তা নিয়েই আলোচনা হবে।

সংলাপে সেনাবাহিনীর বিপক্ষে কেউ বলেনি উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের একজন প্রস্তাব দিলো সব কেন্দ্রে সেনাবাহিনী দেয়ার জন্য। তখন আমি উনাকে একটা পাল্টা প্রশ্ন করে বলেছিলাম, আপনি কি জানেন ৪০ হাজার কেন্দ্র আছে। তো ৪০ হাজার কেন্দ্রে আমরা যদি সেনা দিতে চাই কতো আর্মি দরকার? আমাদের তো এত অফিসার এবং আর্মি নাই। তখন আমরা কি করবো? তখন ক্যান্টনমেন্ট খালি করে দিলেও, নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী দিলেও তো হবে না। তখন তিনি বললেন যে, না না, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দেবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দিলেও তো হিসাব করতে হবে। কতো লাগবে-এগুলো তো বললে হবে না তো ভাই। একটা জিনিস তো হিসাবনিকাশ করা লাগবে।

ইভিএমের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু দল ইভিএমের পক্ষে কথা বলেছে, আবার কিছু দল বিপক্ষে কথা বলেছে। আমরা পর্যালোচনা করে দেখবো কোন পক্ষ বেশি নাম্বার পেয়েছে। যে পক্ষ বেশি নাম্বার পাবে, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

পাঠকের মতামত

The EC must heed public opinions. Because the EC works for the people and not for any political party. The EC can conduct survey with the people of Bangladesh on the following issues on elections: (1) Whether the people want non-party and neutral caretaker government during general elections; (2) Whether they want to vote using EVM or paper ballot during any elections; (3) Whether they want UN to conduct the general elections; (4) Whether to deploy armed forces instead of police to maintain the law and order situation during elections; (5) Whether they want a new election commission as the current election commission has lost people's trust for various reasons; etc.

Nam Nai
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:২৩ অপরাহ্ন

সংশোধনীঃ- সবচেয়ে বড় সমস্যা ভোটার তাদের কাঙ্খিত প্রার্থীদের ভোট দিতে না পারা। বিশেষ করে ভোট কেন্দ্রের ভিতরের পরিবেশ ভোটারদের অনুকুলে না থাকা, কোন এক বিশেষ দল কর্তৃক কেন্দ্র দখল করে নেয়া, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়েজিত পুলিশ কোন প্রার্থীর পক্ষ হয়ে কাজ করা। এসবই অপকর্ম হয় কেন্দ্রের ভিতরে। বাহিরে লাইনে দাড়িয়ে থাকা ভোটার বা উৎসুক জনতার জানার কোন উপায় থাকেনা কেন্দ্রের ভিতর কি হচ্ছে। সারা দেশে সাধারণত ৯০ ভাগ ভোট কেন্দ্র হয় স্কুলে বা কোন কমিউনিটি সেন্টারে। আমাদের দেশের এই সমস্যা আরো কিছু দেশে আছে, আফ্রিকারও কিছু দেশে এই সমস্যা আছে। বিশেষ করে দুর্বল গণতন্ত্রের দেশগুলোতে এই সমস্যা প্রবল। গত কয়েক বছর আগে আফ্রিকার একটি দেশে এই সমস্যার সমাধানে তারা একটি বিকল্প ব্যবস্থা বেছে নিয়েছে, এবং তাতে সন্তোষজনক ফলও পেয়েছে। আর তা হলো ভোট কেন্দ্রের বুথ কোন স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারের ভিতরে নয় বাইরে খোলা মাঠে রাখা। মাঠের মাঝখানে গোল করে সার্কেলের মত করে নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং এজেন্টরা বসবেন। মাঠের চারপাশে সাধারণ মানুষের ভোটিং কার্যক্রম দেখার সুযোগ থাকবে। পুলিশ এবং সেনাবাহিনী থাকবে মাঠের বাহিরে, তারা ভোটারদের নির্বিগ্নে কেন্দ্রে আসাটা নিশ্চিত করবে। ভোটিং কার্যক্রমে কোন অনিয়ম হলে সাধারণ মানুষ দেখবে। এই ব্যবস্থায় পুলিং ডাকাতদের ভোট ডাকাতি করার সুযোগ থাকবেনা। যেহেতু চার পাশে সাধারণ মানুষ থাকবে, তাই কেউ অনিয়ম করার সুযোগ পাবেনা। আমাদের সিস্টেমই ভোট ডাকাতি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাছাড়া ফেসিষ্টরা মানুষের মন জয় করার চেয়ে কিভাবে ভোট ডাকাতি করে জিতবে তা নিয়ে এক নির্বাচন থেকে আরেক নির্বচান গবেষণায় কাটিয়ে দেয়। উল্লেখিত ব্যবস্থায় ব্যালট পেপারে নির্বাচন হলে তখন ভোট ডাকাতরা ভিন্ন পন্থায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হুমকি ধমকি দিয়ে কেন্দ্রে আসতে বাধা দিবে। এটা বন্ধ করারও একটা কৌশল আছে তা পরে জানানো হবে।

