প্রথম পাতা
সাক্ষাৎকার
এটা স্যাংশনের চেয়েও ব্যাপক এবং প্রভাবশালী
তারিক চয়ন
২৭ মে ২০২৩, শনিবার
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি স্যাংশনের চেয়েও ব্যাপক আর অনেক বেশি প্রভাবশালী। এটা দেশের জন্য মর্যাদাকর কিছু নয়। এ বিষয়ে আগে থেকে জেনেও জনগণকে না জানিয়ে সরকার অনেক বড় অন্যায় করেছে। মানবজমিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বললেন, নিকট অতীতে কেবল উগান্ডা বা নাইজেরিয়ার মতো অত্যন্ত অনুন্নত গণতন্ত্র কিংবা স্বৈরতান্ত্রিক দেশের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। গণতন্ত্র, নির্বাচন এসব ক্ষেত্রে উগান্ডা বা নাইজেরিয়ার কাতারে নেমে আসাটা নিশ্চয়ই মর্যাদাকর কিছু নয়। প্রচণ্ড বিতর্কিত নির্বাচন করার পর ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে, আরও একটি বিতর্কিত নির্বাচনের পথে অগ্রসর হয়ে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে সরকার। তারা এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে যে, (বাংলাদেশকে নিয়ে) যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের ভিসা নীতি প্রণয়ন করাকে অমর্যাদাকর মনে হলেও এখন আর বেঠিক বা অযৌক্তিক মনে হয় না।

বেশ কিছুদিন ধরেই একটি কানাঘুষা চলছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিদের উপর স্যাংশন দিতে যাচ্ছে। সেদিক বিবেচনায়, অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে হতাশ। আবার অনেকেই বলছেন, ‘এটি স্যাংশন না হলেও ফাদার অফ অল স্যাংশনস।’ স্যাংশনের চেয়ে এর প্রভাব অনেক বেশি ব্যাপক হবে বলেই মনে করছেন আসিফ নজরুল, ‘স্যাংশন কেবল ক্ষমতা কাঠামোর উপরের দিকের কাউকে দেয়া যায়। কিন্তু, ভিসা নীতি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়।
এটা একটা সর্বজনীন পলিসি, যে কারণে এর প্রভাব অনেক বেশি হওয়ার কথা।
বিরোধী দলগুলো যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে রাজপথে তখন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির মাধ্যমে তাদেরকে এই সরকারের অধীনেই নির্বাচনে যেতে প্ররোচিত করা হচ্ছে- এমনটিও মনে করছেন কেউ কেউ। আসিফ নজরুল অবশ্য সে দলে নেই। তিনি মনে করেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই’ এটাও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ। ‘এটা করতে গিয়ে বিএনপি যদি কোনো বাধার সম্মুখীন হয়, সেটাওতো ভিসা নীতির প্রয়োগ করতে গিয়ে আমেরিকান অ্যাম্বাসি অন্যভাবে নিতে পারে। এটা ঠিক, কীভাবে এগুলো ব্যাখ্যা করা হবে তা আমরা জানি না। তবে, এই ভিসা নীতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনকে বাদ দেয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে, এটা আমি কোনোভাবেই মনে করি না। বরং, বিএনপি যদি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ হয়, যদি তারা কৌশলগতভাবে জিনিসটি বুঝতে পারে, তারা বরং এটা বলতে পারে যে- আমরা নির্বাচনে অবশ্যই যেতে চাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কায়েম করো বা দলীয় সরকার প্রধানকে পরিবর্তন করে নির্বাচনকালীন সরকার কায়েম করো।’ এজন্য যদি তারা সভা-সমাবেশ করে, এটাওতো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হবে। তারা এটাকে কীভাবে কাজে লাগাতে পারে, তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের তরফে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নীতির বিষয়ে তারা গত ৩রা মে বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছিল। যদিও সরকার জনগণকে এ বিষয়ে কিছুই জানায়নি। এ বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, এটা সরকারের অযৌক্তিক আর অনেক বড় অন্যায় পদক্ষেপ। এ রকম একটা খবর ৩রা মে’তে জানার পর তারা সেটা জনগণকে জানানোর প্রয়োজন অনুভব করেনি! তারপর তারা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে! প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমেরিকা আমাকে ক্ষমতায় রাখতে চাচ্ছে না। তিনি বলেছেন, আমেরিকা থেকে কিছু আমদানি করবো না। যেখানে আমেরিকাতেই আমরা সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করি! তারপর আমেরিকাসহ কিছু দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিরাপত্তা প্রটোকল প্রত্যাহার করা- এসবকিছুই অত্যন্ত অপরিপক্ক প্রতিক্রিয়া দেখানোর উদাহরণ। এসব প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই ভিসা নীতি তাদের জন্য প্রচণ্ড অসুবিধার সৃষ্টি করেছে। এখন চাপে পড়ে, জনগণ জেনে যাওয়ার পর তারা এটা বলার চেষ্টা করছে যে, ‘না, এটা আমাদের জন্য ভালোই হয়েছে, আমরাতো সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই।’ তাদের আগের যে প্রতিক্রিয়া তার সঙ্গেতো এখনকার প্রতিক্রিয়ার মিল নেই! তারা পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। জনগণকে এতবড় একটা বিষয়ে তথ্য জানানো থেকে দূরে রেখে তারা যা করেছে, তা কোনো দায়িত্বশীল সরকারের কাজ বলে আমি মনে করি না।
আসিফ নজরুলের প্রশ্ন, সরকারের সত্যিকার প্রতিক্রিয়া আসলে কোনটা? ৩রা মে (ঘটনাটি) জানার পর প্রধানমন্ত্রী যে বললেন আমেরিকা আমাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না, সেটা? রাষ্ট্রদূতদের পুলিশ প্রত্যাহার, সেটা? নাকি জনগণ জানার পর আওয়ামী লীগ যে বলছে, আমরাতো সুষ্ঠু নির্বাচন করতেই চাই, এই ভিসা নীতিতে আমাদের কোনো সমস্যা নাই, এটা? সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, যতটুকু মনে হয়েছে- তারা একদিকে খুশি যদি নিজেদের ভোটাধিকার ফেরত পায়। কারণ, এদেশের তরুণ প্রজন্ম ভোট দেয় না। কয়েকটা প্রজন্ম ভোট দেয় না। এটা একটা অদ্ভূত ব্যাপার। তারাতো এই নীতিতে অবশ্যই আশাবাদী হবে এই ভেবে যে, যদি আমাদের ভোটাধিকার ফেরত পাই। আবার অনেকেই দুঃখ পেয়েছে এই ভেবে যে, আমরা আমাদের সমস্যা সমাধান করতে পারিনি দেখে, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারিনি দেখে, মানবাধিকার রক্ষা করতে পারিনি দেখে, রাষ্ট্রীয় যেসব প্রতিষ্ঠান আছে: পুলিশ, বিচার বিভাগ এসবের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারিনি দেখে, প্রশাসন সরকারের অঙ্গ হিসেবে কাজ করে দেখে; যেই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সেই পরিস্থিতির কারণে এই ধরনের ভিসা নীতি আরোপ করার সুযোগ হয়েছে, বাংলাদেশকে উগান্ডা আর নাইজেরিয়ার কাতারে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ফেসবুকে আমরা অনেক সময় মজা করে লিখতাম ‘উগান্ডা নামক দেশে’, বাংলাদেশ বললে যদি মামলা খাই এই ভয়ে। এখন ভিসা নীতির মধ্যদিয়ে আমরা ওই উগান্ডার কাতারেই নেমে এসেছি।
যুক্তরাষ্ট্রের নয়া পদক্ষেপের পর সরকার এবং বিরোধীদের নিজেদের মধ্যে সংলাপ তথা আলোচনার কোনো সুযোগ তৈরি হলো কি? আসিফ নজরুল বলেন, সংলাপের সুযোগ এবং প্রয়োজনীয়তাতো সমসময়ই ছিল। আমি সবসময়ই বলি, সৎ নিয়ত থাকলে যেকোনো সমস্যাই সমাধান করা সম্ভব। সৎ নিয়ত থাকলে সব পক্ষকে বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটাতো প্রমাণিত যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত ভালো নির্বাচন হয়। অথবা নতুন পদ্ধতি হিসেবে, যা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে- আপনি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে পারেন সেখানে নতুন কেউ ওই সরকারের প্রধান হবেন। কারণ, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যদি সরকার প্রধান থাকেন তাহলেতো ওই নির্বাচনকালীন সরকারের প্রতি অনেকের আস্থা না আসার কথা।
