ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

চলতি মাসেই বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার

উচ্চ হারে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ার পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসছে। চলতি মাসেই বাড়ানো হতে পারে বিদ্যুতের দাম। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের    উপর গণশুনানিকালে বিইআরসি’র টেকনিক্যাল কমিটি পাইকারি বিদ্যুতে ২ দশমিক ৯৯ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। অর্থাৎ প্রায় ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ওই কমিটি। ওই কমিটির সুপারিশকেই গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত করা হচ্ছে বিদ্যুতের নয়া দাম। এমনিই ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর একজন সদস্য। বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি হলেও খুচরা কোম্পানিগুলোও দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এ বিষয়ে বিইআরসি’র সদস্য (বিদ্যুৎ) মোহাম্মদ বজলুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী শুনানির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যেই দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আশা করি, চলতি মাসেই বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করতে পারবো। দাম কতো টাকা বাড়বে জানতে চাইলে এই সদস্য জানান, গণশুনানিতে বিইআরসি’র টেকনিক্যাল কমিটির একটি সুপারিশ মানুষ জেনেছে।

 সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে কমিশন আগাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
এদিকে, গত ৫ই আগস্ট গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বিদ্যুতের প্রাইসের অ্যাডজাস্টমেন্টের ব্যাপারে আমরা অপেক্ষায় আছি। গ্যাসের ব্যাপারে আমরা আরেকটা অ্যাডজাস্টমেন্টে যেতে চাচ্ছি। কিছুদিন আগে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে, সে দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যে দামটা বাড়িয়েছি সেটা গত বছরের ডিসেম্বরের পরিস্থিতি বিবেচনায়। সে কারণে আমি মনে করি, গ্যাসে আমাদের আরেকটা অ্যাডজাস্টমেন্ট হওয়া উচিত।  গত ১৮ই মে বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়ানোর বিষয়ে শুনানি হয়। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর দিকেই এগোচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ভোক্তা সংগঠনগুলো বলছে, এই মুহূর্তে দাম বাড়ানো হলে তা জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কোনোভাবে দাম বাড়ানো যৌক্তিক হবে না। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর শুনানিতে অংশ নিয়ে গ্রাহকরা দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেন। শুনানিতে কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার ভর্তুকি দিতে চায় কিনা। বিদ্যুৎ খাতে সরকারের বিদ্যমান ভর্তুকি রয়েছে, সরকার তা অব্যাহত রাখতে চায় কিনা, তা জানা দরকার। 

 পাইকারিভাবে বিদ্যুতের দাম ৩ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৫৬ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এতদিন সরকার ৩ টাকা ৩৯ পয়সা ভর্তুকি দিয়ে আসছিল। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাব গ্রহণ করলে সরকারের আর ভর্তুকি দেয়ার প্রয়োজন পড়বে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাব উপদেষ্টা জানতে চান, সরকার ভর্তুকি দিতে চায় কিনা। শামসুল আলম জানতে চান, ২০২১-২২ অর্থবছরে পাইকারি বিদ্যুতে আর্থিক ঘাটতি প্রায় ৩০ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। বিদ্যমান পাইকারি মূল্য হার ৫ টাকা ১৭ পয়সা। মূল্য হার ঘাটতি বিবেচনায় নিয়ে পাইকারি বিদ্যুতের রাজস্ব চাহিদা প্রাক্কলন করা হয়েছে এবং মূল্যহার ৮ টাকা ৫৮ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ঘাটতি সমন্বয়ে সরকারি ভর্তুকি বিবেচনা করা হয়নি। তার মানে যখন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করে, তখন সরকার ভর্তুকি দিতে রাজি হয়নি? সরকার কি ভর্তুকি দিতে সম্মত না? শুনানিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, বিদ্যুতের পাইকারি দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা প্রমাণের দায়িত্ব বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের। সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ ও ন্যায় সঙ্গতভাবে আদেশ দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাইকারি দাম ঘোষণা হলে খুচরার ওপর প্রভাব পড়বে।  বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বর্তমান দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে ৬৬ শতাংশ বাড়িয়ে ৮.৫৮ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। বিপিডিবি’র এই প্রস্তাব গ্যাসের বর্তমান দর বিবেচনায়। 