জামশেদ পাটোয়ারী
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১:২১ পূর্বাহ্ন

সবচেয়ে বড় সমস্যা ভোটার তাদের কাঙ্খিত প্রার্থীদের ভোট দিতে না পারা। বিশেষ করে ভোট কেন্দ্রের ভিতরের পরিবেশ ভোটারদের অনুকুলে না থাকা, কোন এক বিশেষ দল কর্তৃক কেন্দ্র দখল করে নেয়া, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়েজিত পুলিশ কোন প্রার্থীর পক্ষ হয়ে কাজ করা। এসবই অপকর্ম হয় কেন্দ্রের ভিতরে। বাহিরে লাইনে দাড়িয়ে থাকা ভোটার বা উৎসুক জনতার জানার কোন উপায় থাকেনা কেন্দ্রের ভিতর কি হচ্ছে। সারা দেশে সাধারণত ৯০ ভোট কেন্দ্র হয় স্কুলে বা কোন কমিউনিটি সেন্টারে। আমাদের দেশের এই সমস্যা আরো কিছু দেশে আছে, আফ্রিকারও কিছু দেশে এই সমস্যা। বিশেষ করে দুর্বল গণতন্ত্রের দেশগুলোতে এই সমস্যা প্রবল। গত কয়েক বছর আফ্রিকার একটি দেশে এই সমস্যার সমাধানে তারা একটি বিকল্প ব্যবস্থা বেছে নিয়েছে, এবং তাতে সন্তোষজনক ফলও পেয়েছে। আর তা হলো ভোট কেন্দ্রের বুথ কোন স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারের ভিতরে নয় বাইরে, খোলা মাঠে। মাঠের মাঝখানে গোল করে সার্কেলের মত করে নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং এজেন্টরা বসবেন। মাঠের চারপাশে সাধারণ মানুষের ভোটিং কার্যক্রম দেখার সুযোগ থাকবে। পুলিশ এবং সেনাবাহিনী থাকবে মাঠের বাহিরে, তারা ভোটারদের নির্বিগ্নে কেন্দ্রে আসাটা নিশ্চিত করবে। ভোটিং কার্যক্রমে কোন অনিয়ম হলে সাধারণ মানুষ দেখবে। এই ব্যবস্থায় পুলিং ডাকাতদের ভোট ডাকাতি তরার সুযোগ থাকবেনা। যেহেতু চার পাশে সাধারণ মানুষ থাকবে, তাই কেউ অনিয়ম করার সুযোগ পাবেনা। আমাদের সিস্টেমই ভোট ডাকাতি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাছাড়া ফেসিষ্টরা মানুষের মন জয় করার চেয়ে কিভাবে ভোট ডাকাতি করে জিতবে তা নিয়ে এক নির্বাচন থেকে আরেক নির্বচান গবেষণায় কাটিয়ে দেয়। উল্লেখিত ব্যবস্থায় ব্যালট পেপারে নির্বাচন হলে তখন ভোট ডাকাতরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হুমকি ধমকি দিয়ে কেন্দ্রে আসতে বাধা দিবে। তারও একটা কৌশল আছে তা পরে জানানো হবে।

