ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

ড. ইউনূস, হিলারি ক্লিনটন ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি সংসদে

সংসদ রিপোর্টার

(১ মাস আগে) ২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৫:৩৫ অপরাহ্ন

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারের ওপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ দাবি জানান। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে প্রশ্ন করতে চাই, কোনও অপরাধ ছাড়া কেন এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। ইতোমধ্যে কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে, এখানে কোনও দুর্নীতি হয়নি। পদ্মা সেতু যাতে বাস্তবায়ন না হয়, এ জন্য দেশ-বিদেশি যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ড. ইউনূস, হিলারি ক্লিনটন, টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর স্যাংশন দেয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এসে নতুন করে কোনও ষড়যন্ত্র না করতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশের যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস, এতিম টাকা আত্মসাৎকারী খালেদা জিয়া এবং তার বড় ছেলে তারেক জিয়া। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছেন, তার সরকারের আমলে কেউ অপরাধ করে রেহাই পাবে না। আমি বিশ্বাস করি, যারা গরিবের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করে বিদেশের ব্যাংকে রেখেছেন, যাদের নাম পানামা পেপারস এবং প্যারাডাইস পেপারসে এসেছে, তাদের শিগগিরই দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

পাঠকের মতামত

ইহা সংসদ নয়, পাগলা গারদ! মুক্তি দাও প্রভু !

Daud
৩০ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩:২১ পূর্বাহ্ন

আমরা দায়িত্ব পাওয়ার আগে ভালো থাকি,দায়িত্ব পাওয়ার পরে পাগল হয়ে যাই।

Mohiuddin molla
২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

এই ধরনের রংগশালা বন্ধ থাকলে ভালো হয়।

Siddq
২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ৪:০৯ পূর্বাহ্ন

সংসদ মনে হচ্ছে পাগলদের পান শালা।মনে যা চায় তাই বলা যায় ।কয়েক দিন বাদে মনে হয় মনে যা চায় তাই করেও দেখাবে ওরা কারন ওদের গনতন্ত্রে যা ইচ্ছা তা করা ও বলা যায়।

Shahiduzzaman
২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ২:৫৬ পূর্বাহ্ন

নিজের চরকায় তেল দিন ভাই। দেখলাম আপনার আগে শিল্পী মমতাজ সংসদে গান গাইছেন আর একজন সংসদ সদস্য কবিতা আবৃত্তি করছেন। সংসদ ভবন কি এখন থিয়েটার বানিয়ে ফেলেছেন। আপনারা যাদের নামে নিষেধাজ্ঞা দিতে চান , তাদের পায়ের নখের যোগ্যতা আপনাদের আছে? আপনাদের তো দুনিয়ার কোথাও জায়গা হবে না। দয়া করে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষেরা বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে যে রেমিটেন্স পাঠায় এদের কোনো ক্ষতি করবেন না।

Azad
২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ১:৩৯ পূর্বাহ্ন

হে হে হে বাংলাদেশে থাকা শেরি এবং হিলারির সব সম্পদ জব্দ করা হোক।

সৈয়দ মুরাদ
২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের জন্ম লগ্নে আমেরিকা বিরোধিতা করেছিল । পাকিস্তান কে সমর্থন করে । এখন ও তা অব্যাহত । হিলারি ক্লিনটন সব সময় বাংলাদেশের শত্রুতা করেছে । আল্লাহ্ 'র অশেষ মেহেরবানি নির্বাচনে জিততে পারেনি তাই ক্ষতি করতে পারে নি । ইরাক আক্রমণ কালে টনি ব্লেয়ারের আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল বুশের তাবেদার। তার বউ হিলারির সুরে সুর মিলিয়ে বিরোধিতা করেছে। বৃটিশ সাম্রাজ্যে সূর্যাস্ত হত না । সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন আমেরিকার তাঁবেদার এ পরিণত হয় তখন খুবই দুঃখজনক ।

Kazi
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

জো বাইডেনের নামটাও অন্তর্ভুক্ত করা হোক ........

Wasim Uddin
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:০৮ অপরাহ্ন

এই সময়ের মধ্যেই তো লাখ লাখ কোটি টাকা পাচারের খবর প্রচার হচ্ছে। পদ্মা সেতুর অতিরিক্ত বাজেট বৃদ্ধি হওয়ার যৌক্তিক কারণ, কতো টাকার জিনিস কতো টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে, বালিশ কাণ্ডের মতো কিছু ঘটেছে কিনা তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হোক।

আবুল কাসেম
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৪:৫৫ অপরাহ্ন

এরা সব গুলোই imbalance ? নিষেধাজ্ঞা দেয় কি জন্য, লাভ ক্ষতি কি ? ধারনা নিয়ে নিতে হয়, লোক হাসানো আর সস্তা বাহবা পেতে পেতে এগুলো সাধারণ জ্ঞান বিলুপ্ত প্রজাতি হয়ে গেছে।

দেখক
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ২:২৪ অপরাহ্ন

পদ্মা সেতু একটি সম্মিলিত জাতীয় বহুল কাংখিত সম্পদ এবং বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশ যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে জানে তার একটা শুভ বারতা বহন করছ।শত বাঁধা বিপততি পেরিয়ে যে মূল্যেই হোক না কেন এটা এখন প্রতিষ্টিত সত্য হয়ে ইনশাআল্লাহ পদ্মার বুকে দিরশ্যমান থাকবে।এই অর্জন পুরো জাতির অর্জন এবং বাংলাদেশের ১৯৭১ এর স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় অর্জন ।কোন বড় কাজে হাত দিলে তার বিরোধিতা থাকবে ভিন্ন মত ভিন্ন পথ থাকবে কিন্ত সমস্ত বাঁধা অতিক্রম করে চির সত্য যে পদ্মার বুক চিরে আজ বাংলাদেশের গৌরবের সাথে সেতু বহমান। টাকা হয়তো বেশি লাগতে পারে কিন্ত অনেক কাংখিত সেতুতো হয়েছে।যে প্রসংগে লিখতে চাই তা হচ্ছে -সরকারি দলের আরো উদার বকতব্য সংসদে হওয়া উচিত ।জাতীর এই খুশির মূহুর্তে আশা করি এবং বিনয়ের সাথে বলতে চাই ডঃ ইউনুসও বহিরবিশবে আমাদের আরেক গৌরবের জায়গা এই মূহুর্তকে সারা জাতির সাথে আনন্দের সাথে উদারতার সাথে পিছনের তিক্ততা ভুলে পুরাতন কথা যেমন বিশ্ব ব্যাংক হিলারি আজ আবার মিসেস টনি বলয়ার যোগ হয়েছেন এদের সমালোচনা করে বাহবা পাওয়ার মধ্যে কিছু নেই। আজ কথা একটাই -বর্তমান সরকারের বড় সাফল্য পদ্মা সেতু দিরশ্যমান এবং জনগন এর সুফল ভোগ করা শুরু করে দিয়েছে ।আমরা যেন আমাদের চোখকে সামনের দিকে প্রসারিত করতে পারি পিছনের দিকে নয় ,পিছনের দিনগুলিতে কে কি করেছিলো তা দিয়ে ইতিহাস রচিত হবে না ।ইতিহাসে কেউ চাইলেই কি না চাইলেই কি বর্তমান আওয়ামি লিগ সরকারের এবং শেখ হাসিন সরকারের আমলে পদ্মা সেতুর কাজ সমাপ্ত হয়েছে এটাই চির সততার সাথে লিখিত হবে ।কাজেই আসুন পুরানো তিক্ত সিরিতির কথা জাতীয় সংসদ গরম না করে এই আনন্দময় সময়ে আগামীদিনের দক্ষিন অনচলের ২১ টি জনপদে কি ভাবে ধারাবাহিক উন্নয়ন করা যায় সেটা নির্ধারণ করি যেমন চায়নায় সাতটি শহরকে বিভিন্ন ধরনের ইনডাসটিরিয়াল সিটিতে রুপদান করে উন্মুক্ত করা হয়েছে আমরাও পর্যটন খাতে কুয়াকাটা ,মৎস খাতে পটুয়াঁখালি ,খেপুপাডা, কাঁচা ফল মূলের জন্য বিখ্যাত অনচল ভিত্তিক মর্ডানাইজ মিল কারখানা করে তা দেশীও ও আন্তর্জাতিক ভাবে রপ্তানির যে দূয়ার উন্মোচিত হয়েছে তার সুফল ভোগ করি। সুস্হ সমালোচনা করুন ব্যাকতি আক্রমণ করে নিজেদের সংকিরনোতার পরিচয় দিবেন না মনে রাখবেন যারা সবসময় সমালোচনা করে তাদের আসলে কাজ করার কোন মুরোদ নেই। জাতীর এই প্রাপ্তির লগ্নে আসুন সব ভুলে পদ্মার সেতুকে নিয়ে বাংলার স্বাধীনতার নূতন প্রতিকের এই সুন্দরতম স্তাপনা নিয়ে আনন্দ উদযাপন করি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করি।

Mustafa Ahsan
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১:০৪ অপরাহ্ন

এমন কিছু করা বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। খোপ ঝারা হবে আর কিছু হবে না, বরং উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশী হবে।

SJ
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:৫২ অপরাহ্ন

There is a saying in the western world, "if you find yourself in a hole, stop digging." It is because digging a hole makes it deeper and therefore harder to get out of, which is used as a metaphor: When in an untenable position, it is best to stop making the situation worse. However, the BAL people are doing exactly opposite to that, i.e., digging the hole deeper. They don't realize that Bangladesh is not like Russia and China who can stand up against the western world.

Nam Nai
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status