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে ৯.১৪ টাকা এবং ১২৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেলে ৯.২৭ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি ২ দশমিক ৯৯ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। অর্থাৎ প্রায় ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। বিইআরসি সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যুতের পাইকারি দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা নির্ধারণ করে। বিদ্যুতের একক পাইকারি বিক্রেতা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বিপিডিবি’র পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিদ্যুতে গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.১৬ টাকায়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, কয়লার মূসক বৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে ৪.২৪ টাকায়। পাইকারি দাম না বাড়লে ২০২২ সালে ৩০ হাজার ২৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোকসান হবে বিপিডিবি’র। 

অন্যদিকে, করোনা মহামারির মন্দা অর্থনীতির মধ্যে আবারো বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়লে সব কিছুইতে এর প্রভাব পড়বে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় আরও নাভিশ্বাস হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যে জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বেড়েছে।  অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মানুষ যখন তীব্র মূল্যস্ফীতির সঙ্গে টিকে থাকার সংগ্রাম করছে, ঠিক তখনই জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়িয়ে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি করেছে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে বাজারে নিত্যপণ্যের দামও হু হু করে বেড়ে গেছে। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি যেমন থমকে গিয়েছিল, একইভাবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আয়ের ওপরও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অনেকের ব্যবসাও বন্ধ হয়েছে। ফলে আয় কমে এসেছে দেশের একটি বড় অংশের মানুষের। যদি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম আবার বাড়ানো হয় তাহলে সাধারণ মানুষের ওপর বিপর্যয় নেমে আসবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাঠকের মতামত

সবই তেনার(পিতাজী'র) স্বপনের বাস্তবায়ন! অতয়েব মেনে নেরে পাগলা!! জীবন দিয়ে আর একবার প্রমান দে পিতাকে কতটা ভাল বাসিস !! একটা জয়বাংলা হয়ে যাক !!

ক্ষুদিরাম
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৬:১৮ পূর্বাহ্ন

সরকারি চাকরিতে যাদের পঁচিশ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের অবসর দিন। ৯ম গ্রেড থেকে ১ম গ্রেড পর্যন্ত বেতন কাঠামো আরো কমানো বিবেচনায় নিন। কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, সম্মানীভাতা পূনর্মূল্যায়ন করে মানুষকে নূন্যতম বাঁচার সুযোগ দিন।

শহিদ
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

মজুতদার মহাজনেরা তরাতরি বিদ্যুৎ মজুত করেন!

S.M Nayeem
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৫:০৭ পূর্বাহ্ন

জনগনের মতামতের তোয়াক্কা করে না সরকার। আমলা /কামলা দিয়ে দেশ চালালে এর চাইতে ভালো আশা করা যায় না। প্রতিটি সরকারি দপ্তরে এখন হরিলুট চলছে। দাম না বাড়িয়ে করবে কি। বেতনের টাকা আসবে কোথায় থেকে? ধন্যবাদ।

S.M. Rafiqul Islam
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৩:১৬ পূর্বাহ্ন

কোনভাবেই এই সরকার কে ক্ষমতায় থাকতে দেয়া যায়না। চুরি করতে করতে আজকের এই অবস্থা করেছে সরকার । সব চোরের আখড়া হয়েছে এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদে। আর এক মুহুর্তেও থাকতে দেয়া উচিৎ না।

হামিম
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ২:০২ পূর্বাহ্ন

সব লুটে নাও

Nam bolle chakri th
১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

চুরি ঠেকান, অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করুন, মিটারে দূর্নীতি বন্ধ করুন, সিস্টেম লস নিয়ন্ত্রনে আনুন। সর্বোপরি বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রদান বন্ধ করুন। কর্পোরেশনের একচেটিয়া অধিপত্যের জোরে দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি জনগনকে শোষনের পর্যায়ে পড়ে। জন দূর্ভোগ বাড়ালে রাজনীতিতে তার বিরুপ প্রভাব অবধারিতভাবে পড়বে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