জামশেদ পাটোয়ারী
২ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

একটি প্রধান দলের প্রতি সমর্থন ও দেশের উল্লেখযোগ্য একটা জনগোষ্ঠির সম্পৃততা এবং তাদের নির্বাচনে অংশ গ্রহন বিগত এক যুগ উপেক্ষিত রাখতে পারার কৌশলটি ভিন্ন মোড়কে উপস্থাপন করে বাহিরের চাপ মোকাবিলার ব্যবস্থাপত্র ঠিক হচ্ছে কিনা তা সময় বলে দেবে। তরে আসন্ন সুপার লীগসম আলোচনায় যত পরিশীলিত ও যুতসই ধারনাপত্র তৈরী হোক না কেন একটি বৃহৎ দলের সদয় সন্মতি পেতে ব্যর্থ হলে দিন শেষে সবই পন্ড শ্রম হতে বাধ্য হবে। তখন "হাতে সময় ও সুযোগ নেই'র" অযুহাতে সংবিধান রক্ষা বটিকা না গিলে উপায় থাকবে না।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৭:৩৭ অপরাহ্ন

If BNP comes to any dialogue with the EC and take part in the national election without a caretaker government, its leaders will be called traitors.

Nam Nai
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

To EC - Keep on with dialogues. Never come to any conclusion.

Nam Nai
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১২:৪২ অপরাহ্ন

বর্তমান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুল আউয়াল মহোদয় স্যারকে খুবই অমায়ীক ভদ্র এবং সুজন মনে হয়। কিন্তু স্যার যে ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ সাইক্লোনে বিপর্যস্ত সংসদ নির্বাচন নামক মহাসমুদ্র পাড়ি দেওয়ার অভিযাত্রার প্রধান নাবিক হয়ে যাত্রা শুরু করেছেন সে যাত্রায় সংক্ষুদ্ধ সাগর পাড়ি দিয়ে তীরে পৌছতে পারবেন ত ছহি সালামতে? আওয়ামীলীগ নামক তিমি হাঙ্গরের হিংস্র থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করে শত বাধাঁ বিপত্তি অতিক্রম করে তীরে ঊপস্থিত জনতার বাহবা অর্জনে সক্ষম হবেন ত? আপামর সব জনতা সিইসি মহাশয়ের বিজয় ধ্বণিতে আত্মহারা হতে উল্লসিত উচ্ছ্বসিত। তাই সিইসি মহাশয়ের ধারাবাহিক কর্মপরিকল্পনা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষার পর্যবেক্ষণে আছে সমগ্র বাংলাদেশ।

আকাশ
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

সিইসি মহোদয় সহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের একটা সুষ্ঠু সুন্দর পরিচ্ছন্ন নির্বাচন উপহার দেওয়ার আগ্রহ অনুভূতির কোন কমতি দেখা যাচ্ছে না।বিগত কয়েকটা নির্বাচন কমিশনের তুলনায় বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কাজ কর্ম আচরণ ব্যবহারে অনেকেই তৃপ্ত। কিন্ত ভয় এখানেই বিগত নির্বাচন কমিশনাররাও অনেক মূখরোচক কথা বলেও কথা রাখেননি বরং সরকার যা চেয়েছে তারা তারচেয়ে অধিক বেশি দিয়েছে। সরকারের কোপানল থেকে বর্তমান নির্বাচন কমিশন কতখানি নিজেদের নিরাপদে রাখতে পারবে এ নিয়ে সুধি রাজনৈতিক মহল খুবই উদ্বিঘ্ন এবং চিন্তিত। ফ্রী এবং ফেয়ার নির্বাচন সম্পন্ন হলে বর্তমান সরকার ভোটের বাজারে শুধু ক্ষমতা হারাবে তাই নয় দল হিসাবেও অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই সরকার ক্ষমতা রক্ষার্থে যত প্রকার কলাকৌশল মেকানিজম আছে তার শতভাগ ব্যবহার করে জয়ের জন্য মরণকামড় দিবে।সরকারের সেই টর্ণেডোর ধাক্কা বর্তমান নির্বাচন কমিশন সামলাতে পারবে ত?????????????

আলমগীর
১ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শেষের পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status