খেলা
প্রতিপক্ষ কোচের নাক টিপে আবারো বিতর্কে মরিনহো
স্পোর্টস ডেস্ক
৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার
বুধবার রাতে ঘরের মাঠে ইস্তাম্বুল ডার্বিতে গালাতাসারের কাছে ২-১ গোলে হার দেখে ফেনেরবাচে। সে ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর নিজের মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি ফেনেরবাচের তারকা কোচ হোসে মরিনহো। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষ কোচ ওকান বুরুকের নাক চেপে ধরে আবারো বিতর্কের জন্ম দেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এ কোচ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গালাতাসারের কোচ ওকান বুরুকের পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে হাত বাড়িয়ে নাক ধরছেন মরিনহো। এরপর বুরুক মুখে হাত দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময়ে মরিনহোকেও সরিয়ে নেয়া হয়। এদিন ম্যাচ চলাকালীন সময়েও উত্তাপ বাড়ে দু’দলে। ম্যাচে দুই দলের তিনজন ফুটবলারকে দেখানো হয় লাল কার্ড। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গালাতাসারে কোচ বলেন, ‘আমি যখন যাচ্ছিলাম সে পেছন দিক থেকে আমার নাক চেপে ধরে। নাকে একটু দাগ পড়ে গেছে। অবশ্যই এটা ভালো কিছু নয়। আমি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বেশি কিছু বলব না। কারণ এটা বুক ফুলিয়ে বলার মতো কিছু নয়।’
এ ঘটনায় গালাতাসারের সহসভাপতি মেতিন ওজতুর্ক কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। মেতিন বলেন, ‘সর্বশেষ ঘটনাটি শুধু গালাতাসারের কোচের ওপর আঘাতই নয়, এটা তুর্কি ফুটবলের ওপরই আঘাত। এটাই তো মরিনহো, আমি জানি না সে এত সাহস পায় কোথা থেকে। পৃথিবীর আর কোথায় সে এমনটা করতে পারবে কি? সে তুরস্ককে কী মনে করে?’
এ ঘটনার পর গালাতাসারে নিজেদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে কোচ বুরুকের হাস্যোজ্জ্বল এক ছবি দিয়ে লিখেছে, ‘আপনি কাউকে আঘাত করবেন না, সব হজম করে যাবেন।’
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গালাতাসারের বেঞ্চের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ‘বানরের মতো লাফাচ্ছিল’ মন্তব্য করেন ফেনেরবাচে কোচ মরিনহো। যা বর্ণবাদী আচরণ বলে অভিযোগ তোলে গালাতাসারে। এর জন্য পরবর্তীতে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয় মরিনহোকে। যদিও পরে সেটি দুই ম্যাচে নামিয়ে আনা হয়। আর মরিনহোর জন্য কারও শরীরের আঘাত করাটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১১ সালে বার্সার সহকারী কোচ টিটো ভিলানোভার চোখে খোঁচা মেরে বিতর্কিত হন সে সময়ের রিয়াল মাদ্রিদ কোচ মরিনহো।