সাবেক প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান ৩০/৪০ বছর আগে বিএনপি করতেন বলে তার অধীনে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চায়নি? তাহলে, রাজনীতিতে প্রবেশলগ্ন থেকে যিনি আওয়ামী লীগের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা, আওয়ামী লীগের প্রধান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের অধীনে বিএনপিরতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করার কথা না, বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর। আমি মনে করি, মাঝামাঝি অবস্থা হিসেবে আমরা বিকল্প ভাবতে পারি। উদাহরণস্বরূপ: জাতীয় পার্টির জিএম কাদের সাহেব আছেন। তিনি মন্ত্রী থাকার সময়ওতো যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সুশিক্ষিত একজন মানুষ। এলাকাতেও জনপ্রিয় একজন মানুষ? উনার মতো মানুষ যেখানে আছেন...উনাদের মতো কাউকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করে আমরা একটা বিকল্প ভাবতে পারি কিনা? আমি একটা উদাহরণ দিলাম। সরকার এবং বিরোধী দলের যদি আত্মমর্যাদাবোধ থাকে, দেশপ্রেমবোধ থাকে তাহলে এ রকম আরও কোনো বিকল্প আছে কিনা এই সমস্ত বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
পাঠকের মতামত
যারা নিরপক্ষতার কথা বলে পটর পটর করতেছে, তাদেরকে দায়িত্ব দিলে তারা কি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন? আমার মনে হচ্ছে তো আমি নিরপক্ষ আপনি বাটপার।
১০০% সত্য কথাই বলেছেন, আওয়ামী লীগেরঅধীনে নির্বাচন করা আর আত্মহত্যা করা একই কথা...আওয়ামী লীগের মরণকাল শুরু হয়েছে... দুই জনের মধ্যে মারামারি। শক্তিশালী জন অন্য জনকে বুকের নীচে ফেলে দিল। এবার নীচের জন না পেরে, উপরের জন্য জড়িয়ে ধরে বলছে। আইজকা তোরে ছারুম না। আওয়ামীলীগের হয়েছে এই অবস্থা।
বিএনপি"র সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে এরা পশ্চিমা বিশ্বকে বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছে যে,সরকার যে সংবিধানের দোহাই দিয়ে নির্দলীয় তত্বাবদায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে তা বাংলাদেশের জনমতের কোন প্রতিফলন নয়।সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের নিয়েগ দেয়া বিচারপতিকে দিয়ে তাদের ক্ষমতায় থাকার একটি পাকা বন্দোবস্ত করেছে।সর্বশেষ ঢাকার একজন মেয়রের বক্তব্য তার প্রমাণ।যে তারা একজন প্রধানবিচারপতিকে নামিয়ে দিয়েছিলেন। দেশের সর্বোচ্চ বিচার বিভাগেও যে তাদের প্রভাব এটাই তার প্রমাণ। সরকার এখন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলা হলেই বলে সংবিধানে নাই।সংবিধান থেকে গায়েব করেছে কে?সরকার নিজে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্যই তা করেছে।তাই নতুন ভিসা নীতিতে তো বলে নাই সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার আন্দোলন করলে আমেরিকা ভিসা দিবে না?অথবা সংবিধানে পূনরায় নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার বিল পাস করাতে সরকার কে বাধ্য করার আন্দোলন করতে তো নতুন ভিসা নীতির শর্তে নাই। গত ১৪ বছরে ২৭ টি ঈদ শেষ হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আর মাত্র একটি ঈদই বাকী তাই বিএনপি কি এবার এই ঈদের পর সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন করবে?
ধন্যবাদ আওয়ামী লীগ সরকার কে সাধীনতার ৫২ বৎসর পর আমাদের দেশকে উগান্ডা আর নাইজেরিয়ার কাতারে নিয়ে আসার জন্য। আর এর জন্য আওয়ামী লীগ এর সকল পর্যায়ের নেতাদের ও ধন্যবাদ জানাই।
আমরা আম-পাবলিক, ৫ বৎসর পর একটা ভোট দিতে চাই, তা থেকে কেন আমাদেরকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। হাসিনা /খালেদা কিছুই বুঝি না আমরা, শুধু একটা ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেতে চাই।ধন্যবাদ।
দুই জনের মধ্যে মারামারি। শক্তিশালী জন অন্য জনকে বুকের নীচে ফেলে দিল। এবার নীচের জন না পেরে, উপরের জন্য জড়িয়ে ধরে বলছে। আইজকা তোরে ছারুম না। আওয়ামীলীগের হয়েছে এই অবস্থা।
বেশ! তাহলে তো সরকারের পদত্যাগ ও তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ছাড়াই নির্বাচনে আসতে বিএনপির আর কোন ভয় নাই। এটা কি আসলে বিএনপির জন্য একটা মুখরক্ষা ব্যবস্থা ন্নয়?
Thank u sir..
Thank you sir, for your valuable speech,
নির্বাচনে কারচুপির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, যারা অগ্রণী ভূমিকা রাখবে; তাদের মনে এটা ভয়ঙ্কর ভীতি ধরাবে।--- হায়রে মানুষ !কারচুপির সঙ্গে যারা জড়িত আমেরিকার নীতি তাদের মনে ভীতি ছড়াবে তাই আপনি তাদের জন্য ভীত;এখানে জনগণের বলার কিছু নেই ওটা আপনার নিজস্ব মতামত।আমেরিকাতে লোকজন ছেলেমেয়েদের পড়াতে চায় এটা আপনি বলেছেন, বাংলাদেশের আম জনগণের মেধাবী ছেলে মেয়ে যারা ভাল বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার যোগ্যতা রাখে ওদের কয়জনকে আমেরিকা ভিসা দেয়? আপনার জানা থাকতে পারে হয়ত। এইটা, সেইটা, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, সলভেন্সি ইত্যাদি গেড়াকলে তাদের আটকে দেয়, সমস্ত ভিসা পায় ওই সমস্ত বিশেষ (?)ব্যক্তিদের ছেলেমেয়েরাই।আবার অনেকেই আছেন যাবা সুযোগ থাকতেও সন্তানদের বিদেশে পাঠান না,দেশে পড়াতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে রয়েছে! জি সেভেন কান্ট্রিস এর কোন দেশে ডুয়েল ন্যাশনালিটি থাকা সত্ত্বেও সন্তানকে বাংলাদেশের নামকরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি, কই মনেতো কোন হীনমন্যতা বোধ, কষ্ট কিছুই নেই।আমেরিকান পরিবর্তিত ভিসা নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সম্ভাবনা আছে ঐ সমস্ত হাতে গোনা বিশেষ(?) ব্যক্তিদের, অন্যদের নয়।
বিরোধী দল হল জাপা,আর স্যাংশন আসছে যারা ভোট ডাকাতি, চুরি করে এবং চুরিতে সহায়তা করেছিল (ডিসি,এসপি,সচিব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি)তাদের উপর।
সঠিক বলেছেন
Real patriot. Fair explanation and opinion. Salute sir.
স্যার, বিরোধীদলের বিষয়েও কিন্ত বলা অাছে। বুধবার রাতে চ্যানেল আই’র তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন মার্কিন সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডনাল্ড লু। তিনি ঘোষিত ভিসা নীতির ব্যাখ্যাসহ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই নীতি প্রয়োগ করা হবে সমভাবে সরকার ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের ক্ষেত্রে। উদাহরণ হিসবে ধরুন, যদি আমরা দেখতে পাই বিরোধী দলীয় কোনো সদস্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে সহিংসতায় জড়িত, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শনে জড়িত, তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না। একইভাবে আমরা যদি দেখি সরকারি কোনো সদস্য, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ভোটারদের ভীতি প্রদর্শনে জড়িত, সহিংসতায় জড়িত, মুক্ত মত প্রকাশ বাধাগ্রস্ত করছেন, তাহলে ওই সদস্যকে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেবো না।
You are always Right sir. You are the Great sir. Thank you so much.
আপনি সত্য কথাই বলছেন। জনগণের ভোট অধিকার ফিরিয়ে দেয়া উচিত।
ধন্যবাদ, যথার্থ, দেশ-সমাজ সচেতন শিক্ষকীয় মতামতের (দল কানা শিক্ষক নয়) জন্য।
Political foolishness will have immediate impact on young Bangladeshi students who plan to come to the US universities. My area has very high paying jobs for STEM (science, technology, engineering, Math) graduates, especially post-graduates. US new visa policy for Bangladesh will be a serious blow to prospective Bangladeshi students planning to pursue US higher education. Bangladeshi politicians are illiterate in world affairs. The education policy is pathetic. Chinese, Koreans and Indians are taking the high paying jobs in my area. You can be a strong voice to push for excellence in Bangladesh education policy, Professor Asif Nazrul.
