বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় তিন সপ্তাহের অধিক সময় বন্ধ রয়েছে মেট্রোরেল চলাচল। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড সূত্র জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত দু’টি স্টেশন ব্যবহার বাদে মেট্রোরেল চলাচলের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। মেট্রোরেলের কোচ, লাইন ও সংকেত ব্যবস্থার কোনো ক্ষতি হয়নি। তাই শিগগিরই চালু করা যাবে মেট্রোরেল। তবে এমন সময় বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে ডিএমটিসিএল’র কর্মচারীরা। তাই মেট্রোরেল চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। সূত্র বলছে, মেট্রোরেল চালু হওয়া নিয়ে ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। গত ১৮ই জুলাইয়ে সংঘাতের পর থেকে কাজীপাড়া ও মিরপুর-১০ স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ আছে। তবে যখন মেট্রোরেল চালুর সিদ্ধান্ত আসতে পারে এমন সময় কর্মবিরতিতে যায় পরিষেবাটির কর্মচারীরা। সরকার পরিবর্তনের পর তারা ৬ দফা দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা করেন। গত বৃহস্পতিবার মেট্রোরেলের উত্তরা ডিপোর সামনে মানববন্ধন করে তারা এই ঘোষণা দেন। মানববন্ধনে বলা হয়, বৈষম্যমূলক বেতন কাঠামোর ফলে প্রত্যেক কর্মচারী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মেট্রোর কর্মীরা প্রতিনিয়ত বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, যা দূর করা প্রয়োজন। দাবি আদায় না হলে তারা কাজে ফিরবেন না। ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিকের ইন্ধনে কর্মবিরতিতে আছেন মেট্রোরেলের কর্মচারীরা। তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে তার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এর আগে ১৮ই জুলাইয়ের পরও একাধিকবার কথা হয় তার সঙ্গে। তবে মেট্রোরেল চালু হওয়া কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশনের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
ডিএমটিসিএল’র ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, কর্মচারীরা কিছু দাবি তুলেছেন। তাদের এসব দাবির মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলোর ব্যাপারে আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এখন আমাদের মেট্রোরেলের অপারেশন নাই।