নুতন করে এখন বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর অর্থ হবে মুমূর্ষু মানুষের ওপর বুলডোজার চালানোর সামিল। দ্রব্যমূল্যের চাপে মানুষের নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। লোডশেডিং চলছে। মানুষ বিদ্যুৎ বিভাগের সেবা সেভাবে পাচ্ছেনা, যেভাবে পেলে মানুষের কষ্ট হতোনা। লোডশেডিং- এর কষ্টের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো মানুষ ভালো ভাবে নেবেনা। বিদ্যুতের ফেরিওয়ালাদের একি হাল! তাঁরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ফেরি করার পরিবর্তে লোডশেডিং দিয়ে যাচ্ছেন। লজ্জাশরম জলাঞ্জলি দিয়ে মানুষের সামনে মুখ দেখান কিকরে! 'আদর্শ লিপির' অমর বাক্যটি এখনো মনে পড়ে- 'অহংকার পতনের মূল'। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'গর্ব আমার ইজার, অহংকার আমার চাদর, যে এদুটো ধরে টানাটানি করবে আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবো'। উন্নয়নের যে ঢাক ঢোল বাজানো হয়েছে চোখের পলকে তা বুমেরাং হয়ে যাবে তা ছিলো কল্পনার অতীত। গর্ব ও অহংকার সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর জন্য নির্ধারিত। তাই আল্লাহ তায়ালার শক্তি ও ক্ষমতা সম্পর্কে যার জ্ঞান আছে তিনি অহংকারী না হয়ে বিনয়ী হন। কিন্তু, আমরা দেখেছি আস্ফালন। কুইক রেন্টাল কোম্পানির নিজস্ব লোকজনদের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট বৃদ্ধি করে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। নিজস্ব লোকজন ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। বেশুমার, বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। উন্নয়নের ঢাক ঢোল পিটিয়ে মানুষের কানে তালা লাগার মতো অবস্থা করা হয়েছে। চোখে সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া ও ব্যংককের রঙিন রঙ ছিটিয়ে মানুষকে বিভোর করে রাখা হয়েছে কি জন্য তা এখন জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। মানুষের দৃষ্টি ও মন উন্নয়নের মহাসড়কের (?) দিকে ঠেলে দিয়ে তলে তলে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা, যা জনগণের মাথা বেচে ঋণ করে আনা হয়েছে। অবৈধভাবে টাকা তছরুপ করার ফলে সরকারের কোষাগারে এখন দেখা দিয়েছে চরম ডলার সংকট। সেই সংকট মেটাতে জনগণের পকেট কাটার ধুমধাম আয়োজন চলছে। বিদ্যুতের অভূতপূর্ব মূল্য বৃদ্ধি অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে পৃথিবীর ইতিহাসে। বলা হয়েছে নিজেদের শতভাগ চাহিদা মিটিয়ে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত আছে। তা-ই যদি হয় তাহলে এই প্রচণ্ড গরমের সময় লোডশেডিং কেনো? ছোটোখাটো মানুষ মিথ্যে বললে বড়ো ধরনের ক্ষতি হয়না। কিন্তু, দায়িত্বশীলরা অসত্য বললে বিশাল আকারে ক্ষতি হয়ে যায়। নির্ভেজাল নিয়তে যাঁরা জাতির সেবা করাকে ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন তাঁরা গর্ব, অহংকার করতে পারেননা, মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে কারো সাথে প্রতারণাও করতে পারেননা, জনগণের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ হাতিয়ে নিতে পারেননা এবং জনগণের পকেট কাটার আয়োজনও তাঁরা করতে পারেননা। করোনা মহামারি ছিলো প্রাকৃতিক। মানুষ নাস্তানাবুদ হয়ে প্রায় সর্বস্ব খুইয়েছেন। এখন সরকার করোনারা চেয়েও কঠিন আঘাত করছে মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর। সরকার নিজেরাই প্রমাণ করছেন তাঁরা জনগণের সরকার না, জনগণের জন্য না, আর জনগণের ভোটের দ্বারা তাঁরা নির্বাচিত হননি সেটা তো তাঁরাও জানেন, জনগণও জানে। কাজেই তাঁদের ব্যর্থতার দায় জনগণ নিতে পারেনা। সরকার জনগণের সমর্থন ও ভোট চায়নি। জনগণের সমর্থন ও ভোটের তোয়াক্কা না করে তাঁরা প্রশাসনকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় এসেছেন। সুতরাং, তাঁদের ব্যর্থতার ভার জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে কেনো? জনগণকে কেনো বলির পাঠা বানানো হচ্ছে? মৃত্যুর আগে আগে মানুষ নাকি বুঝতে পারে। তখন পরিবারের সদস্যদের নানান উপদেশ দিয়ে যায়। সরকারও কি বুঝতে পেরেছে জনগণের মনের ভাষা, যার ফলে জনগণের ওপর প্রতিশোধের শেষ মরন কামড়?

আবুল কাসেম
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:১৮ অপরাহ্ন

You are doing everything at will. Therefore, increase the electricity rate starting from tomorrow. No one can prevent you from doing so.

Nam Nai
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status