আমেরিকান লবিকে প্রতিহত করতে হবে। এদের হস্তক্ষেপ কখনো ভাল ফল নিয়ে আশে নাই। আগেরবার এরা মাইনাস টু ফরমুলা নিয়ে আসছিল এবং আমরা ভারতের আধা উপনিবেশ এ পরিনত হয়েছিলাম। বিএনপি মাঠে আন্দোলন করতে না পারলে কোন লাভ হবে না।
স্যারের অধিকাংশ কথার সাথে একমত।বক্তব্যের প্রত্যেকটি লাইন আমরা সাধারণ জনগন নাগরিক হিসেবে মনে লালন করি।তবে,প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে এদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভাড়াতের নগ্ন হস্তক্ষেপ নিয়ে কেউ জোর দিচ্ছে না।১৪র পর থেকে ভাড়াত/গেরুয়া অপতৎপরতা চোখে পড়ার মতো ছিলো।ভাড়াতের প্রকাশ্য মদদে চেতনাবাজ দালালরা বিনা নির্বাচনে জাতির পিতার কথিত ছাপ্নার ধোঁয়া তুলে,ফাঁপা উন্নয়নের পৌরাণিক কাহানি মাহা ভাড়াত শুনিয়ে ১০বছর আমাদের শোষণ করেছে।আমরা ওসব কেনো ভুলে যাবো? ব্যক্তিগত মতঃ নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে আমি নিরাপত্তা বিশ্লেষক,সাবেক ইসি জনাব এম শাখাওয়াত হোসেনকে আগে রাখবো।
১০০% সত্য কথাই বলেছেন
মেধাবী ও প্রাজ্ঞ অধ্যাপক মহোদয় যা উপলব্ধি করেন তার ভিক্তিমূলে রয়েছে তাঁর দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক অপক্ষপাত । অন্য দিকে ঝেঁকে বসা ক্ষমতশীনগন কেবলই ব্যক্তিগত লাভ লোকসানের হিসাব কষে ক্ষমতাহীন বিরোধী নেতাদের মার্কিন ভিসানীতি ফলে কল্পিত ক্ষতি কষতেই পুলক অনুভব করছেন। ভিসানীতির অভিঘাতে দেশের যে চরম অপমান হয়ে গেল বা করে ফেলল সে বিষয়ে নূণ্যতম দূঃচিন্তা বা মনোবেদনা লক্ষ্য করা গেল না। এই যে উপলব্দিগত দৈণ্যতার প্রধান কারন হলো একক সত্ত্বার একচেটিয়া সিদ্ধান্তে দলের ভ্রান্ত নীতিতে অভ্যস্থ হতে হতে চূড়ান্ত পরিনতী বুঝতে ব্যর্থ হওয়া অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। যে কারনে রাজনৈতিক ভুলের জন্য শিষ্টাচারপূর্ন মার্জনা ভিক্ষার পরিবর্তে দ্বিমত পোষনকারি সুধিগনকেও উপেক্ষা বা তিরস্কার করতে ছাড়েন না। সমস্যা সমাধান করার প্রথম সোপান হলো তা উপলব্ধিতে আনা । কিন্ত তা যখন উপেক্ষিত থাকে তখন সেই সমস্যাই ব্যর্থতা বা পরাজয় ডেকে আনে। ক্ষমতায় মোহাচ্ছন্ন থাকলে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তিরোহিত হয়। সমস্যাটা এখানেই।
Khela hobe na, Khela already started. We can get safe exit if we made over charges to a caretaker/neutral government. Otherwise everyone will be supperer ...
Why do you insult Uganda and Nigeria? Bangladesh is no better off than these two.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইলেকশনের কারনে কোনো বাংলাদেশী সরকারি অথবা বেসরকারি নাগরিককে ভিসা দিলো, কি না দিলো তাহাতে বাংলাদেশীদের এতো মাথা ব্যাথা হবার কোনো কারণ আমি দেখি না। মাথা ব্যাথা অবশ্যই তাহাদের হবে যাহাদের আমেরিকাতে স্বার্থ জড়িয়ে আছে, যেমন, যাহারা অবৈধ ভাবে ডলার/টাকা পাচারের মাদ্ধমে বেনামীতে আমেরিকার ব্যাঙ্ক-এ ডলার রেখেছেন, আমেরিকাতে বাড়ি ঘর, ধনসম্পত্তি করেছেন, এমনকি, প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাবার চিন্তা করছেন --- আনিস আহমেদ, ম্যারিল্যান্ড, ইউএসএ