অনলাইন
নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট প্রসঙ্গে মাহফুজ
বাংলাদেশে উগ্রপন্থার সুযোগ নিতে দেয়া হবে না
স্টাফ রিপোর্টার
(১ দিন আগে) ২ এপ্রিল ২০২৫, বুধবার, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে উগ্র ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘ওনারা (নিউ ইয়র্ক টাইমস) বলতেছে যে, এখানে চরমপন্থা বা উগ্রপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরিস্থিতির কারণে, হাসিনার চলে যাওয়ার কারণে। আমরা মনে করি যে, এই সুযোগ নিতে দেয়া হবে না। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে অবস্থান হলো-এই সুযোগ কাউকে নিতে দেয়া হবে না। বরং বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে, গণতন্ত্র সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে আমরা খুবই বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবো। আমরা সেটা রেখেছিও বটে। আগামীতে আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশে যাতে কোনো ধরনের উগ্রপন্থা মাথা চাড়া দিতে না পারে।’
বুধবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ‘অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের জন্য আমরা যে কাজ করছি, সেটি যেন সাধন করে যেতে পারি এবং নির্বাচনের মাধ্যমে যথাসময়ে আমরা যাতে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে পারি—এটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র চাওয়া।’
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনোভাবেই উগ্রপন্থার অবস্থান বাংলাদেশে হবে না। এ ক্ষেত্রে সরকার আলোচনা করেছে, অনেক সময় সতর্কতাও দিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি বা যদি দেখি যে, আলোচনা ও সতর্কতার মাধ্যমে সমাধান হচ্ছে না, তাহলে হার্ড-লাইনে যাবো।’
এর আগে বাংলাদেশে উগ্র ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
মঙ্গলবার প্রেস উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউ ইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।
নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।
পাঠকের মতামত
উগ্রবাদী তো কায়েম করেছিলো আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্তৃত্ববাদী সরকার। সেই উগ্রবাদ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি সত্যিকার গনতান্ত্রিক পথে উত্তরণ ঘটেছে। আওয়ামী লীগের ফ্যাসীবাদী আগ্রাসী দুঃশাসনের সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলো, আলেমসমাজ। মিথ্যা জঙ্গি নাটক সাজানো ছিলো আওয়ামী পুলিশ লীগের নিত্য এজেন্ডা। সবচেয়ে বড়ো কথা নোবেল বিজয়ী ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসের হাত ধরে বাংলাদেশ এখন গনতন্ত্রের পথে হাঁটছে। এতে সন্দেহ নেই। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে তার সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই।